Logo
শিরোনাম

আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহেন্সবার্গ শহরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। নিহতের নাম সালাউদ্দিন রায়হান (৩৫)। বর্তমানে নিহতের মৃতদেহ আফ্রিকার একটি হিমাগারে রাখা হয়েছে। নিহতের গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে।

শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, নিহতের ছোটভাই মোসলে উদ্দিন রোমন। নিহত সালাউদ্দিন রায়হান নোয়াখালীর সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নে মতিপুর গ্রামের মোহাম্মদ সোলায়মানের ছেলে। ৪ ভাই ও ১ বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন রায়হান।

মোসলে উদ্দিন রোমন জানান, জীবিকার সন্ধানে গত ১৪ বছর আগে আফ্রিকায় যান রায়হান। পরে জোহেন্সবার্গের বারাত এলাকায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। কয়েক বছর আগে ছোটভাই নিজাম উদ্দিন বাবুকে ওইখানে নিয়ে যান তিনি। বর্তমানে রায়হানের তত্ত্বাবধানে জোহেন্সবার্গে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার শেয়ারদার রয়েছেন কয়েকজন। রায়হান ও বাবু মিলে একটি প্রতিষ্ঠান দেখাশুনা করে। সবশেষ গত ছুটিতে আসার পর গত একমাস আগে দেশ থেকে আফ্রিকায় গিয়েছিলেন রায়হান।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সময় বুধবার (১১ মে) দিবাগত রাত ৮টার দিকে শহর থেকে দোকানের জন্য পণ্য ক্রয় করে গাড়িযোগে দোকানের সামনে আসে রায়হান। দোকানের পাশে গাড়িটি পাকিং করে নামার সময় আগ থেকে উৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে ১৫-২০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। মুহূর্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটে পড়েন তিনি। গুলির শব্দ শুনে দোকানের ওপরে থাকা নিজাম উদ্দিন বাবু ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে তারা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রায়হানকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আগামী ২-৩ দিনে মধ্যে তার মৃতদেহ দেশে আনার চেষ্টা চলছে।

নিউজ ট্যাগ: দক্ষিণ আফ্রিকা

আরও খবর



‘সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তে ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।  নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩ শ্রমিক নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ জন। বৃহস্পতিবার ভোরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ বাইপাস সড়ক মোড়ের জিন্দা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার শিকতা গ্রামের আবদুল মজিদ (৪৫) ও মো. আয়েদ এবং শহিদুল ইসলাম (৫০)। তারা সবাই ধানকাটা শ্রমিক। হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার অমিত সূত্রধর দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গাজীপুর হাইওয়ের নাওজোর থানার উপপরির্দক (এসআই) মো. ফরিদুজ্জামান জানান, ওই শ্রমিকরা কুমিল্লায় ধান কাটা শেষে রাতে টিন বোঝাই ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। এটি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ বাইবাস হয়ে যাচ্ছিল। পথে জিন্দাপার্ক এলাকা থেকে ১০০ গজ উত্তরে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা ভুট্টাবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়।

এ সময় ট্রাকের উপরে থাকা টিনে কাটা পড়ে ওই তিনজন ঘটনাস্থলেই নিহত ও পাঁচজন আহত হন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আহতদেরও একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


আরও খবর



পি কে হালদার আরও ১০ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর (ইডি) এর হাতে গ্রেফতার হওয়া প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) আরও ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপের রিমান্ড শেষে আজ মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হয়।

গত শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের ১১ টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। ২০০২ সালের 'প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট' (পিএমএলএ) এর অধীন গ্রেফতার হওয়া পি কে হালদার ছাড়াও গ্রেফতার অন্য অভিযুক্তরা হলেন প্রাণেশ কুমার হালদার, স্বপন মিত্র ওরফে স্বপন মিস্ত্রি, উত্তম মৈত্র ওরফে উত্তম মিস্ত্রি, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শারমিন হালদার। গ্রেফতারকৃত ৬ জনকেই শনিবার পিএমএলএ' এর আওতাধীন বিশেষ আদালতে তোলা হলে ৫ জনকে ইডির রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং একজনকে জেল হেফাজতে পাঠানো হয়।

ইডি জানিয়েছে, পি কে হালদারের বিরুদ্ধে কেবল একটি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে সেটি হল "প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-২০০২"। অর্থপাচার সম্পর্কিত এই আইনের ৩ ও ৪ ধারায় মামলা করা হয়েছে গ্রেফতারকৃত ছয় জনের বিরুদ্ধে। তাদের কেস নম্বর ECIR No- KL20-II-16/22 dated-17.05.2022 special (CBI-1)। 


