Logo
শিরোনাম

বাজেট অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনবে: জিপেক ওয়েবিনারে বক্তারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
একটি টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের মূলধন বৃদ্ধি করা ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোতে সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা

এবারের বাজেটে কর হ্রাসের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিতকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পদক্ষপে গ্রহণ করা হয়েছে। যা বাস্তবায়ন হলে অর্থনীতিতে আয় বাড়বে। ফলে ভোগ ও চাহিদা বাড়বে, অর্থনীতি সবল হবে এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। তাই এ বাজেট প্রবৃদ্ধি অর্জনযোগ্য বাজেট। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গভর্নেন্স পলিসি এক্সপ্লোর সেন্টার (জিপেক) আয়োজিত সদ্য ঘোষিত বাজেট নিয়ে ভার্চুয়াল পর্যালোচনা সভায় আলোচকরা এ অভিমত ব্যাক্ত করেন।

বক্তারা আরও বলেন, কিছু বিষয় বাদ দিলে এ বাজেট অর্থনীতির জন্য সুফল বয়ে আনবে। তবে করোনার অভিঘাতে গ্রামীণ ও শহুরে নতুন দরিদ্রদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত করতে হবে। বাংলাদেশে সঠিকভাবে দরিদ্রের তথ্যভান্ডার বা ডাটাবেজ গড়ে তোলা জরুরী। বাজেটের অর্ন্তবর্তী মূল্যায়ণ ও সঠিক সময়ে এবং সঠিক গুণে ও মানে প্রকল্প সমাপ্তকারীকে পুরস্কার এবং ব্যর্থ হলে শাস্তির ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

জিপেক বাজেট পর্যালোচনা ২০২১-২২ শীর্ষক ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিপেক এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো (অনারারি) ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোরশেদ হোসেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান জিপেক এর নির্বাহী পরিচালক ড. মিজানুর রহমান। ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন বেসিক ব্যাংকের পরিচালক ও জিপেক চেয়ারপার্সন রাজীব পারভেজ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও জিপেক এর উপদেষ্টা মো. আবদুল কাইয়ুম এর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, এফবিসিসিআই এর সহ-সভাপতি আমিন হেলালি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ মাহমুদ বাশার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ সরকার, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক্ অধ্যাপক ডা. মোহা. শেখ শহীদউল্লাহ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. জেবউননেছা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার দেব, ফৌজিয়া হক এফসিএ, টেকওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ এর সম্পাদক নাজনীন নাহার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক হালিমা হক প্রমুখ।

ওয়েবিনারে উপস্থাপিত প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে করোনার মধ্যে অর্থনীতি সবল রাখতে বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপির ৬.২%। তবে এ ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। বাংলাদেশকে বৈদেশিক ঋণ দিতে অনেক দেশই আগ্রহী হওয়ায় বাংলাদেশ সহজে বৈদেশিক ঋণ গ্রহন করতে পারবে। আবার বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস হতে অর্থ প্রাপ্তি সম্ভব। কোভিড-১৯ অতিমারির পরেও স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ও মোট বাজেটের ১৫ শতাংশ ব্যয় বরাদ্দ করতে হবে। ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য শস্য বীমা বা কৃষি বীমা, গবাদি পশু বীমা চালু করতে হবে। সার্বজনীন পেনশন স্কীম (কৃষকদের অন্তর্ভুক্ত করে) চালু করা যেতে পারে। বিনিয়োগবৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সারা দেশে চলমান ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠানের মূলধনী যন্ত্রাংশের উপর আরোপিত ১ শতাংশের অতিরিক্ত সব ধরনের শুল্ক-কর প্রত্যাহার করতে হবে। ই- কমার্স খাতের বিকাশের জন্য কর আরোপের পরিবর্তে প্রণোদনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা, কর মওকুফ ও ইন্টারনেট খরচ কমানোর সুপারিশ করা হয়ছে। স্টার্টআপদের জন্য ট্যাক্স হলিডে বাড়াতে হবে। একটি টেকসই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের মূলধন বৃদ্ধি করা ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোতে সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা এবং রেজিস্টার্ড আউটসোর্সারদের জন্য ঋণসুবিধার ব্যবস্থা করা। উন্নয়নে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের জন্য নিয়মিত এডিপির অতিরিক্ত একটি নির্দিষ্ট শতাংশিক হারে গ্রহণযোগ্য এডিপির বরাদ্দ দেয়া প্রয়োজন। বাজেটে অন্যান্য দেশের মতো ইনোভেশন, রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট খাত তৈরি করে বাজেট বরাদ্দ দেয়ার সুপারশি করা হয়েছে।

