Logo
শিরোনাম

বিচার করতে এসে অন্যের প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন ষাটোর্ধ চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রেমের টানে বাড়ি ছাড়া দুই কিশোরকিশোরীর বিষয়ে ডাকা সালিসে সেই কিশোরীকে পছন্দ হওয়ায় সালিসে আসা ঐ চেয়ারম্যান নিজেই ওই কিশোরীকে (১৪) বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউপির বিবাহিত চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের (৬০) বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ। চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেলে দ্বিতীয়বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কনকদিয়া ইউনিয়নের নারায়নপাশা গ্রামের রমজান (২৫) নামের এক যুবকের সাথে একই ইউনিয়নের চুনারপুল এলাকার নবম শ্রেণীর ছাত্রী নছিমনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি নছিমনের বাবা নজরুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে কনকদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে জানান সেই মেয়ের বাবা।

চেয়ারম্যান শুক্রবার ইউনিয়ন পরিষদে সালিস বৈঠক ডাকেন। ওই বৈঠকে রমজান ও নছিমনসহ দুই পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সালিস বৈঠকে মেয়ে দেখে পছন্দ হয়ে যাওয়ায় তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। মেয়ের বাবা এ বিয়েতে সম্মতি প্রকাশ করলে ওই দিন জুম্মা নামাজের পর চেয়ারম্যানের আয়লা বাজারস্থ বাসায় কাজী ডেকে এনে ৫ লাখ টাকা কাবিনে নছিমনকে বিয়ে করেন।

দুই সন্তানের জনক চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের বড় ছেলে বিয়ে করেছেন স্থানীয় বিএনপির সাবেক এমপি সহিদুল আলম তালুকদারের এক শ্যালিকাকে। এদিকে প্রেমিকাকে হারিয়ে কষ্ট সহ্য করতে না পেরে প্রেমিক রমজান বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তিনি বর্তমানে বাউফল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

শাহিন হাওলাদারের ৬০ বছর বয়সে ১৬ বছর বয়সের এক কিশোরিকে বিয়ের ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এ ব্যাপারে শাহিন হাওলাদারের সাথে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেয়েটিকে দেখে আমার পছন্দ হওয়ায় তাকে বিয়ে করেছেন। এ ছাড়া আমার বিয়ে প্রয়োজন ছিল। কনের বয়স কম, তিনি বাল্য বিয়ে করেছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে চেয়ারম্যান শাহিন বলেন, যাকে বিয়ে করেছি তার জন্ম তারিখ ২১ এপ্রিল ২০০৩ ইং। তিনি নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন। তিন বছর হয় পড়াশুনা বাদ দিয়েছেন। বিয়ের বিষয়টি নিয়ে তিনি লজ্জিত নন বরং আনন্দিত।


আরও খবর

দুদকের তালিকায় শতাধিক ভিআইপি

বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১




আগামীকাল রাজধানীর যেসব এলাকায় থাকবে না গ্যাস

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পাইপ লাইনের তিন জায়গায় বাল্ব প্রতিস্থাপনের জন্য এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে

পাইপ লাইনের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামীকাল রবিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস। 

তিতাস জানায়, রাজধানীর তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন বটতলা মসজিদ এলাকা ও তেজগাঁও বিজ্ঞান কলেজ এলাকায় আবাসিক, সিএনজি, শিল্প, বাণিজ্যিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

ওই দিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পাইপ লাইনের তিন জায়গায় বাল্ব প্রতিস্থাপনের জন্য এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এদিকে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি অবনতির কারণে প্রতিষ্ঠানের সব ডিভিশন, বিভাগ ও শাখা প্রধানদের ঈদের ছুটি বাতিল করেছে তিতাস গ্যাস। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত শিফট ডিউটি অপরিবর্তিত থাকবে বলে এক আদেশে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউজ ট্যাগ: তিতাস গ্যাস

আরও খবর

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




রাজধানীতে শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ১৮ শতাংশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধেয়ে আসছে ঢাকার দিকে। রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ। এদের চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে সংক্রমণের গতিতে দেশের অন্যান্য এলাকা ছাড়িয়ে গেছে রাজধানী। ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা জেলায় (মহানগরসহ) ২৮৫৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ১৮ শতাংশ। একই সময়ে সারা দেশে শনাক্ত হয়েছেন ৬২১৪ জন (ঢাকার হিসাবসহ)। শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শুধু শনাক্ত নয়, মৃত্যুও বাড়ছে। ২৪ ঘণ্টায় শুধু ঢাকা বিভাগেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জন ঢাকা জেলায়। এক সপ্তাহে ১০ শতাংশের বেশি নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

