Logo
শিরোনাম

বিএনপিকে সব জায়গায় প্রতিহত করার ঘোষণা তথ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপিকে সব জায়গা থেকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি যখন প্রমাণ করেছে, তারা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি, চেতনায় পাকিস্তানকে লালন করে। তারা দেশকে আবার পাকিস্তান বানানোর স্বপ্ন দেখেন। সুতরাং তাদের সব জায়গায় প্রতিহত করা হবে।

বুধবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত বিএনপি মহাসচিবের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব তার বক্তব্যে পরিষ্কার করেছেন, তারা হৃদয়ে পাকিস্তানকে লালন করেন। সুযোগ পেলে তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলবেন। মানব উন্নয়ন, সামাজিক, অর্থনৈতিকসহ সব সূচকে আমরা পাকিস্তানকে বহু আগেই ছাড়িয়েছি। পাকিস্তান নিজেরাই বলছে, বাংলাদেশ তাদের পেছনে ফেলে বহু দূর এগিয়ে গেছে। সেখানে ফখরুল সাহেব বলেন পাকিস্তানই ভালো ছিল। তার বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব প্রমাণ করেছেন, বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী রফিকুল আলসের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল। বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ।

জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি রোকেয়া প্রাচী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক লায়ন মুহাম্মদ মীযানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদার, আবৃত্তি সম্পাদক মুনা চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সদস্য রাজ সরকার প্রমুখ।


আরও খবর



সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানোই ব্রিটিশদের পছন্দ করে

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পর তার নিথর মরদেহ দেখার জন্য মানুষের ভিড় শুরু হয়েছিল গত ১২ সেপ্টেম্বর। ওয়েস্টমিনস্টার হলে রানির দেহ রাখার দুদিন আগেই জমতে শুরু করে মানুষের লাইন। আর ১৫ সেপ্টেম্বর লন্ডনে তাকে দেখার জন্য অপেক্ষার সময় বেড়ে দাঁড়ায় আট ঘণ্টার ওপর। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রানির শেষকৃত্যের আগপর্যন্ত এই লাইন থাকবে। টেমস নদীর তীরে মাইলের পর মাইল সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা লোকদের ধৈর্যশীল প্রতিক্রিয়া সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। টুইটারে একজন তো এটিকে ব্রিটিশদের এযাবৎকালের সেরা পারফরম্যান্স বলে অভিহিত করেছেন। প্রশ্ন হলো, লাইনে দাঁড়ানো বা সারিবদ্ধ হওয়াই কি সেরা উপায়?

দুর্লভ সংস্থান বরাদ্দের জন্য আয়োজকদের বিশেষ উপায় প্রয়োজন হয়। এবারের ঘটনায় ওয়েস্টমিনস্টার হলে রাখা রানির কফিনের পাশ দিয়ে যাওয়ার জায়গাটিই দুর্লভ। একটি আদর্শ ব্যবস্থায় যারা এটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় তাদের জন্য জায়গা বরাদ্দ নিশ্চিত করবে, পাশাপাশি সবার জন্য সেখানে পৌঁছানোর সমান সুযোগও থাকবে। যারা প্রথমে আসে এবং যারা অপেক্ষা করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য কার্যকরভাবে জায়গা সুনির্দিষ্ট করে দেয় লাইনে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা। এর একটি বিকল্প হতে পারে লটারি, যেমনটি করা হয়েছিল গত জুনে রানির প্লাটিনাম জয়ন্তীর একটি কনসার্টে। অথবা কোনো ধরনের বাজার ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি স্লটের দাম এমন পর্যায়ে থাকবে যেন সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য আসে। উদাহরণস্বরূপ, বাকিংহাম প্যালেস দেখার জন্য ভ্রমণকারীকে অবশ্যই টিকিট কিনতে হয়।

