Logo
শিরোনাম

বেহাত হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি, যাচাই করছে ডিআইএ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার গেন্ডারিয়ায় শ্যামপুরে ফজলুল হক মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৭০ সালে। শুরুতে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২ দশমিক ৩২ একর জমি থাকলেও বর্তমানে ১ দশমিক ০৫ একর জমি রয়েছে। পরিদর্শনে এক একরের বেশি জমি বেহাত হওয়ার প্রমাণ পায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। এভাবে অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত সারাদেশের চারশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে তিনশ একর জমি ও ভৌত অবকাঠামো বেদখল হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। এসব সম্পত্তি উদ্ধারে কাজ চলছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ডিআইএর পরিদর্শন ও অনুসন্ধান থেকে জানা যায়, ঢাকার রমনা, শান্তিগনগর এলাকায় নয়াটোলা এ ইউ এন মডেল কামিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৭০ সালে। অনুমোদনের সময় ৯৩ শতাংশ জমি দেখানো হলেও বর্তমানে জমি রয়েছে ৭১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ১৯৮৩ সালে পরিদর্শনের সময় ৮০ শতাংশ, ১৯৯৫ সালে এক দশমিক ০৫ একর আর সবশেষ পরিদর্শনে ৭১ দশমিক ৮৯ শতাংশ অর্থাৎ, ১২ শতাংশ জমির হদিস মেলেনি। প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক হাজার ১৭৩ জন।

যাত্রাবাড়ী মান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। অনুমোদনের সময় ৫৯ দশমিক ২৮ শতাংশ জমি খারিজ করা হয় প্রতিষ্ঠানের নামে। আরও ২৬ দশমিক ৪০ শতাংশ জমি প্রতিষ্ঠানের নামে কিনতে তহবিল থেকে ব্যয় করা হয় ১৫ লাখ টাকা।

ডিআইএর সবশেষ পরিদর্শনে সেখানে ৮৪ দশমিক ৯০ শতাংশের বদলে ৩০ শতাংশ জমির অস্তিত্ব মেলে। বাকি জমির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শুধু ঢাকার এ তিন প্রতিষ্ঠান নয়, দেশের প্রায় চারশ এমপিওভুক্ত ও ননএপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভৌত কাঠামোর আংশিক বা অধিকাংশ জমি বেহাত হয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের সময় জমি বেহাতের এমন প্রমাণ মিলেছে।

জমি বেহাত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মান্নান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং কমিটির সভাপতি বাহারুল ইসলাম বলেন, এটি আমার কমিটির সময়ে হয়নি। অনেক আগের কমিটির সিদ্ধান্তে কিছু জমি বিক্রি করা হয়। সে অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করা হয়েছে। বাকি অর্থ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফান্ডে।

ডিআইএ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের মার্চ মাস থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিদর্শনের সঙ্গে জমির পরিমাণ যাচাই-বাছাই কাজ শুরু করা হয়। তাতে মার্চ মাসে দেশের বিভিন্ন জেলার স্কুল-কলেজের ৪৫ দশমিক ১৫৮৫ একর, কারিগরি ও মাদরাসার ১৫ দশমিক ৭৮৭ একর জমি বেহাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরের মাসে করোনার কারণে বন্ধ থাকায় পরিদর্শন করা সম্ভব হয়নি। একই বছরের মে মাসে ১০ দশমিক ৬৭, কারিগরি মাদরাসার ৪ দশমিক ৭৭, জুনে ২৭ দশমিক ৭৩৫১৫, কারিগরি-মাদরাসার ৯ দশমিক ৮৬৯৫, জুলাইয়ে স্কুল-কলেজের শূন্য দশমিক ১৪, কারিগরি-মাদরাসার শূন্য, আগস্টে ১১ দশমিক ৫৮২৫, কারিগরি- মাদরাসার ৩ দশমিক ৩৮৫, সেপ্টেম্বরে ২ দশমিক ৯৮৭৫, কারিগরি- মাদরাসায় শূন্য দশমিক ৮৪, অক্টোবরে স্কুল-কলেজে ৫৫ দশমিক ৫৮৮, কারিগরি-মাদরাসায় ১০ দশমিক ২৫১৯, নভেম্বরে ৩ দশমিক ৭০, কারিগরি মাদরাসায় ৩ দশমিক ৭৬৮৩, ডিসেম্বরে ২৪ দশমিক ৯০৪৯ এবং কারিগরি-মাদরাসার ২১ দশমিক ১৪ একর জমি বেহাত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

