Logo
শিরোনাম

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস আজ, মঙ্গলবার। ২০১৯ সাল থেকে জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী দিবসটি সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‌জনকল্যাণের বিনিয়োগ এবং শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিন। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবে সারাবিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার হুমকি বিবেচনায় দিবসটির গুরুত্ব বেড়েছে অনেক দেশে। দিবস সামনে রেখে সোমবার জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাণী দিয়েছেন।

এতে তিনি বলেন, শিক্ষা একটি মৌলিক মানবাধিকার। এটি সমাজ, অর্থনীতি এবং প্রতিটি ব্যক্তির সম্ভাবনার ভিত্তি। কিন্তু পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ব্যতীত এই সম্ভাবনা বিকশিত হওয়ার পূর্বেই ঝরে পড়ে। আমার নিকট একটি বিষয় বরাবর পীড়াদায়ক যে, অনেক সরকারি নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিধিবিধান সমূহে শিক্ষাকে কম অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৪ অর্জনের লক্ষ্যে বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানের পাশাপাশি শিক্ষা অনুকূল আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সুবিধা চালু করার ফলশ্রুতিতে এক্ষেত্রে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন নতুন করে বেগবান হয়েছে।

তিনি শিক্ষা গ্রহণের পথে অন্তরায় সৃষ্টিকারী সব বৈষম্যমূলক আইন এবং চর্চাও এখনই রহিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসডিজি সম্মেলন এবং ২০২৪ সালের সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের মূল বিষয় হিসেবে শিক্ষাকে তুলে ধরার জন্য বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি অনুরোধ জানান।

২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রতি বছরের ২৪ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।


আরও খবর



ইজতেমায় জুমার নামাজে লাখো মুসল্লি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম দিন শুক্রবার হওয়ায় ইজতেমা মাঠে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জুমার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে জুমার জামাত শুরু হয়। নামাজের ইমামতি করেন বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের। ইজতেমায় যোগদানকারী মুসল্লি ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে রাজধানী ঢাকা-গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকার লাখ লাখ মুসল্লি ইজতেমাস্থলে হাজির হন।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) ভোর থেকেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠের দিকে মানুষের ঢল নামে। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমা মাঠ উপচে আশপাশের খোলা জায়গাসহ সবস্থান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এছাড়া টঙ্গীর বিভিন্ন উচু ভবনের ছাদে থেকেও মুসল্লিরা জুমার নামাজে শরিক হন।

বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠের দিকে ছুটে আসেন জুমার নামাজ আদায় করার জন্য। মাঠে স্থান না পেয়ে মুসল্লিরা মহাসড়ক ও অলি-গলিসহ যে যেখানে পেরেছেন হোগলা পাটি, চটের বস্তা, খবরের কাগজ বিছিয়ে জুমার নামাজে শরিক হয়েছেন। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

কালিয়াকৈর থেকে আসা মুসল্লি আকবর আলী জানান, বড় জামাতে নামাজ আদায় করা অনেক ফজিলত। তাই জুমার নামাজ আদায় করার জন্য ভোরেই বাড়ি থেকে বের হয়েছি। রাস্তায় যানবাহনে প্রচুর ভিড় থাকায় ইজতেমা ময়দান পর্যন্ত পৌঁছাতে অনেক কষ্ট হয়েছে।

শুক্রবার ফজরের পর মাঠে আম-বয়ান করেন রায়বেন্ডের মাওলানা জিয়াউল হক। সকাল ১০টায় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে বিশেষ বয়ান করেন আলীগড়ের প্রফেসর সানাউল্লাহ। একই সময়ে স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বয়ান করেন পাকিস্তানের ড. নওশাদ। মাঠে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশে বয়ান করেন হায়দরাবাদের মাওলানা আকবর শরীফ। আরব জামাতের উদ্দেশে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইবরাহীম দেওলা।

