Logo
শিরোনাম

বিনা অস্ত্রে যেভাবে উদ্ধার হয়েছিল বঙ্গবন্ধু পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৬০জন দেখেছেন
News desk

Image

১৯৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর সকালে ঢাকার পাক শিবির চমকে যায় এই চিরকুট পেয়ে। ভারতীয় মেজর জেনারেল গন্দর্ভ সিং নাগরা নিয়াজিকে এক চিরকুট পাঠান। পরে তারা এক বৈঠকে বসেন। ভারতীয় সেনা কম্যান্ড বার বার পাক সেনাদের মনে করিয়ে দিচ্ছিল মুক্তিবাহিনী বা কাদেরিয়া বাহিনী ঢাকায় ঢুকে পড়লে কী অবস্থা হবে তাদের।

মুক্তিবাহিনীর ভয়ে পাক বাহিনী তড়িঘড়ি করে আত্মসমর্পণ করে। পাক হাই কম্যান্ড যুদ্ধ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল তার আগের দিনই। কিন্তু বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় এলাকা এবং বিচ্ছিন্নভাবে আরো কিছু পাক ও তাদের অনুগত মিলিশিয়া পজিশন তখনো আত্মসমর্পণ করেনি।

যুদ্ধের শেষদিকে পাকিস্তানিদের যোগাযোগ ভেঙ্গে পড়ায় অনেক জায়গায় উপর মহলের নির্দেশ পৌঁছায়নি। দ্বিতীয়ত অনেক পাক ঘাঁটি ধরে নিয়েছিল এটা হয়তো সাময়িক আত্মসমর্পণ। যুদ্ধের মোড় হয়তো আবার ঘুরবে। যুদ্ধে তারা পরাজিত- এটা অনেকেই মেনে নিতে পারছিল না।

এরকম অনেকগুলো আত্মসমর্পণ না করা অবস্থানের মধ্যে একটা হলো ধানমন্ডি ৩২ নম্বর। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। ২৫শে মার্চ রাতেই বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হবার পর এখানে কড়া পাহারা বসায় পাক বাহিনী। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরে নিরাপত্তা সাজায় তারা। ছাদে বালির বস্তা দিয়ে বাংকারের মতো বানানো হয়। ভেতরে ভারি মেশিনগান। বাড়ির টেরাসেও বাংকার খুঁড়ে তারা। গেটের পাশে বসে ভারি অস্ত্র। আশেপাশেও কয়েকটা মেশিনগান স্থাপন করে। গৃহবন্ধী করা হয় মুজিব পরিবার। গৃহবন্ধী বলা হলেও বাস্তবিক অর্থে তারা ছিল জিম্মি। প্রতি মুহূর্তেই আতংক গ্রাস করে নিত এই পরিবারটিকে।

বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে অবস্থান নেওয়া সেনাদের ওই এলাকার প্রতিরক্ষা ছেড়ে বাইরে যাবার সুযোগ ছিল না। ফলে বাইরের জগতে কী হচ্ছে সে সম্পর্কে তারা ছিল একেবারেই অজ্ঞ। পালা করে কয়েকটা সেনাদল এলাকা টহল দিত কিন্তু কেউই বাইরে যেত না। অন্যান্য সব পাক সেনাদের মতোই জাতীয়তাবাদ এবং ধর্মের নামে মিথ্যা বুলি ব্যবহার করে তাদের মস্তিষ্ক ধোলাই করা হয়েছিল। কিন্তু অন্যান্য সেনাদের সাথে তফাৎ ছিল এই যে, যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা সেনারা দ্রুতই বুঝে যায় তাদের দিয়ে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করা ছাড়া আর কিছুই করানো হচ্ছে না। অন্যদিকে ধানমন্ডিতে অবস্থান নেওয়া সেনা দলটি ছিল একেবারে বিছিন্ন। যার কারণে তারা তাদের আগ্রাসী মনোভাব ধরে রেখেছিল।

১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ সাল। ধানমন্ডির সেনা দলের কম্যান্ডিং অফিসার ২/৩ দিন আগে লাপাত্তা হয়ে গেছে। এদিকে বেতার যোগাযোগ না থাকায় তারা আত্মসমর্পণের নির্দেশও পায়নি। এশিয়ার স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠ বাহিনীর সিনিয়র অফিসাররা জুনিয়রদের ফেলেই পালিয়ে গেছে। আতংকের বিষয় ওই সেনাদলের কাছে মুজিব পরিবার বন্দী।

আত্মসমর্পণের নির্দেশ না এলেও ১৬ তারিখ দুপুর থেকে ঢাকায় ঘনঘন ভারতীয় বিমান আর মুক্তিবাহিনীর চলাফেরা দেখে তারা কিছু আঁচ করতে পারছিল। এদিকে মুক্তিবাহিনী ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ঘিরে ফেলে। কিন্তু সামনে আগানোর সাহস পাচ্ছিল না। খুলনায় তখন আত্মসমর্পণ না করা পাকসেনাদের বিরুদ্ধে তীব্র যুদ্ধ চলছে।

