Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্যের স্বীকৃতিদানের ৫০ বছর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

https://newspost24.com/admin/post/create#

বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি)। ১৯৭২ সালের এই দিনে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তারপর থেকেই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ধীরে ধীরে বেড়েছে।  দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহযোগিতাও বেড়েছে।

রাজনৈতিক সম্পর্ক

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার সময় লন্ডনে অবস্থান করেন। ওই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার অ্যাডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে বৈঠক করেন বঙ্গবন্ধু। সেই বৈঠক থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের শুভ সূচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেশ কয়েকবার লন্ডন সফর করেছেন। সবশেষ ২০২১ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের উত্তরাধিকার প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বৈঠকও করেন। এছাড়া স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ শুভেচ্ছা বাণী দেন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ, প্রিন্স চার্লস ও প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। 

যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লর্ড তারিক আহমেদ ২০২১ সালে ঢাকা সফর করেছেন। ওই সময় দুই দেশের মধ্যে আগামী দিনে সম্পর্ক আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা করেন তিনি। দুই দেশের নেতাদের প্রায় প্রতি বছরই উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের মধ্যে দিয়ে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বাণিজ্য সহযোগিতা

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে গেলেও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা হ্রাস পাবে না বলে জানিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে আগামী ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধাও ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। 

ইউরোপের মধ্যে জার্মানির পরই যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের পোশাক শিল্প খাতের বড় ক্রেতা। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যের বাজারে পোশাক রপ্তানি করে আসছে। ২০২১ সালের শেষ ৬ মাসে যুক্তরাজ্যে ২.১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক শিল্প পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আসছে। সম্প্রতি বিমান বাহিনীর জন্য সি-১৩০ উড়োজাহাজ ক্রয় করেছে বাংলাদেশ। এছাড়া যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধ জাহাজও কিনেছে। 

২০২১ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য পাঁচটি যুদ্ধ জাহাজ কিনতে সম্মত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়াতে প্রতিরক্ষা সংলাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উভয় পক্ষ।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা ইস্যুতে শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে দেশটি। রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় অন্যতম প্রধান দাতাদেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য ২০১৭ সাল থেকে ৩২০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি আর্থিক সাহায্য দিয়েছে।

অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা

যুক্তরাজ্যে প্রায় ৬ লাখ বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। তারা যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। এছাড়া যুক্তরাজ্যে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবিলা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, মানবাধিকার, সুশাসন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহযোগিতা দিয়ে আসছে যুক্তরাজ্য।

সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি স্যার অ্যাডওয়ার্ড হিথের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য দৃঢ় বন্ধুত্বের ভিত্তি স্থাপিত হয়। সেই বন্ধুত্ব পরবর্তী ৫০ বছরে আরও বেড়েছে। 

লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম ও ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করেছেন।


আরও খবর



যে কারণে গ্রেপ্তার হলেন অভিনেত্রী কেতকী

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সামাজিকমাধ্যমে ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের রাজনীতিবিদ শরদ পাওয়ারকে নিয়ে অপমানজনক পোস্ট করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন মারাঠি অভিনেত্রী কেতকী চিতাল। শরদ পাওয়ার ভারতের জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির প্রধান। কেতকী চিতালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তার দল। 

জানা যায়, কেতকী চিতালের নামে উল্লেখিত অভিযোগে মামলা দায়েরের পরে শনিবার নাভি মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার করে থানে পুলিশ। 

ওই পোস্টটি শুক্রবার শেয়ার করা হয়। তবে ফেসবুকের পোস্টটি কেতকী চিতাল নিজে লেখেননি। মারাঠি ভাষায় লেখা সেই পোস্ট অন্য একজনের লেখা। সেটি ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন অভিনেত্রী। আর এ কারণেই বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। 

কেতকী চিতালের পোস্টে কারও নাম সরাসরি ব্যবহার করেননি। তবে পাওয়ার পদবি এবং নেতার বয়স ৮০ বলে উল্লেখ করা হয়। যা দেখেই নেতাদের ধারণা, পোস্টটিতে শরদ পাওয়ারকেই কটাক্ষ করা হয়েছে। যদিও শরদ পাওয়ারের বয়স ৮১ বছর।

