Logo
শিরোনাম

আমদানি করা সরকার দেশের জন্য কিছুই করেনি: ইমরান খান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিক্ষার থালা নিয়ে ঘুরছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তবে কেউ তাকে একটি কানাকড়িও ভিক্ষা দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইমরান খান।

পাকিস্তানের স্থানীয় একটি টিভি চ্যানেলে দেওয়া বক্তব্যে তেহরিক-ই-ইনসাফের এই নেতা এমন মন্তব্য করেন। সম্প্রতি শাহবাজ শরিফের বৈদেশিক সফরের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, আমদানি করা এই সরকার দেশের জন্য কিছুই করতে পারেননি।

ইমরান খান বলেন, ভারতের কাছে হাত পাতার জন্য দ্বিপক্ষীয় আলোচনায়ও বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন শাহবাজ। তবে ভারত তাকে আগে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ মূলোৎপাটনের সবক দিয়েছে। এর পর ইচ্ছা হলে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ভারত। ইমরান খানের ওপর হামলার জন্য দায়ী বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার। এমন দাবি করে পিটিআইয়ের এ নেতা বলেন, শাহবাজ শরিফ, রানা সানাউল্লাহ এবং আইএসআইএসের প্রধান ফায়সাল নাসির হামলার জন্য দায়ী। এ ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চিত। 

নিউজ ট্যাগ: ইমরান খান

আরও খবর



আফ্রিকায় নির্বাচনের ব্যস্ততম বছর ২০২৩

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফ্রিকায় ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করা একসময় দুঃসাধ্য ছিল। ষাট, সত্তর বা আশির দশকে মহাদেশজুড়ে একদলীয় শাসন প্রচলিত ছিল। সে সময় নতুন নেতারা অভ্যুত্থান ঘটানো, পূর্বসূরিদের মৃত্যু বা অভিজাতদের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে ক্ষমতায় বসতেন। এমনকি নব্বইয়ের পরেও, যখন একের পর এক আফ্রিকান দেশ বহুদলীয় নির্বাচন পদ্ধতি বেছে নেয় তখনও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। ভোটাররাও খুব কমই দায়িত্বপ্রাপ্তদের এড়িয়ে চলতো। কেননা কখনও কখনও নির্বাচকরা তাদের শাসক দলগুলোর সঙ্গে যোগসাজশ রেখে চলছিল। প্রায়শই এটি এমনটি ঘটতো কারণ যারা ক্ষমতায় থাকতো তারা নির্বাচনে কারচুপি ও ভোটারদের ভয় দেখানোর জন্য রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করেছিল।

সামান্য হলেও আশ্চর্যের বিষয় শুধু সাব-সাহারান আফ্রিকানদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই গণতান্ত্রিক সরকার নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। তবুও একটি প্রতিশ্রুতিশীল পরিবর্তন হলো বিরোধী দলগুলো এখন শক্তিশালী ও প্রতিযোগী মনোভাবমূলক হয়ে উঠছে। ২০১১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত, ৪২ জন নতুন আফ্রিকান নেতা একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পর দায়িত্বগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন ক্ষমতাসীন দলের উত্তরসূরি ছিলেন। বাকি ২৫ জন বিরোধী রাজনীতিবিদ ছিলেন, যা আগের তিন দশকের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এ ধরনের পরিবর্তন সম্প্রতি কেনিয়া, মালাউই ও জাম্বিয়াসহ অন্যান্য দেশের মধ্যেও ঘটেছে। এমনকি যখন বিরোধীরা ক্ষমতা দখল করেনি, তখনও তারা অনেক ক্ষেত্রেই টালি তৈরি করে যা অ্যাঙ্গোলা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশের শাসক দলগুলোকে উদ্বিগ্ন করে। ২০২৩ সালে আফ্রিকায় আরও শক্তিশালী অবস্থান হবে নির্বাচনকেন্দ্রিক, সেটিই এখন ধারণা করা হচ্ছে।

