
ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতে রাজ্য দুটির বহু জায়গায় দেখা দিয়েছে ভূমিধস। রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যায় অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তলিয়ে গেছে ৩ হাজারের বেশি গ্রাম।
রেকর্ড বৃষ্টিপাতে নদীর পানি বেড়ে সৃষ্ট বন্যায়, আসামের ২৮ জেলার অন্তত ১৯ লাখ মানুষ পানিবন্দী। সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে নতুন গঠন করা বাজালি জেলা। ব্রহ্মপুত্র ও গৌরঙ্গা নদীর পানি অনেক জায়গায় বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জরুরি কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়া, ঘর থেকে বের না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন। আসামের রাজধানী গোয়াহাটির বেশিরভাগ অংশে পানি জমে অচল হয়ে পড়েছে। রাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভূমিধসে ৩ জন আহত হয়েছেন।
টানা বৃষ্টিপাতে ডিহিং নদীর পানি বাড়ায়, বাকসা জেলায় একটি সেতু ধসে পড়েছে। লাইন ডুবে যাওয়ায় বিপর্যস্ত রেল যোগাযোগ। প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় ভারতের জাতীয় মহাসড়কের কিছু অংশ ধসে পড়ায় এটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
মেঘালয়ের রাজ্য সরকার চারটি অঞ্চল দেখার জন্য চারটি কমিটি গঠন করেছে। প্রতি কমিটির নেতৃত্বে আছেন একজন কেবিনেট মন্ত্রী। এদিকে, গত কালও একদিনে মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা ১৯৯৫ সালের জুন মাসের পর সর্বোচ্চ এবং ১২২ বছরের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।