রেশনিং প্রক্রিয়া হিসেবে লাইনে দাঁড়ানোর কিছু সুবিধা রয়েছে। এতে অপেক্ষার সময় কখনো কখনো সারারাত অথবা ন্যূনতম কয়েক ঘণ্টা দীর্ঘ হতে পারে। ফলে দাঁড়ানো লোকদের আগ্রহ কতটা প্রবল তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে লাইনের দৈর্ঘ্য থেকে। তাছাড়া যাদের টিকিট কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের সুযোগ হারানোর ঝুঁকিও কমায় এই ব্যবস্থা। তবে এর কিছু সমস্যাও রয়েছে। যদিও জায়গা পেতে অংশগ্রহণকারীদের অর্থ দিতে হচ্ছে না, কিন্তু তাদের সময় এবং স্বাচ্ছন্দ্য ব্যয় হচ্ছে ঠিকই। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ ধরনের লাইন ব্যবস্থায় যাদের বিশেষ কোনো কাজ নেই তারাই বাড়তি সুবিধা পান। যেমন, যিনি কাজ এড়াতে পারছেন না, তাকে লাইনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। আবার, দুর্বল কিংবা অসুস্থরা লাইনে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে সক্ষম না-ও হতে পারেন। বিকল্প ব্যবস্থাগুলো দীর্ঘ অপেক্ষার সমস্যা হয়তো কমাতে পারে, কিন্তু তাদেরও নিজস্ব কিছু অসুবিধা রয়েছে। লটারি ব্যবস্থায় অতিআগ্রহীরাও সুযোগবঞ্চিত হতে পারেন। হতে পারে কেউ রানিকে দেখতে খুব বেশি আগ্রহী, কিন্তু কেবল ভাগ্যের কারণে এতে খুব একটা পাত্তা দেন না এমন কারও কাছে জায়গা হারাবেন তিনি। আর বাজার-ভিত্তিক ব্যবস্থা অভিজ্ঞতা এবং কে সবচেয়ে বেশি অর্থ দিতে সক্ষম, তাকেই মূল্য দেবে। এটি অনেক ক্ষেত্রে অস্বস্তিকর ও অন্যায্য মনে হতে পারে।

১৯৭৭ সালে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির তৎকালীন অর্থনীতিবিদ মার্টিন ওয়েটজম্যান প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, যেসব ক্ষেত্রে চাহিদাগুলো আরও সমানভাবে বিতরণ করা হয়েছে অথবা যেখানে আয় অসমভাবে বিতরণ করা হয়েছে, সেখানে যার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তার জন্য জিনিস বরাদ্দ করার সক্ষমতায় মূল্য নির্ধারণকে ছাড়িয়ে গেছে রেশনিং ব্যবস্থা (যার মধ্যে সারিবদ্ধতা অন্তর্ভুক্ত)। লাইন অনিয়ন্ত্রিত হলে, অর্থাৎ অপেক্ষমানরা স্থান অদলবদল করতে পারলে সেখানে বাজার ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ চলে আসতে পারে। নিউইয়র্কের ব্রডওয়ে শোর টিকিট পেতে আপনার জায়গায় অন্য লোক ভাড়া করে লাইনে দাঁড়িয়ে রাখতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রথম দুই ঘণ্টা অপেক্ষার জন্য ৫০ মার্কিন ডলার এবং তারপরে প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ২৫ ডলার খরচ করতে হবে আপনাকে।

লাইনে দাঁড়ানোয় অভ্যস্ত ব্রিটিশরা সম্ভবত এ ধরনের ব্যবস্থা মেনে নেবেন না। লন্ডনে লাইনে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের স্থান চিহ্নিত করার জন্য হাতে রিস্টব্যান্ড পরিয়ে দেওয়া হয়। এটি লাইনের জায়গা অ-হস্তান্তরযোগ্য করে তোলে। এর ফলে ফাঁকি দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া যেমন বন্ধ হয়, তেমনি অপেক্ষমান লোকেরা বাথরুমে যাওয়ারও সুযোগ পান।

নিউজ ট্যাগ: রানি এলিজাবেথ

আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




আজ বিশ্ব ওজোন দিবস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস। ওজোন স্তরের ক্ষয় ও তার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা তৈরিতে প্রতি বছর ১৬ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

বিশ্ব ওজোন দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‌পঁয়ত্রিশে মন্ট্রিল প্রটোকল-জীবন রক্ষায় অঙ্গীকার অবিচল’।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

১৯৮৭ সালের সেপ্টেম্বর বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী দ্রব্য ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজোন স্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়। এই দিনটিতেই পালিত হয় বিশ্ব ওজোন দিবস বা আন্তর্জাতিক ওজোনরক্ষা দিবস হিসেবে।

বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হয়।

ওজোন দিবস উপলক্ষে পরিবেশ মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

 

