Logo
শিরোনাম

বিশ্বে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে সবার নিচে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি সবচেয়ে কম। সদ্য প্রকাশিত ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ (ডিকিউএল) সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে তলানিতে। তবে সামগ্রিক ডিজিটাল মান বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩। আগের বছরের চেয়ে বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ২৫ ধাপ নেমে গেছে।

ডিকিউএল সূচক অনুযায়ী, বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে সামগ্রিক ডিজিটাল মান বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৩। এ অবস্থান এমনকি প্রতিবেশী সবগুলো দেশেরও পেছনে। সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই তিন দেশের অবস্থান যথাক্রমে ৫৯,৮৮ ও ৯৭ তম।

প্রতি বছর বৈশ্বিক ভিপিএন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক এই ডিকিউএল সূচক প্রকাশ করে। এবারও তারা এই সূচক প্রকাশ করেছে। মূলত ডিজিটাল জীবনমানের ক্ষেত্রে পাঁচটি মূল ভিতকে বিবেচনায় নিয়ে বিশ্বের ১১০টি দেশের জন্য তারা এই সূচক তৈরি করে। এই পাঁচ ভিত হলোইন্টারনেট সেবা গ্রহণের সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ইলেকট্রনিক অবকাঠামো, ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা ও ই-সরকার।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের চেষ্টায় অনেক আগে থেকেই সরকার কাজ করলেও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবার প্রাপ্যতা, এর গতিসহ সামগ্রিক ডিজিটাল মানে এখনো অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। ডিকিউএল সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ হতাশাজনক। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার ৩২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সামগ্রিকভাবে ৩০ তম অবস্থানে রয়েছে।

ডিকিউএল-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ সম্পর্কিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট সেবার প্রাপ্যতা, এর স্থায়ীত্ব, নিরবচ্ছিন্নতা, মোবাইল ইন্টারনেটের গতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে প্রস্তুতি, নেটওয়ার্ক, ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতি ও স্থায়ীত্ব, ইলেকট্রনিক অবকাঠামো, ইলেকট্রনিক নিরাপত্তা ইত্যাদি বিবেচনায় সার্বিকভাবে ০ থেকে ১ মানদণ্ডে বাংলাদেশ পেয়েছে মাত্র দশমিক ৩৪ পয়েন্ট।

ইন্টারনেট সেবা গ্রহণের জন্য সর্বনিম্ন ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনতে একজন লোককে কতক্ষণ কাজ করতে হয়, তা দিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে একটি দেশের মানুষের ইন্টারনেট সেবার প্রাপ্যতার বিষয়টি। এই সূচকে বাংলাদেশ মাত্র দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বের ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪ তম।

তবে মোবাইল ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে কিছুটা এগিয়ে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬ তম। ইন্টারনেট সংযোগের মান ও ইলেকট্রনিক অবকাঠামোউভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের অবস্থান ৮৯ তম। আর ইলেকট্রনিক নিরাপত্তায় অনুমিতভাবেই পিছিয়ে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে অবস্থান ১০৩ তম। আর ই-সরকার ব্যবস্থা বিবেচনায় বাংলাদেশের অবস্থান ৮৬ তম। 


আরও খবর



স্বীকৃতির জন্য বিদেশিদের শর্তে তালেবান কান দিচ্ছে কি?

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানে নারীদের জন্য কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য নিয়োগ পাওয়া ৩৪ বছরের চ্যান্সেলর মোহাম্মদ আশরাফ ঘাইরাত এক টুইট বার্তায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তিনি গত ১৫ বছর তালেবানের সাংস্কৃতিক বিষয়াদির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

টুইট বার্তায় আশরাফ ঘাইরাত বলেন, কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যতদিন না সবার জন্য যথাযথ ইসলামি পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে, ততদিন নারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে পারবেন না। সবকিছুর আগে ইসলাম।

এর আগে যখন দীর্ঘ বিরতির পর আফগানিস্তানের সরকারি মাধ্যমিক স্কুল খুলল তখন শুধু ছেলে শিক্ষার্থীরাই সেখানে যাওয়ার অনুমতি পেল। মেয়েরা কবে স্কুলে যেতে পারবে তা এখনও অনিশ্চিত।