এভাবে ২০২২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সব মিলে সারাদেশের স্কুল-কলেজে ২৫৯ দশমিক ৯৩৩১৩ ও কারিগরি-মাদরাসার ৮৮ দশমিক ৭৮৯৩ একর জমি বেদখল হয়ে যাওয়ার প্রমাণ মিলেছে বলে জানায় ডিআইএ।

ডিআইএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনুমোদনের সময় যে পরিমাণে জমির কাগজপত্র দেখানো হয়েছে পরে সেখানে পরিদর্শন করতে গেলে সে পরিমাণে জমি পাওয়া যায়নি। কোথাও কোথাও পাঠদান অনুমোদন, পাঠদান স্বীকৃতি ও পরে এমপিওভুক্তি হওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমির একটি অংশ বিক্রি করে দিচ্ছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং কমিটি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান মিলে ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন সে অর্থ। অনেক স্থানে আবার বিত্তশালী ব্যক্তিরা স্কুল-কলেজের জন্য বিপুল পরিমাণে জমি দান করে অন্যত্র চলে গেলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি সেসব জমি দখল করে নিচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে পরিদর্শনে গিয়ে সেখানে জমির পরিমাণ যাচাই-বাছাইয়ে ধরা পড়ছে অসঙ্গতি।

জানতে চাইলে ডিআইএর পরিচালক আজমতগীর বলেন, আমাদের তদন্ত কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি বেহাত হওয়ার প্রমাণ পাচ্ছে। এ ধরনের অভিযোগ আগে পাওয়া যায়নি বলে গুরুত্ব দেওয়া হতো না। বর্তমানে কর্মকর্তারা পরিদর্শনের সময় এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখছেন। এ পর্যন্ত দেশের অনেক স্কুল-কলেজ, করিগরি ও মাদরাসার ৩৪৮ একরের বেশি জমি বেহাত হয়ে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে অনুমোদনের সময় কত ছিল আর বর্তমানে কতটা জমি রয়েছে তা নির্ণয় করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত যেসব সম্পত্তি বেহাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে সেসব উদ্ধারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।


আরও খবর



ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বরগুনায় ১৭০ দোকান ভস্মিভুত

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বরগুনা পৌর মার্কেটের পেছনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ১৭০টি দোকান পুড়ে গেছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাপড়ের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে। প্রায় তিন ঘণ্টা

আগুন লাগার পর নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস পাঁচটি ইউনিট, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বরগুনা সদর পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, পৌর মালিক সমিতির সদস্য, অ্যাম্বুলেন্স সমিতির সদস্য, উৎসর্গ, সামাজিক সংগঠন দুর্বার ও সাধারণ মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। আগুন নেভাতে গিয়ে প্রায় পাঁচজন গুরুতর আহত হয়ে বরগুনার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

পাইকারি কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুল সালাম বলেন, আগুনে কমপক্ষে ১৭০টি দোকান পুড়ে গেছে। আমাদের প্রত্যেক দোকানে কোটি টাকা মূল্যের মালামাল ছিল।  সব আগুনে পুড়ে গেছে। আমাদের এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার মতো না। 

আগুন লাগা ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স পটুয়াখালী ও বরগুনা জোনের সহকারী পরিচালক (এডি) জাকির হোসেন।

এ সময় তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস বরগুনা ও পটুয়াখালীর পাঁচটি ইউনিট কাজ করে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আগুনের সূত্রপাত জানতে বুধবার (১৮ মে) তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ ও আগুনের সূত্রপাত জানা যাবে। এ মুহূর্তে আর কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না।


