Logo
শিরোনাম

আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সংযুক্ত আরব আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

শনিবার (১৪ মে) এ পদের জন্য তাকে নির্বাচিত করেন দেশটির ফেডারেল সুপ্রিম কাউন্সিল। এমন খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান শুক্রবার ৭৩ বছর বয়সে মারা যান। তিনি গত কয়েক বছর ধরে নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে দেশব্যাপী ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে দেশটির পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং আগামী ৩ দিন সকল মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



খিলক্ষেতে ভেকুর ধাক্কায় ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় ভেকু মেশিনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বনলতা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। এ ঘটনায় দুর্ঘটনা কবলিত রেললাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তবে পাশের লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত আছে। বুধবার (১৮ মে) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কমলাপুর স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সরোয়ার।

তিনি জানান, দুপুরে খিলক্ষেত বনরুপা এলাকায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা বনলতা এক্সপ্রেস’ নামে একটি ট্রেনের লাইনের পাশে থাকা ভেকু মেশিনের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ঘটনার পর একটি লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, অপর লাইন দিয়ে চালু আছে।

বিমানবন্দর রেলস্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) কামরুল হাসান জানান, ভেকু মেশিনটি রেললাইনের পাশে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনের লাইনটি চালু হয়নি। তবে শিগগিরই তা চালু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ঠরা।


আরও খবর



সেঞ্চুরি হলো না লিটনের, ফিরলেন তামিমও

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লাঞ্চের পর বাংলাদেশ শিবিরে জোড়া আঘাত হানলেন লঙ্কান পেসার কাসুন রাজিথা। লাঞ্চের পর প্রথম বলেই লিটন দাসকে ফেরান রাজিথা। পরের বলেই তার শিকার তামিম ইকবাল। ১৯ রানের জন্য টেস্ট ক্রিকেটে পাঁচ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করতে পারেলেন না তামিম।

বেশ দেখেশুনেই দিনের প্রথম সেশন পার করেছিলেন দুই সেট ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম এবং লিটন দাস। সেঞ্চুরির পথেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন এই জুটি। মুশফিক ৮৫ এবং লিটন ৮৮ রান নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতীতে যান। বিরতীর পর বড় ইনিংস খেলার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন তারা। তবে লাঞ্চের পর কাসুন রাজিথার প্রথম বলেই উইকেট কিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

এরপর ক্রিজে আসেন তামিম ইকবাল। গতকাল রিটায়ার্ট হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন তামিম। ১৩৩ রানের ইনিংসকে আরও বড় করার লক্ষ্যা নিয়েই মাঠে নামেন তিনি। তবে প্রথম বলেই আউট হয়ে সেই ইনিংস আর বড় করা হয়নি তামিমের। আর মাত্র ১৯ রান করতে পারলেই টেস্টে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারতেন তামিম।


আরও খবর



ঝুঁকির মাত্রা বাড়ছে পণ্য আমদানিনির্ভর দেশগুলোয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জলবায়ু পরিবর্তন ও মহামারীর মতো বড় বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে বৈশ্বিক অর্থনীতি। এসব কারণে দুই বছর ধরেই বিশ্বজুড়ে সব ধরনের পণ্য উৎপাদন, উত্তোলন ও বাণিজ্য ছিল নানামুখী প্রতিবন্ধকতার মধ্যে। তার ওপর ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল আকার ধারণ করেছে। এতে পণ্য আমদানিনির্ভর দেশগুলোয় ঝুঁকির মাত্রা বাড়ছে।

যেসব দেশ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ নয়, সেসব দেশ আরো বেশি আমদানিনির্ভর হয়ে উঠছে। ফলে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পণ্যের চাহিদা। কিন্তু মহামারীর ধাক্কা এবং কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে এসব পণ্যের সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। তার ওপর কনটেইনার সংকট, অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া, শুল্ক বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতা তো রয়েছেই। এসব কারণে আমদানিনির্ভর দেশগুলো চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারছে না। এতে চাপের মুখে পড়ছে অর্থনীতি। জীবন-মান ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকি তীব্র হচ্ছে। যুদ্ধের কারণে আমদানিনির্ভর দেশগুলো কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চলের বিকল্প উৎসে স্থানান্তরিত হচ্ছে।

আনাদোলু এজেন্সির সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দেশগুলো উচ্চমাত্রার রফতানি আয়ের সুবিধা লাভ করছে। কিন্তু ঠিক একই সময় পণ্য আমদানিনির্ভর দেশগুলো সরবরাহসংক্রান্ত জটিলতা ও ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির কারণে আমদানি নিশ্চিতে হিমশিম খাচ্ছে।

সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানায়, মার্চে খাদ্যপণ্যের বৈশ্বিক দাম প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্য দিয়ে মূল্যবৃদ্ধির নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। গত মাসে খাদ্যপণ্যের গড় মূল্যসূচক ১৫৯ দশমিক ৩ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অথচ ফেব্রুয়ারিতে মূল্যসূচক ছিল ১৪১ দশমিক ৪ পয়েন্টে। তখন এটিই ছিল রেকর্ড সর্বোচ্চ দাম। জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে পণ্যসামগ্রীর বৈশ্বিক দাম লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে। এছাড়া গত দুই বছর করোনাভাইরাসের সঙ্গে অব্যাহত লড়াই বাজারে আরো বড় অস্থিরতার জন্ম দেয়। এর মধ্যেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ইউক্রেন ও রাশিয়া। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

