শিরোনাম

বিধিনিষেধে প্রাথমিকে চলবে ক্লাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিরোধে সরকারের নেওয়া বিধিনিষেধের মধ্যেও সীমিত পরিসরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলমান ক্লাস একইভাবে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও প্রশাসন) মনীষ চাকমা বলেন, আজ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের যৌথ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বর্তমানে যেভাবে শ্রেণি কার্যক্রম চলছে, সেভাবেই চালিয়ে যাওয়ার। সভায় স্কুলপ্রধানদের প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তবে প্রাক-প্রাথমিকে সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সময়ে অনলাইনে ক্লাস চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ায় ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটির মেয়াদ। সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এ ছুটি শেষে ১২ সেপ্টেম্বর সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। একই ধারাবাহিকতায় ক্লাস সচল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে প্রাথমিকের তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস রোববার ও বৃহস্পতিবার এবং চতুর্থ শ্রেণির ক্লাস শনিবার ও বুধবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ ছাড়া মঙ্গলবার প্রথম শ্রেণি ও সোমবার দ্বিতীয় শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর পঞ্চম শ্রেণির ক্লাস প্রতিদিনই চলছে।

বর্তমান রুটিনে অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন প্রথম শিফটে ক্লাস শুরু হয় সকাল পৌনে ১০টায়। তিনটি বিষয়ে ৪৫ মিনিট করে পাঠদান চলে। শেষ হয় ১২টা ০৫ মিনিটে। তবে শিক্ষার্থীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ২৫ মিনিটের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে হয়।

দ্বিতীয় শিফটে ক্লাস শুরু হয় বেলা ১টা ১৫ মিনিটে, যা শেষ হয় বেলা ৩টা ৪৫ মিনিটে। তবে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ঢোকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর

ফের অবরুদ্ধ শাবি ভিসি !

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




২০২২ বাংলাদেশের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের মাইলফলক : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০২২ সাল বাংলাদেশের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নের মাইলফলক বছর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বর্তমান সরকারের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল একটি শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত গণতান্ত্রিক এবং অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন করা। যেখানে সব ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণি-পেশার মানুষ সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে। প্রতিটি মানুষ অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসার সুযোগ পাবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি তাকে সপরিবারে হত্যা করে। তাকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর হয় অনেক চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র।’

সরকারপ্রধান বলেন, সামরিক শাসনের যাঁতাকলে নিষ্পেষণ, গণতন্ত্রহীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-বিচ্যুতি, ইতিহাস বিকৃতিসহ শাসকদের নানা অপকীর্তি প্রত্যক্ষ করেছে এ দেশের মানুষ। জনগণের সম্পদ লুটপাট করে, তাদের বঞ্চিত রেখে, ৩০-লাখ শহিদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল করে রেখেছিল তারা।’

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের বিয়োগান্তক ঘটনার পর ৬ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে আমি ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করি। আমার একটাই লক্ষ্য ছিল, জাতির পিতার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করে বাংলার মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।’

তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়। আমরা দায়িত্ব নিয়েই বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করি। মাঝে ২০০১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় সে প্রচেষ্টায় ছেদ পড়েছিল। কিন্তু ২০০৯ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১৩ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। আর্থসামাজিক এবং অবকাঠামো খাতে বাংলাদেশ বিস্ময়কর উন্নয়ন সাধন করেছে। ২০২১ সাল ছিল আমাদের উন্নয়ন অভিযাত্রার এক অভূতপূর্ব স্বীকৃতির বছর। গত বছর আমরা উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত যোগ্যতা অর্জন করেছি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষে এ অর্জন বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের।’


আরও খবর



আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন শাবির সেই প্রভোস্ট

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্রীহল বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক জাফরিন আহমেদ। এ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী। রবিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

জানা গেছে, জাফরিন আহমেদ অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। সেই সঙ্গে হলটির নতুন প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী।

এছাড়াও রাতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা শেষে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর

ফের অবরুদ্ধ শাবি ভিসি !

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-র‌্যাবের সঙ্গে বিজিবিও থাকবে: জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভোটের সরঞ্জাম পৌঁছে গেছে। ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ শুরু করেছেন। ভোটের মাঠে পুলশের ৭৫টি ও র‌্যাবরে ৬৫টি টিম কাজ করবে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ।

শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

নির্বাচনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের অভিযোগ প্রসঙ্গে মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, আমরা আমাদের স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছ থেকে লিখিত, ফোনে বা অন্য কোনো মাধ্যমে কোনো অভিযোগ পাইনি। আমরা আমাদের ইলেকশনের রুটিন ওয়ার্ক করছি। দাগী আসামিদের বিরুদ্ধেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা ভোটের সব সরঞ্জাম পৌঁছে দিয়েছি। আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করছে। আমাদের আরও ৩০ জন ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবে। আমাদের পুলিশে ৭৫টি টিম ও ৬৫টি র‌্যাবের টিম মাঠে থাকবে। বিজিবিও আমাদের সঙ্গে কাজ করবে।

কেন্দ্রগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বিজিবি কাজ করেছে জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ প্রশাসনের এই কর্মকর্তা বলেন, আমাদের পুলিশ সুপার ও র‌্যাব কর্মকর্তারা আছেন। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। নির্বাচনের জন্য যারা থ্রেট হতে পারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আশা করি সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন।

সিসি ক্যামেরা খুলে ফেলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সব কেন্দ্রে সিটি ক্যামেরা নেই। কিছু কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা আছে সেগুলো খুলে ফেলার মতো কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। আমরা সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে।

বহিরাগতদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে ডিসি বলেন, নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের কথা জানি না সেটা সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। এছাড়া কোনো সরকারি বাসস্থানে প্রশাসনের লোক ছাড়া কাউকে স্থান দেয়া হয়নি। আমরা সব সেন্টারকে গুরুত্ব সহকারে দেখছি। সবাই নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারবে।

ডিসি বলেন, আমাদের করোনা প্রটোকল মেনে ভোট দিতে হবে। সেন্টারে সুরক্ষা সামগ্রী থাকবে। আমরা সে ব্যাপারে সচেতন আছি। আমরা প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানাবো সবাইকে সচেতন করতে। এতদিন সবাই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারকাজ চালিয়েছেন। আশাকরি আগামীকালও এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশই আপনারা বজায় রাখবেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ২০০ মামলা করেছি। একজনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এবং লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করেছি নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য।

নিউজ ট্যাগ: নারায়ণগঞ্জ

আরও খবর



সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অস্ত্রের সন্ধানে সিটিটিসির অভিযান

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ২০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অস্ত্রের সন্ধানে অভিযান চলছে। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোর থেকে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) একটি দল অভিযান চালাচ্ছে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা জানান, অভিযান এখনও চলছে। শেষ হলে বিস্তারিত জানানো হবে।

বিজিবির-৫৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সামিউন্নবী চৌধুরী জানান, শুনেছি কাউন্টার টেররিজমের একটি টিম অভিযান চালাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযান চালিয়ে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান এবং প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‍্যাব।

একই বছরের ১৬ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফায় প্রথম পর্যায়ে উদ্যানে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

পঞ্চম দফায় ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়। ষষ্ঠ দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। গত ২ মার্চ অভিযান চালিয়ে ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট গোলা উদ্ধার করে বিজিবি।

সর্বশেষ ১৩ আগস্ট হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন একটি ব্রিজের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় নয়টি একনলা বন্দুক, তিনটি পিস্তল ও ১৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে বিজিবি।


আরও খবর



টেস্টের অধিনায়কত্বও ছাড়লেন কোহলি

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত বছর টি-টোয়েন্টি থেকে অধিনায়কত্ব ছেড়েছিলেন। পরে ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব থেকেও সরিয়ে দেয়া হয় তাঁকে। এরপর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেটে চলছিল সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলিকে নিয়ে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক।

সেই বিতর্ক না থামতেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ দিকে এসে আরেক বিতর্কের জন্ম দেন ভারতের টেস্ট অধিনায়ক। যে বিতর্ক দ্বিগুণ হয় প্রোটিয়াদের কাছে সিরিজ হারের পরই। এমনকি তাঁর শাস্তিও দাবিও জানান অনেকে।

তবে শাস্তি না পেলেও সতর্কবার্তার মাধ্যমে শেষ হওয়া স্ট্যাম্প মাইক কাণ্ডের রেশ না কাটতেই এবার বড়সড় চমক দিলেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলেন তিনি।

শনিবার এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বিরাট বলেন, দলকে সঠিক লক্ষ্যে নিয়ে যেতে সাত বছরের প্রতিটা দিন পরিশ্রম করেছি। নিরবিচ্ছিন্ন অধ্যবসায় বজায় রেখে চলেছি। চূড়ান্ত সততার সঙ্গে আমি সেই কাজটা করেছি। সেখানে কিছু ফাঁক রাখিনি। তবে সবকিছুকেই কোনও না কোনও সময় থামতে হয়। আমার কাছে ভারতীয় দলের টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার সময়টা এসে গিয়েছে।

কোহলি আরও যোগ করেন, দীর্ঘ যাত্রাপথে প্রচুর সাফল্য এসেছে। ব্যর্থতারও সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু কখনও প্রয়াস বা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হয়নি। আমি যা কিছু করি, তাতে বরাবর ১২০ শতাংশ উজাড় করে দেয়ার তত্ত্বে বিশ্বাস করে এসেছি। আমি যদি সেটা করতে না পারি, তাহলে আমি ভালোভাবে জানি যে, সেটা করা আমার জন্যে ঠিক নয়। আমার হৃদয়ে পুরোপুরি স্বচ্ছতা আছে। আমার দলের প্রতি আমি অসত্‍ হতে পারি না।

বিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০টি সেঞ্চুরির মালিক বলেন, এত দীর্ঘ সময় ধরে আমায় দেশের নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ প্রদানের জন্য বিসিসিআইকে ধন্যবাদ জানাই। আরও বেশি করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার সতীর্থদের, যারা প্রথম দিন থেকে দলকে নিয়ে আমার যে লক্ষ্য ছিল, তার সঙ্গী হয়েছেন। কোনও পরিস্থিতিতে তারা হাল ছাড়েনি। তোমাদের ধন্যবাদ, এই যাত্রাকে এতটা সুন্দর এবং স্মরণীয় করে তোলার জন্য।

টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে তিনি যে সাফল্য পেয়েছেন, তাতে রবি শাস্ত্রী এবং সাপোর্ট স্টাফদের ইঞ্জিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, রবি ভাই (রবি শাস্ত্রী) এবং সকল সাপোর্ট স্টাফরা এই গাড়ির ইঞ্জিন হয়ে কাজ করেছেন। যাঁরা লাগাতার টেস্ট ক্রিকেটে আমাদের উপরের দিকে নিয়ে গিয়েছেন। সেই লক্ষ্যকে বাস্তবে পরিণত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

এ সময় সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি বিরাট। যে ধোনির হাত থেকেই ২০১৪ সালে ভারতীয় টেস্ট দলের অধিনায়কত্বের ব্যাটন তুলে নিয়েছিলেন বিরাট। তিনি বলেন, শেষে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বড়সড় ধন্যবাদ জানাতে চাই। যিনি অধিনায়ক হিসেবে আমার উপর ভরসা রেখেছিলেন এবং বিশ্বাস করেছিলেন যে, আমি ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

নিউজ ট্যাগ: বিরাট কোহলি

আরও খবর

উন্মোচন করা হল ঢাকা দলের জার্সি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২