Logo
শিরোনাম

বিনা অস্ত্রে যেভাবে উদ্ধার হয়েছিল বঙ্গবন্ধু পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১৫২জন দেখেছেন
News desk

Image

১৯৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর সকালে ঢাকার পাক শিবির চমকে যায় এই চিরকুট পেয়ে। ভারতীয় মেজর জেনারেল গন্দর্ভ সিং নাগরা নিয়াজিকে এক চিরকুট পাঠান। পরে তারা এক বৈঠকে বসেন। ভারতীয় সেনা কম্যান্ড বার বার পাক সেনাদের মনে করিয়ে দিচ্ছিল মুক্তিবাহিনী বা কাদেরিয়া বাহিনী ঢাকায় ঢুকে পড়লে কী অবস্থা হবে তাদের।

মুক্তিবাহিনীর ভয়ে পাক বাহিনী তড়িঘড়ি করে আত্মসমর্পণ করে। পাক হাই কম্যান্ড যুদ্ধ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল তার আগের দিনই। কিন্তু বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় এলাকা এবং বিচ্ছিন্নভাবে আরো কিছু পাক ও তাদের অনুগত মিলিশিয়া পজিশন তখনো আত্মসমর্পণ করেনি।

যুদ্ধের শেষদিকে পাকিস্তানিদের যোগাযোগ ভেঙ্গে পড়ায় অনেক জায়গায় উপর মহলের নির্দেশ পৌঁছায়নি। দ্বিতীয়ত অনেক পাক ঘাঁটি ধরে নিয়েছিল এটা হয়তো সাময়িক আত্মসমর্পণ। যুদ্ধের মোড় হয়তো আবার ঘুরবে। যুদ্ধে তারা পরাজিত- এটা অনেকেই মেনে নিতে পারছিল না।

এরকম অনেকগুলো আত্মসমর্পণ না করা অবস্থানের মধ্যে একটা হলো ধানমন্ডি ৩২ নম্বর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। ২৫শে মার্চ রাতেই বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হবার পর এখানে কড়া পাহারা বসায় পাক বাহিনী। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরে নিরাপত্তা সাজায় তারা। ছাদে বালির বস্তা দিয়ে বাংকারের মতো বানানো হয়। ভেতরে ভারি মেশিনগান। বাড়ির টেরাসেও বাংকার খুঁড়ে তারা। গেটের পাশে বসে ভারি অস্ত্র। আশেপাশেও কয়েকটা মেশিনগান স্থাপন করে। গৃহবন্ধী করা হয় মুজিব পরিবার। গৃহবন্ধী বলা হলেও বাস্তবিক অর্থে তারা ছিল জিম্মি। প্রতি মুহূর্তেই আতংক গ্রাস করে নিত এই পরিবারটিকে।

বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে অবস্থান নেওয়া সেনাদের ওই এলাকার প্রতিরক্ষা ছেড়ে বাইরে যাবার সুযোগ ছিল না। ফলে বাইরের জগতে কী হচ্ছে সে সম্পর্কে তারা ছিল একেবারেই অজ্ঞ। পালা করে কয়েকটা সেনাদল এলাকা টহল দিত কিন্তু কেউই বাইরে যেত না। অন্যান্য সব পাক সেনাদের মতোই জাতীয়তাবাদ এবং ধর্মের নামে মিথ্যা বুলি ব্যবহার করে তাদের মস্তিষ্ক ধোলাই করা হয়েছিল। কিন্তু অন্যান্য সেনাদের সাথে তফাৎ ছিল এই যে, যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা সেনারা দ্রুতই বুঝে যায় তাদের দিয়ে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করা ছাড়া আর কিছুই করানো হচ্ছে না। অন্যদিকে ধানমন্ডিতে অবস্থান নেওয়া সেনা দলটি ছিল একেবারে বিছিন্ন। যার কারণে তারা তাদের আগ্রাসী মনোভাব ধরে রেখেছিল।

১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল। ধানমন্ডির সেনা দলের কম্যান্ডিং অফিসার ২/৩ দিন আগে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এদিকে বেতার যোগাযোগ না থাকায় তারা আত্মসমর্পণের নির্দেশও পায়নি। এশিয়ার স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ বাহিনীর সিনিয়র অফিসাররা জুনিয়রদের ফেলেই পালিয়ে গেছে। আতংকের বিষয় ওই সেনাদলের কাছে মুজিব পরিবার বন্দী।

আত্মসমর্পণের নির্দেশ না এলেও ১৬ তারিখ দুপুর থেকে ঢাকায় ঘনঘন ভারতীয় বিমান আর মুক্তিবাহিনীর চলাফেরা দেখে তারা কিছু আঁচ করতে পারছিল। এদিকে মুক্তিবাহিনী ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘিরে ফেলে। কিন্তু সামনে আগানোর সাহস পাচ্ছিল না। খুলনায় তখন আত্মসমর্পণ না করা পাকসেনাদের বিরুদ্ধে তীব্র যুদ্ধ চলছে।