আরও খবর

বরগুনার ৭ ইউনিয়নে ভোট ১৫ জুন

মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২




মেসির জাদুকরি গোলে পিএসজির রেকর্ড

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দৃশ্যটা কি এর চেয়ে ভালো হতে পারত লিওনেল মেসির? পুরো মৌসুম গোলের হাপিত্যেশে কেটেছে তার। চিরকাল নায়ক হয়ে থাকা স্বভাব যার, সেই মেসি পিএসজিতে এসে বনে গিয়েছিলেন পার্শ্বনায়ক। তবে লিগ জেতার দিনে আর পার্শ্বনায়ক থাকলেন না। চলে এলেন পাদপ্রদীপের আলোয়।

লেঁসের বিপক্ষে পিএসজির ম্যাচে করলেন জাদুকরি এক গোল। পরে এক গোল হজম করলেও সেই এক গোলই এক মৌসুম পর লিগ শিরোপা ফিরিয়ে দিয়েছে পিএসজিকে।

গত মৌসুমে লিলের কাছে শিরোপা হারানো পিএসজি আবার ফিরে পেল মুকুট। ফ্রান্সের শীর্ষ লিগে পেশাদার যুগে সাঁত এতিয়েনের সবচেয়ে বেশি ১০ শিরোপা জয়ের রেকর্ডও স্পর্শ করল তারা। অপেশাদার যুগে একটিসহ সমান সংখ্যক শিরোপা জিতেছে মার্সেইও।

অথচ আগের ম্যাচেও হিসেব কষে বলাবলি হচ্ছিল, লিগ শিরোপার উদযাপনেও বুঝি থাকতে পারবেন না মেসি। অ্যাকিলিস টেন্ডনে প্রদাহের জন্য খেলতে পারেননি আগের ম্যাচে। তবে সেই গেমউইকে মার্শেই নিজেদের ম্যাচে জিতে যাওয়ায় শিরোপাটা তখনই নিশ্চিত করে ফেলেনি।

ফলে পিএসজির সামনে আজকের ম্যাচে সমীকরণটা দাঁড়িয়েছিল এক পয়েন্টের। লেঁসের বিপক্ষে এমন সমীকরণ সামনে রেখেই মাঠে নামে পিএসজি। চোট কাটিয়ে একাদশে ফেরেন মেসি।

শুরুর অর্ধে অবশ্য খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি দলটি। পায়নি গোলের দেখা, বিরতিতে যায় ০-০ স্কোরলাইন নিয়ে। তবে বিরতির কিছু পরই লেঁসের ডিফেন্ডার কেভিন ডানসোর লাল কার্ডে কাজটা সহজ হয়ে আসে পিএসজির।

তবু অবশ্য পিএসজিকে গোলের জন্য বেশ কাঠখড়ই পোড়াতে হয়েছে। দুই স্তরের রক্ষণ নিয়ে যে মেসি, নেইমার ও এমবাপেকে সামলাচ্ছিল লেঁস। তবে তা স্থায়ী হলো কেবল ৬৮ মিনিট পর্যন্ত। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে মেসি বক্সের বাইরে বল পান নেইমারের কাছ থেকে। শট করার স্পেস পেয়েই আর ভুল করেননি। আগুনে এক শটে লেঁস গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। তাতেই শিরোপার সুবাস পেতে শুরু করে পিএসজি।

শেষে গোল একটা হজম করে ড্র করেছে ম্যাচটা। দশ জনের দলকে হারাতে না পারার আফসোস তাতে কিছুটা সঙ্গী হয়েছিল পিএসজির, তবে লিগ ফিরে পাওয়ার আনন্দের কাছে সে আফসোস তো নস্যি! মেসির গোলের পরও ১-১ ড্র করা পিএসজি তাতে ম্যাচ শেষে লিগের উদযাপনে মেতেছে ঠিকই, আর আর্জেন্টাইন মহাতারকা পেয়ে গেছেন তার ক্যারিয়ারের ৩৯তম শিরোপার দেখা।


