Logo
শিরোনাম

বাবার শর্তহীন ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার কোনো তুলনা হয় না

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দুই অক্ষরের এই শব্দটার মাঝে যেন জড়িয়ে আছে আব্দার, আহ্লাদ আর ভালোবাসা। মায়ের বকুনি খেয়ে সারাদিন অপেক্ষা করে নালিশ করার সবচেয়ে আস্থাভাজন জায়গার নামই যেন বাবা

সন্তানের কাছে বাবা হচ্ছেন প্রথম সুপার হিরো। বাবাকে অনুসরণ করেই শুরু হয় পথ চলা। তারপর এক পর্যায়ে বাবার আদর্শ আর স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলে সন্তান।

বাবা দিবসকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ছবি ও স্ট্যাটাস দিয়ে,  নানা রকমের গিফট দিয়ে কেউবা বাসায় কেক কেটে ইত্যাদি নানাভাবে দিনটা পালন করে থাকেন।

প্রতিটা সন্তানের বড় হওয়ার পেছনে রয়েছে বাবার না বলা পরিশ্রম ও ধৈর্য্যের গল্প। কিন্তু, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাবা বেশিরভাগ সময় ঘরের বাইরে থাকায় সন্তানের সঙ্গে সময় কম কাটানো হয়।

ফলে বাবা ও সন্তানের মাঝে ভাব আদান প্রদান কম হয়। অনেকেই মুখ ফুটে মনের কথা বলতে পারেন না। অনেকে আবার এর ব্যতিক্রম হন। প্রকাশ যেমনটাই হোক না কেনো, বাপ-সন্তানের সম্পর্ক খুব সুন্দর ও গভীর।

বাবা দিবসকে কেন্দ্র করে অনেকেই অনেক রকম পরিকল্পনা করেছেন। কয়েকজন তাদের পরিকল্পনা জানিয়েছেন। আমাদের দেশে অনেক সন্তানই বাবার সঙ্গে খুব একটা মিশুকে নয় কিন্তু মনের মাঝে প্রবল ভালোবাসা ধারন করে তারাও।

এ.এম অমিতাভ (২৮) এমনই একজন। তিনি বলেন, আমি পরিবারের বড় সন্তান। আমি বাবাকে অনেক ভালোবাসি, তিনিও আমাকে অনেক আদর করতেন। কিন্তু বাবার সঙ্গে সব কথা শেয়ার করা হতো খুব কম। উনাকে সম্মান করার পাশাপাশি ভয়ও পেতাম। মুখ ফোটে কখনও বলা হয় নি ভালোবাসি বাবা।

নবম শ্রেণির ছাত্র যোসেফ কস্তা (১৪) বাবা দিবস নিয়ে তার পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, পাপার সঙ্গে আমি একটু কম কথা বলি, কিন্তু অনেক ভালোবাসি। পাপাও আমাকে অনেক ভালোবাসে। আমার কখনও কিছু লাগলে পাপা সঙ্গে সঙ্গেই তার ব্যবস্থা করে ফেলেন। কয়েকদিন আগে আমি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলাম। পাপা সারা রাত সেখানে থাকতো। আর সকালে অফিসে যেত। পাপাকে দেখে তখন আমারও খারাপ লাগতো।

এবার বাবা দিবসে আমি পাপার জন্য অনলাইন থেকে গিফট এনেছি আর একটা কেক কাটার চিন্তা করেছি, আশা করি পাপা অনেক খুশি হবে।

বাবার সঙ্গে মেয়ের সম্পর্কটা বরাবরই মিষ্টি।

বাবা দিবসে উপহার নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাবার পছন্দ ও প্রয়োজন মাথায় কেনাকাটা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জীবনযাপন-বিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই সম্পর্কে নানা ধারণা পাওয়া যায়।

