Logo
শিরোনাম

আফগানিস্তানের ১৮ প্রদেশে বন্যা, নিহত ৪০০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানজুড়ে সাম্প্রতিক বন্যায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। বুধবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। খবর টোলো নিউজের।

মন্ত্রণালয় জানায়, বন্যার কারণে নাগরিকদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মৌলভী শরাফুদ্দিন মুসলিম বলেন, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। যাদের ঘর বন্যায় ধ্বংস হয়ে গেছে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের জন্য করা হয়েছে তাঁবুর ব্যবস্থা।

বেশ কয়েকদিন ধরে দেশটির বিভিন্ন প্রদেশে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। বন্যাও হয়েছে অনেক জায়গায়। বন্যায় ডুবেছে কুনার, নানগারহার, নূরিস্তান, লাঘমান, পাঞ্জশীর, পারওয়ান, কাবুল, কাপসিয়া, ময়দান ওয়ারদাক, বামিয়ান, গজনী, লোঘার, সামানগান, সার-ই-পুল, তাখার, পাকতিয়া, খোস্ত ও দাইকুন্দি প্রদেশ।

কুন্দুজ প্রদেশের বাসিন্দা আহমাদুল্লাহ বলেন, হাজার হাজার একর জমি বন্যায় তলিয়ে গেছে। এখনও কিছু জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত। আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশের ১৮টিতেই হওয়া আকস্মিক বন্যায় এ পর্যন্ত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নানগারহার প্রদেশের বাসিন্দা হামিদুল্লাহ সিনওয়ারি বলেন, গত রাতে ভারী বর্ষণের ফলে একটি ঘরের ছাদ ধসে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

এদিকে বুধবার দেশটিতে ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত দেড় হাজার। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহায়তার  আবেদন জানিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার।


আরও খবর



পদ্মা সেতু পারাপারে কড়াকড়ি, কমেছে যান চলাচল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধের পাশাপাশি পদ্মা সেতু পারাপারে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে করে পদ্মা সেতু পার হওয়া যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকাল থেকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে টোলপ্লাজায় অনেকটাই যানবাহন শূন্য দেখা যায়। মোটরসাইকেল ছাড়াও ছোট যানবাহন এবং বাসের সংখ্যাও ছিল খুবই কম।

জানা গেছে, পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনার পর থেকে সেতু কর্তৃপক্ষ, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রম জোরদার এবং কঠোর হয়েছে। টোল প্লাজার অদূরে কিছু সংখ্যক মোটরসাইকেল থাকলেও তাদের পিকআপ ভ্যানে করে মোটরসাইকেল নিয়ে পাড়ি দিতে হচ্ছে সেতু।


বাংলাদেশ সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন জানান, পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল পারাপারে নিষেধাজ্ঞার কারণে টোলপ্লাজায় এলাকায় যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। তবে, অন্যান্য যানবাহন পদ্মা সেতু দিয়ে পাড়ি দিতে পারছে।

সূত্র জানায়, পদ্মা সেতু চালুর দ্বিতীয় দিনে পার হওয়া যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সোমবার ভোর ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় মোট ৪ হাজার ৪৬৮টি যানবাহন পদ্মা সেতু পার হয়েছে। রোববার একই সময়ে মোট ১৫ হাজার ২০০টি যানবাহন সেতু পার হয়েছিল।

সোমবার (২৭ জুন) ৮ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ৫৮ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা। আর রোববার (২৬ জুন) একই সময়ে টোল আদায় হয়েছিল ৮২ লাখ ১৯ হাজার টাকা।

সেতুতে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীকে টহল দিতে দেখা গেছে। সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধের পাশাপাশি হেঁটেও কাউকে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ যেন অনিয়ম না করে সেজন্য নিয়মিত টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী। যান চলাচল শুরুর দ্বিতীয় দিনে অনেকটাই চাপশূন্য পদ্মা সেতুর মুন্সিগঞ্জের মাওয়া টোল প্লাজা। মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কড়াকড়ি অবস্থানে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 


আরও খবর



গাইবান্ধায় পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে আহসান মিয়া (৫) ও বায়েজিদ হোসেন (৪) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই। শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নে খামার ধুবনী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহসান উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সমস গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবং বায়েজিদ খামার ধুবনী গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে আহসানকে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায় বায়েজিত। একপর্যায়ে বায়েজিদ পুকুরের মাঝখানে ডুবে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহসানও পানিতে ডুবে যায়। আশপাশের শিশুদের চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ছুটে এসে তাদের মৃত অবস্থায় পুকুর থেকে উদ্ধার করে।

শান্তিরাম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এবিএম মিজানুর রহমান খোকন জানান, ঘটনার সময় জুম্মার নামাজ চলছিল। তাই বাড়ির পুরুষ সদস্যরা সকলেই মসজিদে ছিলেন। বাড়ির নারী সদস্যরা পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



পোশাক নিয়ে কথা বলায় আইনমন্ত্রীর প্রতি রুমিন ফারহানার ক্ষোভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে পদ্মা অধিবেশন নামকরণ করতে বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার দেওয়া বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