অথচ ক্ষমতা দখলের পর গত দেড় মাস ধরে তালেবানের ওপর আন্তর্জাতিক মহল থেকে, বিশেষ করে পশ্চিমাদের কাছ থেকে যেসব দাবি-শর্ত দেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো নারী শিক্ষা এবং তাদের কাজের অধিকার।

এমনকি যে দেশটির সমর্থন-স্বীকৃতি তালেবানের জন্য এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও কয়েকদিন আগে আফগানিস্তান এবং তালেবান নিয়ে বিবিসিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, নারী শিক্ষা বন্ধ করা অনৈসলামিক হতে পারে। পাকিস্তানের কাছ থেকে তালেবান সরকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি যে শর্তসাপেক্ষ তা তিনি স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন।

কিন্তু বাইরের এসব কথায় আদৌ যে তালেবান কান দিচ্ছে তার কোনো লক্ষণ নেই। বরং তালেবানের কাছ থেকে জোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের শিক্ষা নিতে হবে আলাদাভাবে এবং শুধু নারী শিক্ষকরাই তাদের পড়াতে পারবেন। আফগানিস্তান নারী শিক্ষকের সংখ্যা এতই কম যে, এমনিতেই মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ কমে যেতে বাধ্য।

লন্ডনে আফগান সাংবাদিক এবং আফগান রাজনীতির বিশ্লেষক সৈয়দ আব্দুল্লাহ নিজামী বলেন, বিদেশিদের সঙ্গে সম্পর্কে আগ্রহ দেখালেও তাদের কথাবার্তা এবং বিভিন্ন শর্ত মানছে না তালেবান। অবশ্য এর আগেও কখনও অন্যদের কথায় চলেনি তালেবান। নারী শিক্ষা, সঙ্গীত বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষার তরিকা যে বিষয়ই হোক না কেন তারা তাদের পুরোনো বিশ্বাস আর আদর্শ অনুযায়ীই কাজ করে যাচ্ছে।

তিনদিন আগে হেরাত শহরে চারজন সন্দেহভাজন অপহরণকারীকে মেরে তাদের মরদেহ রাস্তার মোড়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়। তার দুদিন আগে বার্তা সংস্থা এপিকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তালেবানের এক শীর্ষ নেতা চুরি-ডাকাতির অপরাধে হাত কাটার বিধান চালুর পক্ষে কথা বলেন। অথচ তালেবান জানে দেশ চালানোর জন্য যাদের সাহায্য এবং স্বীকৃতি তাদের জন্য জরুরি তারা এসব পছন্দ করবে না।

নিজামী বলেন, কাবুল দখলের আগে বা পরপরই যেসব তালেবান নেতার মুখের কথা শুনে মনে হচ্ছিল গত ২০ বছরে তাদের চিন্তা-চেতনায় হয়ত বেশ পরিবর্তন হয়েছে, তারা কেউই ক্ষমতার কেন্দ্রে আসতে পারেননি। যারা এসেছেন তারা তাদের পুরোনো মত-পথ থেকে সরে আসেননি এবং চাপ দিয়ে তাদের নড়ানো কঠিন।

যে দেশটির জিডিপির ৪০ শতাংশই পশ্চিমা সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল, সেই সাহায্য গত দেড় মাস ধরে বন্ধ।আফগানিস্তানের ১০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যুক্তরাষ্ট্র আটকে দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ আফগানিস্তানের জন্য তাদের জরুরি ঋণের নির্ধারিত কিস্তি স্থগিত করে দিয়েছে।

আটকে দেওয়া এসব টাকা এখন তালেবানের ওপর প্রভাব খাটানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা মিত্রদের প্রধান অস্ত্র। তারা বলছে, নারীদের শিক্ষা এবং কাজের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। নারী এবং আফগান সমাজের বিভিন্ন অংশকে ক্ষমতার ভাগ দিতে হবে।

এমনকি পাকিস্তান, রাশিয়া, ইরান সহ প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছ থেকেও স্বীকৃতি এবং সমর্থনের শর্ত হিসেবে সরকারে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী, সংখ্যালঘু এবং নারী প্রতিনিধিত্বের দাবি করা হয়েছে।

কাবুলে বিদেশি, বিশেষ করে প্রভাবশালী কয়েকটি আঞ্চলিক দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাহায্য ও স্বীকৃতির বিষয়ে কথা বলতে তালেবান তৎপর। প্রতিদিনই বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠক ও কথাবার্তা হচ্ছে। কিন্তু বিদেশিদের দেওয়া শর্ত নিয়ে তালেবানের কাছ থেকে কোনো কথা বা প্রতিশ্রুতি নেই।

