Logo
শিরোনাম

আইসিটি-আউটসোর্সিংয়ে জরুরি সেবা চান উদ্যোক্তারা

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ১১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং আউটসোর্সিং সেবাসহ সফটওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিষেবাকে (আইটিইএস) জরুরি সেবাখাতে অন্তর্ভুক্তি করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ী ও কর্মীরা। 

বর্তমান সময়ের লাইফলাইন এই খাতকে জরুরি সেবার আওতায় না এনে এটিকে বন্ধ করে রাখলে ভোগান্তিতে পড়বে সাধারণ জনগণ। দেশ হারাবে আন্তর্জাতিক বাজার, এমনটাই বলছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

দেশের সফটওয়্যার ও আইসিটি খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, গত বছরের লকডাউনের সময় থেকে এখন পর্যন্ত দেখেন আইসিটি খাত কী অবদান রাখছে। আমরা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে সেগুলো বলছিও। তাহলে যে লাইফলাইন এর ওপর পুরো দেশ-অর্থনীতি সচল হয়ে আছে সেটিকে জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হবে না কেন? আমরা এটিকে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

আইটি-আইসিটি খাতকে জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত না করার ক্ষতিকর দিক কী এমন প্রশ্নের জবাবে আলমাস বলেন, এখন দেখেন সবকিছু প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে। সবকিছুই প্রায় সফটওয়্যারে চলছে। এই সফটওয়্যারকে সচল রাখতে ব্যাক অ্যান্ড সাপোর্ট দিতে হয়। ধরেন একটা হাসপাতাল এখন পুরোপুরি সফটওয়্যার কেন্দ্রিক। সেই সফটওয়্যারকে সাপোর্ট দিতে হয়। এখন যদি এই খাত জরুরি সেবার আওতাভুক্ত না হয় তখন এই কাজগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এতে করে সাধারণ মানুষই সব থেকে ভোগান্তিতে পড়বে। এই খাতের সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তাদের সহজ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে আলমাস বলেন, ইউরোপ-আমেরিকা কিন্তু তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম খুলে দিয়েছে। এদের আউটসোর্সিং কাজের বড় অংশ হয় বাংলাদেশ থেকে। আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলো কলসেন্টার, সিকিউরিটি সেটআপ তৈরি করে রেখেছে যেখানে একসাথে কর্মীরা সমন্বিতভাবে তাদের গ্রাহকদের জন্য কাজ করেন। এখন যদি আমাদের দেশে এই সেবা বন্ধ থাকে, কর্মীরা যদি অফিসে আসতে না পারে তাহলে আমরা আন্তর্জাতিক এই গ্রাহকদের হারাবো। কারণ আমরা বন্ধ থাকলেও ভিয়েতনামের মতো দেশ কিন্তু বন্ধ নেই। গ্রাহকেরা সেখানে চলে যাবে। ফলে বিদেশে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে এবং আমরা আন্তর্জাতিক বাজার হারাবো।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা যারা কল সেন্টারে আছি তারা বিটিআরটর (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছি। এই চিঠিতে আমরা এবং মোবাইল অপারেটরসহ এই খাতের সবাইকে একসঙ্গে একটি অস্থায়ী অনুমতি দেওয়া হয়েছে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ও কর্মীদের চলাচলের জন্য। কিন্তু এটা সাময়িক এবং অস্থায়ী একটা বিষয়। আমরা এই খাতকে স্থায়ীভাবে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।

তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, মনে করেন একজন বেসিস বা বাক্যের সদস্য না কিন্তু তিনি এই খাতের উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী। এখন অস্থায়ী চিঠি তো আমাদের মতো সংগঠনগুলোর সদস্যদের দিয়েছে। তাহলে তার কী হবে? আমাদের সেবা যদি এবার বন্ধ রাখতে হয় তাহলে সব কোম্পানি স্রেফ বন্ধ হয়ে যাবে। ভারত, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম খোলা আছে। সব ক্লায়েন্ট ওখানে চলে যাবে। গত লকডাউনে আমার প্রতিষ্ঠানে ৫৬ জন কর্মীকে ছয় মাস অফিসে রেখে কাজ চালু রেখেছি। এটা তো প্রতিবার আর সবাই করতে পারবে না।


