Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশের বন্ধু সাংবাদিক সাইমন ড্রিং আর নেই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ জুলাই ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, প্রখ্যাত সাংবাদিক সাইমন ড্রিং আর নেই। তিনি গত শুক্রবার রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় মৃত্যু বরণ করেন।

মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা ছিলো সহযোদ্ধার। তার প্রকাশিত প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক জনমত তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলো। বাংলার মাটিতে টেলিভিশনের আধুনিক রুপকার হিসেবে তিনি গড়ে তুলেছিলেন একুশে টেলিভিশনকে। সে পথ ধরেই এগিয়েছে এদেশে বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো।

সাইমন ড্রিং বাংলার মাটিতে পাকিস্তানী বাহিনীর নির্যাতন ও গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিক।

দ্যা ডেইলি টেলিগ্রাফ এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং। প্রত্যক্ষ করেন সাত মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ; এরপর ২৫ মার্চ রাতের গণহত্যা। নিজের জীবন বিপন্ন করে সরেজমিন প্রতিবেদন প্রকাশ করেন; সারা বিশ্বকে জানিয়ে দেন নিরীহ বাঙালির উপর পাকিস্তানি বর্বর হামলার কথা। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে উঠার প্রাথমিক ধাপ ছিলো সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন।

কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়। ১৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর ট্যাংকে ময়মনসিংহ হয়ে স্বাধীন বাংলায় আসেন সাইমন ড্রিং।

পরবর্তীতে ২০০০ সালে এদেশে প্রথম বেসরকারি টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি গড়ে তোলার কাজে এসেছিলেন। একুশে টিভির প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশনের আধুনিকতার রুপকার সাইমন ড্রিং; টিভি সাংবাদিকতায় অনন্য মাত্রা যোগ করেছিলেন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বন্ধ করে দেয় একুশে টিভি। ২০০২ সালে ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয় সাইমন ড্রিংকে।

সাইমন ড্রিং এর জন্ম ১৯৪৫ সালে। ১৮ বছর বয়স থেকে সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন। পেশাগত জীবনে ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব প্রত্যক্ষ করেছেন। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের প্রতিবেদন তৈরি করে ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টার অব দ্যা ইয়ার নির্বাচিত হন। অজর্ন করেন অসংখ্য পুরুষ্কার।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে । তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম।

তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মত জায়গায়।

পরে তিনি ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সায়মন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।

নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ৩০ মার্চ ১৯৭১, ডেইলি টেলিগ্রাফে। ২০১২ সালে সোনারগাঁও হোটেলে স্মৃতি ৭১ শিরোনামে এক অনুষ্ঠানে সেই গল্প শুনিয়েছিলেন সায়মন ড্রিং।

সেই অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক মার্ক টালি, যিনি একাত্তরে বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সংবাদদাতা ছিলেন। তাদের দুজনকেই মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করেছে বাংলাদেশ সরকার।


আরও খবর



খুলনার চার হাসপাতালে সর্বোচ্চ ২২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনার চার হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে নয়জন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আটজন, জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুইজন ও আবু নাসের হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৯৩ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ১২৯ জন, ইয়ালো জোনে ২৫ জন, আইসিইউতে ১৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩২ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫১ জন।

শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- খুলনার ডুমুরিয়ার আবুল বাশার মোল্লা (৪৬), বটিয়াঘাটার রিজিয়া বেগম (৬৫) ও ঝিনাইদহ কালিগঞ্জের সিরাজুল ইসলাম (৬৫)। এছাড়া হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৪৫ শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন ৪৩ জন। তার মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন চারজন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন একজন।

জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- খুলনার রূপসার বাগমারার আনসার শেখ (৬০) ও দিঘলিয়ার উত্তর চন্দনীমহলের আমেনা বেগম (৮০)। এছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৮ জন, তার মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ৩৫ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- নগরীর টুটপাড়ার আব্দুল কাদের (৬১), খুলনার রূপসার শামিমা আক্তার (৫০), বাগেরহাটের ফকিরহাটের সুভাস দত্ত (৬১), যশোর সদরের সুজনপুরের নূর জাহান (৭৫), নড়াইলের কালিয়ার বাকা এলাকার নাসিমা বেগম (৫৬), চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বাজারের আব্দুর রশিদ (৪৫), পিরোজপুর নাজিরপুরের সাকিনা বেগম (৬৫) ও যশোর সদরের বেজপাড়ার দুলাল চন্দ্র ঘোষ (৬৫)।

বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৪ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ৯ জন ও এইচডিইউতে আছেন ১১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২১ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন। পিসিআর ল্যাবে ৬২টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।



আরও খবর



ভেনিজুয়েলায় পুলিশ সন্ত্রাসী সংঘর্ষ : নিহত ২৬

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভেনিজুয়েলায় মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ২৬ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ৩৮ জন। শনিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারমেন মেলেনদেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের খবরে জানা গেছে, রাজধানী কারাকাসের উত্তর-পাশ্চিমাঞ্চলে গত এক সপ্তাহ ধরে চলা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেলেনদেজ বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২২ জন সন্ত্রাসী ও ৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। আহত ৩৮ জনের মধ্যে ১০ জন পুলিশের সদস্য রয়েছে। ২৮ জন সাধারণ মানুষও গুরুতর আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কে অনেক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।

এদিকে, দেশটির বিরোধী দলীয় সেতারা অভিযোগ করছেন, সন্ত্রাসী দমনের নামে প্রেসিডেন্ট মাদুরো আসলে বিরোধী দলকে দমন করছেন।


আরও খবর



বিদেশগামী কর্মীদের টিকার জন্য বিশেষ নিবন্ধন শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সৌদি আরব ও কুয়েতগামী কর্মীদের করোনা টিকার জন্য বিশেষ নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার বিকালে বিদেশগামী কর্মীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা টিকা প্রদান বিষয়ে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ এর উদ্বোধন করেন।

ব্রিফিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমরান আহমদ বলেন, সমস্যা শুরু হয়েছে মে মাসে। আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আর যৌথ নেতৃত্বের সুবিধা হলো অল্প সময়ের মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে পরিবর্তন করতে পেরেছি। প্রবাসী ভাইদের সমস্যার শেষ নেই। তবে আমাদের মন্ত্রণালয় তাদের সমস্যা সমাধাণের জন্য ২৪ ঘন্টা দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভ্যাক্সিন নেওয়ার জন্য বিশেষ রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছি। সৌদি ও কুয়েতগামী কর্মীদের ভ্যাক্সিন নিতে যে জট লেগেছে, তা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই নিরসন করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, আইসিটি, প্রবাসী কল্যাণ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে যৌথভাবে কাজ করছে। কোনো সমস্যা হলে আমরা সমাধান করবো। আপনারা (প্রবাসী কর্মী) শান্তিতে বিদেশ যেতে পারবেন। বিশেষ রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করছি। পর্যায়ক্রমে সব প্রবাসী কর্মীরা ভ্যাক্সিন পাবেন।

বিশেষ অতিথি আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২০ লাখ মানুষের কাছে ৩৩৩ কল সেন্টারের মাধ্যমে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে অর্থনীতির চাকা বেগবান রেখেছেন এক কোটির বেশি প্রবাসী ভাই বোনেরা। ২২ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স আসছে এই প্রবাসীদের হাত ধরে। আর তাদের বিদেশ যাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সমাধানের চষ্টো করছি। বিদেশগামী কর্মীদের বিশেষ রেজিস্ট্রেশন আজ (সোমবার) থেকেই শুরু হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সুরক্ষা প্লাটফর্মটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করেছে। যদি কোনো ত্রুটি থাকে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আমরা তা সমাধানের চষ্টো করবো। আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের সেবা করা।

আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এনএম জিয়াউল আলম, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মনিরুল সালেহীন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা ভার্চুয়াল এ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। ব্রিফিংয়ে সুরক্ষা টিমের মো. হারুন অর রশিদ সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন (পাসপোর্ট)' অপশনে গিয়ে কিভাবে বিদেশগামী কর্মীরা নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন তা দেখান।


আরও খবর



যানবাহন চলাচলে ৫ শর্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
গণপরিবহণে আসন বিন্যাস করতে হবে আড়াআড়িভাবে। অর্থাৎ, কোনো আসনে জানালার পাশে যাত্রী বসলে পেছনের আসনের যাত্রীকে করিডরের পাশের আসনে বসতে হবে

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৫ জুলাই থেকে আট দিন শর্ত সাপেক্ষে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ বা লকডাউন শিথিল করেছে সরকার। এই সময়ে গণপরিবহণসহ সব যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একইসঙ্গে ঈদ পরবর্তী ১৪ দিন গণপরিবহণসহ সব ধরনের যানবাহন বন্ধেরও নির্দেশনা দিয়েছে সরকারের সংস্থাটি।

বুধবার বিআরটিএর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত পাঁচটি শর্তে সব ধরনের যানবাহন চলতে পারবে।

শর্তগুলো হলো:

১. বাস/ মিনিবাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলতে হবে। পাশাপাশি আসনে বসা যাবে না। গণপরিবহণে আসন বিন্যাস করতে হবে আড়াআড়িভাবে। অর্থাৎ, কোনো আসনে জানালার পাশে যাত্রী বসলে পেছনের আসনের যাত্রীকে করিডরের পাশের আসনে বসতে হবে।

২. অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চলার কারণে যে আর্থিক ক্ষতি হবে, তা পুষিয়ে নিতে বিদ্যমান ভাড়ার অতিরিক্ত ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া দিতে হবে যাত্রীদের।

৩. গণপরিবহণের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার/কন্ডাক্টর, চালকের সহকারী ও টিকিট বিক্রির দায়িত্বে নিয়োজিতদের মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক। তাদের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৪. যাত্রার শুরু ও শেষে বাস-মিনিবাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে হবে। জীবাণুনাশক ছিটিয়ে এসব যান জীবাণুমুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া যাত্রীদের হাতব্যাগ ও মালপত্র জীবাণুনাশক ছিটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

৫. গণপরিবহণে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে হবে। শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এর বাইরে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া অন্যান্য শর্তও সবাইকে পালন করতে বলা হয়েছে বিআরটিএ'র বিজ্ঞপ্তিতে। এ ছাড়া এই পাঁচ শর্ত মেনে রাইডশেয়ারিং সেবার যানবাহনও চলতে পারবে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।


আরও খবর



তীব্র যানজটে নাকাল মানুষ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। এছাড়া দফায় দফায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বন্ধ ও সিরাজগঞ্জ অংশে পরিবহন চলাচলে বাধার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজটের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী সাধারণ।

রবিবার ভোর থেকে মহাসড়কের রাবনা বাইপাস, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা, সল্লা, জোকারচর ও বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় তীব্র যানজট দেখা গেছে। তবে মাঝে মাঝে ঢাকামুখী লেনে গাড়ি চললেও উত্তরবঙ্গমুখী লেনে গাড়ি আটকে রয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকামুখী গরুবাহী ট্রাকের চাপ বাড়ছে। এতে করে দীর্ঘমেয়াদি যানজটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যানজটের ফলে চালক ও ঘরমুখো যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে সকাল থেকে যাত্রীবাহী বাসের থেকে ট্রাকের সংখ্যা বেশি দেখা গেছে।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু সেতুর দুই পাড়ের মহাসড়কে গাড়ির চাপ ও যানজটের কারণে দফায় দফায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধ রাখছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, লকডাউন শিথিল ও আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে পরিবহনের চাপ বেড়েছে। 


আরও খবর