বাবা যদি স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে থাকেন তাহলে তাঁর জন্য ফিটনেস সম্পকিত নানান গ্যাজেট যেমন- মি ব্যান্ড, অ্যালার্ম ঘড়ি, ওজন মাপার মেশিন অথবা হাঁটার জুতা হতে পারে ভালো উপহার। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিতে চাইলে- নকশা করা মগ, মানিব্যাগ, বেল্ট, স্যান্ডেল, ঘড়ি, অথবা কলম হবে আদর্শ উপহার।

বাবা যদি অবসরে বই পড়তে ভালোবাসেন তাহলে তার পছন্দের লেখকের কোনো বই ও সুন্দর একটা নোট বুক বাছাই করা যেতে পারে। এছাড়াও বুক মার্কার, পেনহোল্ডার ইত্যাদির কথাও মাথায় রাখা যায়। পেনড্রাইভ, ট্রাইপড, ব্লুটুথ মোবাইল কাভার, চাবির রিং ইত্যাদি গেজেট হিসেবে বাবাকে উপহার দেওয়া যেতে পারে।

এছাড়াও, নিজের পছন্দ মতো যে কোনো উপহার যেমন- কাঁধ বালিশ, ছবির ফ্রেম, ল্যাম্প শেইড, লাইট সেট ইত্যাদি উপহার বাছাই করা যেতে পারে।

বর্তমানে মার্কেটের পাশাপাশি অনলাইনের নানান পেইজেও এইসকল সামগ্রী পাওয়া যায়। তাই কোভিড-১৯ য়ের সময়ে মার্কেটে না গিয়েও বাবার জন্য পছন্দের উপহার ঘরে বসেই নিয়ে আসা সম্ভব। উপহার দেওয়া ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যম কেবল। তাছাড়া সন্তান যে উপহারই দিক না কেনো তা বাবার কাছে আদরণীয়।

তাই দিবসকে আরও আনন্দঘন করে তুলতে ছোট একটা উপহার দেওয়া ও দিনটা স্মরণীয় করে রাখাই আসল।



আরও খবর

গাজরের মালাই পাটিসাপ্টা

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১

মেজবানি মাংস রান্না করবেন যেভাবে

বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১




পাঁচ দিনে অনলাইনে বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার পশু

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২ জুলাই শুরু হওয়া অনলাইন হাটে ৮ জুলাই পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩০৮টি পশু বিক্রি হয়েছিল। পরের পাঁচ দিনে বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮০টি পশু।

শুরুতে অনলাইন হাটে পশু বিক্রি তেমন বেশি না হলেও পরবর্তী সময়ে বিক্রি অনেকটাই বেড়েছে। এই হাটগুলোতে ৮ জুলাই থেকে সোমবার ১২ জুলাই পর্যন্ত পাঁচ দিনে বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৮০টি পশু। অথচ ২ জুলাই শুরু হওয়া অনলাইন হাটে ৮ জুলাই পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩০৮টি পশু বিক্রি হয়েছিল।

করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডিজিটাল পশুর হাট ও অন্যান্য অনলাইন হাট ছাড়াও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপজেলাভিত্তিক হাট আয়োজন করেছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত অনলাইনে মোট পশু বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৮৮টি, যার অর্থমূল্য ১ হাজার ১১৬ কোটি ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৩০০ টাকা।

চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা মোট ১ কোটি ১৯ লাখ। সে হিসাবে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ দশমিক ৩২ শতাংশ পশু অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এই পরিসংখ্যান গত বছরের চেয়ে বেশি হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা খুব সন্তুষ্ট নন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (খামার) জিনাত সুলতানা বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে আমরা আরও অনেক বেশি অনলাইন বিক্রি আশা করেছিলাম।

সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৪৩টি প্ল্যাটফর্ম থেকে অনলাইন হাট পরিচালিত হচ্ছে, যার মধ্যে অধিকাংশই ফেসবুকভিত্তিক। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মীদের নিজ এলাকার খামারিদের খামার ঘুরে পশুর ছবি অনলাইনে আপলোড দেওয়ার কাজে নিয়োজিত করেছে।