আরও খবর



বেনাপোলে ভারতফেরত ৪৩৯ বাংলাদেশি কোয়ারেন্টাইনে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার ভারতীয় ধরন রোধে বাংলাদেশ স্থলপথে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ১৪ দিন বন্ধ ঘোষণা করলেও আটকেপড়া যাত্রীরা দূতাবাসের বিশেষ অনুমতি নিয়ে ফিরছেন।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা বেনাপোল পৌর এলাকায় সাতটি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত তিনজন। এরা ভারতে গিয়ে করোনা পজিটিভ হন। তবে নতুন করে এ পথে কোনো পাসপোর্টধারী ভারত ও বাংলাদেশে ঢোকেনি।

নিষেধাজ্ঞা পরবর্তীতে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভারতে আটকে পড়া ৪৩৯ বাংলাদেশি বেনাপোল স্থলপথে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরেছেন ৬৭ যাত্রী। তবে আগত বাংলাদেশিদের মধ্যে তিনজন পজিটিভ।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনারের ছাড়পত্র থাকায় আটকে পড়া যাত্রীদের ৪৩৯ জন ভারত থেকে ফিরেছেন। ভারতীয় নাগরিক ফিরেছেন ৬৭ জন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাংলাদেশি কোনো পাসপোর্টধারী যাত্রী নতুন করে ভারতে যায়নি এবং ভারত থেকেও ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসেনি।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণাঞ্চলগামী মানুষের ঢল

প্রকাশিত:বুধবার ১২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সকলের লক্ষ্য যেভাবে হোক বাড়ি যেতে হবে। অন্যদিকে ফেরিঘাটের আশপাশে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জেলে নৌকাসহ ট্রলারে পদ্মা পার হওয়ার চেষ্টা করছেন যাত্রীরা

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে ঈদ কেন্দ্র করে দেশের দক্ষিণবঙ্গের ঘরমুখী মানুষের ঢল নেমেছে। বুধবার (১২ মে) ভোর থেকেই গন্তব্যের উদ্দেশে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন যাত্রীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় আরও বাড়ছে। অনেকটাই জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে এই ভিড়।

ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ঘরমুখী মানুষের ঢল সামলাতে শিমুলিয়া ঘাটে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা। এরপরও মানুষের ঢল থেমে নেই। সকলের লক্ষ্য যেভাবে হোক বাড়ি যেতে হবে। অন্যদিকে ফেরিঘাটের আশপাশে থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জেলে নৌকাসহ ট্রলারে পদ্মা পার হওয়ার চেষ্টা করছেন যাত্রীরা।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ফেরিঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৩টি চলছে। তবে ঘাট পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে পণ্যবাহী ৪ শতাধিক গাড়ি। কোনোভাবেই জনস্রোত ঠেকানো যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, ঘরমুখী যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। এই অনুমতির পর শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখী মানুষের চাপ বেড়েছে।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীর ১৮ জনের করোনা পজিটিভ

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ মে ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সীমান্ত বন্ধ হলেও গত ৯ দিনে আটকা পড়া একাহাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছে এবং ভারতে ফিরে গেছে ১৪৭ জন। এই সময়ে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ১৮ জন বাংলাদেশি করোনা পজিটিভ হয়ে দেশে ফিরেছেন। বুধবার (৫ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব। তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার ভারতের করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণ রোধে ২৬ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

এতে করে ভারতে আটকা পড়ে কয়েক হাজার বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী। সেসব আটকা পড়া পাসপোর্ট যাত্রীদের নিজ দেশে ফিরতে হলে কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি নিয়ে ও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আরটিপিসিআর ল্যাবের করোনা টেস্টের সনদ নিয়ে দেশে ফেরার নির্দেশনা দেন বাংলাদেশ সরকার। সেই মোতাবেক গত ৯ দিনে একহাজার ৫৮০ জন বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রী দেশে ফিরেছেন এবং বাংলাদেশে আটকা পড়া ১৪৭ জন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী দেশে ফিরে গেছেন।