জুমার আগের বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইসমাইল গোদরা, জুমার খুতবা পড়েন বাংলাদেশের মাওলানা জোবায়ের। তিনিই জুমার নামাজের ইমামতি করেন। জুমার পর মাঠের মূলমঞ্চ থেকে বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা ইসমাইল গোদরা। বাদ-আসর বয়ান মাওলানা যোবায়ের ও বাদ-মাগরিব ভারতের মাওলানা আহমদ লাট বয়ান করবেন। বয়ান অনুবাদ করবেন বাংলাদেশের মাওলানা উমর ফারুক।


আরও খবর



প্রেসিডেন্টের 'প্রস্রাব করার' ভিডিও ফাঁস, ৬ সাংবাদিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রীয় একটি অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত বাজার সময় বুকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্টের প্যান্ট ভিজে যাওয়ার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় দেশটির ছয় সংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত ডিসেম্বর মাসে ওই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, লাঠিভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রেসিডেন্ট সালভা কির প্রস্রাব চেপে রাখতে পারেননি।

প্রেসিডেন্টের প্যান্টে প্রস্রাব করে দেওয়ার ভিডিও ফাঁসের দায়ে ৬ সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়। তারা সবাই সাউথ সুদানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমের কর্মী।

চলতি সপ্তাহে তাদের গ্রেফতার করা হয় জানিয়ে দ্য কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) তাদের মুক্তি দাবি করেছে।

দ্য সাউথ সুদান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এসএসবিসি) দাবি, তারা ওই ভিডিও সম্প্রচার করেনি। দেশটির তথ্যমন্ত্রী মাইকেল মাকুইভ ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেছেন, কেন ওই সাংবাদিকদের আটক করা হয়েছে সেটা জানতে লোকজনের অপেক্ষা করা উচিত।


আরও খবর



প্রাইভেটকারে নারীকে টেনেহিঁচড়ে নেওয়া সেই ঢাবি শিক্ষক মারা গেছেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত বছরের ২ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস এলাকায় প্রাইভেটকার চাপায় রুবিনা আক্তার (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাবির চারুকলা অনুষদের সামনের রাস্তা থেকে প্রাইভেটকারের নিচে আটকে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত ওই নারীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যান ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজহার ওরফে জাফর শাহ (৫৬)।

কারাগারে থাকা ঢাবির সেই সাবেক শিক্ষক আজহার ওরফে জাফর শাহ আজ শুক্রবার মারা গেছেন। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কেন্দ্রীয় কারাগারের কারারক্ষী মো. আলআমিন জানান, কারাগারে হাজতি হিসেবে বন্দী ছিলেন তিনি। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে কারাচিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। জাফর শাহের বাবার নাম মাইনুদ্দিন জাহাঙ্গীর শাহ। তাঁর হাজতি নম্বর-১১৭ / ২৩।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কারারক্ষীরা অচেতন অবস্থায় সেই সাবেক শিক্ষককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

ঢাবির সাবেক শিক্ষককে আসামি করে ভাইয়ের মামলাগাড়িচাপায় নারীর মৃত্যু: ঢাবির সাবেক শিক্ষককে আসামি করে ভাইয়ের মামলা

মৃত জাফর শাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন। ২০০৭-২০০৮ সালের দিকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

ঘটনার দিন নিহত রুবিনা আক্তারের আত্মীয় নুরুল আমিন জানান, রুবিনাদের বাসা হাজারীবাগ এলাকায়। তেজগাঁও স্বামীর বাসা থেকে রুবিনাকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে হাজারীবাগ যাচ্ছিলেন। পথে শাহবাগ থানাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনের রাস্তায় প্রাইভেটকারটি পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। তখন রুবিনা পড়ে গেলে প্রাইভেটকারটি তাঁর ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে গাড়ির বাম্পারের সঙ্গে আটকে যান তিনি। তখন তাঁকে টেনেহিঁচড়ে প্রায় নীলক্ষেত পর্যন্ত নিয়ে যায় প্রাইভেটকারের চালক জাফর শাহ। তখন লোকজন তাঁর পিছু নেয়। ধাওয়া দিয়ে নীলক্ষেত এলাকায় গিয়ে তাঁর গতিরোধ করে গাড়ির নিচ থেকে ওই নারীকে বের করে। ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলেও বাঁচানো যায়নি রুবিনাকে।