মোবাইল আর্থিক সেবার উপর কর্পোরেট কর বাড়ানোয় দরিদ্র লোকদের আর্থিক অর্ন্তভুক্তি অনিশ্চিত হবে। দীর্ঘমেয়াদে এ খাতে বিনিয়োগ সংকুচিত হতে পারে। তাই এ খাতে বর্ধিত কর প্রত্যাহার করে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্ভুত আয়ের উপর ১৫ শতাংশ কর বসালে তা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উপর পড়বে। এ কর প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। বর্তমানে করোনার সময়ে ব্যবসায়, উৎপাদনে মন্দা, কর্মহীন হয়ে যাওয়া ও জনগণের আয় কমে যাওয়ায় এই আয়সীমা ৪ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়ছে।

উপস্থাপিত প্রবন্ধে তৃতীয় লিঙ্গের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, ব্যক্তিশ্রেণির ব্যবসায়িক টার্নওভার ট্যাক্স হ্রাস, বিত্তবানদের সম্পদের উপর সারচার্জ বৃদ্ধি, করনেট সম্প্রসারণে টিআইএন- এর বাধ্যবাধকতা, তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষে আইটি খাতে ১০ বছরের কর অব্যাহতির সুপারশি করা হয়। নারী উদ্যোক্তাদের ৭০ লক্ষ টাকা টার্নওভার সুবিধা, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনে ১০ বছরের করমুক্ত সুবিধা, স্বাস্থ্যখাতে বেসরকারি বিনিয়োগ, বিদেশী পণ্যের নির্ভরশীলতা কমাতে দেশীয় শিল্পের ভ্যাট ও আগাম অব্যাহতি, কৃষি উপকরণে ও নারী স্বাস্থ্য সংরক্ষণে ভ্যাট অব্যহতি ও দেশীয় চাষীদের প্রতিরক্ষণের কথা বলা হয়েছে যা প্রশংসার দাবিদার।

ওয়েবিনারে আলোচকরা বলেন, একটি বাজেটের দর্শন হলো মূল নিয়ামক। তাই দর্শনকে ভিত্তি বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন হওয়া উচিত। বাজেটে অধিক অর্থ বরাদ্দের আবেদনের চেয়ে এর সঠিক ব্যবহারের জোর তদারকি দরকার এখন বেশি। স্বাস্থ্য খাত এর জ্বলন্ত উদাহরণ। তাই আলোচকরা মনে করেন বাজেট বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি বিশেষ প্রয়োজন। বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন, বর্তমান বাজেটে জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ অনেক বেশি, যা কমানো যেতে পারে, কৃষিক্ষেত্রে সুদের হার আরো কমানো, সামজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, ব্যক্তি করসীমা বাড়ানো, তথ্য প্রযুক্তি খাতে ট্রেনিংকে উৎসাহিত করা, গার্মেন্টস এর মতো অন্য শিল্পকেও গুরুত্বারোপ, ব্যবসা বহুমুখীকরণ, বিচার বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ, বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বিশেষ বরাদ্দ, তৃতীয় লিঙ্গের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ বিবেচনায় নেয়ার আহবান জানান।

কালো টাকা সাদা করার প্রসঙ্গে বলা হয়, ঢালাও সুযোগ না দিয়ে হাইটেক পার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের সুযোগ, জরিমানা আদায় ও টাকার উৎস জানানো সাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বর্ধিত করা যেতে পারে। তবে তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকরী না থাকাই ভালো। এতে সৎ করদাতারা নিরুৎসাহিত হয়।


