Logo
শিরোনাম

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ২৪ লাখ ছাড়াল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৮ লাখ ২৪ হাজার ৫৮৮ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৪ লাখ ৫১ হাজার ৪৫৮ জন। আর ৮ কোটি ৫৭ লাখ ৬৬ হাজার ১৭৮ জন সুস্থ হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৫ হাজার ৩০৯ জন মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ২ কোটি ৮৫ লাখ ২৩ হাজার ৫২৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৮৭ লাখ ৩ হাজার ৪২১ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৩৯ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৬১০ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৮৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন।

এদিকে আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৯ লাখ ৬২ হাজার ১৮৯ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ১২৪ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৫৯৮ জন। মারা গেছেন ৮১ হাজার ৯২৬ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৩৬ লাখ ৬১ হাজার ৩১২ জন। পঞ্চম স্থানে থাকা যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪০ লাখ ৮৩ হাজার ২৪২ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৮৭ জন। আর ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১ জন সুস্থ হয়েছেন। এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম ও জার্মানি দশম স্থানে আছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

Share

আরও খবর



মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝোলানো হলো নিথর দেহ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগেই ফাঁসির আদেশ হয়েছিল। সেজন্য ফাঁসির দিনে লাইনে দাঁড় করানো হয়েছিল ইরানের জাহরা ইসমাইলিকে। কিন্তু চোখের সামনে অন্যদের ফাঁসি দেখে নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি তিনি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু এরপরও তাকে ছাড় দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্যা ইনডিপেনডেন্ট ও দ্যা সান।

তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের কুখ্যাত রাজাই শহর জেলে সেই নিথর দেহকেই ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে। নারীর শাশুড়িকে সন্তুষ্ট করার জন্য এ অমানবিক কাজ করেছিলেন কারা কর্মকর্তারা।

জাহরা ইসমাইলির বিরুদ্ধে নিজের স্বামীকে হত্যার অভিযোগ ছিল। তার স্বামী একজন ইরানি গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু তিনি তার স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে সবসময় অত্যাচার করতেন। তাই ক্রোধের বশে জাহরা তার স্বামীকে হত্যা করেন। সেই অভিযোগেই জাহরার ফাঁসি হয়।

জাহরার আইনজীবী ওমিদ মোরাদির একটি টুইটারের বরাত দিয়ে ওই গণমাধ্যম বলছে, ফাঁসির আগে আরও ১৬ জন সাজাপ্রাপ্তের পেছনে লাইনে দাঁড় করানো হয়েছিল দুই সন্তানের মা জাহরাকে। চোখের সামনে একের পর একজনকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখে সেই মানসিক ধাক্কা সামলাতে পারেননি জাহরা। লাইনে দাঁড়িয়েই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তার। কিন্তু এরপরও তাকে ছাড় দেওয়া হয়নি।

মোরাদির দাবি, ডেথ সার্টিফিকেটে জাহরার মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। অত্যাচারী স্বামীর হাত থেকে দুই মেয়েকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়েই স্বামীকে হত্যা করতে বাধ্য হন জাহরা।

জাহরার আইনজীবীর অভিযোগ, জাহরার শাশুড়ি ছেলে হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা করলে মৃত্যুর পরেও জাহরার দেহটি ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে গিয়ে দড়িতে বেঁধে ঝোলানো হয়। যাতে ফাঁসিতে ঝোলানোর পর তার শাশুড়ি লাথি মেরে জাহরার পায়ের নিচ থেকে চেয়ারটি সরিয়ে দিতে পারেন।

ইরানে শরিয়ত আইনেই নিহত হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। যাতে অভিযুক্তকে সরাসরি শাস্তি দেওয়ার সুযোগ পান তারা। আর ইরানে একই দিনে ১৭ জনের ফাঁসির ঘটনাও খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। কারণ চীনের পর ইরানেই সবচেয়ে বেশি প্রাণদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। মাদক পাচার, মদ্যপান, সমকামিতা, বিয়ের আগেই যৌন সম্পর্কের মতো অভিযোগেও সেদেশে প্রাণদণ্ডের শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে।

Share

আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধে জিয়া পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছেন: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়নি জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছেন। যুদ্ধে জিয়ার ভূমিকা ছিল মূলত পাকিস্তানের পক্ষে।

শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শের ই বাংলা নগরের জাতীয় বেতার ভবনে বিশ্ব বেতার দিবস-২০২১ উপলক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের হয়ে কাজ করেছেন তাদের বড় বড় পদে বসিয়েছেন জিয়া। তার বড় প্রমাণ তিনি শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। তিনি মূলত মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের সহযোগী হয়ে কাজ করেছেন। 

বিশ্ব বেতার দিবস প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বেতারের গুরুত্ব এখনো কমেনি। পাহাড় ও বঙ্গোপসাগরে মাঝিদের কাছে বেতার এখনো জনপ্রিয়। কম খরচে এ মাধ্যম থেকে তথ্য পাওয়া যায়। আগামীতে বেতার নিয়ে নানা পরিকল্পনা রয়েছে। দেশ পাল্টাচ্ছে, বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে। দেশ ও যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ বেতারের উন্নয়ন করা হচ্ছে। মানুষের হাতে হাতে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে বেতার পৌঁছে যাবে সেজন্য কাজ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বেতার এখন সারা বিশ্বে। 

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, তথ্য সচিব খাজা মিয়া, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক আহম্মদ কামরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