বিশেষ করে সরকারে কারা থাকবে, কী থাকবে না তা নিয়ে কোনো কথা তালেবান শুনতে চায় না। আমেরিকানদের সমর্থনে যেসব সরকার ছিল তাদের তালেবান বিশ্বাস করে না। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বের ধারণাই তারা মানে না বলে মনে করেন নিজামী। তাদের কথা, এটি একটি ইসলামি সরকার। এর সাথে জাতি-গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের সম্পর্ক নেই।

সরকারে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিয়ে সম্প্রতি তাজিকিস্তানের এক বিবৃতিকে কেন্দ্র করে চরম ক্ষুব্ধ তালেবান। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তালেবানের মুখপাত্র আহমেদুল্লাহ ওয়াসিক বলেন, যে তাজিকিস্তান আমাদের জন্য সমস্যা তৈরিতে ব্যস্ত তারা আমাদের সরকারের কাঠামো নিয়ে কথা বলার কে? তাদের উচিৎ নিজেদের সমস্যা সমাধান করা। আমাদের সরকার কেমন হবে তা নিয়ে বিদেশিদের কথা বলার কোনো অধিকার নেই।

কিন্তু স্বীকৃতি ছাড়া দেশ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থকড়ির সংস্থান কিভাবে করবে তালেবান? আব্দুল্লাহ নিজামী বলছেন, তালেবান ভরসা করছে আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের ওপর অর্থাৎ চীন রাশিয়া, ইরান এবং পাকিস্তান এবং সেই সঙ্গে কাতার। আফগানিস্তানে নারী অধিকার, নারী শিক্ষা নিয়ে এসব দেশের তেমন কোনো চিন্তা নেই। তালেবান মনে করে এসব দেশ তাদের কৌশলগত স্বার্থ নিয়েই বেশি উৎসাহী।

কাবুলের সঙ্গে গোপনে এবং প্রকাশ্যে আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের যোগাযোগ যে চলছে তা স্পষ্ট। সেপ্টেম্বরের ২১ ও ২২ তারিখ কাবুলে ছিলেন প্রেসিডেন্ট পুতিনের আফগান বিষয়ক দূত জামির কাবুলভ, চীনের আফগান বিষয়ক বিশেষ দূত উ শাও উং এবং পাকিস্তানের মোহাম্মদ সাদিক খান। তালেবান জানিয়েছে, এদের তিনজনের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে তালেবান সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোল্লা হাসান আখুন্দজাদার।

তবে পাকিস্তান, চীন এবং রাশিয়া তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে একটি সমন্বিত সিদ্ধান্তের পথ নিয়েছে বলে জোর ইঙ্গিত রয়েছে।

পাকিস্তানের উদ্যোগে ৮ সেপ্টেম্বর চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একটি বৈঠক করেছেন। দু'দিন পর শনিবার আবারও পাকিস্তানের উদ্যোগেই এসব দেশের গোয়েন্দা প্রধানরা একটি বৈঠক করেন বলে পাকিস্তানের নির্ভরযোগ্য ইংরেজি দৈনিক ডনের এক খবরে বলা হয়েছে। আমেরিকার সাথেও গোপনে পাকিস্তান কথা বলছে বলে ডনের খবরে বলা হয়েছে।

তবে নারী শিক্ষা বা সরকার কাঠামো নিয়ে চীন বা পাকিস্তান তালেবানের সাথে বড় কোনো ঝামেলায় জড়াতে রাজি হবে বলে মনে হয় না।

যেমন, চীনের বিশেষ দূত উ শাও উং-এর সঙ্গে কাবুলে তালেবান প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, উ শাও বৈঠকে আবারও আশ্বস্ত করেছেন যে, চীন আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে মাথা গলাবে না।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রকাশ্যে নারী শিক্ষা, মানবাধিকার এবং কাবুলে সব পক্ষের একটি সরকারের যত কথাই বলুন না কেন তালেবানের সঙ্গে সম্পর্কে কোনো চোট তৈরির ঝুঁকি তিনি নেবেন না।

