Logo
শিরোনাম

আপাতত দেশে আসছে না 'পাঠান'

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আপাতত বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে না শাহরুখ খান অভিনীত 'পাঠান'। আগামীকাল (২৫ জানুয়ারি) ভারত ও ভারতের বাইরে বিভিন্ন দেশে একযোগে মুক্তি পাবে ছবিটি। খবর রটে, সাফটা চুক্তির আওতায় 'পাঠান' মুক্তি দেওয়া হতে পারে বাংলাদেশেও। সব ঠিক থাকলে ভারতে 'পাঠান' মুক্তির দু'দিন পর অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশেও মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল 'পাঠান'-এর।

কিন্তু না, আপাতত বাংলাদেশে 'পাঠান' মুক্তি পাচ্ছে না। তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে ছবি মুক্তির অনুমতি মেলেনি। মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশে 'পাঠান' মুক্তিসংক্রান্ত মিটিংয়ে ছবিটি এ দেশে মুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ এবং বাংলাদেশ সিনেমা হল মালিকদের সংগঠনের উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাস এখনই দেশে পাঠান মুক্তির কোনো সুযোগ নেই বলে জানান।

তবে সিনেপ্রেমীদের আশ্বস্ত করে সুদীপ্ত কুমার দাস বলেন, 'পাঠান' দেশে মুক্তির অনুমতি মিলবেই। আমরা চাইছিলাম ২৭ জানুয়ারি মুক্তি দিতে। সেটা হয়তো সম্ভব হবে না। হয়তো ৩ ফেব্রুয়ারি বা ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেব।


আরও খবর

‘একতারা’ প্রতীক পেলেন হিরো আলম

বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩




৫ আসনের উপনির্বাচনে থাকছে না সিসি ক্যামেরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে বাজেট না থাকায় উপনির্বাচনে এবার সিসি ক্যামেরা থাকছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা।

বগুড়া জেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার দুই আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার দুটিসহ দেশের পাঁচটি আসনে উপনির্বাচন হবে।

রাশেদা সুলতানা বলেন, 'পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় পাঁচ আসনের উপনির্বাচনে নিরাপত্তার কাজে সিসি ক্যামেরা থাকছে না। আর সিসি ক্যামেরার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। যদি পরবর্তী কোনো নির্বাচনে সরকার আমাদের বাজেট দেয়, তখন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। কিন্তু এই উপনির্বাচনগুলোয় সিসি ক্যামেরা থাকবে না।'

ইভিএম প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার বলেন, 'আমাদের আগে ৮০টি আসন কাভার করার মতো ইভিএম মেশিন ছিল। কিছু ইভিএম নষ্ট হয়েছে। কিন্তু এখনও ৬০ থেকে ৭০ আসনের নির্বাচন কাভার করার মতো মেশিন আছে।'

এই মতবিনিময়ের পর জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে দুই আসনের প্রার্থীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন ইসি রাশেদা সুলতানা।

বগুড়া-৬ আসনের নৌকার প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু বলেন, 'নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে। আমরা নিশ্চয়তা দিয়েছি নিয়ম মেনেই ভোটের প্রচার-প্রচারণা চালাবো।'

ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ বলেন, 'সার্বিকভাবে নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর আছে। আশা করছি ভোটগ্রহণও সুষ্ঠু হবে।' 


আরও খবর



আলেশা মার্টের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চেক প্রতারণার অভিযোগের মামলায় অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম শিকদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুস্তাফা রেজা নূর এ পরোয়ানা জারি করেন। একইসঙ্গে আগামী ২৭ মার্চ গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মিয়া হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তোফাজ্জল হোসেন নামক একজন বেসরকারি চাকরিজীবী আলেশা মার্ট থেকে একটি মোটরসাইকেল কেনেন। কিন্তু সেটি যথাসময়ে না দেওয়ায় এক লাখ ৬৩ হাজার টাকার একটি চেক দেওয়া হয়।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, চেক প্রতারণার অভিযোগে গত ৭ সেপ্টেম্বর আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলমের বিরুদ্ধে আবদুল্লাহ আল আমুন নামের একজন গ্রাহক আদালতে মামলা করেন। মামলায় দাবি করা হয়, আলেশা মার্ট থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য গত জুন মাসে তিনি ক্রয়াদেশ দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য না পাওয়ায় তিনি অভিযোগ করেন। পরে আলেশা মার্টের পক্ষ থেকে চার লাখ টাকার দুটি চেক আবদুল্লাহ আল মামুন বরাবর ইস্যু করা হয়। তবে চেকের বিপরীতে ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয়। পরে তিনি বাদী হয়ে মামলা করেন।


আরও খবর



বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমালো বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:বুধবার ১১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিশ্বব্যাংক ২০২৩ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে আসবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতির মতো বাংলাদেশেও জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটি বলেছে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের ৫ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে ৬ দশমিক ২ শতাংশ।

এর আগে গত বছরের অক্টোবরে সংস্থাটি থেকে বলা হয়েছিল, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে। তার আগে জুনে পূর্বাভাস দিয়েছিল, ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে। অবশ্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য ধরেছে সরকার।

গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস জানুয়ারি ২০২৩ শীর্ষক প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে হতাশার কথা জানিয়ে এই পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে সংস্থাটির সদর দফতর থেকে এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, বিশ্বের প্রায় সবচেয়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের হার বৃদ্ধি, বিনিয়োগ হ্রাস এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি তীব্রভাবে মন্থর হচ্ছে। এ কারণে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি তলানিতে নেমে আসবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ইউরো জোন, এমনকি চীনের অর্থনীতির অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৬ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলে আভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