আরও খবর



অনেক কষ্টে বড় হয়েছি, খাবারটাও ঠিকমতো পাইনি বলেই কাঁদলেন বর্ষা

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ও শিল্পপতি-অভিনেতা অনন্ত জলিলের স্ত্রী আফিয়া নুসরাত বর্ষা। শৈশব ও কৈশোর ছিলো তার নানা প্রতিবন্ধকতায় ভরপুর। প্রায়ই ঘরে খাবার থাকতো না। সকালের নাস্তা না খেয়েই স্কুলে গিয়েছেন। সেই কঠিন সময় ও অতীতকে ভুলে যাননি বর্ষা। নিজের আজকের অবস্থানটাকে যেমন উপভোগ করেন তেমনি অতীতের দিনগুলোকেও স্মরণ করেন। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে নিজের জীবনের জানা অজানা অনেক গল্পই শোনালেন বর্ষা। সেখানে তার অতীত নিয়েও কথা বলেন তিনি।

খোঁজ-দ্য সার্চ সিনেমায় অভিনয় করে চলচ্চিত্রে পা রাখেন বর্ষা। ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত এ সিনেমায় চিত্রনায়ক অনন্ত জলিলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি। এরপর একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমায় অভিনয় করেছেন অনন্ত-বর্ষা। কাজ করতে গিয়ে প্রেম ও বিয়ে। বর্তমানে দুই সন্তান নিয়ে তারা সুখী দম্পতি।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে বর্ষা তার জীবনের ফেলে আসা দিনগুলো নিয়ে বলেন, আমি খুব সাধারণ ঘরের মেয়ে ছিলাম। এমনও হয়েছে সকালে আনমনে স্কুলে চলে গিয়েছিলাম। আমার ঘরে খাবারও ছিল না যে আমি এটা খেয়ে যাব। হঠাৎ করে স্কুলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলাম। তারপর আমার টিচার আমাকে তার বাসায় নিয়ে গিয়ে ডিম দিয়ে খিচুড়ি খাইয়েছিলেন। তারপর আবার ক্লাসে আসি।

কথাগুলো বলতে বলতে কয়েক সেকেন্ডের জন্য থেমে যান বর্ষা। তার চোখের কোণায় পানি জমে যায়। নিজেকে সামলে অভিনেত্রী আরও বলেন, আমার ৮-১০ বছর পর্যন্ত অনেক কষ্টে দিন কেটেছে। খাবারটাও ঠিকমতো পাইনি। তারপর আলহামদুলিল্লাহ, আমার ফ্যামিলি এটাকে ওভারকাম করতে পেয়েছে।

ছোটবেলা থেকেই মানুষের ভালোবাসা অনেক বেশি পেতেন বলেন জানান চিত্রনায়িকা বর্ষাা। তার ভাষায়, প্রাইমারি শেষ করে হাইস্কুলে যাওয়ার পরও টিচারদের ভালোবাসা পেয়েছি। বার্ষিক অনুষ্ঠানে নাটক করতে শিক্ষকরা আমাকে ছেলেদের চরিত্রগুলো দিতেন। একবার চেয়ারম্যান চরিত্রে অভিনয় করে কলম উপহার পেয়েছিলাম।

সিরাজগঞ্জে বেড়ে ওঠা বর্ষা কি ছোটবেলা ফিরে পেতে চান? এমন প্রশ্নের উত্তরে তার জবাব, সত্যি কথা বলতে কী, আমি আসলে ছোটবেলায় ফিরে যেতে চাই না। কারণ অনেক কষ্টে বড় হয়েছি। তবে ধানমন্ডি লেকে গিয়ে চটপটি-ফুসকা খাওয়া, নদীর ধারে বসা, বান্ধবীদের সঙ্গে গল্প করা খুব মিস করি। এখন চাইলেই এগুলো করতে পারি না। আমার কাছে মনে হয়- ইশ, ওই দিনগুলোতে যদি ফিরে যেতে পারতাম। তাহলে বান্ধবীদের অনেক ভালো ভালো খাওয়াতে পারতাম। হাহাহা।