বরং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তালেবানকে আফগান সেনাবাহিনী পুনর্গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে বিবিসি উর্দু ভাষা বিভাগের মঙ্গলবারের এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে বলা হয়েছে। উচ্চপদস্থ সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ৮ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা প্রধান লে. জেনারেল ফায়েজ হামিদের কাবুল সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল এই প্রস্তাব নিয়ে তালেবানের সঙ্গে কথা বলা।

তবে আফগানিস্তান নিয়ে পাকিস্তানসহ সমস্ত প্রতিবেশীর প্রধান উদ্বেগ সন্ত্রাস এবং তা নিয়ে তারা তালেবানের কাছ থেকে শক্ত প্রতিশ্রুতি চায়।

অপরদিকে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে তালেবানকে কোণঠাসা করার চেষ্টা কতটা কাজ করবে এবং তা হিতে-বিপরীত হয় কিনা তা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বে মতামত দ্বিধাবিভক্ত। ইউরোপের মাত্র দুটি দেশ ছাড়া কেউই বলেনি তারা তালেবানকে কখনই মেনে নেবে না।

নিউজ ট্যাগ: তালেবান

আরও খবর



ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৬ জন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে নতুন করে আরও ১০৬ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কেউ মারা যায়নি। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯১ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ জন।

এ দিকে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪৬ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ৬৮৫ জন এবং অন্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১৬১ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২১ হাজার ১৮ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ২০ হাজার ৯০ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছে ৮২ জন।


আরও খবর

আরও ১৭৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১

করোনায় মৃত্যু কমেছে, শনাক্ত বেড়েছে

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১




স্কুলশিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলক করোনার টিকা দেওয়া শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান আজাদকে দিয়ে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলক করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়

মানিকগঞ্জে স্কুলশিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলকভাবে করোনাভাইরাসের টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কর্ণেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মন্ত্রী এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এ সময় মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আদনান আজাদকে দিয়ে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলক করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, মা‌নিকগঞ্জের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ জন, কর্ণেল মালেক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন, এসকে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫০ জন ও  মানিকগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০ জনসহ মোট ১২০ জনকে ক‌রোনার দেওয়া হবে টিকা।  টিকা দেওয়া শেষে তা‌দের‌কে ৭ থেকে ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখা হ‌বে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর

আরও ১৭৩ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১

করোনায় মৃত্যু কমেছে, শনাক্ত বেড়েছে

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১




জয়ে ফিরল মেসির আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুরুটা করেছিলেন লিওনেল মেসি। এরপর রদ্রিগো ডি পল, লাওতারো মার্টিনেজদের কল্যাণে আর্জেন্টিনা পেল আরও দুই গোল। তাতে উরুগুয়েকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ পর জয়ে ফেরাটাও হয়ে গেল কোচ লিওনেল স্ক্যালোনির শিষ্যদের।

আগের ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে দারুণ খেলে, আধিপত্য বিস্তার করেও জিততে পারেনি স্ক্যালোনির দল। এক ম্যাচ পরই জয়ে ফিরলেন মেসিরা। তবে স্কোরলাইন যতটা সহজ বলছে, আর্জেন্টিনার জয়টা ততটা সহজেও আসেনি। প্রথমার্ধে কম করে হলেও তিনটি নিশ্চিত গোলের হাত থেকে দলকে বাঁচিয়েছেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

শুরুটা হয়েছিল ম্যাচের অষ্টম মিনিটে। লুইস সুয়ারেজের দারুণ এক বাইসাইকেল কিক রুখে দেন তিনি। এর কিছু পরে আবারও দৃশ্যপটে সেই সুয়ারেজ। দুরূহ কোণ থেকে করা তার শট কোনোক্রমে ঠেকান মার্টিনেজ, এরপর ফিরতি চেষ্টায় ফেদেরিকো ভালভার্দের জোরালো শটও রুখে দেন অ্যাস্টন ভিলা গোলরক্ষক। ফলে শুরুর ২০ মিনিটেই দুবার বড় বিপদে পড়তে পড়তেও রক্ষা পায় আর্জেন্টিনা।

নিজেদের মাঠ এস্তাদিও মন্যুমেন্তালে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরেছে এরপর। লাওতারো মার্টিনেজ সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন দুটো, জিওভানি লো চেলসোর শট ফিরেছে ক্রসবারে প্রতিহত হয়ে। এরপর মেসির দুটো শট রুখে দিয়েছেন উরুগুয়ে গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা, তাতে আর্জেন্টিনার গোলের অপেক্ষাটা বাড়ছিল ক্রমেই। 

