Logo
শিরোনাম

আরেক দফা বাড়তে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সরকারের ঘোষিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। শেষ প্রস্তুতি হিসেবে স্কুল-কলেজ পরিষ্কার করা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে ১৬ জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। এ অবস্থায় ১৩ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এতে আরেক দফা স্কুল-কলেজের ছুটি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে। এক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামা জরুরি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় ১৬ জুন পর্যন্ত লকডাউন (বিধিনিষেধ) বাড়ানো হয়েছে। এই অবস্থায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে পুনরায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে ১৩ জুন খোলার বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, সরকারের ঘোষিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। শেষ প্রস্তুতি হিসেবে স্কুল-কলেজ পরিষ্কার করা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা পেলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যাবে। সবকিছু নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সরকারের নীতিনির্ধারকদের ব্যাপার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সব ধরনের প্রস্তুতিই আমাদের আছে।

এদিকে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। চলতি বছরের অপেক্ষমাণ এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস নেয়া হবে। অন্যদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেয়া হবে।

আরেক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশে নেমে এলে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। বর্তমানে সেটি ঊর্ধ্বগতি হওয়া ও লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোয় আবারও অনিশ্চয়তায় পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়টি।


আরও খবর



দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নোয়াখালীতে গুলিবিদ্ধ ৯

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৯ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গুলিবিদ্ধরা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারী বলে জানা গেছে।

শনিবার (২৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। সবাই ছররা গুলিতে আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সবাইকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে চরকাঁকড়ার মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২) ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সামছুল হকের ছেলে সবুজের (৪০) অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ফেসবুক লাইভে এসে বলেন, শুক্রবার পুরো বসুরহাটে মিছিল হয়েছে তাতে কেউ কোনো শব্দও করে নাই।কিন্তু আজ সন্ধ্যায় ইউএনও, ওসি, এসি ল্যান্ড ও এডিশনাল এসপি শামীমের সামনে বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমার নেতাকর্মীদের ওপর গুলি বর্ষণ করেন। এতে আমার ১৫ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। ওসি এবং এডিশনাল এসপি শামীম সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আর ইউএনও এবং এসি ল্যান্ড তখন উপজেলা অফিসে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ তারই ভাগনে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু বলেন, আমার কোনো লোক বাসা থেকে বের হয়নি। তারা নিজেরাই মিছিল করতে এসে সংঘর্ষে গুলিতে আহত হয়েছেন।

হাসপাতালের ডাক্তার আবু নাছের জানান, ছররা গুলিতে আহতদের জরুরি বিভাগ থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহতরা হলেন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (৪৭), ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান (২৩), মৃত মোস্তফার ছেলে মাঈন উদ্দিন কাঞ্চন (৪২), সামছুল হকের ছেলে মো. সবুজ (৪০), আবদুল লতিফ দুলালের ছেলে রুহুল আমিন সানি (৩০), মোস্তফা মেস্তরীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), মো. নওশাদ (৩৫) ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এনামুল হকের ছেলে দেলোয়ার হোসেন সুমন (২৭) এবং চরকাঁকড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে দিদার (৩৫)।

পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বকুল বলেন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপাড়া, আদর্শপাড়া ও শান্তিপাড়া থেকে কাদের মির্জার অনুসারীরা একত্র হয়ে পৌরসভায় যাওয়ার জন্য জড়ো হচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুর সমর্থকরা বেপরোয়া গুলি করে তাদের লোকজনকে আহত করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে কাদের মির্জার অনুসারীরা মিছিল করতে চাইলে প্রতিপক্ষরা গুলি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন গোলাগুলির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আজকে গোলাগুলি হয়েছে। তবে কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


আরও খবর



‘পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঝুঁকি নেব না’

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে নির্ধারিত তারিখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে মানুষের স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় প্রত্যাশা সংগঠনের আয়োজনে মরহুম আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরুর স্মরণসভায় শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, কোনো আন্দোলনের মুখেই জনগণের জীবন নিয়ে অবহেলা করবে না সরকার।

