Logo
শিরোনাম

আরও ৯০ হাজার টন সার কিনছে সরকার

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাহিদার বিপরীতে এ বছর আরও ৯০ হাজার টন টিএসপি ও ইউরিয়া সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মরক্কো ও কাতার থেকে কেনা হবে এসব সার। সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে টিএসপি কেনা হবে ৩০ হাজার টন ও ইউরিয়া ৬০ হাজার টন। এ দুই সার কিনতে খরচ ধরা হয়েছে ৬৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০২ টাকা।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল বারিক।

আব্দুল বারিক জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার মরক্কোর ওসিপি, এসএ থেকে ২২১ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৫৭ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মাধ্যমে কাতারের মুনতাজাত থেকে চার লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড প্রিল্ড ইউরিয়া সার ২০৬ কোটি ৫৯ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অপর এক প্রস্তাবে কাতারের মুনতাজাত থেকে পাঁচ লটে ২০৯ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার ৪৯৫ টাকায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

৩১ ডিসেম্বরের পর পাম অয়েল বিক্রি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




ডেঙ্গুর দাপট থাকবে কমবে অক্টোবরে

প্রকাশিত:শনিবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছরের শুরু থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে ছিল দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি। কিন্তু আগস্ট মাস থেকে ডেঙ্গু সংক্রমণ চেপে বসে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে। এরই মধ্যে দৈনিক হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দুইশ ছাড়িয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গু সংক্রমণ সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছাতে পারে।

এই অবস্থায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, মশা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। সিটি করপোরেশন বলছে, ডেঙ্গুরোধে সাধারণ মানুষকেই সচেতন হতে হবে। অন্যথায় শত অভিযান চালিয়েও সুফল মিলবে না। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ৭ হাজার ৯৫২ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে সংক্রমণ বাড়বে, অক্টোবরে কমে আসবে: ডেঙ্গু সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে কথা হয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লে. কর্নেল ডা. মো. গোলাম মোস্তফা সারওয়ারের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই মাসে ডেঙ্গু সংক্রমণ বাড়বে। তবে মাসের শেষের দিকে আশা করছি কমে আসবে। এখন ডেঙ্গু সংক্রমণের পিক টাইম। এরপরও আমরা যদি গতবারের সঙ্গে তুলনা করি তাহলে বলব, তুলনামূলক ভালো আছি। গত বছরের আগস্ট মাসে আমাদের রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৬৯৮ জন। আর এই আগস্টে রোগী ছিল ৩ হাজার ৩৭০ জন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৮৪১ জন। আর এই সেপ্টেম্বরে হয়তো সর্বোচ্চ হাজার চারেক রোগী হতে পারে।

গত মাসের তুলনায় এই মাসে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বমুখী চিত্র দেখছি সে হিসেবে বলা যায়, গত মাসের তুলনায় এ মাসে সংক্রমণ কিছুটা বাড়বে। ডেঙ্গুর সংক্রমণের ট্রেন্ড যেটা বলে, আগস্ট মাস থেকে বাড়া শুরু হয়, সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ চূড়ায় অবস্থান করে এবং অক্টোবর মাসে ধীরে ধীরে নেমে আসে। গত কয়েক বছর ধরে এভাবেই চলে আসছে। ২০১৯ সালে তো আমাদের সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু সংক্রমণ হয়েছিল। সেই বছর সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গু সংক্রমিত হয়েছিল ১৬ হাজার ৮০০ জন। এরপর অক্টোবর মাসে নেমে আসে ৮ হাজারে। সব মিলিয়ে বলব যে সেপ্টেম্বর ও আগস্ট মাস আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং।

কনস্ট্রাকশনের কাজে নজরদারির পরামর্শ: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আবদুস সবুর খান বলেন, ডেঙ্গু রোগ মূলত যে মশার কামড়ে হয়, সেই মশাটিকে বলা হয় শহুরে মশা। গ্রামের মশার আবাসস্থলের সঙ্গে শহরের মশার আবাসস্থলের অনেক পার্থক্য। শহরে আমরা দেখি যে খুবই অল্প পানিতে মশাগুলো ডিম পাড়ে এবং জন্মাতে পারে। যেমন- ডাবের খোসা, ফুলের টব। এগুলোতে খুব অল্প পরিমাণ পানি থাকলেও এর মধ্যেই মশা জন্মাতে পারে। আর গ্রামের মশাগুলো জন্মায় আবদ্ধ পুকুর, ডোবা, নালায়। ঢাকা শহরে বাড়ি নির্মাণসহ নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে। যখন কনস্ট্রাকশনের কাজ করা হয়, তখন ওই জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়। সেখানে ড্রামসহ বিভিন্ন কৌটা আর খানাখন্দে পানি জমে থাকে। এসব বিষয় খুব বেশি তদারকি করা হয় না। ফলে সেখানে ডেঙ্গু মশার উৎপত্তি হয়।

