Logo
শিরোনাম

বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে যশোরের ‘তৈরী পাখির বাসা’

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ১৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাউলিয়া দাসপাড়া গ্রামে পাখির বাসা তৈরী করে তা বহির্বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানী করা হচ্ছে। মূলত পাখিপ্রিয় মানুষের পাখি পোষার জন্য তৈরি হয় এসব পাখির বাসা। যশোরে বিভিন্ন রকমভাবে তৈরি এসব বাসা রপ্তানি হচ্ছে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতাল, বেলজিয়াম, পর্তুগালের মতো দেশে। পাখি পুষতে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও যাচ্ছে পাখির বাসা। আর এ কারণে বহির্বিশ্বের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলাগুলোতে বাড়ছে পাখির বাসার ব্যবহার।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই গ্রামে প্রায় ৩০ রকম পাখির বাসা তৈরি হচ্ছে। এসব বাসা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পাশাপাশি কর্মসংস্থান হচ্ছে এলাকার বহু মানুষের। যশোর সদর উপজলোর চাউলিয়া গ্রামের দাসপাড়ায় গিয়ে দেখা গেল, বিভিন্ন বাড়ির বারান্দায় বসে বৌ-ঝিসহ নানা বয়সের নারী-পুরুষেরা পাখির বাসা বুনছে। এসময় পাখির বাসা তৈরি করছিলেন গৃহবধূ অঞ্জলী দাস। তিনি জানালেন, অর্ডার অনুযায়ী তাঁরা পাখির বাসা তৈরি করেন। বাসা অনুযায়ী ১৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা দামে তাঁরা এগুলো বিক্রি করেন।

বাড়ির মহিলরা সাধারণত এসব বাসা তৈরীর কাজ করে থাকেন বলে জানান তিনি। বলেন, এসব বাসা তৈরিতে তাঁরা ব্যবহার করেন বাঁশ, বেত, পাট, নারকলেরে ছোবড়া, খড়, ছন, বিচালি, প্লাস্টিকের পাইপসহ সহজলভ্য বিভিন্ন উপকরণ। গৃহবধু অঞ্জলী আরও জানান, প্রায় ৩০ বছর আমি পাখির বাসা বানাই, সংসারে কাজের অবসরে বাসা বুনি। এতে সংসাররে কাজের কোনো ক্ষতি হয় না; বরং বাড়তি টাকা আয় হয়।

পাখির বাসা তৈরীর উদ্যোক্তা গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাস জানান, ৩৪ বছর আগে তিনি ফেরি করে যশোর শহরে ঝুড়ি বিক্রি করতেন। সে সময় আমেরিকা প্রবাসী বাবুল দুটি পাখির বাসার নমুনা দেখিয়ে বলেন, তৈরি করতে পারবেন কি না? তিনি রাজি হন। এরপর তিনি তাঁর সে অনুযায়ী পাখির বাসা সরবরাহ শুরু করেন। এরপর পাখির বাসা তৈরি করে তিনি নিজে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হন। পরিবর্তন হয় তাঁর অবস্থার। এখন ঢাকার ব্যবসায়ীদের দেওয়া নমুনা অনুযায়ী পাখির বাসা সরবরাহ করেন। এসব ব্যবসায়ী এগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেগুলো রপ্তানি করেন।

গৌরাঙ্গ চন্দ্র দাসের কাছ থেকে কাজ নিয়ে পাখির বাসা তৈরি করেন চাউলিয়া গ্রামসহ আশপাশের কয়কেটি গ্রামের ৩০টির মতো পরিবার। এতে দেড়শ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে বড় আকারে পাখির বাসা করার পরিকল্পনা করা যায়।

নিউজ ট্যাগ: তৈরী পাখির বাসা

আরও খবর



শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: পলাতক ফাঁসির আসামি পিন্টু গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দিনাজপুরের উদ্দেশে যাওয়ার সময় ১৯৯৪ সালে পাবনার ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে হামলা ও গুলিবর্ষণের মাধ্যমে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাকারিয়া পিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাবের সন্দেহ, তিনি পাবনা অঞ্চলের প্রভাবশালী চরমপন্থি দলের প্রভাবশালী সদস্য। তার নিজেরও ছিল একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। পিন্টু অস্ত্রসহ একাধিক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি।