অনেক হাসপাতালে ইতোমধ্যে খালি নেই আইসিইউ শয্যা। জটিল রোগীকে বাঁচাতে তাদের স্বজনরা আইসিইউর জন্য এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটে বেড়াচ্ছেন। সীমান্তবর্তী জেলার পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাও এখন করোনার হটস্পট হয়ে উঠছে। সীমান্তবর্র্তী জেলা-উপজেলার হাসপাতালের চিত্রও ভয়াবহ, খালি নেই শয্যা।

মেঝেতে রেখেই চলছে অনেক রোগীর চিকিৎসা। তৃণমূল পর্যায়ে অনেক হাসপাতালে দেখা দিয়েছে অক্সিজেন সংকটও। অক্সিজেনের অভাবে রোগীর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। অধিকাংশ গ্রামের মানুষ করোনার নমুনা পরীক্ষা করছে না। অথচ তারা জ্বর-কাশিতে ভুগছেন। বেশির ভাগ হাটবাজারে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত। জোর করেও তাদের মাস্ক পরানো যাচ্ছে না। জনসমাগম এড়িয়ে চলার নির্দেশনাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েও তেমন কাজ হচ্ছে না।

এ পরিস্থিতিতে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণের নতুন রেকর্ড হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে দেশে করোনা কেড়ে নিয়েছে ৮৫৯ জনের প্রাণ। আগের সপ্তাহে মারা যায় ৫৮৭ জন। এক সপ্তাহে মৃত্যু বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ সময় ১৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ নমুনা পরীক্ষা বাড়লেও শনাক্ত বেড়েছে ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ।

গত এক সপ্তাহে সুস্থতার হার বেড়েছে ৩৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এদিকে শনিবার দুপুরে রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে দেখা যায়, ঢাকার বাইরে থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করোনা আক্রান্ত জটিল রোগী আসেন। তার দ্রুত আইসিইউ প্রয়োজন।

এমন চিত্র রাজধানীর প্রায় প্রতিটি হাসপাতালের। এ প্রসঙ্গে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. অসীম কুমার নাথ বলেন, আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ভাগ করে নতুন রোগী বাড়ছে। দুই সপ্তাহ আগে এমন পরিস্থিতি ছিল না। আগামী কয়েকদিনেও হয়তো রোগী বাড়বে। এরপর লকডাউনের সুফল পাওয়া যেতে পারে। তবে এ মহামারি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। 


আরও খবর

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে মালামাল চুরির সময় আটক-৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ জুলাই 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাগেরহাটে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে তামার তার চুরির সময় তিন জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরের গনাত্রা হেভি লিফটার্স কোম্পানির সাইট থেকে আজ শুক্রবার ভোরে ওই তিন জনকে আটক করা হয়। এ সময় আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের মিরাজুল ইসলাম শেখ (২৪), বর্নি গ্রামের লতিফুর রহমান (২০) ও মো. নাইম মুন্সী (২০)। তাঁদের নিকট থেকে তামার তারসহ চুরি হওয়া বেশ কিছু মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ভারতীয় নাগরিক প্রদীপ কুমার বেরা নামের একজন সাইট ইনচার্জ বাদী হয়ে রামপাল থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলায় আটক ওই তিন জনসহ মোট ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামছুদ্দীন জানান, নির্মাণাধীন রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী চুরির সময় তিন জনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছেন বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মচারীরা। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। 


আরও খবর



শুক্রবার থেকেই বিধিনিষেধ, মাঠে থাকবে বিজিবি-সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিধিনিষেধ কার্যকরে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, বিধিনিষেধ আগের চেয়ে কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি এ সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন।  বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অফিস আদালত, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিসহ সবকিছু বন্ধ থাকবে। এ পর্যন্ত যত সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে সেভাবেই চলবে। যেহেতু মানুষের প্রয়োজন হবে না বাইরে আসার, আগে অফিস আদালতে যেতে হতো, গার্মেন্টস কারখানায় যেতে হতো, এবার তা হবে না। তাই গতবাবের চেয়েও বিধিনিষেধ কঠোর থাকবে।

তিনি বলেন, যেহেতু অফিস, কর্মক্ষেত্র বন্ধ থাকবে, যেহেতু যারা বাড়িতে গিয়েছেন তারা সময় নিয়ে গেছেন, তারা যেন ৫ তারিখের পরেই আসেন। তাদের তো (বিধিনিষেধ চলাকালে) আসার প্রয়োজন নেই। সংক্রমণ কমানোর জন্য অবশ্যই বিধিনিষেধ মানতে হবে। ঘরে থাকতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হবেন না। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বেরুতে হলে ডাবল মাস্ক পরবেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। এইটা যদি ১৪ দিনের জন্য করতে পারি তাহলে সংক্রমণ কমবে; না হলে বাড়তে থাকবে, হাসপাতালে রোগীর যে চাপ সেই চাপ বাসা-বাড়িতে আসবে। অতএব সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