এই বিশেষজ্ঞ বলেন, আমাদের মেয়রেরা বাসা বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছেন। বাসাবাড়িতে তো আপনি সবসময় ঢুকতে পারেন, কিন্তু কনস্ট্রাকশনের জায়গাগুলো তো টিন দিয়ে ঘিরে রাখা, ওসবে সাধারণ মানুষও যায় না, সিটি করপোরেশনও যায় না। যে কারণে সবসময়ই ডেঙ্গু মশা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এভাবে তো অভিযান পরিচালনা করে কোনো লাভ নেই। অভিযান পরিচালনা করতে হবে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে। রাতে বৃষ্টি হয়েছে, আমি দেখলাম রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে আছে। এই পানিগুলোই কিন্তু এক/দুইদিন পর্যন্ত জমে থাকে। ভালো করে দেখলে দেখা যাবে এগুলোতেই মশা ডিম ছাড়ছে এবং নতুন করে মশার জন্ম নিচ্ছে, বলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আবদুস সবুর খান।

যেখানে ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বেশি, সে জায়গাগুলোই অবহেলিত: ডা. সবুর খান বলেন, যে জায়গাগুলোতে সবসময় ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বেশি, সে জায়গাগুলোই সবসময় অবহেলিত থাকে। মিরপুর এলাকায় ডেঙ্গু সংক্রমণ বেশি, সেখানে গিয়ে দেখবেন রাস্তা খোঁড়াখুঁড়িও বেশি। গুলশান এলাকায় রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি হলে যত দ্রুত সময়ে সেগুলো বন্ধ করা হয়, মিরপুর এলাকায় সেটা হয় না। প্রায় সময়ই দীর্ঘদিন এভাবে চলে যায়। এছাড়া সেই এলাকাগুলোতে রাস্তাঘাটের আশেপাশের ড্রেনগুলো ঠিক কতদিন পরপর পরিষ্কার হয় সেটা বলা মুশকিল। দিনের পর দিন সেই জায়গাগুলোতে জমে থাকা পানি, ময়লা আবর্জনাতেও মশা ডিম পাড়ে, সেগুলো থেকেও প্রতিনিয়ত অসংখ্য মশার জন্ম হচ্ছে।

ডেঙ্গু মশা সকালে কামড়ায়, স্প্রে দেওয়া হয় বিকেলে: ডেঙ্গু সংক্রমণ কমছে না, আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে- দায়টা আসলে কার জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে চিকিৎসার দায়দায়িত্ব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের। কিন্তু মশা কেন হলো বা ডেঙ্গু কেন বাড়ল সেজন্য জবাবদিহি করবে সিটি করপোরেশন। এখন আমরা দেখছি সিটি করপোরেশনের অভিযান সব মানুষের বাসাবাড়ি কেন্দ্রিক। হঠাৎ তারা ডেঙ্গু মশা বাড়ার পেছনে সাধারণ মানুষকে দায়ী করতে চায়। কিন্তু পাড়া-মহল্লায়, এলাকায়-এলাকায়, রাস্তাঘাটে যে পানি জমে আছে, সেটার দায় কি সাধারণ মানুষের?

তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের অভিযান মানে কিছু এলাকায় গিয়ে স্প্রে করে আসা। কিন্তু এই স্প্রেগুলোতে কখনোই ডেঙ্গু মশা মরে না। যে মশাগুলো উড়ে বেড়াবে, সেগুলো স্প্রেতে মরবে। আরেকটা বিষয় হলো সিটি করপোরেশন সাধারণত স্প্রে করে বিকেল বা সন্ধ্যায়, কিন্তু ডেঙ্গু মশা তো সকালে কামড়ায়। আর ম্যালেরিয়া মশা সাধারণত বিকেলে বা সন্ধ্যার পর কামড়ায়। সেজন্য আমি বলব যে, ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে যদি স্প্রে বা অভিযান পরিচালনা করতে হয় তাহলে তা সকালে করতে হবে।