আরও খবর



বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে রুপা ও প্লাটিনামের দাম। গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম দুই শতাংশের ওপর কমেছে। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪০ ডলারের ওপর কমে ১৯৫০ ডলারের নিচে নেমেছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হলেও আপাতত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর পরিকল্পনা নেই বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস)।

এ বিষয়ে বাজুস সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা সর্বশেষ যখন স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছি, সে সময় পরিকল্পনা ছিল ভরিতে ২ হাজার ৫০০ টাকা বাড়ানোর। কিন্তু বৈশাখ ও ঈদের কথা চিন্তা করে দেড় হাজার টাকার মতো বাড়ানো হয়েছে। তাই বিশ্ববাজারে দাম কমলেও আমরা এখনই স্বর্ণের দাম কমানোর চিন্তা করছি না।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের এই নেতা বলেন, ডলারের দাম হু হু করে বাড়ছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামেও বেশ অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। স্বর্ণের বাজার কোন দিকে যাচ্ছে এ নিয়ে সবাই কনফিউজড। আমাদের ক্রেতারাও কনফিউজড। এবার ঈদকেন্দ্রিক বিক্রি জমে ওঠেনি।

এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়া আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। হুট করে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, এরপর আবার বড় পতনের ঘটনা ঘটছে গত দুই মাস ধরেই।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করে রাশিয়া। এতে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরুর পর প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ৮২ দশমিক ৪৮ ডলার বেড়ে যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭০ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে উঠে যায়।

যার পরিপ্রেক্ষিতে ৩ মার্চ থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ফলে ৯ মার্চ দেশের বাজারে আবার বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এ দফায় ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।

অবশ্য এরপর বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে ১৬ মার্চ এবং ২২ মার্চ দুই দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ২২ মার্চ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর রোজা শুরু হলে দেশের বাজারে ঈদকেন্দ্রিক স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রি কিছুটা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে দামেও। বিশ্ববাজারে খুব একটা দাম না বাড়লেও গত ১২ এপ্রিল থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা।

বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর মধ্যেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা বাড়তে দেখা যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় দুই হাজার ডলারের কাছাকাছি চলে যায়। তবে গত সপ্তাহে বড় দরপতন হওয়ায় প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১৯০০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।

গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ দশমিক ২০ শতাংশ বা ৪২ দশমিক ৪৮ ডলার কমেছে। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই কমেছে ২০ দশমিক ৫০ ডলার বা ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৩১ ডলার।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপা ও প্লাটিনামের দামেও বড় পতন হয়েছে। এক সপ্তাহে ৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ১২ ডলারে। আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯২৮ ডলার।


আরও খবর



খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ মাসের শিশুসহ নিহত ২

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনার ডুমুরিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ মাসের শিশুসহ দু’জন নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে চুকনগর খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেহেদী হাসান জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে চুকনগর খুলনা মহাসড়কের ডুমুরিয়া বাজারের মহিলা কলেজের সামনে পিকআপ ও ইঞ্জিন ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় পিকআপের ধাক্কায় মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে ভ্যানের যাত্রী ৮ মাসের শিশু মোঃ ইব্রাহিম হোসেন নিহত হয়। শিশুটির মাতা রাবেয়া বেগম (৩৫) ও পিতা শরিফুল ইসলাম (৪৮) আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাবেয়া বেগমকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশংঙ্কাজনক। শরিফুল ইসলামকে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পরেই চুকনগর খুলনা মহাসড়কের বরাতিয়া মোবাইল টাওয়ারের সন্নিকটে চুকনগর থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসের ধাক্কায় এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হন। তিনি নড়াইল উপজেলার আতশপাড়া গ্রামের নিমাই বিশ্বাসের পুত্র রনি বিশ্বাস (৩০)। বাসটি পালিয়ে যায়। পিকআপটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