Share

আরও খবর



দেশের তৈরি যুদ্ধবিমান দিয়েই আকাশসীমা রক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশের বিমান বাহিনীর একটা গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় বিমান বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের অসংখ্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের একটা আকাঙ্ক্ষা আছে, বাংলাদেশেই যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে চাই। কাজেই এর ওপর গবেষণা করা এবং আমাদের আকাশসীমা আমরা নিজেরাও যেন রক্ষা করতে পারি সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আরও ১০ ধাপ এগিয়ে নিতে কাজ করছি। এক্ষেত্রেও সফল হবো বলে বিশ্বাস করি।

আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিমান বাহিনীর ১১ স্কোয়াড্রন ও ২১ স্কোয়াড্রনকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন। এ সময় বিমান বাহিনী প্রধানসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও বিমান বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের বিমান বাহিনীর একটা গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় বিমান বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের অসংখ্য লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে তারা। সেসময় সীমিত শক্তি নিয়েও তারা যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে, জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।

বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে উৎকর্ষ আনতে বিমান বাহিনী একাডেমির জন্য এই ঘাঁটিতে নির্মাণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স। মহাকাশ গবেষণা, দেশের বিমান বাহিনী এবং বেসামরিক বিমানকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়। যেটা লালমনিরহাটে প্রতিষ্ঠা হবে।

ইতোমধ্যে তার কাজ আমরা শুরু করেছি। এসব কার্যক্রম বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বহুলাংশে বাড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশে ও দেশের বাইরে এক সম্মানজনক অবস্থায় উন্নীত হয়েছে। তাছাড়া আমরা যেহেতু জাতিসংঘ মিশনেও বাংলাদেশ ভূমিকা রাখছে। সেক্ষেত্রেও বিমান বাহিনীকেও আমরা উপযুক্ত করে গড়ে তুলছি। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা অ্যারোনটিক্যাল সেন্টার নির্মাণ করছি। আর আমাদের একটা আকাঙ্ক্ষা আছে, বাংলাদেশেই আমরা আমাদের যুদ্ধ বিমান তৈরি করবো। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। ইনশাল্লাহ আমরা এ ব্যাপারে সাফল্য অর্জন করবো বলে বিশ্বাস করি।

জাতীয় পতাকা পাওয়া বিমান বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পতাকা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা গৌরব ও সম্মানের। এ পতাকার মান রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।

Share

আরও খবর



টিকা নেওয়ার বয়স আর কমানো হবে না : স্বাস্থ্যসচিব

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার টিকা প্রদানের বয়সসীমা আর কমানো হবে না জানিয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নান বলেছেন, প্রথম সারির যোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে যাদের বয়স চল্লিশের ওপরে তাদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। এই বয়সসীমা আর কমানো হবে না।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয় ক্লিনিকে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ভ্যাকসিন গ্রহণকালে স্বাস্থ্যসচিব সাংবাদিকদের একথা জানান।

টিকার দ্বিতীয় চালান কবে আসবে এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যসচিব বলেন, 'আমাদের টিকার পরবর্তী চালান আসা নিয়ে কোন ধরনের শঙ্কার অবকাশ নেই। ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় চালান ৫০ লাখ ডোজ চলতি মাসের শেষে বা পরের মাসের প্রথম সপ্তাহে আসবে। যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৮ সপ্তাহ পর আবার দ্বিতীয় ডোজ নেবেন।'

তিনি বলেন, আমাদের যে জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটি আছে তারা সহজে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে এটা এন্টিবডি হতে আমাদের আরেকটু সময় বেশি লাগবে। এর অর্থ হল ৪ সপ্তাহ আগে ছিল এখন আমরা ৮ সপ্তাহ করে দিয়েছি। এতে কিন্তু আমরা বিরাট একটি গ্যাপ পাচ্ছি।

তিনি বলেন, প্রথম সারির যোদ্ধাসহ চল্লিশোর্ধদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। টিকা নেওয়ার বয়স এখন আর কমানো হবে না। সব কিছু সুশৃঙ্খলভাবে করতে চাই। অনেক কেন্দ্রে বুথ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বয়সসীমা নির্ধারণে আপনারা পুর্নবিবেচনা করছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, 'আমরা এখনো এটা করিনি। কারণ আমরা চাচ্ছি একটি সুশৃংখল পরিবেশে, উৎসবমুখর পরিবেশে জুন-জুলাই মাস পর্যন্ত এটি কন্টিনিউ করতে। টিকা দিয়ে কেউ যাতে বের হয়ে মন্তব্য করতে না পারেন, এখানে খারাপ অবস্থা হচ্ছে বা বিশৃংখলা সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা খুব ধীরে যাচ্ছি, যেহেতু আমাদের হাতে সময় আছে। আমরা চাচ্ছি না একটি ভ্যাকসিনও অপচয় হোক। এই কারণে আমরা চমৎকারভাবে করার (টিকাদান) চেষ্টা করছি।'


Share

আরও খবর



রাজনৈতিক কৌশলে বিএনপি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৩৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপি রাজনৈতিক কৌশলের আশ্রয় নিয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৭ মার্চ) সকাল ৯টায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ৭ মার্চ নিষিদ্ধ করেছিল। এখন তারা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করছে। এটা তাদের রাজনৈতিক কৌশল। বাংলাদেশের সব অপশক্তিকে পরাজিত করে সোনার বাংলা গড়ে তোলা হবে।

ওবায়দুল কাদেরের আগে সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের
Share

আরও খবর