আর এখানে ধানমন্ডির হিসাবটা একেবারেই অন্যরকম। অস্ত্র বা বীরত্বের চেয়ে ঠাণ্ডা মাথার দরকার এখানে অনেক বেশি। পাক সেনারাদের মেজাজ সামান্য বিগড়ে গেলেই বা সামান্যতম সন্দেহ পেলেই তারা হত্যা করতে পারে মুজিব পরিবারকে।

ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দর। ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯৭১। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৪ গার্ড কোম্পানিকে। কোম্পানি কম্যান্ডার তরুণ ভারতীয় অফিসার মেজর অশোক কুমার তারা (পরে কর্নেল)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে যুদ্ধ করে ফিরেছেন তিনি। সামরিক দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গঙ্গাসাগর। এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এমন কোনো সপ্তাহ নেই যে এখানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি। গঙ্গাসাগর  যুদ্ধে অবদান রেখে এই তরুণ অফিসার বীর চক্র উপাধি পেয়েছেন। তার ডাক পড়ল আবার।

ব্যাটালিয়নের কমান্ডার বিজয় কুমার চান্নার কাছে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসেছে এক রাজনৈতিক নেতা। মুজিব পরিবার এখনো বন্ধী। পাক সেনাদের আচরণ খুবই হিংস্র। চান্না ডেকে পাঠান অশোক তারাকে। মুজিব পরিবারকে উদ্ধার করতে হবে তাকে। ভেতরে বেগম মুজিব, বঙ্গবন্ধুর পুত্র কন্যারা আটকে আছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্ব। সেই রাজনৈতিক নেতা আর ৩ জন সেনা নিয়ে জিপে চেপে বসেন অশোক তারা।

মুক্তিবাহিনী জানালো আগের দিন রাতে ১ জন নারী সহ ৫ জনকে হত্যা করেছে পাক সেনারা। তাদের সীমানা ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়াতে এক সাংবাদিকের গাড়ি লক্ষ করেও গুলি চালায় পাক বাহিনী। গাড়ির ভেতরেই পড়ে ছিল সেই গুলিতে ঝাঁজরা সাংবাদিকের মরদেহ।

অশোক তারা তার অস্ত্রটি জওয়ানের হাতে তুলে দেন। হাত উঁচু করে রাস্তা পার হতে শুরু করেন। ছাঁদ থেকে হুঁশিয়ার আসে। এক পা এগোলেই গুলি করা হবে। মেশিনগানটা একবার ফায়ার শুরু করলে কভার নেওয়ার কোনো জায়গা পর্যন্ত নেই।

অশোক তারা জোর গলায় জানালেন তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন অফিসার। তিনি বিনা অস্ত্রে এসেছেন। তারপর তিনি বলেন “আমি এখানে অস্ত্র ছাড়া এসেছি কারণ তোমাদের বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে। তুমি অফিসারের কাছ থেকে জেনে নাও।” তখনই জানা গেল তাদের অফিসার লাপাত্তা। রেডিও যোগাযোগও নেই। অশোক তারা আকাশে ওড়া ভারতীয় হেলিকপ্টারও দেখেন। তিনি কিন্তু তখনো হাঁটা থামাননি।

এরপর তিনি জানালেন আত্মসমর্পণ করলে তাদের নিরাপদে দেশে যেতে দেয়া হবে। তাদের পরিবার, স্ত্রী সন্তানের মুখ তারা দেখতে পারবে। আত্মসমর্পণ ছাড়া তাদের জীবনের নিশ্চয়তার আর কোনো রাস্তা নেই। উল্লেখ্য পাক সেনাদের ধারণা ছিল মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করলে জেনেভা কনভেনশনে বর্ণিত নীতিমালা অনুযায়ী আচরণ করা হবে না এবং তাদের হত্যা করা হবে।

একপর্যায়ে হেঁটে হেঁটে গেটের কাছে পৌঁছে যান অশোক তারা। সেন্ট্রি বন্দুকের নল ঠেকিয়ে বসে তার বুকে। চোখ বন্ধ করে গুলির অপেক্ষায় প্রমাদ গুনছিলেন তিনি।

“আপনি যদি আমাদের না বাঁচান তবে ওরা আমাদের নিশ্চিত মেরে ফেলবে।” বাড়ির ভেতর থেকে এক নারী কণ্ঠের চিৎকার! তিনি যেন নতুন এক উদ্যম পেলেন। তার হেরে যাওয়া চলবে না। এই পরিবারকে উদ্ধার করতে হবে।

ছাদের উপর থাকা সেনার সাথে কথা বলতে বলতেই বুক থেকে বন্দুক সরিয়ে ফেলেন তিনি। সেনারাও বুঝতে শুরু করে আত্মসমর্পণই তাদের একমাত্র রাস্তা। মুজিব পরিবারের সামান্য আঁচড় লাগলেও মুক্তিবাহিনী তাদের ছাড়বে না। শেষ পর্যন্ত ১০/১২ জন সেনা আত্মসমর্পণ করে। ব্যারাকে ফেরত পাঠানো হয় তাদের।