এই প্রবণতার পেছনে আসলে কী? বলা চলে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর রয়েছে এর পেছনে। বিরোধী দলগুলো চতুরতার সঙ্গে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। আফ্রিকানরা ধীরে ধীরে শিক্ষিত হচ্ছে, জানার আগ্রহ তৈরি হচ্ছে এবং নগরায়ণ ঘটছে। ফলে রাজনীতিবিদদের প্রতি তারা কম শ্রদ্ধাশীল। তরুণ জনগোষ্ঠী ক্ষমতাসীন দলগুলোর নস্টালজিক প্রচারে মুগ্ধ নয়, যেগুলো তাদের শেকড়কে স্বাধীনতার সংগ্রামের জন্য চিহ্নিত করে। বরং তার পরিবর্তে তারা দুর্নীতিগ্রস্ত ও অভিজাতদের নজরে রাখছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অর্থনৈতিক অবস্থা আরও কঠিন হচ্ছে এবং আফ্রিকানরা তাদের নেতাদের আংশিকভাবে দায়ী করে এই কারণে। সিয়েরা লিওন ও এর পশ্চিম আফ্রিকার প্রতিবেশী, লাইবেরিয়ায়, ক্ষমতাসীনরা তাদের অর্থনীতি পরিচালনা ও দুর্নীতির অভিযোগের কারণে বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়। নাইজেরিয়ায়, মো. বুহারির আট বছরের দুঃশাসনের পর প্রতিষ্ঠাবিরোধী আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই নয় যে বিরোধী দলগুলো জয়ী হবে। নাইজেরিয়ার ক্ষমতাসীন দল, অল প্রগ্রেসিভ কংগ্রেস (এপিসি), সরকার পরিচালনার চেয়ে হাল আমলের রাজনীতিতে অনেক ভালো। মাদাগাস্কারে প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রি রাজোয়েলিনা বিভক্ত বিরোধীদের মুখোমুখি হয়েছেন। যদিও পুনরায় নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তার।

এই মহাদেশের অন্যান্য দেশে, বিরোধীদের ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে, কেননা শাসক দল পরাজয় মেনে নেবে না সহজে। জানু-পিএফ, জিম্বাবুয়ের ক্ষমতাসীন দল। বলা হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাধা দিচ্ছে তারা এবং নির্বাচনের আগে ভোটারদের নিজেদের দিকে টেনে নেবে অন্যথায় হেরে যাবে। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত জানু-পিএফ-এর ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর সমর্থন বজায় থাকবে এবং আঞ্চলিক আধিপত্য থাকবে, ততদিন জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি। অভিযোগ আছে, ২০১৮ সালে নির্বাচনে জালিয়াতি করে ক্ষমতায় এসেছিলেন। অজনপ্রিয় সরকার হলেও ক্ষমতায় থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি দেশে মেয়াদোত্তীর্ণ নির্বাচন নাও হতে পারে। দক্ষিণ সুদানে ২০১৫ সালে ভোট হওয়ার কথা ছিল কিন্তু নেতারা বারবার এর পরিবর্তে একে অপরের সঙ্গে লড়াই করার পথ বেছে নিয়েছেন। ২০২০ ও ২০২১ সালে অভ্যুত্থানের পরে, মালির জান্তা বলেছিল ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন করবে। মালিয়ানরা এখনও অপেক্ষা করছে। চাদে, আরেকটি জান্তা সরকার ২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু অক্টোবরে এটি তার অন্তর্বর্তীকালীন সামরিক শাসনের মেয়াদ আরও দুই বছরের জন্য বাড়িয়ে দেয়। যদিও এসব ঘটনা পুরো আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করছে না। কারণ, ৫৪টি দেশের একটি জটিল ও বৈচিত্র্যময় মহাদেশ হলো আফ্রিকা।

নিউজ ট্যাগ: আফ্রিকা

আরও খবর



ব্যয় বাড়ানোর জন্যই উন্নয়ন কাজে দেরি করা হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্যয় বাড়ানোর জন্যই উন্নয়ন কাজে দেরি করা হয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তার আগে সকাল সকাল ১০টায় সিলেটে পৌঁছান তিনি।

মোমেন বলেন, ব্যয় বাড়াতে আমাদের দেশে উন্নয়ন কাজ বিলম্ব করার ট্রেডিশন রয়েছে। এটা চায়না বা জাপানিরা করে না। তারা মেয়াদের আগে কাজ শেষ করে।  মেট্রোরেলের কাজও তারা ৬ মাস আগে শেষ করেছে, টাকাও ফেরত দিয়েছে।

এ সময় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালের কাজ বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মোমেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিদের চেয়ে চীনারা অনেক অভিজ্ঞ। তারা চাইলে জনবল ও ইকুইপমেন্ট বাড়িয়ে ২০২৩ সালেই নতুন টার্মিনাল ভবনের কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। সেটি আমরা সমাধান করেছি।  রেলওয়ে ব্যতিরেকে নিজের নির্বাচনী ওয়াদাগুলো পালন করতে সক্ষম হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ, প্রকল্প পরিচালক শাহ জুলফিকার হায়দার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। 


আরও খবর



সিইও নয় হলে সভাপতিই হবেন সাকিব!