ডা: দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে সরকারের সব প্রস্তুতি নেয়া আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যথাসময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে আগামী ১৩ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগের ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। বাসায় থেকে তারা টেলিভিশন ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সংযুক্ত থাকবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন শিক্ষার্থীদের বাসায় অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

এর আগে বুধবার ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আগামী ১৩ জুন থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া‌ হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার বিষয়টি নির্ভর করছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে করোনার টিকার আওতায় আনার ওপর।

তিনি বলেন, ১২ জুন পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকছে, ১৩ জুন থেকে সেগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে।

এর আগে তিনি বলেন, যদি ১৩ জুন স্কুল-কলেজগুলো খুলে দিতে পারি সেক্ষেত্রে ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি ব্যাচকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তারা হয়তো সপ্তাহের ছয় দিন ক্লাসে আসবে। যারা ২০২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাদের ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে ক্লাসে নিয়ে আসা হবে। অন্যদের বিষয়ে সপ্তাহে হয়তো এক দিন ক্লাসে আনা হবে।


আরও খবর



সোনালি চুল পেতে লেগে গেল দুই বছর

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাইটানিক ছবিতে রোজের (কেট উইন্সলেট) চুলের রং ছিল লাল। বাস্তবে এই হলিউড অভিনেত্রীর চুলের রং সোনালি। কেট উইন্সলেট সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, চুলের আসল রং ফিরে পেতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় দুই বছর।

রোজের চুলের রং কী হবে, চিত্রনাট্যে স্পষ্ট করে বলা ছিল না। তাঁর চুলের রং নিয়ে পরিচালক জেমস ক্যামেরনের সঙ্গে আমার আলাপের কথা স্পষ্ট মনে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, তুমি কী মনে কর, যদি আমরা তাঁর চুলের রং লাল করি? এই লাল হবে তীব্র ও অস্বাভাবিক।। ফ্রেঞ্চ সাময়িকী এলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি সেই সময়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন কেট উইন্সলেট।

লাল চুলের সেই রোজ পরে সারা বিশ্বের দর্শকহৃদয়েও রোমান্সের রং ছড়িয়েছিল। কে জানত, সিনেমায় অভিনয়ের পরে সেই স্বর্ণকেশ ফিরে পেতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় দুই বছর! বুঝিনি, শুটিংয়ের পরে আসল চুল ফিরে পেতে এতটা কষ্ট হবে।

সিনেমাতে রোজের চুল ছিল ঢেউখেলানো। যদিও কেট উইন্সলেটের আসল চুল স্বাভাবিক। চুলের এই ভাঁজ তৈরিতে বেশ কসরত করতে হয়, আমার চুল আসলে ঢেউখেলানো নয়। প্রতিদিনই চুলে ভাঁজ আনতে হতো। কিন্তু চুলের ভাঁজ ঠিক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ত। কারণ, সেটজুড়েই পানি আর পানি। অনেকগুলো পানির ট্যাংকে শুটিং করি। প্রায়ই চুলে পানি লেগে যেত। প্রত্যেকের চুল ঠিক রাখতেই সমস্যা পড়ে যেতাম।

ঐতিহাসিক সেই ছবি দিয়ে খ্যাতির চূড়ায় উঠেছিলেন রোজ ওরফে কেট উইন্সলেট। তারকাদের খ্যাতি আবার অনেক সময় বিড়ম্বনারও কারণ।

টাইটানিক ছবির পরে তাঁর প্রতি গণমাধ্যমের মনোযোগকে রীতিমতো বুলিং মনে হয়েছে। টাইটানিক যখন মুক্তি পায়, কেটের বয়স তখন ২১। তাঁকে নিয়ে গণমাধ্যমের চুলচেরা বিশ্লেষণ তাঁকে মানসিকভাবে কতটা পীড়া দিয়েছিল, সে কথা স্মরণ করে এখনো শিউরে ওঠেন। ছবিটি মুক্তির পরে নিজেকে গুটিয়ে ফেলা শুরু করেন।

