Logo
শিরোনাম

বিএনপিকে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আলেম-ওলামা কিংবা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ধরা হচ্ছে না। যারা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িত, ভিডিও ফুটেজ দেখে শুধু তাদের ধরা হচ্ছে। বিএনপি মূলত বিকল্প পথে ক্ষমতায় যেতে চায়। ক্ষমতায় যেতে হলে তাদের আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সড়ক জোনের বিআরটিসি ও বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় একথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপির নেতাকর্মী ও আলেম-ওলামাদের ঢালাওভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে বিএনপির অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো আলেম-ওলামা তো নন, বিএনপির কোনো নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ভিডিও ফুটেজ দেখে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করছে।

বিএনপির বিরুদ্ধে অপরাধীদের আড়াল করার অভিযোগ এনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঢাকা, হাটহাজারী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যেভাবে তাণ্ডব চালানো হয়েছে, বিএনপি এখন তাদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। বিএনপি মূলত পেছনের দরজা দিয়ে বিকল্প উপায়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। ক্ষমতায় যেতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। তাই ক্ষমতায় যেতে হলে বিএনপিকে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

করোনাভাইরাসের টিকার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রথম ডোজের মতো দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিনও বাংলাদেশ সময়মতো সংগ্রহ করবে ইনশাআল্লাহ। ভ্যাকসিন সংগ্রহে সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



এশিয়ার ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেলেন তিন বাংলাদেশি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গবেষণা কাজে অবদান রাখায় এশিয়া মহাদেশের ১০০ জন বিজ্ঞানীদের তালিকায় বাংলাদেশি তিন জন স্থান পেয়েছেন। বিজ্ঞানের নানা ক্ষেত্রে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তাদের মধ্য থেকে প্রতি বছর ১০০ জনকে বাছাই করে তালিকা প্রকাশিত করে এশিয়ান সায়েন্টিস্ট। প্রতি বছরের মতো এ বছর প্রতিষ্ঠানটি যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেখানে বাংলাদেশের তিন নারী বিজ্ঞানী স্থান পেয়েছেন।

গত সোমবার ষষ্ঠবারের মতো ইংরেজি ভাষার ম্যাগাজিন ‘দ্য এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ১০০’শিরোনামে এ তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’। বাংলাদেশের তিন নারী হলেন- ড. সালমা সুলতানা, ড. ফেরদৌসী কাদরী এবং অধ্যাপক সামিয়া সাবরিনা।

কোনো গবেষক যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প সংস্থায় যুক্ত থাকা অবস্থায় উল্লেখযোগ্য কোনো বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করেন তাহলে তাকেও এই তালিকায় স্থান দিয়ে সম্মান জানানো হয়।

ম্যাগাজিনের ওয়েবসাইট অনুসারে, সালমা সুলতানা হচ্ছেন মডেল লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা। ২০২০ সালে তিনি মাঠ পর্যায়ের গবেষণা ও পদ্ধতিগত প্রয়োগ আবিষ্কারের স্বীকৃতি স্বরূপ ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের নরম্যান ই বোরলাগ পুরস্কার লাভ করেন। সালমা বাংলাদেশের ক্ষুদ্র খামারিদের সঙ্গে গবাদিপশু পালন, পশু চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া এবং খামারিদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার চেষ্টা চালান। তাকে দেওয়া পুরস্কারটি ছিল এসব কাজেরই স্বীকৃতি।

অন্যদিকে, ফেরদৌসী কাদরী হলেন আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্রে (আইসিডিডিআর,বি) কর্মরত একজন এমিরেটস বিজ্ঞানী। রোগ সংক্রমণের প্রথম দিকেই পরীক্ষার পদ্ধতি, বৈশ্বিক টিকাদানসহ উন্নয়নশীল দেশে শিশুদের মধ্যে সংক্রামক ব্যাধি বিস্তার নিয়ে করা তার গবেষণার জন্য ২০২০ সালে তিনি ল'রিয়েল-ইউনেস্কো ফর উইমেন ইন সায়েন্স পুরস্কার লাভ করেন।

সামিয়া সাবরিনা বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক। উন্নয়নশীল দেশের জন্য তড়িৎ বিজ্ঞানে ন্যানোমেটারিয়াল নামে পরিচিত সূক্ষ্ম বস্তুকণার প্রয়োগ ও উপযোগ নিয়ে করা গবেষণার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০২০ সালে তিনি ওডব্লিউএসডি- এলসিভার ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ফর আর্লি ক্যারিয়ার উইমেন সায়েন্টিস্ট পুরস্কার পান।