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিপিএল শুরুর আগেই আগুনে ঘি ঢেলেছিলেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট দলের কাপ্তান সাকিব আল হাসান। তিনি দাবি করেছিলেন, সিইওর দায়িত্ব পেলে কয়েক বছর নয় মাত্র এক দুই মাসেই নায়ক সিনেমার মতো তিনি সবকিছু বদলে দেবেন। আর অব্যবস্থপনার বিপিএলকে তিনি বলেছিলেন যা তা

সেই কথার পর বিপিএল গভর্নিং বডির সভাপতি শেখ সোহেল সাকিবকে সিইওর দায়িত্ব গ্রহণের আহ্বান জানান। এবার সাকিব এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে জানালেন, তিনি সিইও নয় হলে সভাপতিই হবেন।

এর আগে সাকিবের মন্তব্যের জবাবে বিপিএল গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান শেখ সোহেল বলেন, আজকে আসলে আমি সাকিবকে স্বাগত জানাই, ধন্যবাদ। যদি ও বিপিএলের সিইও হিসেবে আসতে চায়, ও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা গভর্নিং বডি থেকে ওকে স্বাগত জানাই। ও যদি চায়, আগামী বছর এসে সিইওর দায়িত্ব পালন করুক।


আরও খবর



শুধু পরীক্ষায় ভালো নম্বরের জন্য পড়া নয়: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেছেন, শিক্ষা হবে আনন্দময়। পরীক্ষার ভীতিতে সারাক্ষণ পড়া, শুধুই মুখস্থ করা, শুধুই পরীক্ষায় ভালো নম্বরের জন্য পড়া তা নয়। আমরা পড়বো, শিখবো, আনন্দের সঙ্গে শিখবো। যা শিখবো তা অনুধাবন করবো। তা আত্মস্থ করবো, তা আবার প্রয়োগ করতে শিখবো।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২৩ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আনন্দময় এই শিক্ষার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে জানিয়ে ডা. দিপু মনি বলেন, পরীক্ষার ভীতি থাকবে না। কারণ, আমি তো মুখস্থ করে কোনো কিছু লিখে দিয়ে শুধু নম্বর পাওয়ার জন্য শিখছি না। আমি শিখছি জ্ঞান অর্জনের জন্য, দক্ষ হওয়ার জন্য।

বাংলাদেশ ডিজিটাল রূপান্তরের এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই যেখানে দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অশিক্ষা থাকবে না। মানুষ তার সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে শেখ হাসিনার একটি অঙ্গীকার। যার অর্থ হচ্ছে একুশ শতকের সোনার বাংলা, একটি বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা। যার চালিকাশক্তি হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি।

তিনি বলেন, একটি দেশ তখনই ডিজিটাল দেশ হিসেবে গণ্য হবে, যখন এটি পরিণত হবে ই-স্টেটে। অর্থাৎ যখন রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্ম তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয় ও ব্যবহারে ঘটবে। যার মূল নিয়ামক হচ্ছে কানেকটিভিটি। এই সার্থক ডিজিটাল সংযুক্তির মাধ্যমে গড়ে উঠছে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ।


আরও খবর



রোহিঙ্গাদের তো মারতে পারি না, অনুপ্রেবশ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরতের ব্যাপারে এখনো ইতিবাচক কোনো খবর নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, আমরা তো ওদেরকে (রোহিঙ্গাদের) মারতে পারি না।

তিনি আরও বলেছেন, রোহিঙ্গাদের ফেরতের ব্যাপারে মিয়ানমার সরকার এখনো আন্তরিক নয়। তারা বলেছিল নেবে, কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নিচ্ছে না। নতুন করে দেশটিতে সংঘাত বাড়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। বর্তমানে এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো সমাধান নেই।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মিয়ানমারে সংঘাতের জেরে সম্প্রতি আবারও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাড়ছে। এমতাবস্থায় সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের নীতি হচ্ছে, আর একজন রোহিঙ্গাকেও ঢুকতে দেব না। কিন্তু সেখানে যে সংঘাত চলছে, সেই জেরে নতুন করে কেউ আসলে আমরা তো গুলি করতে পারি না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরতের ব্যাপারে শর্টকাট কোনো পথ নেই। মিয়ানমারকে বলেছি, কিন্তু সেখানেও সংঘাত চলছে। আমাদের অগ্রাধিকার তাদেরকে ফেরত পাঠানো। তারা নেবেও বলেছিল। কিন্তু ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো নেয়নি। তারা আন্তরিক নয়।’ 


আরও খবর