‘দৌড়’ ভাঙলো স্ট্রিমিং রেকর্ড!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাকালের স্থিরতা কাটিয়ে গত ঈদে প্রকাশ হয়েছে অসংখ্য নাটক, টেলিছবি আর সিরিজ। এরমধ্যে আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে মোশাররফ করিম ও ইন্তেখাব দিনারের ওয়েব সিরিজ দৌড়। এরমধ্যে সিরিজটি তাদের অতীতের সকল স্ট্রিমিং রেকর্ড অতিক্রম করার কথা জানিয়েছে হইচই কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি ম্যানেজার-পিআর ফয়সাল মাহবুব জানিয়েছেন, প্রথম সাত দিনে দৌড় পূর্বের সকল স্ট্রিমিং রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে। হইচই বাংলাদেশের রিলিজ করা সিরিজগুলোর মধ্যে প্রথম সাত দিনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যকবার স্ট্রিমিং করা সিরিজ এখন দৌড়

সিরিজটি রিলিজের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকেরা দৌড় নিয়ে তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে। মুভি আর সিরিজবিষয়ক গ্রুপ গুলোতে এসেছে প্রচুর ইতিবাচক রিভিউ। এর ব্যতিক্রম হয়নি তারকাদের ক্ষেত্রেও। বরেণ্য অভিনয়শিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফা তার ভেরিফায়েড প্রোফাইলে লিখেছেন, প্রথম সিজন শেষ। সিজন ২-এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। ভালো লাগলো রায়হান খান।

দৌড়র কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসায় ভাসছেন মোশাররফ করিম। সিরিজটির রেকর্ড সংখ্যক ভিউ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ঈদ আমাদের কাছে সব সময়ই স্পেশাল। এবার হইচই-এ দৌড়র রেকর্ড সংখ্যক ভিউ এই উৎসবের আনন্দকে দ্বিগুণ করে দিয়েছে। এর সাথে জড়িত সবার সহযোগিতাই এই সাফল্যের নেপথ্য কারণ। আমি সিরিজের পরিচালক রায়হান খান, পুরো টিম আর হইচই-এর কাছে কৃতজ্ঞ।’’

দৌড় সিরিজের অন্যতম প্রধান অভিনেতা ইন্তেখাব দিনার বলেন, দৌড় সিরিজটি অনেকগুলো কারণে আমার জন্য স্পেশাল। পুরো কাজটি গুছিয়ে আনতে আমাদের টিমকে অনেক কাজ করতে হয়েছে। রিলিজ হওয়ার প্রথম সাত দিনে দৌড় ভিউয়ারশিপের আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে, এটা সত্যি আনন্দের। আমি বলবো আমাদের পরিশ্রম সার্থক।

দৌড়-এ দেখা যায়, সকালবেলা জরুরি কাজে বের হতে গিয়ে রুহুল আমিন জানতে পারে তার গাড়িটি চুরি হয়েছে। সে নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করে। এদিকে তার ম্যানেজার তাকে জানায় যে গাড়িতে কিছু বেআইনি এবং গোপন কাগজপত্র আছে। রুহুল আমিন তার একজন নিজস্ব লোককে গাড়িটি পুলিশের হাতে পড়ার আগেই পুড়িয়ে দিয়ে যাবতীয় প্রমাণ নষ্ট করার নির্দেশ দেয়। এরই মাঝে রুহুল আমিনের স্ত্রী অহনা জানায় তাদের ছেলে সায়ানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং সায়ান সম্ভবত খেলতে খেলতে গাড়ির ট্র্যাঙ্কে আটকা পড়েছে। এদিকে রুহুল আমিন যাদের বলেছিল গাড়ি পুড়িয়ে দিতে, তাদের আর ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। এখন ছেলেকে বাঁচাতে হলে রুহুল আমিনকে নিজের লোক আর পুলিশের আগে গাড়িটি খুঁজে বের করার দৌড়ে নামতে হবে।

এতে রুহুল আমিন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। রায়হান খানের পরিচালনায় এই সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন খ্যাতিমান অভিনেতা তারিক আনাম খান, ইন্তেখাব দিনার, জুঁই, ইরফান সাজ্জাদ, তাসনুভা তিশা, স্বগত ও উজ্জ্বল মাহমুদ।

নিউজ ট্যাগ: ওয়েব সিরিজ দৌড়

আরও খবর