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব ওজোন দিবস

আরও খবর



সাগরে মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবি: ৩ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন রোহিঙ্গা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় টেকনাফের বাহারছড়ার শীলখালী এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ও কোস্টগার্ড বাহিনী। এই ঘটনায় ৪৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আট জন রোহিঙ্গা নারী, ৩৩ জন পুরুষ ও চার জন বাংলাদেশি।

বাহারছড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নুর মোহাম্মদ জানান, সাগরপথে মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির ঘটনায় ভেসে আসা তিন নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের নাম জানা যায়নি। এ ঘটনায় ৪৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার রোহিঙ্গাদের কয়েকজন বলছেন, মালয়েশিয়ার যাওয়ার উদ্দেশ্যে গতরাতে ট্রলারে ওঠেন তারা। ট্রলারে প্রায় ৮৫ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে ৬৫ জন রোহিঙ্গা।

ট্রলারডুবির ঘটনায় বেঁচে ফেরা টেকনাফের শালবনের বাসিন্দা রোকসা বেগম বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় রয়েছে। তার কাছে যাওয়ার জন্য সাগরপথ পাড়ি দিচ্ছিলাম। যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এর আগেও যাত্রা করে ব্যর্থ হয়েছিলাম। ট্রলারে আরও অনেক নারী ও শিশু ছিল। তাদের মরদেহ সাগরে ভাসতে দেখেছি।

বাহারছড়া কোস্ট গার্ড স্টেশনের কনটিজেন্ট কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন জানান, গতকাল রাতে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কয়েকজন দালাল রোহিঙ্গাদের নিয়ে অবৈধভাবে সাগরপথে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু বাহারছড়া উপকূলে এসে ট্রলারটি ডুবে যায়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৪৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি চার জন। তারা মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য। বাকিরা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। এখনও উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।


আরও খবর



সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের যুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেছেন, যথোপযুক্ত সমাধান খুঁজে বের করা এবং তাদের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য নেতৃত্বের দলে নারীদের থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সঙ্কটের সময় নারীরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই, সংকটের কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের যুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেছেন, সব ধরণের গতানুগতিকতা ভেঙ্গে এবং অদম্য সাহস এবং নেতৃত্বের দক্ষতা দেখিয়ে নারীরা প্রতিটি ক্ষেত্রে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দফতরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে সাধারণ পরিষদের সভাপতি কাসাবা কোরোসি আহূত ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অফ উইমেন লিডারর্স-এর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ভাষণদানকালে এই মন্তব্য করেন।

এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে আজকের আন্তসংযুক্ত চ্যালেঞ্জে নারী নেতাদের দ্বারা রূপান্তরমূলক সমাধান।

শেখ হাসিনা দৃঢ়ভাবে মনে করেন, জটিল বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মতামত বিনিময় এবং শুধুমাত্র আমাদের নিজ নিজ দেশের জন্য নয়, মানবজাতির জন্য ইতিবাচক ফলাফল আনার লক্ষে এই নেটওয়ার্ককে (ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডারস) ব্যবহার করার এটাই উপযুক্ত সময়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর দেশের দৃষ্টিকোণ থেকে, তাঁরা বিশ্বব্যাপী নারী নেতৃত্বকে উৎসাহিত করার জন্য জাতিসংঘের প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। এই বিষয়ে তিনি তিন দফা প্রস্তাব করেন। তা হলো লিঙ্গ সমতার বিষয়ক উপদেষ্টা বোর্ডের স্থানীয়করণ, পর্যাপ্ত রাজনৈতিক ও আর্থিক উপায়ে নারী নেতৃত্বাধীন সুশীল সমাজ-সংস্থাকে লালন ও সমর্থন এবং লিঙ্গ সমতার জন্য সাধারণ এজেন্ডাকে শক্তিশালী করতে নেতৃবৃন্দের একটি শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান তুলে ধরেন।

শেখ হাসিনা তাঁর প্রথম দফা প্রস্তাবে লিঙ্গ সমতা বিষয়ে উপদেষ্টা বোর্ড গঠনের সুপারিশ করেন। এটি এখন স্থানীয়করণ করা দরকার। আমাদের সব স্তরে জেন্ডার চ্যাম্পিয়নদের প্রয়োজন, বিশেষ করে তৃণমূল স্তরে, এবং আমরা উদাহরণ সহকারে নেতৃত্ব দিতে পারি বলেন তিনি।