এদিকে, গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে বিধিনিষেধের আওতামুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

১. খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল কারখানা।

২. কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহণ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ।

৩. ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামীকাল শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হচ্ছে, যা ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।



আরও খবর



লকডাউন ঘোষণায় শিমুলিয়ায় বাড়ছে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারা দেশে আগামী সোমবার থেকে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানীর ঢাকা ও আশপাশের জেলা ছেড়ে দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামের বাড়িতে ছুটতে শুরু করেছে মানুষ। এ কারণে আজ শনিবার সকাল থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রী, ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী গাড়ির চাপ বেড়েছে।

ঘাট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন শুরু হচ্ছে। সরকারের এ ঘোষণায় দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষ তাদের গন্তব্যে ফিরতে শুরু করেছে। আজ সকাল থেকে যাত্রী, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মালবাহী যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ছোট-বড় ১৪টি ফেরি চলছে। ঘাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ফেরিতে উঠছেন যাত্রীরা। যেসব যাত্রীর ব্যক্তিগত গাড়ি নেই, তাঁরা ভেঙে ভেঙে রিকশা, অটোরিকশা ও মিসুকে করে ঘাটে আসছেন।

আজ সকালে ঘাট এলাকার প্রবেশমুখ শিমুলিয়া-ভাঙ্গার মোড়ে দেখা যায়, যাত্রীরা হেঁটে ঘাটে ঢুকছেন। এ সময় কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা বলেন, সোমবার থেকে কঠোর লকডাউন। বাড়ি থেকে নাকি বের হওয়া যাবে না। ঢাকায় তাঁরা কাজ করে খান। কাজ বন্ধ থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। তাই আগেভাগেই ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে ছুটছেন তাঁরা।

শরীয়তপুরের বাসিন্দা সৈয়দ রাসেল বলেন, খুব কষ্ট করে মিরপুর থেকে শিমুলিয়া ঘাট পর্যন্ত এসেছেন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশের পাহারা। বড় গাড়ি চলে না। তবে ছোট গাড়িগুলো ঠিকই চলছে। ৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা নিচ্ছে।

শিমুলিয়া ঘাটে ঢুকতেই দেখা যায়, ফেরিতে যাত্রীদের উভয়মুখী ভিড়। যাত্রীরা স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলছেন। ফেরিতে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন। অনেকের মুখে মাস্ক নেই। আবার যাঁরা মাস্ক পরেছেন, তাঁদের অনেকের থুতনিতে ঝুলছে মাস্ক।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের টার্মিনাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট মেহেদী হাসান বলেন, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ১৫টির মধ্যে ১৪টি ফেরিই চলাচল করছে। লকডাউনের নিয়ম অনুযায়ী, ফেরিতে শুধু রোগী বহনকারী গাড়ি এবং জরুরি পণ্য পরিবহনের গাড়ি ছাড়া সবকিছু পারাপারে নিষেধাজ্ঞা আছে। মানুষের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ঘাটে ভিড় জমাচ্ছেন যাত্রীরা।

সোমবার থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে। এরই মধ্যে রাজধানীর ঢাকা ও আশপাশের জেলা ছেড়ে দক্ষিণাঞ্চলের গ্রামের বাড়িতে ছুটতে শুরু করেছে মানুষ। ফেরিতে সামাজিক দুরত্ব না থাকায় উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থবিধি।শনিবার সকালে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। শরীয়তপুরের গোসাইরহাট এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম। যাবেন ঢাকায়। তিনি বলেন, তাঁর বুকে ও ঘাড়ে ভীষণ ব্যথা। অন্য সমস্যাও আছে। তাই বাধ্য হয়ে লকডাউনের মধ্যেও ঢাকায় চিকিৎসক দেখাতে যাচ্ছেন। গোসাইরহাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে আসতে আগে ১৫০ টাকা খরচ হতো। এখন সেখানে ৫০০ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ঢাকায় যেতে আরও অন্তত ৩০০ টাকা লাগবে।

শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) মো. জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সকাল থেকে ঘাটে যাত্রীদের চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। লকডাউন শুরু হবে। তাই কেউ রাজধানীতে, আবার কেউ রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়ি ফিরছেন। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ঘাটে যাত্রী ও যানবাহন এলেই ফেরিতে উঠে যেতে পারছে।



আরও খবর