আরও খবর



ঈদুল ফিতরে বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

আজ মঙ্গলবার (১১ মে) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও ১০টা ৪৫ মিনিটে বায়তুল মোকাররমে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম জামাত হবে সকাল ৭টায়। এতে ইমাম থাকবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির থাকবেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারি কাজী মাসুদুর রহমান। আর দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমাম থাকবেন বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী। মুকাব্বির থাকবেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারি হাবিবুর রহমান মেশকাত।

পাঁচটি জামাতে ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

করোনা পরিস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৬ এপ্রিল জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মসজিদের ইমাম-খতিব, মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

নিউজ ট্যাগ: বায়তুল মোকাররম

আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকার মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করছে : শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ২৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শনিবার (১৭ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্যই ছিল শোষণমুক্ত এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন। সে লক্ষ্যেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল মানুষকে শোষণ ও বঞ্চনার হাত থেকে মুক্ত করে তাদের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনা অবিরাম প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন।

শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, মুজিবনগর সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার যখন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখনই একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক চক্র সে অর্জন বিনষ্ট করার জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই মূলত আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠার সুযোগ পায়। ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করেছিল। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিচারের রায় কার্যকর করে তাদের দর্প চূর্ণ করেছেন। এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য এসময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান। পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী ও সমীর দাশ বাচ্চু, পিরোজপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছায়েদুল্লাহ লিটন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনিরুজ্জামান অনিক ও সাবেক সভাপতি মাকসুদুল ইসলাম প্রমুখ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




২১ থেকে ২৮ এপ্রিল নতুন করে যে সব বিধি-নিষেধ মানতে হবে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউনের মেয়াদ একই শর্তে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আজ মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) এই প্রজ্ঞাপন জারি করে বলেছে, ২১ থেকে ২৮ এপ্রিল আগের বিধি-নিষেধগুলো পালন করতে হবে।

তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, এই সময়ে আন্তর্জাতিক বিশেষ ফ্লাইট চলাচল ও ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্তর্জাতিক বিশেষ ফ্লাইট চলাচল, ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ আগের সব বিধি-নিষেধ আরোপের সময়সমীমা আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

এর আগে গেল ১২ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৪ থেকে শুরু হয়ে ২১ এপ্রিল সেই লকডাউন শেষ হওয়ার কথা।

২১-২৮ এপ্রিলের বিধি-নিষেধ:

১. সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (পরে ব্যাংক খুলে দেওয়া হয়) বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে প্লেন, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে (নতুন প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে)। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। শপিংমলসহ অন্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে‌।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবি নামাজের জামায়াত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপর্যুক্ত নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

নিউজ ট্যাগ: বিধি-নিষেধ

আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




আজ কলাপাড়ায় ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার আজ বৃহস্পতিবার ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করছে। তারা প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এই পরিবারগুলো এলাকায় 'চান টুপি'র লোক হিসেবে পরিচিত। মূলত তারা কাদরিয়া চিশতিয়া তরিকতের অনুসারী।

জানা গেছে, উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এই অনুসারীদের ঈদের নামাজের প্রধান জামাত বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ এতে ইমামতি করেন। এ জামাতে ধানখালী ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া, গিলাতলা, ফুলতলী ও পাঁচজুনিয়া গ্রামের চান টুপির লোকেরা অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, উত্তর লালুয়া মাঝিবাড়িসহ বিভিন্ন স্পটে আরও ৮টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া, গন্ডামারি, মরিচবুনিয়া, চালিতাবুনিয়া, ছইলাবুনিয়া, সেনের হাওলা, পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, বাদুরতলী, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের তেগাছিয়া, সাফাখালী, চরপাড়া এবং আজিমদ্দিন গ্রামে প্রায় ৫ হাজার পরিবারে এ তরিকার ১৫ হাজার লোক বসবাস করেন।

কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া দরবার শরীফের পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস জানান, তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের পশ্চিম এলাহাবাদ গ্রামের সিলসিলায়ে আলীয়া কাদরিয়া চিশতিয়া জাহাগিরিয়িা তরিকতের অনুসারী। যার কারণে তারা একদিন আগে রোজা রাখা শুরু করেন এবং ঈদও একদিন আগে উদযাপন করে থাকেন।



আরও খবর