২০২২ সালের জুনে সংস্থাটি বলেছিল, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ হবে বলে আভাস দিয়েছিল। মঙ্গলবার তা কমিয়ে ১ দশমিক ৭ শতাংশে নামিয়ে আনলো। এই প্রবৃদ্ধি গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, করোনা মহামারির কারণে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়। ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। আর গত অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। গত বছরের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছিল, ২০২৩ সাল বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস বলেন, বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির দৃষ্টিভঙ্গি অবনতির সঙ্গে সঙ্গে উন্নয়নের সংকট তীব্রতর হচ্ছে। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিশাল ঋণের বোঝা এবং বিনিয়োগ কমার কারণে বৈশ্বিক জিপিডি প্রবৃদ্ধি তলানিতে নেমে এসে বহু বছরের সময়কালের মুখোমুখি হচ্ছে বিশ্ব।

বিশ্বব্যাংক বলেছে, পাকিস্তানে ২০২২-২৩ অর্থবছরে হবে ২ শতাংশ; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে হতে পারে ৩ দশমিক ২ শতাংশ। এ ছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরে ভারতে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে; ২০২৩-২৪ অর্থবছরে হবে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। আর ভুটানে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪ দশমিক ১ শতাংশ, নেপালে ৫ দশমিক ১ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ নেগেটিভ (মাইনাস) প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এর আগে গত বছরের ৬ অক্টোবর প্রকাশিত সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস শীর্ষক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছিল, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে। এর আগে জুনে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্বব্যাংক

আরও খবর



এবার হাইকোর্টে ফখরুল-আব্বাসের জামিন আবেদন

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পল্টন থানায় করা মামলায় চার দফায় বিচারিক আদালতে জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর এবার উচ্চ আদালতে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আবেদন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ সোমবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তাদের পক্ষে এ জামিন আবেদন করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের অন্যতম জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন জানান, মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আজ আবেদন করা হয়েছে। এখনো জামিন শুনানির তারিখ ধার্য করেননি আদালত। আগামীকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে জানা যেতে পারে।

এর আগে গত ২১ ডিসেম্বর বিচারিক আদালতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ। কিন্তু ওই আদেশের সার্টিফাইট কপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনজীবীর হাতে না পাওয়ায় এতদিন উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করতে পারেননি বিএনপির এ দুই শীর্ষ নেতা।

গতকাল রোববার ওই আদেশের সার্টিফাইট কপি হাতে পাওয়ার পর আজ উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করলেন ফখরুল ও আব্বাসের আইনজীবী।

পুলিশের করা মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত ৯ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মো. তরীকুল ইসলাম। এ সময় আসামিপক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ১২ ও ১৫ ডিসেম্বর আরও দুই দফায় তাদের জামিন আবেদন খারিজ করেন বিচারিক আদালত।

গত ৮ ডিসেম্বর দিনগত রাতে নিজ বাসা থেকে ফখরুল ও আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরদিন ৯ ডিসেম্বর পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রেপ্তার বিএনপি নেতাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৭ ডিসেম্বর বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। আহত হন অনেকে। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে চাল-ডাল, পানি, নগদ টাকা ও বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া যায় বলে দাবি করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় দেড় থেকে দুই হাজার বিএনপি নেতাকর্মীকে আসামি করে মামলা করা হয়। পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। তবে এ মামলার এজাহারে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের নাম ছিল না।

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-বিএনপি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপাসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল প্রমুখ। এদের মধ্যে আমান উল্লাহ আমান ও আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল জামিনে আছেন।


আরও খবর



পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার দুরূহ: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া এবং পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ অত্যন্ত দুরূহ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। বিভিন্ন পদ্ধতিগত ও আইনি জটিলতার কারণে অর্থ উদ্ধারে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়।

পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার এবং অর্থ পাচার রোধে সরকার কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারের আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশ থেকে অর্থ পাচারের মাত্রা বা পরিমাণ যাই হোক না কেন, পাচারের সম্ভাব্য উৎসগুলো বন্ধ করার পাশাপাশি অর্থ পাচার রোধ এবং পাচারকৃত অর্থ বাংলাদেশে ফেরত আনার বিষয়ে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকারের সব বিভাগ একযোগে কাজ করে যাচ্ছে।

পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ দুরূহ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, গবেষণা সংস্থা বিভিন্ন ধরনের মেথডোলজি ব্যবহার করে পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে প্রাক্কলন করে। যার যথার্থতা ওইসব প্রতিষ্ঠানও দাবি করে না। এসব সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে কী পরিমাণ অর্থ পাচার হয়, সে বিষয়ে পরস্পর বিরোধী তথ্য দেখা যায়। বস্তুত, অর্থ পাচারের পরিমাণ নির্ধারণ অত্যন্ত দুরূহ বিষয়।

ওয়ার্কার্স পার্টির বেগম লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, বৈদেশিক ঋণ জিডিপির শতকরা হার অনুযায়ী বাংলাদেশ ঝুঁকি সীমার অনেক নিচে অবস্থান করছে। দেশি ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিমুক্ত ও সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বড় কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। আইএমএফের প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০৩২ সাল পর্যন্ত দেশীয় ঋণসহ বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ঝুঁকিমুক্ত।

বেগম লুৎফুন নেসা খানের প্রশ্নে ঋণ খেলাপিদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদে ঋণ খেলাপির দায়ে ২১৭ জনকে জেলে পাঠানো হয়েছে। ঋণ খেলাপির দায়ে ১২ জন কৃষককে জেলে নেওয়ার ঘটনাটি (পাবনায়) বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের আওতাভুক্ত কোনো তফসিলি ব্যাংক নয়। আদালতের এখতিয়ারভুক্ত ঋণ খেলাপির দায়ে জেলে পাঠানোর ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয়।


আরও খবর