আর এখানে ধানমন্ডির হিসাবটা একেবারেই অন্যরকম। অস্ত্র বা বীরত্বের চেয়ে ঠাণ্ডা মাথার দরকার এখানে অনেক বেশি। পাক সেনারাদের মেজাজ সামান্য বিগড়ে গেলেই বা সামান্যতম সন্দেহ পেলেই তারা হত্যা করতে পারে মুজিব পরিবারকে।

ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দর। ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯৭১। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৪ গার্ড কোম্পানিকে। কোম্পানি কম্যান্ডার তরুণ ভারতীয় অফিসার মেজর অশোক কুমার তারা (পরে কর্নেল)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে যুদ্ধ করে ফিরেছেন তিনি। সামরিক দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গঙ্গাসাগর। এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এমন কোনো সপ্তাহ নেই যে এখানে যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি। গঙ্গাসাগর  যুদ্ধে অবদান রেখে এই তরুণ অফিসার বীর চক্র উপাধি পেয়েছেন। তার ডাক পড়ল আবার।

ব্যাটালিয়নের কমান্ডার বিজয় কুমার চান্নার কাছে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসেছে এক রাজনৈতিক নেতা। মুজিব পরিবার এখনো বন্ধী। পাক সেনাদের আচরণ খুবই হিংস্র। চান্না ডেকে পাঠান অশোক তারাকে। মুজিব পরিবারকে উদ্ধার করতে হবে তাকে। ভেতরে বেগম মুজিব, বঙ্গবন্ধুর পুত্র কন্যারা আটকে আছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর মাত্র ২০ মিনিটের দূরত্ব। সেই রাজনৈতিক নেতা আর ৩ জন সেনা নিয়ে জিপে চেপে বসেন অশোক তারা।

মুক্তিবাহিনী জানালো আগের দিন রাতে ১ জন নারী সহ ৫ জনকে হত্যা করেছে পাক সেনারা। তাদের সীমানা ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়াতে এক সাংবাদিকের গাড়ি লক্ষ করেও গুলি চালায় পাক বাহিনী। গাড়ির ভেতরেই পড়ে ছিল সেই গুলিতে ঝাঁজরা সাংবাদিকের মরদেহ।

অশোক তারা তার অস্ত্রটি জওয়ানের হাতে তুলে দেন। হাত উঁচু করে রাস্তা পার হতে শুরু করেন। ছাঁদ থেকে হুঁশিয়ার আসে। এক পা এগোলেই গুলি করা হবে। মেশিনগানটা একবার ফায়ার শুরু করলে কভার নেওয়ার কোনো জায়গা পর্যন্ত নেই।

অশোক তারা জোর গলায় জানালেন তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন অফিসার। তিনি বিনা অস্ত্রে এসেছেন। তারপর তিনি বলেন “আমি এখানে অস্ত্র ছাড়া এসেছি কারণ তোমাদের বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে। তুমি অফিসারের কাছ থেকে জেনে নাও।” তখনই জানা গেল তাদের অফিসার লাপাত্তা। রেডিও যোগাযোগও নেই। অশোক তারা আকাশে ওড়া ভারতীয় হেলিকপ্টারও দেখেন। তিনি কিন্তু তখনো হাঁটা থামাননি।

এরপর তিনি জানালেন আত্মসমর্পণ করলে তাদের নিরাপদে দেশে যেতে দেয়া হবে। তাদের পরিবার, স্ত্রী সন্তানের মুখ তারা দেখতে পারবে। আত্মসমর্পণ ছাড়া তাদের জীবনের নিশ্চয়তার আর কোনো রাস্তা নেই। উল্লেখ্য পাক সেনাদের ধারণা ছিল মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করলে জেনেভা কনভেনশনে বর্ণিত নীতিমালা অনুযায়ী আচরণ করা হবে না এবং তাদের হত্যা করা হবে।

একপর্যায়ে হেঁটে হেঁটে গেটের কাছে পৌঁছে যান অশোক তারা। সেন্ট্রি বন্দুকের নল ঠেকিয়ে বসে তার বুকে। চোখ বন্ধ করে গুলির অপেক্ষায় প্রমাদ গুনছিলেন তিনি।

“আপনি যদি আমাদের না বাঁচান তবে ওরা আমাদের নিশ্চিত মেরে ফেলবে।” বাড়ির ভেতর থেকে এক নারী কণ্ঠের চিৎকার! তিনি যেন নতুন এক উদ্যম পেলেন। তার হেরে যাওয়া চলবে না। এই পরিবারকে উদ্ধার করতে হবে।