তখন উত্তেজিত লোকজন ওই প্রাইভেটকার চালককে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করায়। পরবর্তীতে নিহত রুবিনার পরিবার মামলা করলে হাসপাতাল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চিকিৎসা শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

রাজধানীতে ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমেছে দশমিক ১৪ শতাংশ

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিদায়ী বছরের সবশেষ মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি এক মাসের ব্যবধানে দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে। এ সময় শহরের তুলনায় গ্রামে বেশি মূল্যস্ফীতি পরিলক্ষিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাসভিত্তিক মূল্যস্ফীতি প্রতিবেদনে তথ্য উঠে আসে। এতে বলা হয়, ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমেছে। নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং অক্টোবরে ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। এর আগে আগস্টে মূল্যস্ফীতি ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে উঠে আসে।

বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, খাদ্য খাতে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯১ শতাংশে, নভেম্বরে যা ছিল ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ। এছাড়া গত মাসে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশে নেমেছে, নভেম্বরে যা ছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গত মাসে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর শহরে ৮ দশমিক ৪৩ শতাংশে। যেসব খাদ্যপণ্য গ্রামে উৎপাদন হয় তার দাম গ্রামেই বেশি, কিন্তু শহরে কম। মাছ, মাংস, সবজি, মসলা ও তামাকজাতীয় পণ্যের দাম কমায় খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। পাশাপাশি কমেছে বাড়ি ভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের দামও।

এদিকে ডিসেম্বরে বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, যা আগের দুই মাসের তুলনায় বেশি। অক্টোবরে মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং নভেম্বরে ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থান হয় অনানুষ্ঠানিক খাতে। তাদের আয় মজুরিভিত্তিক। বাস্তবতা হলো বিবিএস মূল্যস্ফীতি কমার খবর দিলেও স্বস্তি নেই মজুরি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে। মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বাড়লেও মজুরি সে হারে বাড়েনি। গত ডিসেম্বরে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। কিন্তু জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে প্রায় পৌনে ৯ শতাংশ। মানুষ ব্যয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আয় করতে পারছে না। তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। বাজার থেকে আগের মতো পণ্য কিনতে পারছে না।

বিবিএস প্রতি মাসে কৃষি শ্রমিক, পরিবহন কর্মী, বিড়ি শ্রমিক, জেলে, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিকসহ ৪৪ ধরনের শ্রমিকের মজুরির তথ্য সংগ্রহ করে মজুরি হার সূচক তৈরি করে। এর মধ্যে শিল্প খাতের ২২ ধরনের এবং কৃষি ও সেবা খাতের প্রতিটিতে ১১ ধরনের পেশা অন্তর্ভুক্ত। এসব পেশাজীবীর মজুরি ও দক্ষতা কম। করোনায় এসব শ্রমিকই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: মূল্যস্ফীতি

আরও খবর



মিন্নির জামিন শুনতে অপারগতা হাইকোর্টের

প্রকাশিত:বুধবার ১১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিক ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনটি শুনতে অপারগতা জানান। আদালতে মিন্নির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন ও অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল।

এর আগে গত ১৬ অক্টোবর বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান মিন্নিসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন। রায়ে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি ৬ আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার দণ্ডেও দণ্ডিত করেন। বাকি ৪ জনকে খালাস দেওয়া হয়।

পরে নিয়ম অনুসারে একই বছরের ৪ অক্টোবর ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছে। পাশাপাশি ৬ অক্টোবর মিন্নিসহ অন্য আসামিরা আপিল করেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বী আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজোয়ান আলী খাঁন হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। খালাস পান মো. মুসা (পলাতক), রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।


আরও খবর