
রাজধানীর যানজট নিরসনে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণকাজে গত ৯ বছরে ১১ জনের প্রাণ ঝরেছে। এ ছাড়া ২৭৮ জন আহত হয়েছেন।
আজ রবিবারি এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য রোড।
সংস্থাটির মহাসচিব ও মুখপাত্র শান্তা ফারজানার স্বাক্ষরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে উদ্বোধনের পর থেকে গত ৯ বছরে বিআরটি প্রকল্পে ১১ জন নিহত ও ২৭৮ জন আহত হয়েছে। অন্যদিকে ২০১৬ সালে শুরু হওয়া মেট্রোরেল প্রকল্পে প্রাণ ঝরেছে তিনজনের, আহত হয়েছেন ৮৬ জন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিআরটি প্রকল্পের সীমাহীন অব্যবস্থাপনা আর ঠিকাদারদের দায়িত্বে অবহেলা, প্রজেক্ট কর্তাদের অদক্ষতায় ২৯ হাজার ৫১২ কর্মঘণ্টা অপচয় হয়েছে।
‘সবচেয়ে নির্মম হলেও সত্য যে’ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসপাতালে যাওয়ার পথে এই প্রকল্প এলাকায় যানজটে আটকা অ্যাম্বুলেন্সে মুমূর্ষু রোগীদের মধ্যে ১২৬ জন প্রাণ হারান। অসহনীয় দুষণের কারণে অসুস্থ্ হয়েছেন তিন হাজার ৫৬২ জন।
প্রায় একই অবস্থা ৭ বছর ধরে নির্মাণকাজ চলমান মেট্রোরেল প্রজেক্টে। ১১ হাজার ৮৬০ কর্মঘণ্টা অপচয়ের সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ৫৪ রোগী দ্রুততম সময়ে হাসপাতালে পৌছতে না পারায় বিনা চিকিৎসায় মারা যান। পরিবেশ দূষণের কারণে অসুস্থ্ হয়েছেন তিন হাজার ৫৬২ জন।
বিআরটি প্রকল্পটি ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। কাজ শুরু হয় ২০১৩ সালে। যদি দ্রুত সময়ের মধ্যে সুচারুরূপে চলতি বছরের মধ্যে শেষ না করা হয়, আগামী বছর বিআরটি ও মেট্রোরেল প্রজেক্ট ব্যস্ততম ঢাকায় মরার উপর খাড়ার ঘাঁ হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে সেভ দ্য রোড।