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ২০১৯ সালে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর আত্মগোপনে যান তিনি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। সর্বশেষ তিনি টেকনাফ থেকে গ্রেপ্তার হন।

আজ রবিবার (২৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, গত রাতে র‌্যাব-২-এর একটি দল কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯৯৪ সালে পাবনা-ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে হামলা ও গুলিবর্ষণ করে হত্যাচেষ্টার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামি জাকারিয়া পিন্টুকে (৫০) গ্রেপ্তার করে। তিনি ঈশ্বরদী সদরের পিয়াখালী এলাকার মৃত সামাদ গার্ড ওরফে আব্দুস সামাদের ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে আসামি র‌্যাবকে জানায়, পিন্টু প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশে ঈশ্বরদীতে ট্রেনে গুলিবর্ষণ ও বোমা হামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে কমান্ডার মঈন বলেন, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রেনযোগে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাওয়ার পথে ঈশ্বরদী রেল স্টেশনে পৌঁছালে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বগি লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

ওই ঘটনায় পাবনার ঈশ্বরদীর জিআরপি থানায় বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনে ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলা তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেওয়া হলে তদন্ত কর্মকর্তা ৩ এপ্রিল ১৯৯৭ সালে মোট ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এর মধ্যে পাঁচ জন আসামি মৃত্যুবরণ করায় তাদের ওই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাকি ৪৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

পরে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালের ৩ জুলাই গ্রেপ্তার জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ২৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৩ জনকে ১০ বছর মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

গ্রেপ্তার জাকারিয়া পিন্টুর নেতৃত্বে ঈশ্বরদীতে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, মারামারিসহ বিভিন্ন অরাজকতা চলত। ১৯৮৮ সালে ও পরবর্তীতে বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। ওই সব মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি এলাকা ত্যাগ করে ২০০৪ সাল থেকে ঢাকার মিরপুরে বসবাস শুরু করেন। তার পরিবার ঢাকায় থাকলেও নিয়মিত ঈশ্বরদীতে যাতায়াত করতেন তিনি। ২০১৫ সালে ঈশ্বরদীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং পরাজিত হন।

গ্রেপ্তার পিন্টু জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি ১৯৯৪ সালে ঈশ্বরদীতে চম্পা হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামি এবং ২০০৯ সালে ঈশ্বরদীতে আজম হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাবরণ করেন। পরে ২০১১ সালে অস্ত্রসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন এবং তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। এই মামলায় তিনি তিন মাস কারাভোগ করলেও পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি নিয়ে ফেরারি হন। ওই মামলায় আদালত তাকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে আধিপত্য বিস্তার, বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের জন্য তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা দায়ের হয়। এপর্যন্ত তার নামে একটি মৃত্যুদণ্ড ও একটি ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা পরওয়ানা ছাড়াও বিভিন্ন অপরাধে ছয়টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার পিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাব আরও জানতে পারে, ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। রায় ঘোষণার পরের দিনই তিনি দেশ ত্যাগ করে ভারতে আত্মগোপন করেন। সেখানে কিছুদিন অবস্থানের পর আবার দেশে ফিরে আসেন। পরে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্ত যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি ঢাকা, রাজশাহী ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপন করেন। সর্বশেষ কক্সবাজারের টেকনাফে তার বন্ধুর বাসায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় র‌্যাব-২ তাকে গ্রেপ্তার করে।


আরও খবর



ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২০ কিমি যানজট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বৃষ্টি ও পৃথক সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পার থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত এ যানজটের সৃষ্টি হয়।

যানজটের কারণে নারী ও শিশুরা বিপাকে পরেছেন। অন্যদিকে কাঁচামাল বোঝাই ট্রাকগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারলে গাড়িতে পচে নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন মালিকরা।

পুলিশ জানায়, রাতে কয়েক ঘন্টা টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে ধীর গতিতে যানবাহন চলতে থাকে। এ অবস্থায় রাত ১২ বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপারে ট্রাকের সাথে অন্য একটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুই জন আহত হয়। পুলিশ গাড়ি দুটি সড়িয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা জব্দ করেছে। এছাড়াও মহাসড়কের ভূঞাপুর রিং রোডে মধ্য রাতে সড়ক দুর্ঘটনা হয়। এ কারণেই রাত থেকে যানজটের সৃষ্টি হয়। 