তিনি আরও জানান, বেনাপোল ও যশোরের আবাসিক হোটেলের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে জায়গা না থাকায় এখন থেকে খুলনার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। যেসব যাত্রী করোনায় আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে দেশে ফিরছেন তাদের যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে করোনা ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতের করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণ রোধে ২৬ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. আবু তাহের জানান, করোনা সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশ সরকার ২৬ এপ্রিল থেকে ১৪ দিন ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে যারা ভারতে আটকা পড়েছে শুধু তারাই কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি নিয়ে দেশে ফিরছেন। এছাড়া সেসব পাসপোর্ট যাত্রীরা দেশে ফিরছেন তাদের বাধ্যতামূলক বেনাপোলের সব আবাসিক হোটেল, ঝিকরগাছার গাজিরদরগা এতিমখানায়, যশোরের বিভিন্ন হোটেল এবং খুলনার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে।


আরও খবর

আজ কলাপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন!

বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১




স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর কথা ভাবছে সরকার

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন চলমান লকডাউনের পরে জনস্বার্থ বিবেচনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে সরকার গণপরিবহন চালুর সক্রিয় চিন্তা ভাবনা করছে। তিনি লকডাউন শিথিল হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাস্ক, হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আজ সকালে বরিশাল সড়ক জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএ'র কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান। তিনি তার সরকারি বাসভবন থেকে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

গণপরিবহনে অর্ধেক আসন খালি রেখে যে ভাড়া নির্ধারণ ছিল, সেই ভাড়ার অতিরিক্ত নিলে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

দেশ-বিদেশে মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে দেশ-বিদেশে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে, তার অর্থের যোগানদাতা ও পৃষ্ঠপোষকতা করছে দেশের একটি রাজনৈতিক দল।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, অপপ্রচার আর গুজবের জন্য যাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়, তাদের ব্যাপারে বিরোধী পক্ষ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরূপ সমালোচনা করে থাকে। সাইবার ক্রাইম ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সরকারের অ্যাকশনের বাইরে থাকবে, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। ডিজিটাল নিরাপত্তা জনগণকেই দিতে হবে। গুজব আর অপপ্রচার নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, প্রতিদিন বিরোধীরা সরকারের বিরুদ্ধে যা নয় তাই বলে, প্রধানমন্ত্রীকেও ছাড়ছেন না অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করতে, কিন্তু সেখানে কারও বিরুদ্ধে কি এসব বক্তব্যের কোনো প্রকার হয়রানি বা গ্রেফতার করা হচ্ছে?


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




ভারতে করোনা শনাক্তে বিশ্ব রেকর্ড, মৃত্যুও ৪ হাজার ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত ভারত। এ ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টে দেশটিতে প্রতিদিনই রেকর্ডসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত এবং মারা যাচ্ছেন। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আক্রান্ত হয়ে ৩ হাজার ৯ শতাধিক মানুষ মারা গেছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার (৭ মে) সকাল পর্যন্ত আক্রান্তে বিশ্বে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ হাজার ৯২০ জন। এরআগে বৃহস্পতিবার দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৯৮২ জন, যা এখন পর্যন্ত দেশটিতে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

এ ছাড়া দেশটিতে নতুন করে বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ১৪ হাজার ৪৩৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটিতে ৪ লাখ ১২ হাজার ৬১৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মোট সংক্রমণ হয়েছেন ২ কোটি ১৪ লাখ ৮৫ হাজার ২৮৫ জন। আর এ নিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭১ জনের।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও ১৩ হাজার ৭৪৫ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৮ লাখ ৪৪ হাজার ৩৯৯ জনের শরীরে। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩২ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪০ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ কোটি ৬৬ লাখ ৮১ হাজার ৫২৪ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ কোটি ৪৮ লাখ ৫৫ হাজার ৯০৫ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬১৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৬ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিল এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৫০ লাখ ৯ হাজার ২৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৭৬ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ লাখ ২৮ হাজার ৯০ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৫ হাজার ৮৫০ জন।

এই তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪৯ লাখ ৭৭ হাজার ৯৮২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪২ হাজার ১৮৭ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।


আরও খবর