ড্রেনের নোংরা পানি নয়, এডিস জন্মায় অল্প ও স্বচ্ছ পানিতে: ডা. সারওয়ার বলেন, নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধি তো অবশ্যই উদ্বেগের। এখন পর্যন্ত এ বছর ডেঙ্গুতে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে এই সংখ্যা হয়তো কিছুই নয়। তারপরও যে পরিবার থেকে একটি লোক হারিয়ে গেছে তাদের জন্য এটা বিশাল কিছু। আমরা চাই না একটি মানুষও ডেঙ্গুতে প্রাণ হারাক।

তিনি বলেন, প্রতি মাসে তিন/চার হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হোক, এটি আমরা চাই না। সেক্ষেত্রে আমরা আমাদের অবস্থান থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, এমনকি গত বছরের তুলনায় কিছুটা সফলও হয়েছি। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে মিডিয়াগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

রাস্তাঘাটের ময়লা আবর্জনা ও ড্রেনের নোংরা পানিতে এডিস মশা জন্মায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অনেকেই হয়তো জানি না রাস্তাঘাটের ময়লা আবর্জনাযুক্ত পানি ও ড্রেনের পানিতে এডিস মশা জন্মায় না। এই মশা জন্মায় অল্প ও স্বচ্ছ পানিতে। নোংরা পানিতে জন্মায় কিউলেক্স জাতীয় মশা, যেগুলো শুধু মানুষকে বিরক্ত করে, কিন্তু এর কামড়ে কোনো ক্ষতি হয় না।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু সংক্রমণ তখন বাড়ে, যখন মশার সংখ্যা বাড়ে। অথবা মশাকে মেরে ফেলা না যায়। ডেঙ্গুবাহী মশা যদি কাউকে কামড়ায়, তাহলে তার ডেঙ্গু হতে পারে। এক্ষেত্রে আমরা শুধুমাত্র সেই রোগীগুলোর খবর পাই, যারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে বা ভর্তি হয়।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ভালো। হাসপাতালে থাকলে একটা সেবার মধ্যে থাকে এবং তার মৃত্যু ঝুঁকিটা কমে যায়। আর যদি ঘরে থেকে নিজে নিজেই পাড়া মহল্লা থেকে ওষুধ খায়, তখন কিন্তু বিপদের আশঙ্কাটা বাড়ে। এই অর্থে আমরা খুশি যে রোগীগুলো কেয়ারে আছে, ডাক্তারের পরামর্শ মতো চিকিৎসা নিচ্ছে এবং ঠিকমতো ওষুধ পাচ্ছে। এতে করে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাটা কমে যায়। এই মুহূর্তে সবার আশঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে হাসপাতালগুলোতে রোগী বেড়ে যাওয়া। এখন মশা না মারলে রোগী কীভাবে কমাবেন? শুধু মশা মারলেই হবে না, সঙ্গে সঙ্গে মশার উৎপত্তিস্থল নষ্ট করতে হবে এবং সবাইকে এই কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। আমরা জানি যে, স্থানীয় সরকার এই কাজটি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে, এখন এই কাজটি আরেকটু জোর দিয়ে করলেই হয়ে যাবে।

মশা কমলে রোগীও কমে যাবে: ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবরে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়, যে কারণে এই সময়ে মশার বংশ বিস্তারটাও তাড়াতাড়ি ঘটে। আর এমনিতেও তো কোভিডের জন্য যেসব কাজকর্ম বন্ধ ছিলো, এখন সেগুলো পুরো গতিতে চলছে। কাজেই স্বাভাবিক যে উন্নয়ন কাজ চলছে, সেটি চলবে। মশা এই সময়ে একটু বেড়েও যায়। আমাদের বক্তব্য একটাই, মশা কমলে রোগীও কমে যাবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু রোধে দুটি কাজ করে। প্রথমত হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার জন্য তৈরি করে, সেই ক্যাপাসিটি আমাদের তৈরি করা আছে। আমাদের চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী যারা আছে, তাদেরকে ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে আমরা আপডেটেড রাখছি। দ্বিতীয়ত যেই কাজটি করি তা হলো, বিভিন্ন মৌসুমে আমরা ঢাকা মহানগরীতে সার্ভে করি। সেই রিপোর্টটি আমরা স্থানীয় সরকারের কাছে হস্তান্ত করি। আমাদের নতুন সার্ভে অনুযায়ী উত্তর-দক্ষিণ দুই সিটিতেই সমানভাবে মশার উপদ্রব পেয়েছি।