নিজের জীবনের অতীতকে ভুলে যেতে চান না বর্ষা। লুকিয়েও রাখতে চান না। তিনি মনে করেন দীর্ঘদিনে সংগ্রাম ও পরিশ্রমের পর আজকে তার যে অবস্থান তা হয়তো কারো জন্য প্রেরণা হতেও পারে। যদি তার জীবন একটি মানুষকেও প্রেরণা দেয়, স্বপ্ন দেখায় তবে সেটা হবে তার জন্য বিরাট প্রাপ্তি। হতাশাকে জয় করেই পৃথিবীতে বাঁচতে হয়।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে নেত্রী-দ্য লিডার সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বর্ষা। তুরস্কের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে এ ছবিটি।



আরও খবর



রাজশাহীতে হঠাৎ ধসে পড়লো চারতলা ভবন

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট। প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেক তলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ভেঙে পড়েছে।

রাজশাহী মহানগরীতে ভেঙে পড়েছে একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবন। রবিবার বেলা ৩টার দিকে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভবনটিতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে চাপা পড়েছে কয়েকটি প্রাইভেটকার।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট। প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেক তলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ভেঙে পড়েছে।

জানা গেছে, ভবনটির মালিক আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোটভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।

ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালোমানের নির্মাণ সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ বলেন, ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসব তারা তদন্ত করে দেখবেন।

নিউজ ট্যাগ: রাজশাহী ভবন ধস

আরও খবর



করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৩৭

প্রকাশিত:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ হাজার ৭১ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬৩৭ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট লাখ ২৪ হাজার ৪৮৬ জনে।

শনিবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী। এদের মধ্যে বাসায় মারা গেছেন তিনজন। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে ১১ জন। ঢাকা বিভাগে ১০ জন, রাজশাহীতে সাতজন। এর বাইরে চট্টগ্রামে ছয়জন, বরিশালে দুইজন, রংপুরে দুইজন ও সিলেটে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৬৬১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০টি। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৬৩টি।

অপরদিকে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ১০৮ জন করোনা রোগী। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হলেন সাত লাখ ৬৪ হাজার ২৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ। আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৯ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে ইউজিসির সতর্কতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে অননুমোদিত ভবন বা ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, অননুমোদিত প্রোগ্রাম, মামলা-মোকদ্দমাসহ নানা সমস্যা রয়েছে এমন ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ (আপডেট) করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। চলতি ভর্তি মৌসুম সামনে রেখে সম্প্রতি এই হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তালিকায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক বা জনসাধারণের সচেতনতার্থে ইউজিসির ওয়েবসাইটে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে গত ২ জুন জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, রাজধানীতে বেসরকারি আটটি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া অবৈধ ক্যাম্পাস রয়েছে আরও দুটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের।

ইউজিসি সূত্রে জানা গেছে, উচ্চশিক্ষায় ভর্তির এই সময়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করতেই সম্প্রতি ওয়েবসাইটের তালিকাটি হালনাগাদ করা হয়েছে। সেখানে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে ভর্তি হতে হবে। পরে কোনো সমস্যায় পড়লে দায়ভার নেবে না ইউজিসি। দেশে বর্তমানে ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আছে।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার (৮ জুন) ইউজিসির (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, সম্প্রতি সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আটটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং দুটিতে অবৈধ ক্যাম্পাস থাকার কথা বলেছেন।

অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ বলেন, যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সমস্যা রয়েছে তা সম্প্রতি আপডেট করে ইউজিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিত ক্যাম্পাস অথবা প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে।

ইউজিসির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, অবৈধ ভবনে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি এবং নর্দান ইউনিভার্সিটি।