যে পোস্টে কয়েকটি জায়গায় লেখা ছিল, নরক আপনার অপেক্ষায়আপনি ব্রাহ্মণদের ঘৃণা করেন-এর মতো আপত্তিকর লাইনও ছিল সেখানে। 

নিউজ ট্যাগ: কেতকী চিতাল

আরও খবর



চলতি বাজেট

দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ মাসে প্রণোদনা ঋণে ধীরগতি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বড় শিল্প ও সেবা খাতে প্রথম মেয়াদে প্রণোদনা ঋণ ৮১.৭৬ শতাংশ বিতরণ করা হলেও দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ মাসে এই ঋণ বিতরণ হয়েছে মাত্র ৩৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। একইভাবে প্রথম মেয়াদে ছোট শিল্পে ঋণ বিতরণের হার ছিল ৭৬.৯৩ শতাংশ। দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ মাসে তা হয়েছে মাত্র ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে ধীরগতিতে হতাশ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। চলতি বাজেটে এটি শতভাগ বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বছর শেষে হিসাব-নিকাশে ধীরগতির তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বড় শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসাবে প্রথম মেয়াদে ৪০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল, যার বাস্তবায়নের হার ছিল ৮১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় মেয়াদের ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরুর পর ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ খাতে বিতরণ হয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৩২২ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা মোট প্যাকেজের ৩৪ দশমিক ৩০ শতাংশ।

অপরদিকে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে (সিএমএসএমই) ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসাবে প্রথম মেয়াদে ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। সে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৭৬.৯৩ শতাংশ। একই খাতে দ্বিতীয় মেয়াদে আরও ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দ্বিতীয় পর্যায়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে ৯ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ দ্বিতীয় ধাপের প্যাকেজ বাস্তবায়নে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র শিল্পে ঋণ বিতরণের হার খুবই কম।

ঋণ বিতরণের দিক থেকে নাজুক অবস্থায় আছে বেশ কয়েকটি ব্যাংক। এরমধ্যে ১৯টি ব্যাংক এক টাকাও বিতরণ করেনি। অপরদিকে ৪টি ব্যাংকের ঋণ বিতরণের হার ১ শতাংশেরও কম। ২টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে ২ শতাংশেরও কম। ১৪টি ব্যাংক ৫০ শতাংশের বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। সবচেয়ে এগিয়ে আছে চতুর্থ প্রজন্মের বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। ব্যাংকটির লক্ষ্য ছিল মাত্র ৫০ কোটি টাকা। তাদের লক্ষ্যের শতভাগ ঋণ বিতরণ করেছে। এরপরের অবস্থানে আছে বিদেশি হাবিব ব্যাংক। এ ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৯৫ শতাংশ। যদিও ব্যাংকটির লক্ষ্য ছিল মাত্র ১০ কোটি টাকা। এরপর বেশি ঋণ বিতরণ করেছে বেসরকারি খাতের দ্য সিটি ব্যাংক। ব্যাংকটি টার্গেটের ৮৮ শতাংশ প্রণোদনা ঋণ বিতরণ করেছে। সিটি ব্যাংকের লক্ষ্য ছিল ৯৫৭ কোটি টাকা। ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৮৪১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

বেশিরভাগ ব্যাংক যেখানে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে সেখানে সিটি ব্যাংক এত ঋণ বিতরণ করল কিভাবে জানতে চাইলে ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, গ্রাহককে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছি। গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। যে গ্রাহক কখনো খেলাপি হননি, সে যখন কোভিডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাকে সাহায্য করেছি এবং গ্রাহক প্রণোদনার ঋণ নিয়ে সময়মতো ফেরত দিয়েছেন। সব গ্রাহকই টাকা ফেরত দিচ্ছেন। কেউ খেলাপি হননি। তাই দ্বিতীয় ধাপেও গ্রাহক ও ব্যাংকের সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করেছি। আমরা কোনো খারাপ গ্রাহককে ঋণ বিতরণ করিনি।

সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় ধাপের ঋণ বিতরণের হার হতাশার বলে মন্তব্য করেছেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বলেন, প্রথম ধাপের ঋণ বিতরণের টাকা সময়মতো ফেরত আসেনি। তখন এক টাকা ফেরত না দিলেও খেলাপি করা যায়নি। এরপর কিস্তির ২৫ শতাংশ ফেরত দিলেই খেলাপি না করতে বলা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে। এসব কারণে দ্বিতীয় ধাপে ঋণ বিতরণ করতে পারিনি। প্রথম ধাপের ঋণ বিতরণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক যে টাকা দিয়েছিল তা আবার ফেরত নিয়েছে এক বছর পরেই। কিন্তু গ্রাহকের কাছ থেকে সে টাকা ফেরত পাইনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ঘোষিত ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল থেকে ৩২ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়। এ ঋণ পেয়েছে ৩ হাজার ৩০৬টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় মেয়াদে এ তহবিল থেকে বিতরণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। ঋণ পেয়েছে ১ হাজার ১৬২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এই তহবিলের ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ হলেও গ্রাহকদের দিতে হচ্ছে সাড়ে ৪ শতাংশ। বাকি সাড়ে ৪ শতাংশ ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।

বৃহৎ শিল্প ছাড়া কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় দ্বিতীয় মেয়াদে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। ২০ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল থেকে ঋণ পেয়েছে ৫৬ হাজার ৪৭টি প্রতিষ্ঠান। প্রথম দফায় এ তহবিল থেকে ১৫ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়, ঋণ পেয়েছিলেন ৯৭ হাজার ৮১৪ জন গ্রাহক। এ ঋণের সুদ ৯ শতাংশ, তবে এর মধ্যে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে ৫ শতাংশ। গ্রাহকের দিতে হচ্ছে ৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে প্রথম দফায় ঋণ নিতে যত আগ্রহ ছিল, দ্বিতীয় দফায় তত আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। কারণ, যারা ঋণ নিয়েছেন, তাদের ঋণ পরিশোধের সময় এসেছে। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত ১০টি প্রণোদনা তহবিল থেকে দুদফায় সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ২১৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে শিল্প ও সেবা খাতের ৪৪ হাজার ২৬ কোটি টাকা, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ২৫ হাজার ২১৫ কোটি টাকা, প্রি-শিপমেন্ট খাতে পুনঃঅর্থায়নে ঋণ গেছে ৬৫২ কোটি টাকা, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ২ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এ ছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে ২৭ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা, এসএমই খাতের ঋণ নিশ্চয়তা স্কিম থেকে ৮৯ কোটি টাকা, রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা, গ্রাহকের সুদ ভর্তুকি বাবদ ১ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা ও কৃষি খাতের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ৫ হাজার ৯০২ কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে। তবে পর্যটন খাতের হোটেল, মোটেল ও থিম পার্কের কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল গঠন হলেও কোনো ঋণ বিতরণ হয়নি।

মহামারি কোভিড ১৯-এর কারণে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের নির্দেশনায় মোট ২৮টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এসব প্যাকেজে অর্থের অঙ্ক দাঁড়ায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা। পরে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) মাধ্যমে প্যাকেজটিতে যুক্ত হয় আরও ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে প্রণোদনা প্যাকেজের অঙ্ক ২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার ১০টি প্যাকেজ বাস্তবায়ন হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে।


আরও খবর



কম্বোডিয়ার প্রাকৃতিক রাবার রফতানি বেড়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কম্বোডিয়ায় প্রাকৃতিক রাবার ও রাবার কাঠ রফতানি লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) এসব পণ্য রফতানি করে ৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার আয় করেছে দেশটি। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার জেনারেল ডিরেক্টোরেট অব রাবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, বছরের প্রথম তিন মাসে শুধু রাবার রফতানি থেকে আয় এসেছে ৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারেরও বেশি। ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৭০ ডলার এসেছে রাবার কাঠ রফতানি করে।