ফাইভস্টার পরিবহনের চালক মিনহাজ মিয়া বলেন, সকাল ৬ টা সকাল ৬ টা থেকে দুই ঘন্টায় এক কিলোমিটার রাস্তা এসেছি। এখনও জোকারচর এলাকায় আছি। সেতু পার হতে কয়েক ঘন্টা সময় লাগবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার (ওসি) শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, গাড়িগুলো সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানজট নিরসন হবে।


আরও খবর



মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর নিবন্ধন বাতিল

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানবাধিকার সংগঠন অধিকার-এর নিবন্ধন বাতিল করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরো।

১৯৯৪ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির নিবন্ধন ২০১৫ সালের মার্চে শেষ হয়। তারা ১০ বছর মেয়াদ বাড়ানোর জন্য এনজিও ব্যুরোর কাছে আবেদন করেছিল। তবে রোববার তাদের এ আবেদন নামঞ্জুর করে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো। এতে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল হয় তাদের নিবন্ধন।

এ বিষয়ে রোববার এনজিও ব্যুরোর জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কাজে নিয়োজিত হওয়াসহ বেশ কয়েকটি কারণে অধিকার-এর নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। সেই কারণগুলো হচ্ছে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নতুন আইন অনুযায়ী আরোপিত বর্ধিত ফি ও ভ্যাট না দেয়া, বৈদেশিক অনুদানে বাস্তবায়িত প্রকল্পের আটটি আর্থিক নিরীক্ষা প্রতিবেদনের (অডিট রিপোর্ট) ওপর আপত্তির কোনো জবাব বা ব্যাখ্যা না দেয়া, অধিকার ডট ওআরজি (odhikar.org) নামের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ইস্যু তৈরি এবং তিনটি প্রকল্পে আর্থিক লেনদেনে অসঙ্গতি বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের বিষয়ে যথাযথ জবাব না দেয়া।

অধিকারের আবেদন নিষ্পত্তির আদেশে বলা হয়, বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন আইন ২০১৬ এর ধারা ৪ (৪) মোতাবেক সংস্থা কর্তৃক দাখিলকৃত নিবন্ধন নবায়নের আবেদনপত্রে অসঙ্গতি থাকা, বিভিন্ন সময় চাওয়া তথ্যাদির সঠিক জবাব বা ব্যাখ্যা ও কাগজপত্র দাখিল না করা, রাষ্ট্রের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে এমন কাজে সম্পৃক্ত থাকার কারণে সংস্থার কার্যক্রম সন্তোষজনক নয়। তাই দাখিলকৃত নিবন্ধন নবায়নের আবেদনটি বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই। নবায়নের আবেদনটি নামঞ্জুর করা হলো।


আরও খবর



জাম খেতে ভালবাসেন? কোন নিয়মগুলি না মানলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গরমে বাজারে ফলের অভাব নেই। তবে গরমে জামের কদর খানিকটা হলেও বেশি। জামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ জাম শরীরের অনেক সমস্যার সমাধান করে।

জাম কী ভাবে যত্ন নেয় শরীরের?

রক্ত বিশুদ্ধ করে

জাম রক্ত পরিশোধনকারী হিসাবে কাজ করে। রক্তে হিমোগ্লোবিন এবং আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি করে জাম। রক্ত থেকে যাবতীয় দূষিত পদার্থ শোষণ করে রক্ত পরিষ্কার রাখে। রক্ত পরিষ্কার থাকলেও ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে। ত্বক সুস্থ থাকে। চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখে জাম।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে

প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ জাম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত জাম খাওয়ার অভ্যাস হার্ট অ্যাটাক বা মানসিক চাপের আশঙ্কা হ্রাস করে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে

ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ জাম কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। দীর্ঘ দিন ধরে যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন, সুস্থ থাকতে তাঁরা ভরসা রাখতে পারেন জামে। তবে এই সুফলগুলি পেতে হলে জাম খাওয়ার সময় এবং পরে মেনে চলতে হবে কয়েকটি নিয়ম। সেগুলি কী কী?