বাড়িতে ঢুকতেই বেগম মুজিব তাকে জড়িয়ে ধরে বলেন “তুমি আমার পোলা বাবা।” তারার বর্ণনা অনুযায়ী বাড়িতে কোনো আসবাবপত্র ছিল না। মেঝেতে ঘুমাতো সবাই। খাবার ছিল শুধু বিস্কুট আর পানি।

বঙ্গবন্ধু মুক্তি পাবার আগেই অশোক তারা মিজোরামে ফেরত যান। পরে বঙ্গবন্ধু মুক্তি পেয়ে দেশে আসার পর আবার তিনি বাংলাদেশে এসে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন। ২০১২ সালে স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর তাকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা পদক’ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।

এত ব্যস্ততার মধ্যে যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাকে মনে রেখেছেন তাতে খুবই খুশি এই বীর সেনা। মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনাদের অবদানের জন্য আয়োজিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুলে ধরেন অশোক তারার বীরত্বের গল্প।


আরও খবর

জাতীয় পতাকা দিবস আজ

মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1

ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ

রবিবার ২৪ জানুয়ারী ২০২১




বায়তুল মোকাররম এলাকায় সংঘর্ষ : মামলার আসামি ৫০০-৬০০

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে শুক্রবার (২৬ মার্চ) সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে অন্তত ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৯ মার্চ) পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার (২৬ মার্চ) সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাত ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি শুক্রবার রাতে করা হয় বলেও জানান ওসি আবু বকর সিদ্দিক।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকারি দলের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ৭০ জন আহত হন। সে সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ১০ জন সাংবাদিকও আহত হন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের সফরে শুক্রবার ঢাকায় এসেছিলেন। তার এই আগমনের বিরোধিতা করে আসছিল বিভিন্ন দল ও সংগঠন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের পরপর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ গেটের সিঁড়িতে মোদি বিরোধী স্লোগান দিতে থাকে মুসল্লিদের একটা অংশ। সেখানে মসজিদ ফটকের আশপাশে অবস্থান ছিল সরকারি দলের নেতাকর্মীদেরও।

এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। একপর্যায়ে মোদিবিরোধীরা মসজিদের ভেতরে এবং অপর পক্ষ মসজিদের বাইরে অবস্থান নেন। মসজিদের ভেতরে অবস্থানকারীরা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল ছুড়ে এবং জলকামানও ব্যবহার করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে থাকা আহতরা জানান, দেখেই মনে হচ্ছিল তারা আগেই প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে ঢুকেছে। নামাজ শেষ হতেই ব্যাগ থেকে লাঠিসোঁটা ইটপাটকেল বের করে অতর্কিতে হামলা শুরু করে।


আরও খবর



জনকণ্ঠের সম্পাদক আতিক উল্লাহ খান মাসুদ আর নেই

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সোমবার (২২ মার্চ) সকালে মারা গেছেন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

জনকণ্ঠের প্রধান প্রতিবেদক ও ডেপুটি এডিটর ওবায়দুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আতিক উল্লাহ খান মাসুদ। তাঁকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হসপিটালে নেওয়া হয়। এসময় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদের মালিকানায় দৈনিক জনকণ্ঠ প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে। তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক। গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবারেরও চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও নাতিনাতনি রেখে গেছেন।


আরও খবর



চার পৌরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ বুধবার (৩১ মার্চ) দেশের চারটি পৌরসভায় ভোগগ্রহণ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, যশোর সদর ও মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার সব পদে এবং ঠাকুরগাঁও সদর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌরসভায় একটি করে সাধারণ ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আগে থেকেই নির্ধারিত পৌরসভাগুলোর ভোটগ্রহণ আজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। বাকি পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কবে হবে, তা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) ইসি বৈঠকের পর জানাবেন।

নিউজ ট্যাগ: পৌরসভা নির্বাচন

আরও খবর



সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয়

করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বাড়ায় দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনে সীমিত পরিসরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু থাকবে।

রবিবার (৪ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে রবিবার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত লকডাউন দিয়ে রবিবার (৪ এপ্রিল) এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



হেফাজতের হরতালে দেশে বাস চালানোর ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হেফাজতের ডাকা রবিবারের হরতালে ঢাকা শহর ও শহরতলী এবং আন্তঃজেলা রুটে বাস, মিনিবাস চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

শনিবার সংগঠনের কার্যালয়ে এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ।

খন্দকার এনায়েত উল্যাহর সভাপতিত্বে দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত সভায় ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল মালিক সমিতি, সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা ও নগর বাস টার্মিনাল মালিক সমিতি এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নেতারা বলেন, আমরা পরিবহন ব্যবসায়ী। হরতালে গাড়ির চাকা বন্ধ রেখে আমরা আমাদের লোকসান করতে চাই না।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভে হাটহাজারীসহ বিভিন্ন স্থানে ‍পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীদের হতাহতের ঘটনায় শনিবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং রবিবার হরতাল ডাকে হেফাজতে ইসলাম।


আরও খবর