এ ছাড়াও, নারী-নেতৃত্বাধীন সুশীল সমাজ সংস্থাকে পর্যাপ্ত রাজনৈতিক ও আর্থিক উপায়ে লালন-পালন এবং সমর্থন করা প্রয়োজন, তিনি তার দ্বিতীয় দফায় বলেন, এই ধরনের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সর্বশেষে তিনি লিঙ্গ সমতার জন্য তাদের সাধারণ এজেন্ডাকে শক্তিশালী করতে নেতৃবৃন্দের একটি শীর্ষ সম্মেলন আহ্বান করার লক্ষে সবাইকে আমন্ত্রণ জানান। শুধু আমাদের নয়-সকল নেতাদের লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের অগ্রগতির জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া উচিত এবং উপস্থাপন করা উচিত।

বাংলাদেশের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার নারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য নতুন উপায় তৈরি করাসহ নারীর ক্ষমতায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

এ লক্ষ্যে তিনি বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় লিঙ্গ সমতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন অভীষ্টে (এমডিজি)র তিনটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে।

আমরা লিঙ্গ সমতা এবং নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তিনি যোগ করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জাতীয় বাজেটের প্রায় ২৭ শতাংশ নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জন্য বরাদ্দ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক পটভূমিতে বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ থেকে সর্বনিম্নস্তর পর্যন্ত সকল স্তরে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করেছে। আমরা আমাদের নারীদের সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে এগিয়ে নিয়ে আসছি।

নারী উদ্যোক্তাকে উৎসাহিত করা তার সরকারের একটি মূলনীতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারী ও পুরুষ উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থে সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে আমরা ব্যবসার জন্য লিঙ্গ-নিরপেক্ষ আইনি কাঠামো গড়ে তোলায় সুনির্দিষ্ট নীতিগত পদক্ষেপ নিয়েছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নারী উদ্যোক্তাদের ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ দিচ্ছে।

সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন যে পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের ১৫ শতাংশ তহবিল, ১০ শতাংশ শিল্প প্লট এবং ১০ শতাংশ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তহবিল মহিলাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ডেডিকেটেড ডেস্ক রয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে ৪০ লাখের বেশি নারী কর্মরত এবং দেশের প্রায় ৩৫ শতাংশ নারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে নারীর অবদান ৩৪ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে প্রতিটি সেক্টরে ৪০ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছি।


আরও খবর



মানসিক অবসাদে ভুগেছেন করন জোহর

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় বলিউড নির্মাতা করন জোহর। ক্যামেরার সামনে সব সময় হাস্যজ্জ্বল থাকলেও টানা ৫ বছর ধরে অবসাদে ভুগেছেন তিনি। সম্প্রতি তার কফি উইথ করন টক শো-তে করন জোহর বলেন, আমি মানসিক অবসাদ ও হতাশায় ডুবে গিয়েছিলাম। টানা ৫ বছর ধরে এটির সঙ্গে লড়াই করেছি। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতাম। আমাকে চিকিৎসক বলেছিলেন, আমি নাকি সবকিছুকে অনেক বেশি মজ্জাগত করে ফেলেছি। আমাকে সবকিছু থেকে বেরিয়ে আসতে বলেছিলেন।

এখন অনেকটাই সুস্থ বলে জানান করন। যতটা সম্ভব নেতিবাচকতাকে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তার সন্তানদের নিয়ে কটাক্ষ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেন না তিনি। এই নির্মাতা বলেন, আমার সেক্সচুয়ালিটি নিয়ে লোকে ঠাট্টা করে। আমি এখন সব কটাক্ষকে উড়িয়ে দিই। কিন্তু আমার কষ্ট লাগে যখন দেখি আমার সন্তানদের নিয়েও কটাক্ষ করা বন্ধ হচ্ছে না। এটা আমাকে এখনো খুবই বিরক্ত করে।

সিনেমার পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা কারণেই আলোচনায় থাকেন করন জোহর। বিশেষ করে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর তাকে ঘিরে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠে। এজন্য প্রায়ই নেটিজেনদের রোষানলে পড়েন এই নির্মাতা। শুধু তাই নয়, বলিউডের প্রথম সারির অনেক তারকাও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন।

নিউজ ট্যাগ: করন জোহর

আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২