গত মাসে দেশটিতে প্রাকৃতিক রাবার উৎপাদন ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৬ শতাংশ বেড়ে ৬১ হাজার ৮৩৯ টনে উন্নীত হয়। এছাড়া গত বছরের মার্চের তুলনায় উৎপাদন ১ শতাংশ বেড়েছে। রাবার কাঠ বিক্রির পরিমাণ ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়ে ৮৩৬ ঘনমিটারে দাঁড়িয়েছে।

বছরের প্রথম প্রান্তিকে রাবারের গড় বিক্রয় মূল্য ৪২ ডলার কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ১ হাজার ৫৯৫ ডলারে। এবার মোট ৪ লাখ ৪ হাজার ৪৪ হেক্টর রাবার আবাদি জমির মধ্যে ৩ লাখ ১০ হাজার ১৯৩ হেক্টরে আবাদ করা হয়েছে। ৯৩ হাজার ৮৫১ হেক্টর জমি রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানায়, রাবার উৎপাদন বাড়াতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কম্বোডিয়ার সরকার। রাবার প্রক্রিয়াকরণ খাতে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এছাড়া রাবারের অবৈধ রফতানি নিয়ন্ত্রণেও কাজ করছে সরকার।


আরও খবর



মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১১৯ বছরে মারা গেলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ হিসেবে পরিচিত জাপানি নারী কানে তানাকা। স্থানীয় কর্মকর্তারা তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। খবর সিএনএন ও সিবিএস নিউজের।

জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, গত ১৯ এপ্রিল কানে তানাকা মারা যান। ১৯০৩ সালের ২ জানুয়ারি জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ফুকুওকা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

কিছুদিন আগেও তানাকা তুলনামূলকভাবে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন। তিনি একটি নার্সিং হোমে থাকতেন। সেখানে তিনি বোর্ড গেমস এবং গণিতের সমস্যা সমাধান করতেন। চকলেট ছিল তাঁর খুব পছন্দের।

এক সময় নুডলসের দোকান, কেকের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তানাকা। এক শতক আগে ১৯২২ সালে তিনি হিদেও তানাকার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চার সন্তানের জন্মের পর আরেকটি শিশু দত্তক নেন তিনি।

হুইলচেয়ার ব্যবহার করে ২০২১ সালের টোকিও অলিম্পিকের টর্চ রিলেতে অংশ নিতে চেয়েছিলেন কানে তানাকা। কিন্তু মহামারির কারণে তাঁর সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

২০১৯ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তার জীবনের সবচেয়ে সুখী মুহূর্ত কোনটি ছিল। তার উত্তর ছিল, এখন’।


আরও খবর



শ্রীলংকাকে ২০ কোটি টাকার জরুরি ওষুধ উপহার দিল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শ্রীলংকাকে ২০ কোটি টাকার জরুরি ওষুধ উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের পক্ষ হতে শ্রীলঙ্কাকে জরুরি ওষুধ উপহার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই পণ্যের মধ্যে সরকার দিয়েছে ১০ কোটি টাকার ওষুধ এবং বেসরকারি খাত দিয়েছে ১০ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল আহসান পাপন এবং ঢাকায় নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাই কমিশনার প্রফেসর সুদর্শন সেনেভিরাত্নে। এসময় পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (সচিব পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোভিডের কারণে সাপ্লাই চেইনে সমস্যা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এজন্য পৃথিবীর সব দেশে সমস্যা হচ্ছে এবং বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাও এর ব্যতিক্রম নয়। এই সময়ে পারস্পরিক সহায়তা আগের যেকোনও সময়ের থেকে বেশি জরুরি।

স্থানীয় বেসরকারি ওষুধ শিল্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের সহায়তা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না।’ এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কিছু ওষুধ শ্রীলঙ্কার জনগণকে দেওয়া হচ্ছে। আমরা অন্যান্য সহায়তার বিষয়গুলোও বিবেচনা করছি।


আরও খবর