আর্জেন্টিনার সে অপেক্ষাটা শেষ হয় ম্যাচের ৩৮ মিনিটে। তাতে অনেকটা ভাগ্যের ছোঁয়াও ছিল বৈকি। বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে উরুগুয়ে বিপদসীমায় একটা পাস লব করে বাড়িয়েছিলেন মেসি। স্ট্রাইকার লাওতারো ছুঁতে পারেননি সেটা, এরপর গোলরক্ষক মুসলেরাকেও ফাঁকি দিয়ে বলটা আছড়ে পড়ে উরুগুয়ের জালে। তাতে মেসি ছুঁয়ে ফেলেন ৮০ গোলের মাইলফলক। এমন এক কীর্তি যা নেই কোনো দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলারের।

প্রথম গোলের অপেক্ষা শেষ হতে না হতেই বিরতির আগে আরও এক গোল পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৪৪ মিনিটে বক্সের জটলা থেকে টটেনহ্যাম মিডফিল্ডার জিওভানি লো চেলসোর বাড়ানো বল থেকে গোলটি করেন রদ্রিগো ডি পল। ফলে দুই গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে আর্জেন্টিনা।

দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকে ছিল আর্জেন্টিনার দাপট। উরুগুয়ের ম্যাচে ফেরার আশা শেষ করে দেওয়া গোলটা এল ৬২ মিনিটে। বক্সের জটলা থেকে মেসির বাড়ানো পাসে ডান প্রান্তে ডি পল পেয়ে যান বলটা, সেখান থেকে তার নিচু ক্রস সহজেই জালে পাঠান সদ্য ইনজুরিফেরত লাওতারো। তিন গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

এরপরও মেসি, আনহেল ডি মারিয়ারা গোলের চেষ্টা করে গেছেন। সুয়ারেজরাও চেষ্টা করেছেন ব্যবধান ঘোচানোর। তবে কোনো চেষ্টাই সফলতার মুখ দেখেনি আর। ফলে ৩-০ গোলের সহজ এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। ১০ ম্যাচ শেষে ছয় জয় আর চারটি ড্রয়ে দলটির সংগ্রহ ২২ পয়েন্ট। আছে কনমেবল অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় অবস্থানে। দিনের অন্য ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করা ব্রাজিল আছে তালিকার শীর্ষে। দশ ম্যাচে এক ড্র আর নয় জয় নিয়ে দলটির সংগ্রহ ২৮ পয়েন্ট। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ১৫ অক্টোবর এই মন্যুমেন্তাল স্টেডিয়ামেই পেরুর বিপক্ষে খেলবে স্ক্যালোনির শিষ্যরা।

 

নিউজ ট্যাগ: আর্জেন্টিনা

আরও খবর

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে পেছাল বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১

কোম্যানকে বরখাস্ত করলো বার্সেলোনা

বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১




মুহিবুল্লাহ হত্যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রভাব ফেলবে না : সচিব

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ অক্টোবর ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকান্ড মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ওপর কোন প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

শনিবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ঢাকায় যাওয়ার পথে বিকেলে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এসব কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছি। রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। মুহিবুল্লার পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেছি। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও দেখা হচ্ছে। ক্যাম্পে কোনো ধরনের অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে না। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর জন্যও বিভিন্ন বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে। ভাসানচর প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ যুক্ত হয়েছে। আস্তে আস্তে সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকছে।

তিনি আরও বলেন, মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই এ ঘটনা প্রত্যাবাসনকে ব্যাহত করতে পারবে না।

দেশীয় গণমাধ্যম ক্যাম্পে প্রবেশে কোন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, এমন কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়টি আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দুদিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে শনিবার দুপুরে প্রতিনিধি দলটি মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনাস্থল কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্প পরিদর্শন করে।

প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ছাড়াও আছেন, পশ্চিম ইউরোপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মহাপরিচালক ফায়াজ মুর্শিদ কাজি, পররাষ্ট্র সচিবের দপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলীমুজ্জামান ও সহকারী সচিব শোয়াইব-উল ইসলাম তরফদার।

এরআগে, শুক্রবার দুইদিনের সফরে বিমানযোগে কক্সবাজারে আসেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।


আরও খবর