গণমাধ্যমের তথ্য বলছে, ইউক্রেনের ওপর হামলা ও নিপীড়ন চালানোয় পশ্চিমা দেশগুলোর রোষের মুখে পড়েছে রাশিয়া। দেশটির অর্থ ব্যবস্থা ও ব্যাংক খাতের ওপর কয়েক ধাপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। দেশটি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও গ্যাসের গুরুত্বপূর্ণ রফতানিকারক দেশ। এছাড়া ধাতব ও কৃষিপণ্য রফতানিতেও দেশটির অবস্থান অনেক এগিয়ে। এ কারণে অনেক দেশই দেশটির এসব পণ্যের ওপর নির্ভরশীল।

অব্যাহত নিষেধাজ্ঞার পর বাড়তে থাকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের দাম। এক ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম সর্বোচ্চ ১৩৯ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। এদিকে জ্বালানির অত্যধিক দাম ও সংকটে কমছে ধাতব পণ্য উৎপাদনও। ফলে দীর্ঘ সময় ধরেই এসব পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। বর্তমানে বৈশ্বিক পণ্য রফতানি প্রায় ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর মধ্যে যুদ্ধসংক্রান্ত সরবরাহ জটিলতা আবারো পণ্যের দাম বাড়াতে সহায়তা করছে।

যেসব দেশে জ্বীবাশ্ম জ্বালানির পর্যাপ্ত ভূগর্ভস্থ মজুদ নেই, তাদের জন্য অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভরশীলতা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এক্ষেত্রে বিশ্লেষকরা সমাধান হিসেবে একটি বিকল্পের কথাই বলছেন, তা হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

তথ্য বলছে, প্রাকৃতিক গ্যাসের বৈশ্বিক ভূগর্ভস্থ মজুদের এক-পঞ্চমাংশই রয়েছে রাশিয়ায়। দেশটি বিশ্বের শীর্ষ গ্যাস সরবরাহকারী। ইরান ও কাতারও গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহকারী। গ্যাসের বৈশ্বিক বাজারে ইরানের ১৭ দশমিক ১ ও কাতারের ১৩ দশমিক ১ শতাংশ হিস্যা রয়েছে।

অন্যদিকে ভেনিজুয়েলায়ও জ্বালানি তেলের বৃহৎ মজুদ রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দেশটির হিস্যা ১৭ দশমিক ৫, সৌদি আরবের ১৭ দশমিক ১ ও কানাডার ৯ দশমিক ৭ শতাংশ হিস্যা রয়েছে। অনেক দেশেই জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী অত্যন্ত সীমিত। এতে বিশ্বজুড়ে এসব পণ্যের আমদানিনির্ভরতা ব্যাপক আকার ধারণ করছে।

নিউজ ট্যাগ: জলবায়ু পরিবর্তন

আরও খবর

বাঘাবাড়ী নৌবন্দর খুঁড়িয়ে চলছে

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগে ২ ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১০২জন দেখেছেন

Image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা মেডিকেল মোড় এলাকায় হাসানুর আলম খান জুয়েল নামে এক ঔষধ ব্যবসায়ীকে মারধর ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদুল আলম। এর আগে বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) রাত সাড়ে দশটার দিকে ওই উপজেলার মেডিকেল মোড় এলাকার বৈশাখী হোটেল থেকে তাদের গ্রেফতার করে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ। পরে শুক্রবার দুপুরে তাদের লালমনিরহাট জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতাররা হলেন- টংভাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম বেজগ্রাম এলাকার আহম্মেদ আলীর ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল ইসলাম এবং একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল নোমান।

জানা যায়, গত বুধবার (২০ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ছাত্রদল নেতা রুবেল ও নোমানের নেতৃত্বে ওই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান গেটের সামনে ঔষধ ব্যবসায়ী জুয়েলের ওপর হামলা চালায় তাদের সহযোগীরা। এতে ঔষধ ব্যবসায়ী জুয়েল গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ সময় ওই ঔষধের দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই রাতেই ঔষধ ব্যবসায়ী জুয়েল বাদী হয়ে ছাত্রদল নেতা রুবেল ইসলাম ও নোমানসহ আরও ৬ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় একটি মামলা করেন। সেই  মামলায় বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদল নেতা রুবেল ও নোমানকে গ্রেফতার করা হয়।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এরশাদুল বলেন, ঔষধ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের শুক্রবার দুপুরে লালমনিরহাট জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আরও খবর



সিলেটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, দুর্ভোগে চার লাখের বেশি মানুষ

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিলেট ও সুনামগঞ্জে সামান্য কমেছে নদ-নদীর পানি। তারপরও দুর্ভোগে আছেন চার লাখের বেশি মানুষ। অনেকেই ঘর-বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্র এমনকি খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। এতে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে অসহায় মানুষদের। শনিবার (২১ মে) এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমটার কমে বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এখনও অনেক রাস্তাঘাট, বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে ডুবে আছে। খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে আছেন দুর্গতরা। বোরো ধান, বাদামসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে ডুবে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের উপ সহকারি প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, সুরমার পানি কিছুটা কমেছে। উজানে বৃষ্টি না হলে পানি আরও কমবে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে জকিগঞ্জের অমলসীদে একটি বাঁধ ভেঙে নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই পানি এখন ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ হয়ে নামবে। ফলে ওই এলাকায় পানি বাড়ছে। এই দুই উপজেলার কিছু এলাকা প্লাবিতও হতে পারে।

গত ১১ মে থেকে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতর সৃষ্টি হয়। এর কয়েকদিন আগে থেকে নদনদীর পানি বাড়তে শুরু করে। বন্যায় তলিয়ে যায় সিলেটের ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০ উপজেলারই বেশিরভাগ এলাকা। সিলেট নগরীর সুরমার তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বিপর্যয় নেমে আসে।

এদিকে বন্যায় সিলেট জেলার প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এসব জমিতে বোরো ধান, আউশের বীজতলার পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন সবজির ক্ষেতও আছে। এতে কৃষকের ঘুম হারাম। ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।


আরও খবর