এ দিকে, দেশের ৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিত প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এরমধ্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি প্রোগ্রামের অনুমোদন নিয়ে সেই প্রোগ্রামের আড়ালে আরও ১০টি প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানিয়েছে ইউজিসি। অননুমোদিত প্রোগ্রামগুলো হলো- বিবিএ ইন জেনারেল, বিবিএ ইন ফিন্যান্স, বিবিএ ইন এইচআরএম, বিবিএ ইন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, বিবিএ ইন মার্কেটিং, বিবিএ ইন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম, বিবিএ ইন অ্যাকাউন্টিং, বিবিএ ইন ইকোনমিক্স, বিবিএ ইন এন্টারপ্রেনিউরশিপ এবং বিবিএ ইন সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ে অননুমোদিতভাবে পরিচালিত বিবিএ, পরিবেশ বিজ্ঞান, এমবিবিএস, বিডিএস এবং স্কাইকোথেরাপি প্রোগ্রামগুলো হাইকোর্ট ডিভিশন ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়টি এসব প্রোগ্রামে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স ইন কুরআনিক সায়েন্স অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ প্রোগ্রামটি অননুমোদিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্রিটেনিয়া ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে মালিকানা দ্বন্দ্ব রয়েছে। এছাড়া ইবাইস ইউনিভার্সিটির দুজন মালিক একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরমধ্যে একটি গ্রুপ ধানমন্ডি, অন্য গ্রুপ উত্তরায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। একসময় কোর্টের রায়ে ধানমন্ডি বাড়ি নম্বর-২১/এ, সড়ক নম্বর-১৬ (পুরাতন-২৭), ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯ ঠিকানাটি কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছিল। ওই স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা ভ্যাকেট হয়ে যাওয়ায় ইবাইস ইউনিভার্সিটির ওই ঠিকানা কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে বাতিল করা হয়। তাই বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত কোনো ঠিকানা নেই। আর দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লায় শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়নি।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের Civil Petition for Leave to Appeal No. 1967/2018 (out of Writ petition no. 4263/2018) এর আদেশ অনুযায়ী দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লার ঠিকানা এবং প্রোগ্রামগুলো ইউজিসির ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশনা চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে। কমিশন থেকে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরুর অনুমতি এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।

এ দিকে, সরকার কর্তৃক নতুন করে অনুমোদন দেওয়া ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুমতি পায়নি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- রূপায়ন এ কে এম শামসুজ্জাহা বিশ্ববিদ্যালয়, আহসানিয়া মিশন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খান বাহাদুর আহছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহ মখদুম ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি, মাইক্রোল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং আর টি এম আল কবির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংসদে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২০ এর ধারা ১৩ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুকূলে প্রদত্ত সাময়িক সনদে উল্লেখিত স্থানে/শহরের বাইরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু রাজধানীতে বেসরকারি আটটি বিশ্ববিদ্যালয় অবৈধ ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে অননুমোদিত ভবনগুলো বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক বা জনসাধারণের সচেতনতার্থে ইউজিসির ওয়েবসাইটে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের পাশে লাল তারকা চিহ্ন প্রদান করা হয়েছে এবং গণবিজ্ঞপ্তিতেও এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যবস্থা গ্রহণের প্রসঙ্গ টেনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ এবং নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ পরিদর্শনপূর্বক তদন্ত করার জন্য অতি সম্প্রতি ইউজিসি কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আর উত্তরা ও বনানীতে ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি অবৈধ ক্যাম্পাস এবং উত্তরায় দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লার একটি অবৈধ শাখা রয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যাওয়া নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যাতায়াত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার (২ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ভাসানচর বিচ্ছিন্ন এলাকা। সেখানে প্রতিদিনই বহুসংখ্যক নৌযান যাচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য করছে। এসব আর হতে দেওয়া যাবে না। এগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো নাগরিক এখন থেকে সরকারের অনুমতি ছাড়া ভাসানচরে যেতে পারবেন না।

আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক বলেন, এ পর্যন্ত ১৮ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাদের জন্য মানসম্মত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন তারা পাঁচ হাজার করে টাকা দেওয়ার জন্য বিক্ষোভ করছে। পৃথিবীর কোনো দেশে শরণার্থীদের জন্য নাগরিক সুবিধা থাকে না। তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়, নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় মাত্র। কিন্তু বাংলাদেশে শরণার্থীদের থাকা-খাওয়া ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা সরকার করছে। এর মধ্যে আবার তারা বাড়তি টাকার জন্য বিক্ষোভ করছে। তাদের পকেট খরচ দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তারা হয়তো কারও প্ররোচণায় এমন দাবি তুলেছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, যেসব রোহিঙ্গা কক্সবাজার বা অন্যত্র রয়েছে তারা মাদক ব্যবসা ও অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য চারদিকে দেয়াল নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে সিসি ক্যামেরা বাড়ানো হবে। অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ধরে এনে ক্যাম্পে পাঠাতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর