Logo
শিরোনাম

বিএনপি বন্যার্তদের নিয়ে অপরাজনীতি শুরু করেছে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের মানুষ যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যার কারণে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত ঠিক তখন বিএনপি মহাসচিবের হীন রাজনৈতিক আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক। বিএনপি দুর্ভাগ্যজনকভাবে বন্যার্তদের নিয়ে অপরাজনীতি শুরু করেছে এবং দুর্গত মানুষকে নিয়ে পরিহাস করছে।

রবিবার (১৯ জুন) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি নেতারা মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে রাজনীতি করছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতাদের আচরণ খুব অমানবিক, অতীতে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ জনগণ দেখেনি।

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু লিপ সার্ভিসের মাধ্যমে মানুষের দুঃখ- দুর্দশা নিয়ে রাজনীতি করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সিলেটের বন্যা কোনো মানবসৃষ্ট দুর্যোগ নয়, এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অতীতের যেকোনো সরকারের চেয়ে সফলতা অর্জন করেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকারের প্রতি কোনোরকম বিষোদগার বা দোষারোপ না করে এই দুর্যোগের সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াবে বলে আশা করি।

এই দুর্যোগকে পুঁজি করে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন,জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এমন মিথ্যাচার ও অপপ্রচার না করারও অনুরোধ করছি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সৃষ্ট বন্যার কারণে মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজেবি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসন মানুষের কষ্ট লাঘবে সর্বাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি তার বিবৃতিতে আরও বলেন, মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার্তদের জন্য ৬০০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

যেকোনো প্রয়োজনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী টোল ফ্রি নম্বর চালু করেছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বানভাসি মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ইমারজেন্সি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে মনিটরিং টিম ও মেডিকেল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। পানিবন্দী মানুষের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্যালাইনের পাশাপাশি রান্না করা খাবারও বিতররণ করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ।

তিনি জানান, বন্যার পানি সরে গেলেও এই তৎপরতা অব্যাহত থাকবে এবং আরও জোরদার করা হবে। দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে দেশের সকল বিত্তবান মানুষকে দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আরও খবর



নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেবে বিএম ডিপো

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএম কনটেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এ দুর্ঘটনায় যারা অঙ্গ হারিয়েছেন তাদের ৬ লাখ এবং আহতদের ৪ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।

রোববার (৫ জুন) সন্ধ্যায় স্মার্ট গ্রুপের জিএম মেজর (অব.) শামসুল হায়দার সিদ্দিকী এ ঘোষণা দেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিএম কনটেইনার স্মার্ট গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

এতে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডে যেসব কর্মচারী নিহত হয়েছেন তাদের পরিবারে শিশু থাকলে তারা প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত পরিবারকে ওই কর্মচারীর বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করা হবে। এছাড়া নিহতের পরিবারে উপার্জনক্ষম কোনো সদস্য থাকলে তাদের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এদিকে ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াছ চৌধুরী। তবে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান জানিয়েছেন, এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জন নিহত ও ১৬৩ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ জুন) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় রাসায়নিক থাকা একটি কনটেইনারে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চার শতাধিক মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন।

রাতেই আহতদের অধিকাংশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এছাড়া চট্টগ্রামের অন্যান্য হাসপাতালেও অনেককে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৯ কর্মীও রয়েছেন। এছাড়া রোববার (৫ জুন) সকালেও বিস্ফোরণস্থল থেকে কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত চমেক হাসপাতালের সর্বশেষ তথ্যমতে, এ অগ্নিকাণ্ডে আহতদের মধ্যে মুমূর্ষু ১৬৩ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক), চট্টগ্রাম সিএমএইচ ও অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মুমূর্ষু ১৪ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।

এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। তাদের মধ্যে ২১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। এই ২১ জনের মধ্যে ৬ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া নিহতদের মধ্যে ৯ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।


আরও খবর



গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, স্বামী-সতিন আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাঙ্গাইলের মধুপুরে শেফালি বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী গোলাপ হোসেন, সতিন হাসনাসহ (৪৮) বেশ কয়েকজনকে থানায় নিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার গোলাবাড়ি ইউনিয়নের লোকদেও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, গোলাপ হোসেন ১২-১৩টি বিয়ে করেছেন। এর মধ্যে হাসনা তার প্রথম স্ত্রী ও শেফালি পঞ্চম স্ত্রী। বাকিরা কোথায় আছে জানা নেই। পারিবারিক কলহের জের ধরে গত এক সপ্তাহ আগে হাসনাকে তালাক দেন গোপাল। সালিশ-বৈঠকে তার সব পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় হাসনা স্বামীর একটি ঘর বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। ঘরটি পাঁচ হাজার টাকায় শেফালি রেখে দিতে চাইলেও তাতে দ্বিমত পোষণ করেন।

এ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় দুই সতিনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে হাসনাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন শেফালি। এরপর হাসনা ও তার সন্তান বাড়ি থেকে গিয়ে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে রাত যাপন করেন। মঙ্গলবার সকালে হাসনার সন্তান বাবাকে ডাকতে বাড়িতে গেলে শেফালির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা নিয়ে যায়।

গোলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবলু বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহ পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিকভাবে দাফন করা হবে।

এ বিষয়ে মধুপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হাসান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতবিক্ষত মরদেহটি উদ্ধার করেছি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় স্বামী ও সতীনসহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



বিতর্কিত ইউটিউবার রোদ্দুর রায় গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের গোয়া থেকে আজ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিতর্কিত ইউটিউবার রোদ্দুর রায়কে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও  অভিষেক ব্যানার্জিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) পরিচালক কৌশিক মুখার্জি ওরফে কিউ ফেসবুকে রোদ্দুরের গ্রেপ্তার হওয়ার খবর জানান। তা ছাড়াও ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম তাকে গ্রেপ্তার হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে।

কিছুদিন আগে ফেসবুক লাইভ করেন রোদ্দুর রায়। দেড় ঘণ্টার সেই লাইভে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন। নিজস্ব ভঙ্গিতেই আক্রমণ করেন বিভিন্ন বিশিষ্টজনকে। সেই তালিকা থেকে বাদ পড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও। লাইভে মুখ্যমন্ত্রীকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করেন রোদ্দুর। অশ্রাব্য শব্দ ব্যবহার করে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জিকেও আক্রমণ করেন তিনি। এরপর গত ৩ জুন রোদ্দুরের বিরুদ্ধে চিৎপুর থানায় মামলা দায়ের করেন তৃণমূল নেতা ঋজু দত্ত।

প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন রোদ্দুর রায়। সেই কারণে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানান তৃণমূল নেতা। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেই মতোই লালবাজার থেকে একটি দল পৌঁছায় গোয়ায়। সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে লালবাজার পুলিশ। খুব শিগগির তাকে কলকাতায় আনা হবে। সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য সম্পত্তির পরিমাণও।

উল্লেখ্য, গত মাসে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মমতা ব্যানার্জিকে বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন এই ইউটিউবার। মুখ্যমন্ত্রীর সম্মানহানির দায়ে তার বিরুদ্ধে পাটুলি থানায় মামলা দায়ের করেছিলেনন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য অরিত্র সাহা। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও কটূক্তি করতে ছাড়েননি রোদ্দুর রায়।


আরও খবর

২৭ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন মীর!

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২

বড় পর্দায় বাম-কংগ্রেস সন্ত্রাস

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




কোভিড: বিশ্বে শনাক্ত কমলেও বাড়ল দৈনিক মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ল। তবে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দেড় হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও তা রয়েছে ৭ লাখের ওপরেই।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৫১৯ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে তিন শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৩ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬৪ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৬ হাজার ৯৬৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় পাঁচ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ কোটি ৬৫ লাখ ৩৬ হাজার ৪০৮ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৬২ জন এবং মারা গেছেন ১০৫ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার ২২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৪০ হাজার ৪৬২ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৬৪ জন এবং মারা গেছেন ৩৯০ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৮৪ লাখ ১৪ হাজার ৮০৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮৭ জন মারা গেছেন।


আরও খবর



পাকিস্তানে বিদ্যুৎ সঙ্কট চরমে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে বিদ্যুৎ সঙ্কট চরমে। এর মধ্যে পাকিস্তান ন্যাশনাল ইনফরমেশন টেকনোলজি বোর্ড (এনআইটিবি) হুঁশিয়ারি দিল, যে কোনও সময় দেশের মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। কার্যতই বিপাকে সাধারণ মানুষ।

টুইটারে বিবৃতি দিয়ে এনআইটিবি জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় দেশে বিদ্যুৎ থাকছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মোবাইল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা। তাই এই পরিষেবা বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে টেলিকম অপারেটরগুলি। এখানেই শেষ নয়। পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, জুলাইয়ে দেশে লোডশেডিং আরও বাড়বে।

কারণ হিসাবে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পাক সরকার বিদ্যুৎ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পাচ্ছে না। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মিফতা ইসমাইল বলেন, কাতার থেকে আগামী পাঁচ বা ১০ বছরের জন্য এলএনজি কেনার চুক্তির চেষ্টা চলছে।

জুলাইয়ে পাকিস্তানে মূল্যবৃদ্ধির হার ১০ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত ছ বছরে সর্বাধিক। তার মধ্যে তাপপ্রবাহ চলছে। সে কারণে বিদ্যুতের চাহিদা তুঙ্গে। সেই চাহিদা মেটানোর জন্য করাচি-সহ বেশ কিছু শহরে কারখানা, সরকারি দফতর থেকে শপিং মল সময়ের আগে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পাক সরকার।


আরও খবর