পদ্মা সেতুকে স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অবকাঠামো উল্লেখ মন্ত্রী বলেন, আমরা পদ্মা সেতু নিয়ে কথা বলবো না কী নিয়ে কথা বলবো? আমরা কি উনার (রুমিন ফারহানা) কাপড়-চোপড় নিয়ে কথা বলবো? আমি তো তা করবো না।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে রুমিন ফারহানার ছাঁটাই প্রস্তাবের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আগের দিন অর্থ বিল পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেছিলেন, চলতি অধিবেশনকে পদ্মা সেতু অধিবেশন বা বিএনপি অধিবেশন বলা যায়।

ওই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা নাকি এখানে (সংসদে) খালেদা জিয়াকে বকাবকি করি। আমরা নাকি পদ্মা সেতু নিয়ে বেশি বেশি কথা বলছি। এটা নাকি ছিল সংসদের কাজ। আমরা এই সংসদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আলাপ করেছি। পদ্মা সেতু অবকোর্স বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট অ্যাচিভমেন্ট। জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দেওয়ার পরে যদি কোন ঐতিহাসিক তৎপর্যপূর্ণ স্থাপনা হয়ে থাকে, সেটা হচ্ছে পদ্মা সেতু।

জননিরাপত্তা বিভাগের বরাদ্দের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাব দেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলনে, যুক্তিবিদ্যার সবচেয়ে বড় ফ্যালাসি হচ্ছে যখন কোন যুক্তি থাকে না, তখন ব্যক্তিগত আক্রমণ করা। যখন যুক্তি থাকে না, তখন ব্যক্তিগত আক্রমণ আসে। উনি যুক্তি না পেয়ে আমার পোশাক নিয়ে আলোচনা হবে কিনা, এমন অভব্য বক্তব্য দিয়েছেন, যা আমরা আইনমন্ত্রীর কাছে আশা করি না। প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, সংসদের স্পিকার একজন নারী। এই বক্তব্য পুরো সংসদের জন্য লজ্জার।


আরও খবর



সিলেটে পানিবন্দি লাখো মানুষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এক মাসের মধ্যে ফের বন্যার কবলে পড়েছেন সিলেটের লক্ষাধিক মানুষ। নগরের প্রায় ৫০টি এলাকার বাসা-বাড়ি ও সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর ঘাসিটুলা, কলাপাড়া, শামীমাবাদ, ডহর, তালতলা, কালিঘাট, সোবহানীঘাট, শাহজালাল উপশহর, তেররতন, হবিনন্দি, সাদিপুর, বোরহানবাগ, শিবগঞ্জ এলাকার রাস্তাগুলো পানিতে ডুবে গেছে। বেশ কিছু বাসায় পানি ঢুকে পড়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন অনেক পরিবার।

এদিকে ফের বন্যা দেখা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়নি। তবে প্রস্তুতি আছে বলে জানিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন। প্রয়োজন দেখা দিলেই সময়মতো খোলা হবে হবে আশ্রয়কেন্দ্র।

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, নগরের বেশ কয়েকটি এলাকার রাস্তা-ঘাট, বাসা-বাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করেছে। বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আশ্রয়কেন্দ্র খোলাসহ বন্যা পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে নগর ভবনে সভা চলছে। আমাদের সব প্রস্তুতি রয়েছে।

তিনি জানান, বন্যা দেখা দেওয়া এলাকাগুলোতে এখনও বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়নি। এমন পরিস্থিতি হলে সিসিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পানি বাড়ছে কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টেও। বৃহস্পতিবার দুপুর দশমিক ৩২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার বিকেল ৩টায় কুশিয়ারার এ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

এছাড়া একই সময়ে সিলেটের জৈন্তাপুরে সারি নদী বিপৎসীমার দশমিক ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবারের তুলনায় সারি নদীর এ পয়েন্টে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত পানি কমেছে দশমিক ৫ সেন্টিমিটার।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ সাইয়িদ চৌধুরী জানান, আরও পাঁচদিন সিলেটে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তাছাড়াও সিলেটের গোয়াইনঘাট, সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজারের উজানে ভারতে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যার কারণে পাহাড়ি ঢল নামছে।


আরও খবর



৭ বিভাগে প্রবল বজ্রপাত ও অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের সাতটি বিভাগে প্রবল বজ্রপাত ও অতিভারী বর্ষণের সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এছাড়া ১৯ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার রাতে এমন সতর্কতা দিয়ে আবহাওয়া অফিস জানায়, বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে মঙ্গলবার (২১ জুন) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও প্রবল বজ্রপাতসহ ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (৮৮ মিলিমিটার বা তার অধিক) বর্ষণ হতে পারে। অতিভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার, যা অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া আকারে ঘণ্টায় ৩০-৪০ পর্যন্ত বেগে বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী দুদিন বৃষ্টিপাতের বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। বর্ধিত পাঁচদিনে কিছুটা কমবে।

এদিকে অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সোমবার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে ১৩৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া টেকনাফে ১২৮, সীতাকুণ্ডে ১১১, সন্দ্বীপে ৯৩ , রাঙামাটিতে ৯২ মিলিমিটার বর্ষণ হয়েছে। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১২ মিলিমিটার।

 

নিউজ ট্যাগ: অতিভারী বর্ষণ

আরও খবর