ছাদের উপর থাকা সেনার সাথে কথা বলতে বলতেই বুক থেকে বন্দুক সরিয়ে ফেলেন তিনি। সেনারাও বুঝতে শুরু করে আত্মসমর্পণই তাদের একমাত্র রাস্তা। মুজিব পরিবারের সামান্য আঁচড় লাগলেও মুক্তিবাহিনী তাদের ছাড়বে না। শেষ পর্যন্ত ১০/১২ জন সেনা আত্মসমর্পণ করে। ব্যারাকে ফেরত পাঠানো হয় তাদের।

বাড়িতে ঢুকতেই বেগম মুজিব তাকে জড়িয়ে ধরে বলেন “তুমি আমার পোলা বাবা।” তারার বর্ণনা অনুযায়ী বাড়িতে কোনো আসবাবপত্র ছিল না। মেঝেতে ঘুমাতো সবাই। খাবার ছিল শুধু বিস্কুট আর পানি।

বঙ্গবন্ধু মুক্তি পাবার আগেই অশোক তারা মিজোরামে ফেরত যান। পরে বঙ্গবন্ধু মুক্তি পেয়ে দেশে আসার পর আবার তিনি বাংলাদেশে এসে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করেন। ২০১২ সালে স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর তাকে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সন্মাননা পদক’ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।

এত ব্যস্ততার মধ্যে যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাকে মনে রেখেছেন তাতে খুবই খুশি এই বীর সেনা। মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনাদের অবদানের জন্য আয়োজিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তুলে ধরেন অশোক তারার বীরত্বের গল্প।


আরও খবর

জাতীয় পতাকা দিবস আজ

মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1




এবারের বিগবস চ্যাম্পিয়ন হলেন দিব্যা আগারওয়াল

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রথমবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রচার শুরু হয়েছে ভারতীয় জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো বিগবস। এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হলেন দিব্যা আগারওয়াল।

প্রথম রানার আপ হয়েছেন নিশান্ত এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন শমিতা শেঠি। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বিগবসের এ  রায় প্রথম টুইটারে ফাঁস করেন গওহর খান। দিব্যাকে অভিননন্দ জানিয়ে প্রাক্তন বিগ বস প্রতিযোগী গওহর লেখেন, অভিনন্দন দিব্যা! খুব ভালো খেলেছো, শমিতা, নিশান্ত। প্রতীক তোমার সঙ্গে দেখা হবে বিগবস ১৫-র মঞ্চে

জানা গেছে, বিগবস ওটিটির চ্যাম্পিয়নের ট্রফি ছাড়াও ২৫ লাখ টাকার পুরস্কার জিতেন দিব্যা। তাকে দেখা যাবে বিগবসের ১৫তম আসরের মঞ্চে। 

বিগবসের গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রীতেশ-জেনেলিয়া। এবার ওটিটির পর্ব শেষ। শিগগিরই শুরু হবে বিগ বসের ১৫তম আসর।

বিগবসের ওটিটি রাউন্ডেই উপস্থাপকের ভূমিকায় থাকার কথা ছিল সালমান খানের। তবে শুটিংয়ের ব্যস্ততায় এখনো উপস্থাপনায় আসেননি সালমান। এসব পর্ব উপস্থাপনা করছেন বলিউড নির্মাতা ও উপস্থাপক করন জোহর। তবে শিগগিরই মঞ্চে ফিরবেন বলিউড ভাইজান।

বর্তমানে স্পেনে অবস্থান করছেন সালমান৷ সেখানে তিনি টাইগার সিরিজের তৃতীয় সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে জুটি বেধেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। এর আগে রাশিয়া ও মুম্বাইয়ের বেশ কিছু লোকেশনে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: দিব্যা আগরওয়াল

আরও খবর



রাজশাহীর করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টার মধ্যে তারা মারা যান। এর আগে এ হাসপাতালে গত ২৮ জুন ও ১৪ জুলাই দুদিন সর্বোচ্চ ২৫ জন করে মারা যান।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, নতুন করে মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে দুজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। চারজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। আর একজন করোনা নেগেটিভ ছিলেন। তিনি শ্বাসকষ্টে মারা গেছেন।    

মৃত সাতজনের মধ্যে রাজশাহীর চার এবং নাটোর, চাঁপাইনবাগঞ্জ ও নওগাঁর একজন করে রোগী রয়েছেন। এর আগে গত জুলাই মাসে ৫৩৫ জনের মৃত্যু হয়। জুন মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৫৪ জন।

হাসপাতাল পরিচালক শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন। রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি ছিলেন ১৭৬ জন। হাসপাতালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা এখন ৫১৩টি।


আরও খবর

রামেকের করোনা ওয়ার্ডে আরও ৭ জনের প্রাণহানি

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৮ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার যে রির্জাভ রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ১০ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। এর আগে চলতি বছরের ২৯ জুন বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভের পরিমাণ ৪৬ বিলিয়ন অতিক্রম করে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের সঙ্গে রপ্তানি আয় বেড়েছে। এ কারণে রির্জাভের পরিমাণ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম হয়েছে।