১) ফল খাওয়ার পর এমনিতেই জল খেতে বারণ করা হয়। তেষ্টা পেলেও জাম খেয়ে কখনও জল খাবেন না। জাম খাওয়ার অন্তত আধ ঘণ্টা পরে জল খান।

২) খালি পেটে জাম না খাওয়া ভাল। এতে বদহজম, অম্বল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৩) জাম খাওয়ার পর দুধ, পনির, দইয়ের মতো দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪) জাম এবং হলুদ খুবই মারাত্মক জুড়ি। এই দুটো জিনিস কখনও একসঙ্গে খাবেন না। জাম খাওয়ার পর তাই হলুদ দিয়ে তৈরি কোনও খাবার না খাওয়াই ভাল।

নিউজ ট্যাগ: জামের পুষ্টিগুণ

আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




অর্থনীতিতে অভাবনীয় পরিবর্তন আনবে পদ্মা সেতু : শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে অভাবনীয় পরিবর্তন আনবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ শুক্রবার পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত সিউইড মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, পদ্মা সেতু দক্ষিণের জনপদের উন্নয়নে অভাবনীয় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। এ সেতুর কারণে মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন হবে, তাদের আধুনিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে। এ সেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য আশীর্বাদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা না থাকলে এটি কখনোই সম্ভব হতো না। প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা না থাকায় এ অঞ্চলে উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ, ডিমসহ অন্যান্য কৃষিসামগ্রী রাজধানী ঢাকায় পৌঁছানো বা রপ্তানির সুযোগ ছিল না। পদ্মা সেতুর সংযোগের ফলে দক্ষিণাঞ্চলে উৎপাদিত মাছসহ অন্যান্য কৃষিসামগ্রী দ্রুততার সাথে ঢাকায় যেতে পারবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প প্রতিষ্ঠা হবে।

এর আগে বিএফআরআই এর আয়োজনে কুয়াকাটা পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স মিলনায়তনে সিউইড মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সিউইড মেলার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন সিউইড বা সামুদ্রিক শৈবাল বাণিজ্যিক গুরুত্বসম্পন্ন একটি সমুদ্রসম্পদ। এ সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। মানুষের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্বাদু খাবারের যোগান দিতে সিউইড অত্যন্ত সহায়ক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিউইডের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সিউইড পণ্যের প্রয়োজনীয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা তারা উপলব্ধি করে। সিউইড প্রাপ্তির একটি বড় অঞ্চল কুয়াকাটা। এ অঞ্চলের পর্যটন হোটেলসহ অন্যান্য হোটেল-মোটেল সংশ্লিষ্টদের সিউইডের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সিউইডের আহরণ ও বিপণনে যেন কোন বাধার সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এর আহরণ, চাষ পদ্ধতি ও গুণাবলী সবার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

এ সময় তিনি আরও বলেন, সুনীল অর্থনীতির অন্যতম সম্ভাবনাময় সম্পদ সিউইড। খাদ্য, ওষুধ শিল্প, প্রসাধনী শিল্পসহ নানা ক্ষেত্রে সিউইডের বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে। এ সম্পদকে কাজে লাগিয়ে আমাদের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে হবে। বিদেশে সিউইড রপ্তানির বড় বাজার রয়েছে, সেটা আমরা ধরতে চাই। সিউইড জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সমুদ্র থেকে টুনা জাতীয় মাছ আহরণে মৎস্য অধিদপ্তর প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বিশ্বের অন্তত ৯০টি দেশে বাংলাদেশের মাছের চাহিদা রয়েছে। পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে দক্ষিণাঞ্চলে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেটজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠবে। বিশ্বের অনেক দেশে মাছ পাঠানো যাবে। এখান থেকে প্যাকেটজাত করে সরাসরি মাছ রপ্তানি করতে পারলে মৎস্য সংশ্লিষ্ট শিল্পেই দক্ষিণাঞ্চল এগিয়ে যাবে, এ অঞ্চলের অর্থনীতি সমৃদ্ধি হবে।


আরও খবর