কেট উইন্সলেট জানান, রাতদিন যেন এক হয়ে গিয়েছিল। ব্যক্তিগত জীবন ও দৈহিক গড়ন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম কেট উইন্সলেটের নির্দয়ভাবে সমালোচনা করে।

কেট আরও যোগ করেন, খুব ভয়ানক ছিল সময়টা। মনে মনে চাইতাম, এটা দ্রুত কেটে যাক। কেটেও গেছে। পরে বুঝতে পেরেছি, একেই যদি খ্যাতি বলা হয়, তাহলে আমি আসলে খ্যাতির জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলাম না।



আরও খবর



সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণের হার ৬১ শতাংশ

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জন মারা গেছে। করোনায় ৮ জন এবং একজন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। যা একদিনের হিসেবে এটিই রেকর্ড মৃত্যু।

শনিবার (১৯ জুন) সাতক্ষীরায জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার জয়ন্ত সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সরকারি তথ্য মতে, সাতক্ষীরায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেল ২৬৬ জন, আর করোনায় মারা গেছে ৫৬ জন। বর্তমানে ৭ শতাধিক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। আর উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে কয়েক হাজার।

আর পিসিআর ল্যাবের টেস্টের পরিসংখ্যান মতে, করোনা সংক্রমণের হার ৬১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। চলমান লকডাউন কার্যকর না হওয়ায় ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চিকিৎসা নেয়া, করোনা বা করোনা উপসর্গে মৃত ব্যক্তিদের দাফনে কোনো প্রকার সতর্কতা মেনে না চলায় এ সংক্রমণ থামানো যাচ্ছে না বলে মনে করে সুশীল সমাজ।


আরও খবর



খাদ্য সঙ্কটে উত্তর কোরিয়া, উদ্বিগ্ন কিম উং

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাস ও টাইফুনের কারণে উত্তর কোরিয়ার কৃষিক্ষেত্রে এবার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে দেশটির খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম উং জন। খবর রয়টার্সের।

কিম বলেছেন, এ বছর দেশের অর্থনীতির উন্নতি হলেও খাদ্য পরিস্থিতিতে নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আমি সবাইকে এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।’ আজ বুধবার (১৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানান কিম উং জন

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার (১৫ জুন) দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে আলোচ্য বিষয় ছিল অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান ও গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি পর্যালোচনা। এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কিম উং জন। এ বৈঠকে ক্ষমতাসীন দলের কেন্দ্রীয় কমিটি নতুন পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনা অর্জনে বেশ কিছু লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বৈঠকে কিম উং জন বলেন, আমরা ফেব্রুয়ারিতে কিছু পরিকল্পনা করেছিলাম। সেগুলো বাস্তবায়নে বছরের প্রথমার্ধে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উন্নতি হয়েছিল। গত বছরের চেয়ে এবার শিল্প উৎপাদনও ২৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে দলের প্রচেষ্টায় কিছু ধারাবাহিক বিচ্যুতি ছিল।

তিনি বলেন, গত বছর টাইফুনের কারণে দেশের কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তারা খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। ফলে উত্তর কোরিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

কিম বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি কমানো এবং গত বছরের সঙ্কট থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর আমাদের লক্ষ্য অর্জনে বদ্ধপরিকর হতে হবে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে পার্টির বৈঠকে কিম বলেছিলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নে গত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। সব সেক্টরে ত্রুটি-বিচ্যুতি দেখা গেছে। ফলে দীর্ঘমেয়াদী শক্ত অবস্থান ভেঙে পড়বে এবং খাদ্য সঙ্কট দেখা দেবে।


নিউজ ট্যাগ: উত্তর কোরিয়া

আরও খবর