Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশের পরিস্থিতি কখনো শ্রীলঙ্কার মতো হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের পরিস্থিতি কখনো শ্রীলঙ্কার মতো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব দিবাস্বপ্ন দেখছেন।

বুধবার (১১ মে) দুপুরে খুলনা শিপইয়ার্ডে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কোস্টগার্ডের জন্য খুলনা শিপইয়ার্ড কর্তৃক নির্মিত আটটি নৌযান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হবে-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উনি (মির্জা ফখরুল) তো দিবাস্বপ্ন দেখছেন। উনি স্বপ্ন দেখছেন বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, এসে তারা দেশকে আবার অন্ধকার করে ফেলবেন।

এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন করে বলেন, আপনারা তো সারা দিন দেশের বিভিন্ন জায়গার সংবাদ সংগ্রহ করে বেড়ান। দেশে কি শ্রীলঙ্কার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি স্বপ্ন দেখছে দেশকে আবার ২০০১ সালের মতো পিছিয়ে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু দেশের জনগণ তো তা চায় না। আমরা তো দেশের জনগণকে নিয়ে রাজনীতি করি। আমাদের রাজনীতি হলো জনগণকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আজ জনগণ তাদের (বিএনপি) প্রত্যাখ্যান করেছে। যতই তারা ডাক দিক, যত কিছু বলুক; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে তার নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। এ দেশের মানুষ বিশ্বাস করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।

মন্ত্রী দেশের মাথাপিছু আয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০০৮ সালে যখন আমরা ক্ষমতায় আসি, তখন দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৬০০ ডলারের নিচে। আজকে হয়েছে ২ হাজার ৮২৪ ডলার। দেশ যে একটা দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এটা তারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন। এ কারণে তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।’

দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের মতো বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা আছে কি-না এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অত্যন্ত দক্ষ। যেকোনো চ্যালেঞ্জ তারা মোকাবিলা করতে পারে। এবার ঈদের সময় কোনো জায়গায় কোনো ভোগান্তি হয়নি, চুরি-ডাকাতি হয়নি, ছিনতাই হয়নি। আমি মনে করি, আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করে। সে জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।’


আরও খবর



‘অশনি’ ভাঙল তরমুজ চাষিদের স্বপ্ন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বরগুনায় ভারী বৃষ্টিতে তরমুজ ক্ষেতগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে করে ক্ষেতেই পচে যাচ্ছে তরমুজ। বাধ্য হয়ে পানির তলা থেকে তরমুজ তুলে ফেললেও সেগুলো পচে যাচ্ছে। ফলে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষিরা।

একই সঙ্গে দেখা যায়, একরের পর একর তরমুজ ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। তরমুজ চাষিরা ক্ষেত থেকে পানি সরাচ্ছেন। পাকা-আধাপাকা তরমুজ তুলতে রাস্তার পাশে স্তূপ করা হচ্ছে। তবে কোথাও কোনো পাইকারের দেখা মেলেনি।

বালিয়াতলী ইউনিয়নের তরমুজ চাষি আনোয়ার হোসেন জানান, এবার দুই একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেন তিনি। সার, ওষুধ, সেচ দিয়ে প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হয়েছে তার। আনোয়ার বলেন, ক্ষেতজুড়ে যেভাবে ফল আসতে শুরু করেছিল তাতে আমার প্রায় পাঁচ লাখ টাকা লাভ হতো। তবে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বৃষ্টি হওয়ায় ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। দুদিন ধরে ক্ষেতের পানি সরানোর জন্য চেষ্টা করেও পারেননি। বাধ্য হয়ে পাকা-আধাপাকা তরমুজগুলো বিক্রির জন্য ক্ষেত থেকে তুলে ফেলেছি।

হেউলিবুনিয়া এলাকার তরমুজ চাষি মাসুদ মিয়া বলেন, তরমুজ গাছ বেশি পানি সহ্য করতে পারে না। তাই বৃষ্টির পানিতে ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় গাছগুলো মরে গেছে। এতে আমাদের কমপক্ষে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। নিমতলার চাষি মো. জাফর জানান, বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া ক্ষেত থেকে প্রায় চার শতাধিক তরমুজ তুলতে পেরেছেন তিনি। তবে পাইকার না থাকায় তা বেঁচতে পারছেন না। জাফর বলেন, পাইকাররা পানিতে নিমজ্জিত তরমুজ কিনতে চাচ্ছেন না। এতে আড়াই লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়ে যাবে আমার।

এ বিষয়ে বরগুনা কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. বদরুল আলম বলেন, মূলত তরমুজের মৌসুম শেষ। তবে কিছু চাষি অধিক লাভের আশায় সব তরমুজ একবারে না তুলে ধীরে ধীরে তুলে বাজারে বিক্রি করছিলেন। বৃষ্টির পানিতে তাদের খেত তলিয়ে নষ্ট হতে পারে। বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় অশনি