ডেঙ্গুরোধে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা সবসময় মনে করি, রোগ তৈরি যেন না হয়, সেই কাজটাই করা উচিত। তাহলে যারাই সামান্য কোনো কারণে রোগী হন, তারা অনেক ভালো মেডিকেয়ার পাবেন। এজন্য আমরা চাইব রোগীর সংখ্যাটা দিন দিন না বাড়ুক। এক্ষেত্রে সমন্বিত ভেক্টর ব্যবস্থাপনা, মশকের প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা, মশকের বংশবৃদ্ধি এবং বিস্তার রোধ করা- এই কাজগুলোতে আরও বেশি শক্তি সামর্থ্য ব্যয় করে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। একইসঙ্গে এসব কর্মসূচিতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোগীর ট্রিটমেন্ট ব্যবস্থাপনায় আমরা গাইডলাইন আপডেট করে দিয়েছি। আমাদের পাঁচটি হাসপাতাল তৈরি আছে। এর বাইরেও প্রায় প্রতিটি হাসপাতালেই ডেঙ্গুর চিকিৎসা চলছে। ডেঙ্গুর চিকিৎসায় কোনো হাসপাতালই না বলে না। এরইমধ্যে হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তিও হচ্ছে, চিকিৎসাও পাচ্ছে। সেই জায়গাতে আমাদের ডাক্তার, নার্সসহ সেবাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে এনএস-১ অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করারও সুযোগ দিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু জ্বর

আরও খবর

করোনায় একজনের মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




অফিসে ঢুকে প্রকৌশলীকে পেটালেন ঠিকাদার!

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অফিসে ঢুকে জনস্বাস্থ্যের সহকারী প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদের আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। এ সময় অফিস কক্ষও ভাঙচুর করা হয়।

রোববার (২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী শমেশ আলীকে মারধরের ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আহত প্রকৌশলীকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী শমেশ আলী।উপজেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী শমেশ আলী।

ভুক্তভোগী প্রকৌশলী শমেশ আলী বলেন, তাসলিমা এন্টারপ্রাইজের মালিক ঠিকাদার আলমগীর হোসেন তাদের যাবতীয় টাকা তুলে নিয়ে গেছেন। কিন্তু অবৈধভাবে ম্যাজারমেন্ট বুক চেয়েছিল। আমি দিতে দেরি করায় আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে চুন্নু বেপারীসহ মোট ৪ জন মিলে আমাকে এলোপাথাড়ি ঘুষি, লাথি, থাপ্পড় ও জুতা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। তাদের মারধরে আমি কোয়াটার আশ্রয় নেই। পরে ইউএনও স্যার এসে আমাকে উদ্ধার করে।

ঠিকাদার এস এম আলমগীর হোসেন বলেন, ৬০ হাজার টাকা ঘুষের জন্য প্রকৌশলী শমেশ আলী দীর্ঘদিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠানের এমবি আটকিয়ে রেখেছে। আমি ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার প্রথমে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও পরে ধস্তাধস্তি হয়। এখন সে নিজে সুবিধা নেওয়ার জন্য মিথ্যা মারধরের অভিযোগ করছে।

ভেদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাহালুল খান বলেন, এ ঘটনায় আটক ৪ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, উপজেলা চত্বরে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে শারীরিকভাবে হেনস্থাকারী ঠিকাদারসহ ৪ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



কাবুলে মন্ত্রণালয়ের মসজিদে আত্মঘাতি বিস্ফোরণ, নিহত ৪

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের কাবুলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মসজিদে আত্মঘাতি বিস্ফোরণে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। বুধবার (৫ অক্টোবর) স্থানীয় সময় দুপুরে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিস্ফোরণের সময় মসজিদে মন্ত্রণালয়ের কর্মী ও অতিথিরা নামাজ পড়ছিলেন মুসল্লিরা। মসজিদটি কাবুলের প্রধান সড়কে এবং কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে অবস্থিত।

তালেবান নিযুক্ত মুখপাত্র আব্দুল নাফি টাকোর এক টুইট বার্তায় বলেন, দুঃখজনকভাবে আজ দুপুর দেড়টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে চার মুসল্লি নিহতের পাশাপাশি ২৫ জন আহত হন। ঘটনার তদন্ত চলছে। বিস্তারিত জানার পর গণমাধ্যমে জানানো হবে।

এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দেশটিতে ইসলামিক স্টেটের খোরাসান (আইএস-কে) শাখা তালেবান ও সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর হামলা জোরদার করেছে।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর কাবুল শহরের পশ্চিমে দাশত-ই বারচি এলাকার একটি শিক্ষাকেন্দ্রে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ৩৫ জন নিহত হন। বিস্ফোরণে আহত হন আরও অনেকে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই, গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা। আসন্ন এ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপর রয়েছে। কেউ প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় শিক্ষা রূপরেখা-২০২১ এর অনলাইন প্রশিক্ষণ উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ডা. দীপু মনি বলেন, সারাদেশে সুষ্ঠুভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কারো পক্ষে প্রশ্নফাঁস করা সম্ভব নয়। যদি কেউ এ বিষয়ে গুজব ছড়ায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে সর্বদা তৎপর রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়ার পরও প্রতিবছর কোচিং সেন্টার পরীক্ষার সময় খোলা রাখা হয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পোস্ট অফিসের গুজব বন্ধ পাবলিক পরীক্ষার আগে সারাদেশের কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ রাখা হয়। এ সময় অভিভাবকরা যেন তাদের সন্তানদের কোচিং সেন্টারে না পাঠান। শিক্ষার্থীরা না এলে কোচিংসেন্টার এমনিতেই বন্ধ থাকবে। এরপরও যদি কোনো কোচিংসেন্টার খোলা রাখা হয়, এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামে ধারাবাহিক ও সমষ্টিক মূল্যায়ন হবে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের জন্য একটি অ্যাপস তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বছর শেষে মূল্যায়ন করা হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ অনলাইন প্রশিক্ষণের অ্যাপসের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ সময় তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলামের বই দেওয়া হবে। বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে আমরা নতুন কারিকুলামের রূপরেখা তৈরি করেছি। প্রতিবছর এটি ক্লাসভিত্তিক বাস্তবায়ন করা হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বক্কর ছিদ্দীক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব কামাল হোসেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ফরহাদুল ইসলাম।


আরও খবর



অশ্রু ভেজা চোখে পুরুষদের বিদায় দিচ্ছেন রুশ নারীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি রিক্রুটমেন্ট সেন্টারে উপস্থিত হয়েছেন বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু। এখানে স্বামী, বাবা বা ভাইদের বিদায় দিতে এসেছেন তারা। এখানে যেসব পুরুষদের জড়ো করা হয়েছে তাদের ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে পাঠানো হবে।

পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার আগে পুরুষ সদস্যদের জড়িয়ে ধরছেন অনেকে।কয়েকজন নারী নিজেদের মধ্যে ফিসফিস করে কথা বলছেন।তারা বলছেন, তাদের আশা, সরকারি আদেশ অনুযায়ী তাদের পরিবারের যেসব পুরুষ সদস্য এখানে জড়ো হয়েছেন, তাদের যুদ্ধের সম্মুখভাগে পাঠানো হবে না।

৬০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা নারী তার এক আত্মীয়কে জিজ্ঞেস করছেন- তাদের কি সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে? তার পাশে অন্যান্য নারীরা তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের অশ্রু ভেজা চোখে বিদায় জানাচ্ছেন। ৬০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানো একজন বলছেন, হ্যাঁ তাদের মনে হয় সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে, আমি জানি না ।

ওই নারী বৃদ্ধাকে আরও বলেন, আমি মনে করি তাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি জানি না। কেউ জানে না। আমি আশা করি তারা (যুদ্ধে) পেছন দিকে থাকবে। তার ২৭ বছর বয়সী ছেলেকে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে।

নিকিতা নামে ২৫ বছর বয়সী এক সেনা তার ২২ বছর বয়সী বান্ধবী আলিনার হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। আলিনার চোখ দিয়ে ঝড়ছে পানি। আলিনা বলেন, আমি জানি না কি বলব। আমি হতভম্ব।নিকিতা বলেন, আমাকে যুদ্ধের জন্য ডাকা হয়েছে এতে আমি অবাক হইনি। কিন্তু আমার পরিবার অবাহ হয়েছে। আপনাকে যদি যেতে হয়। তাহলে আপনাকে যেতে হবে।

৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা গালিনা ও তার পরিবার এসেছে তার মেয়ের স্বামীকে বিদায় জানানোর জন্য, যিনি আগে সেনাবাহিনীতে চাকরি করেছেন। বৃদ্ধ গালিনা বলেন, তার মেয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত। তার ক্যামো থেরাপি চলছে। এমন সময় তার মেয়ের স্বামীকে যুদ্ধে চলে যেতে হচ্ছে। তিনি জানেন না এখন কি করবেন। তার মেয়েকে দেখাশুনা করার জন্য এখন তার ১২ বছরের নাতিই শুধু পাশে রয়েছে।

এদিকে গত শুক্রবার ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে সেনা জড়ো করার ডিক্রি জারি করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর পুরো দেশজুড়ে পুরুষদের কাছে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২