আরও খবর



পানমশলার বিজ্ঞাপনে কয়েক কোটির প্রস্তাব ফেরালেন ‘কেজিএফ ২’-র তারকা

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সদ্য অনুরাগীদের ক্ষোভের আঁচে পুড়েছেন অক্ষয়কুমার। শেষমেশ ক্ষমা চেয়ে এক পানমশলা সংস্থার প্রচার-দূতের ভূমিকা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অভিনেতা। আশ্বাসও দিয়েছেন ভবিষ্যতে তামাক, পানমশলার বিজ্ঞাপন থেকে দূরে থাকবেন। এ বার আগেভাগেই একই পথে হাঁটলেন কেজিএফ ২ ছবির নায়ক। কন্নড় তারকা ইয়াশ ফিরিয়ে দিয়েছেন আর এক পানমশলা সংস্থার বিপুল টাকার প্রস্তাব।

কেজিএফ ২-এর সাফল্য তাঁকে বলিউডেও জনপ্রিয়তার স্বাদ দিচ্ছে। একাধিক বিজ্ঞাপনের জন্য ইতিমধ্যেই চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ইয়াশ। পানমশলা সংস্থাটি বিজ্ঞাপনের জন্য তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েক কোটি টাকার চুক্তি করতে চেয়েছিল। শোনা যাচ্ছে, এক কথায় সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন কন্নড় অভিনেতা। যশ নিজে এ নিয়ে মুখ না খুললেও তাঁর বিজ্ঞাপনী চুক্তির দায়িত্বে থাকা সংস্থার তরফে খবরে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে।

যশের বিজ্ঞাপনী চুক্তি তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা ওই সংস্থা ইতিমধ্যেই একটি বিবৃতি জারি করেছে।সংস্থার প্রধান অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ওই পানমশলা সংস্থা ১০ কোটি টাকার বেশি অঙ্কের চুক্তি প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁরা খেয়াল রাখছেন ইয়শের কোনও বিজ্ঞাপন সমাজে যেন কোনও ভুল বার্তা না দেয়। সে কথা মাথায় রেখেই তারকার বিজ্ঞাপনী চুক্তি বাছাই করছে সংস্থা।

তামাকজাত পণ্য বা পানমশলার বিজ্ঞাপন ইতিমধ্যেই জনরোষের মুখে দাঁড় করিয়েছে জনপ্রিয় অভিনেতা অক্ষয়কে। সেই পরিস্থিতিই এড়াতে চায় ইয়াশের বিজ্ঞাপন-বিষয়ক ওই সংস্থা।


আরও খবর



সিপাহী বিদ্রোহে নিহত ২৮২ ভারতীয় সেনার দেহাবশেষের সন্ধান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতাযুদ্ধে (সিপাহি বিদ্রোহে) অংশগ্রহণকারী ২৮২ জন ভারতীয় সৈন্যের কঙ্কাল অমৃতসরের কাছে নৃতাত্ত্বিক খননকাজের সময় পাওয়া গেছে। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. জে এস সেহরাওয়াত এ তথ্য জানিয়েছেন। 

খবরে বলা হয়েছে,  ১৮৫৭ সালে বন্দুকের কার্তুজে শূকর ও গরুর মাংসের চর্বি ব্যবহারের প্রতিবাদে বিদ্রোহ করেছিলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ভারতীয় সেনারা।

ডক্টর জে এস সেহরাওয়াত বলেন, এই সেনারা ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম স্বাধীনতাসংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন। ২৮২ সেনার দেহাবশেষ পাঞ্জাবের অমৃতসরের কাছে আজনালায় একটি ধর্মীয় স্থাপনার নিচে খননের সময় পাওয়া গেছে।’

তিনি বলেন, গবেষণা বলছে, সেনারা কার্তুজে শূকর ও গরুর চর্বি ব্যবহারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। উদ্ধার হওয়া মুদ্রা, মেডেল, ডিএনএ গবেষণা, মৌলিক বিশ্লেষণ, নৃতাত্ত্বিক, রেডিও-কার্বন পরীক্ষা ও অন্যান্য সব বিষয় একই দিকে ইঙ্গিত করছে।’

১৮৫৭ সালের ওই বিদ্রোহকে কিছু ইতিহাসবিদ ভারতের স্বাধীনতার প্রথম যুদ্ধ বলে অভিহিত করেন। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত কিছু ভারতীয় সিপাহী ওই বিদ্রোহ করেছিলেন।


আরও খবর