আরও খবর



খুলনায় তিন ব্যবসায়ীর গুদামে ২ লাখ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনায় দুই লাখ ৩৬ হাজার ৬৪০ লিটার ভোজ্যতেল মজুত রাখার অপরাধে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) খুলনার বড় বাজারে র‍্যাব ও জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে তাদের জরিমানা করে।

জব্দ তেলের মধ্যে সয়াবিন ৭৩ হাজার ৩২ লিটার এবং এক লাখ ৬৩ হাজার ৬০৮ লিটার পাম তেল। তিন ব্যবসায়ীকে মোট এক লাখ ৬০ হাজার টাকা জ‌রিমানা করা হয়েছে। সকাল সোয়া ১০টা থে‌কে অ‌ভিযান চলে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত চলে।

র‍্যাব-৬ এর পু‌লিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবা‌দের ভি‌ত্তি‌তে জানতে পে‌রে অ‌ভিযান চালানো হয়। সরকারি নিয়মনী‌তি উ‌পেক্ষা করে খুলনার ব্যবসায়ীরা বাজারে কৃ‌ত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। যাতে ভ‌বিষ্যতে এ সংকট তারা তৈ‌রি না করতে পা‌রে, সেজন্য জ‌রিমানা করা হয়েছে। তবে জনস্বা‌র্থে অ‌ভিযান অব্যাহত থাকবে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ বসাক জানান, তিন প্রতিষ্ঠানে তেল মজুত রাখায় তাদেরকে জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



‘ঈদ জামাত ঘিরে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই’

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত ঘিরে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। রোববার (১ মে) জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, মুসুল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে ঈদগাহে প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রত্যেককে তল্লাশি করার পর আর্চওয়ে গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, জামাতের আগে সুইপিং করবে বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট, থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা।

ঢাকায় এবার ছোট-বড় ১ হাজার ৪৬৮টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে এবং সবগুলোতেই ডিএমপি নিরাপত্তা দেবে বলেও জানান তিনি। তল্লাশিতে সময় লাগায় জামাতের নির্ধারিত সময়ের আগে মুসুল্লিদের ঈদগাহে আসার অনুরোধ জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


আরও খবর



পাম অয়েল বাণিজ্যে ভারতে আধিপত্য বাড়ছে মালয়েশিয়ার

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাম অয়েল রফতানিতে ইন্দোনেশিয়ার বেশকিছু পলিসি মালয়েশিয়ার জন্য আশীর্বাদ বয়ে এনেছে। অপ্রত্যাশিত এসব পলিসির সুবাদে মালয়েশিয়া বিশ্বের শীর্ষ ভোজ্যতেল ক্রেতা দেশ ভারতের বাজারে আধিপত্য বাড়াতে সক্ষম হচ্ছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা এ কথা জানিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক দেশ। কিন্তু ২২ এপ্রিল দেশটি পাম অয়েল রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে। এমন আরো বেশ কয়েকটি ধারণাতীত  পলিসি হাতে নিয়েছে দেশটি। ফলে ভারতের ভোক্তারা বিকল্প উৎস হিসেবে মালয়েশিয়ার ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছেন। মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় দেশটিতে অর্ধেকেরও কম পাম অয়েল উৎপাদন হয়।

মালয়েশিয়ার পণ্যবাজারবিষয়ক মন্ত্রী জুরাইদা কামারুদ্দিন বলেন, ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রফতানি বন্ধ ঘোষণার পুরোপুরি সুবিধা নিতে উপযুক্ত অবস্থান তৈরি করছে মালয়েশিয়া। এরই অংশ হিসেবে দেশটি পাম অয়েল রফতানি শুল্ক অর্ধেকেরও নিচে নামিয়ে আনতে যাচ্ছে।

তথ্য বলছে, ৩১ অক্টোবর চলতি বিপণন মৌসুম শেষ হবে। ভোজ্যতেল বাণিজ্য সংস্থা সলভেন্ট এক্সট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার প্রাক্কলন অনুযায়ী, এ মৌসুমে ইন্দোনেশিয়ার ভারতে পাম অয়েল রফতানির হিস্যা কমে ৩৫ শতাংশে নেমে যেতে পারে। এর মূল কারণ কমতির দিকে থাকা ট্যাক্স ও ইন্দোনেশিয়ার নিষেধাজ্ঞা। অথচ এক দশক আগেও বাজার হিস্যা ছিল ৭৫ শতাংশ।

মুম্বাইভিত্তিক সলভেন্ট এক্সট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার (এসইএ) নির্বাহী পরিচালক ভি বি মেহতা বলেন, ইন্দোনেশিয়ার অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্তের কারণে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে মালয়েশিয়া। ইন্দোনেশিয়া বাজারে না থাকায় মালয়েশিয়া পাম অয়েল বিক্রি বাড়িয়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, রেকর্ড সর্বোচ্চ দামেই দেশটি পাম অয়েল বিক্রি করছে।