প্রথমবারের মতো দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে গত বছরের ২৩ জুন। তার আগে ৩ জুন রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। ১ সেপ্টেম্বর ৩৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।

করোনা ভাইরাসের কারণে বৈদেশিক বাণিজ্যের নিম্নগতি থাকলেও প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ বাড়াতে সহায়তা করেছে। দেশে উন্নয়নশীল অংশীদারদের বিনিয়োগও আসা শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। এর আগে ২০১৭ সালেল ৫ সেপ্টেম্বর দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার হয়।


 


আরও খবর

ইভ্যালিতে অর্ডার বন্ধ

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে যা বললেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আপাতত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে বিএনপির এমপি মোশাররফ হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের সেশনজট থাকলেও বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সেশনজট নেই বললেই চলে। ফলে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ১৬ বছরে এসএসসি, ১৮ বছরে এইচএসসি, ২৩/২৪ বছরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে থাকে। সাধারণ প্রার্থীদের জন্য চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর। বিধায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পরও তারা চাকরিতে আবেদনের জন্য কমপক্ষে ৬-৭ বছর সময় পেয়ে থাকে। এছাড়া ৩০ বছর বয়সসীমার মধ্যে একজন প্রার্থী চাকরির জন্য আবেদন করলে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ২/১ বছর সময় লাগলেও তা গণনা করা হয় না।

ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, সম্প্রতি চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৫৭ হতে ৫৯ বছরে উন্নীত হওয়ার ফলে বর্তমানে শূন্যপদের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই কমেছে। এই প্রেক্ষাপটে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হলে বিভিন্ন পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়বে। ফলে নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশি প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হতে পারে। এতে করে যাদের বয়স বর্তমানে ৩০ বছরের বেশি তারা চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ পেলেও ৩০ এর কম বয়সী প্রার্থীদের মধ্যে হতাশার সৃষ্টি হতে পারে।

এ কারণে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আপাতত বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির জন্য বিসিএস বাদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বিভিন্ন ক্যাটাগরির সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকাশিতব্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখ নির্ধারণ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, জনপ্রশাসনের ১৭০ জন কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন।

সরকারি দলের আলী আজমের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ২৮তম থেকে ৩৯তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ৩৫ হাজার ৬০৩ জন প্রার্থীকে ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য পিএসসি সুপারিশ করেছে। এ সময়ে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণির পদে ৫ হাজার ১৪৩ জন ও দ্বিতীয় শ্রেণির পরে ৫ হাজার ৭৪৩ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে পিএসসি।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




মদন মিত্রের বায়োপিকে রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকেন মদন মিত্র। সাবেক মন্ত্রী ও কামারহাটির বর্তমান এই বিধায়ককে নিয়ে এবার নির্মিত হতে যাচ্ছে বায়োপিক।

তবে একটি নয়, একসঙ্গে তাকে নিয়ে দুইটি বায়োপিকের ঘোষণা এসেছে।

শুরুতে শোনা গিয়েছিল মদন মিত্রকে নিয়ে বায়োপিক বানাতে চলেছেন রাজর্ষি দে, এরপর নাম আসে পরিচালক রাজা চন্দের। আর রাজর্ষি দে'র সিনেমাটিতে নাকি অভিনয় করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী ও কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির স্ত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা।

এ প্রসঙ্গে রাজর্ষি পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনকে বলেন, মিথিলা থাকবেন সিনেমাতে, তবে কোন চরিত্রে থাকবেন, সেটা এখনও ঠিক হয়নি।

তবে গুঞ্জনে রয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চরিত্রে নাকি দেখা যেতে পারে মিথিলাকে!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে সবসময় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকেন মদন মিত্র। কখনও তিনি রাস্তায় বাইক ছোটান, কখনও জিমে ঘাম ঝরান। তার মিউজিক ভিডিও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়, ফেসবুক লাইভ এলেও তিনি পান অসংখ্য দর্শক। সেই মদন মিত্রকে নিয়েই দুই পরিচালক বানাবেন বায়োপিক।

বায়োপিক প্রসঙ্গে মদন মিত্র বলেন, 'গত দু’বছর ধরে বায়োপিক করার চাপ আসছিল। কিন্তু হেরে যাওয়া পরাজিত সৈন্য হিসেবে নয়, কামারহাটি রায়ের জন্য আমি অপেক্ষা করছিলাম'। 

পর্দায় মদন মিত্রের ভূমিকায় অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও বলিউড তারকা পঙ্কজ ত্রিপাঠিকে পছন্দ নির্মাতাদ্বয়ের। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।


আরও খবর