জিনাত সুলতানা বলেন, অনলাইনে পশু বিক্রি বাড়াতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডিজিটাল পশুর হাটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ফেসবুকভিত্তিক হাটগুলো যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য কার্যক্রমের মাধ্যমে অনলাইনে পশু বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।


আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




ছেলের অপমান সইতে না পেরে মায়ের আত্মহত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুলাই 2০২1 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাভারের আশুলিয়ায় ১১ বছরের ছেলের অপমান সইতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে নিলুফা বেগম (৩০) নামের এক নারী।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দিয়াখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে

নিলুফা বেগম ওই এলাকার কাদের প্যাদার মেয়ে ও দিয়াখালি এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

প্রতিবেশীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে গরুর খাবার দেয়াকে কেন্দ্র করে নিলুফা বেগম ও তার ছেলে আলামিনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ছেলে তার মাকে গালিগালাজ করে।

ছেলের এ গালাগালের অপমান সহ্য করতে না পেরে মা আত্মহত্যার জন্য বিষপান করেন নিলুফা। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে রাস্তায় তার মৃত্যু হয়।

আশুলিয়া থানার এসআই ইকবাল হোসেন জানান, বিষপানে আত্মহত্যার খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

নিউজ ট্যাগ: মায়ের আত্মহত্যা

আরও খবর



ময়মনসিংহে করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জন করোনায় ও আট জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

শুক্রবার (৯ জুলাই) সকালে মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. মহিউদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

করোনায় মৃতরা হলেনময়মনসিংহ সদরের মফিজুর রহমান (৬৫), শহীদুল ইসলাম (৪৫), গফরগাঁওয়ের সিরাজুল ইসলাম (৮০), ঈশ্বরগঞ্জের মোজাম্মেল হক (৬০), নেত্রকোনা সদরের সাহেরা খাতুন (৭০) ও পূর্বধলার আব্দুল মতিন (৬৫)।

উপসর্গ নিয়ে মৃতরা হলেনময়মনসিংহ সদরের আব্দুল জলিল (৬০), মুখলেসুর রহমান (৬৫), মিরজান (৮০), ভালুকার আলী নেওয়াজ (৫৫), গফরগাঁওয়ের কুলসুম বেগম (৫৫), শেরপুর সদরের আব্দুস সামাদ (৬৫), ঝিনাইগাতীর যশতিয়া রানী (৪০) ও টাঙ্গাইল সদরের আব্দুল জলিল (৬৫)।

ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬৯টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ হাজার ১৩৭ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৩৬২ জন।

ডা. মহিউদ্দিন খান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩৮৬। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪০ জন।



আরও খবর



টোকিও অলিম্পিকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭৯

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামীকাল পর্দা উঠবে টোকিও অলিম্পিকের। কিন্তু গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত এই মাল্টি স্পোর্টস ইভেন্ট মাঠে গড়ানোর আগে করোনার ধাক্কার মুখে পড়েছে। টোকিও অলিম্পিকে বেড়েই চলছে আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার (২১ জুলাই) পর্যন্ত ৭৯ জন সংগঠক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিন টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে গেমসে অংশ নিতে জাপানে আসাদের মধ্যে ৮ জন বুধবার নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

২৩ জুলাই শুরু হবে অলিম্পিক গেমস। যেটা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। অবশ্য করোনার কারণে দর্শক উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইতোমধ্যে।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বুধবার জানিয়েছেন যে টোকিও অলিম্পিকে করোনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ও শঙ্কা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। তবে তিনি সংক্রমণ রুখতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানার ব্যাপারে জোর দিতে বলেছেন। এদিকে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় টোকিও শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। যেটা ২২ আগস্ট পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।


আরও খবর



রাজশাহী মেডিকেলে আরও ১৪ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান। এর আগে গত ২৮ জুন সর্বোচ্চ ২৫ জন মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নতুন করে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালটিতে এ মাসের ১২ দিনে ২০৪ জনের মৃত্যু হলো। এর আগে জুন মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন।

রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ৫১৮ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৪৫৪টি।

 



আরও খবর