এসইএর দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমের প্রথম পাঁচ মাসে ভারত সব মিলিয়ে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টন মালয়েশিয়ান পাম অয়েল ক্রয় করেছে। বিপরীতে ইন্দোনেশিয়া থেকে কেনা হয়েছে ৯ লাখ ৮২ হাজার টন। ব্যবসায়ীদের চলতি মাসের জন্য করা প্রাক্কলন অনুযায়ী, ভারত প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার টন পাম অয়েল ক্রয় করেছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ২ লাখ ৯০ হাজার টন এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টন আমদানি করা হয়। যদি ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত আরো দুই মাস কার্যকর থাকে তবে আগামী জুনে ভারতের পাম অয়েল আমদানি কমে সাড়ে তিন লাখ টনে নামতে পারে। এর মধ্যে আবার বেশির ভাগই আমদানি করা হবে মালয়েশিয়া থেকে। ভারতের আমদানির উৎসেএমন পরিবর্তন ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আধিপত্যকে হুমকির মুখে ফেলবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতীয় এক ক্রেতা জানান, ইন্দোনেশিয়া হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই রফতানি নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দিতে পারে। কিন্তু আবারো দেশটি নিষেধাজ্ঞা দেবে না, এমন নিশ্চয়তা নেই। তবে মালয়েশিয়ার রফতানি নীতিমালা ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে অনেক স্থিতিশীল। ব্যবসায়ীরা এ স্থিতিশীলতাই চান।

নিউজ ট্যাগ: পাম অয়েল

আরও খবর



রাশিয়া থেকে চীনের কয়লা আমদানি ৩০% কমেছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মার্চে রাশিয়া থেকে কয়লা আমদানি কমিয়েছে চীন। মূলত দেশটির অর্থনীতির ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার প্রভাবমুক্ত থাকতেই আমদানি কমানো হয়েছে। এমনিতেই চীন অত্যন্ত স্বল্প পরিমাণ বৈদেশিক কয়লা কেনে। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বড় কয়লা ব্যবহারকারী দেশটি গত মাসে রাশিয়া থেকে ৩১ লাখ ২০ হাজার টন কয়লা কিনেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি ৩০ শতাংশ কমেছে। ২০২১ সালের মার্চে দেশটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার টন কয়লা আমদানি করেছিল।

এদিকে মার্চে চীনের মোট কয়লা আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ কমেছে। মূলত দেশটির খনিগুলোয় রেকর্ড সর্বোচ্চ কয়লা উত্তোলন এবং সরকারের মূল্য নিয়ন্ত্রণের কারণে বৈদেশিক কয়লার সরবরাহ আকর্ষণ হারিয়েছে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাশিয়ান কয়লা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এতে রাশিয়ান কয়লার দাম কমে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে চীনের কিছু ব্যবসায়ী সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় রাশিয়া থেকে সস্তা কয়লা কেনার প্রয়াস চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা সুইফট সিস্টেম এড়িয়ে নিজস্ব মুদ্রায় মুদ্রা পরিশোধ করতে চায়।

পণ্যবাহী জাহাজের তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রেফিনিটিভ জানায়, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত রাশিয়া থেকে ৩২ লাখ ৩০ হাজার টন কয়লা চীনের বন্দরগুলোয় এসে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলতি বছর চীন রাশিয়া থেকে গত বছরের তুলনায় দুই কোটি টন বেশি কয়লা আমদানি করবে। এছাড়া শুল্ক বিভাগের তথ্যে দেখা গিয়েছে, মার্চে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি ১ কোটি ২০ হাজার টনে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময় দেশটি থেকে ১ কোটি ৬৪ লাখ ৭০ হাজার টন কয়লা আমদানি করা হয়েছিল। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া থেকে গত মাসে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৭৩৫ টন কয়লা চীনের বাজারে পৌঁছেছে। মূলত ২০২০ সালের শেষ দিক থেকে এসব কয়লা ছাড়পত্র না পাওয়ায় চীনের বন্দরে আটকে ছিল। অবশেষে শুল্ক বিভাগের অনুমোদন শেষে এসব কয়লা খালাস করা হয়েছে।

তথ্য বলছে, করোনা মহামারীর শুরুর পর পরই চীনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৈরিতায় রূপ নেয়। অস্ট্রেলিয়া থেকে জ্বালানি পণ্যটি আমদানির ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এর পরই দুই দেশের মধ্যে কয়লা বাণিজ্যে ভাটা পড়তে শুরু করে।

নিউজ ট্যাগ: কয়লা আমদানি

আরও খবর