Logo
শিরোনাম

বিশ্বে প্রথম দ্রুতগতির ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালু

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে দ্রুতগতির ফাইভজি সেবা চালু করল রাশিয়া। রাশিয়ান টেলিকম অপারেটর এমটিএস জানিয়েছে, তারা রাজধানীর মস্কো ও এর আশপাশের ১৪টি এলাকায় ফাইভজি নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে। এলাকাগুলোর মধ্যে মস্কোর জনপ্রিয় গোর্কি পার্ক, মস্কোর স্টেট ইউনিভার্সিটি এলাকা ও মস্কো সিটি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার অন্যতম।

 এ বিষয়ে এমটিএসের সভাপতি আলেক্সি কর্নিয়া জানান, দফায় দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পর প্রথমবারের মতো রাশিয়ায় বড় পরিসরে ফাইভজি সেবা চালু করেছি আমরা, যা আমাদের হাজার হাজার গ্রাহককে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করবে।

এমটিএস জানিয়েছে, নতুন প্রজন্মের এই নেটওয়ার্কে সেকেন্ডে এক দশমিক পাঁচ গিগাবাইট গতিতে ডাটা ডাউনলোড করতে পারবে ব্যবহারকারীরা। ফলে ১০ গিগাবাইটের কোনো সিনেমা বা ফাইল ডাউনলোড করা যাবে এক মিনিটেরও কম সময়ে। তবে চাইলেই গ্রাহকরা ফাইভজি সেবা পাবেন না।

এমটিএস জানিয়েছে, ফাইভজি কাভারেজ আছে এমন এলাকা বা কাছাকাছি এলাকায় যখন যেসব গ্রাহক অবস্থান করবে, তখন তাদের খুদেবার্তা পাঠিয়ে পঞ্চম প্রজন্মের টেলিকম সেবা ব্যবহারের আমন্ত্রণ জানানো হবে। দ্রুত মোবাইল ইন্টারনেট ছাড়াও, ভবিষ্যতে ফাইভজি নেটওয়ার্ক নগরীর পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে আশা করছে টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি।

শিগগিরই ফাইভজি নেটওয়ার্কের আওতায় আরো নতুন নতুন এলাকাকে সংযুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে এমটিএস কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া এই গ্রীষ্মেই রাশিয়ার বন্দরনগরী সেন্ট পিটার্সবাগের অন্তত ১০টি এলাকায় ফাইভজি সেবা চালুর ঘোষণাও দিয়েছে টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি।

ফাইভজি চালু ও সেবা প্রদানে বিশ্বে প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে চায় রাশিয়া। ২০২৪ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি বড় শহরে পঞ্চম প্রজন্মের টেলিকম সেবা চালু করতে চায় দেশটি। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে এই সময়ে পাঁচ মিলিয়ন মানুষ ফাইভজি সেবার আওতায় আসবে। ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়ার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশেরও বেশি ফাইভজি সেবার আওতায় আসবে। দেশটিতে ফাইভজি গ্রাহক সংখ্যা পাঁচ কোটিতে দাঁড়াবে বলে আশা করছে রুশ কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর



সাভারে মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক বিক্ষোভ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাভার থেকে সাব্বির হোসেন

সাভারে মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত প্রায় ১ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন ব্যবসায়ীরা। পরে পুলিশ তাদের কে সরিয়ে দিলে পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা এমনিতেই ঋণগ্রস্ত, বাধ্য হয়ে সড়কে নেমেছি। স্থানীয় এক কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, আমরা ঋণ করে দোকানে মালামাল তুলেছি, মার্কেট বন্ধ থাকলে ভিখারি হয়ে যাব। মার্কেটের দোকানদার আর সেলসম্যানের ঘরে খাবার থাকবে না। তারা না খেয়ে মারা যাবে। আমাদের দাবি, এখনই মার্কেট খুলে দেওয়া হোক।

এ ব্যাপারে সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, সরকার যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন তা সবার মেনে চলা উচিৎ।


আরও খবর



বেড়েছে মুরগি-সবজি ও ডিমের দাম, কমেছে পেঁয়াজের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মুরগি, ডিম ও সবজির। তবে দাম কমেছে পিয়াজের। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে ভোজ্যতেল, চালসহ অন্য পণ্যের দাম।

এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি শালগম বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, করল্লা ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ২০ থেকে ৪০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। মিষ্টি কুমরার কেজি ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। কেজিতে ১০ টাকা কমে পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা।

হালিতে ৫ টাকা বেড়ে কলা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। খিরাই ৪০ থেকে টাকা। শসা ৪০ টাকা। মটরশুঁটির কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি সিসিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। লেবুর দাম বেড়ে হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

এছাড়াও মরিচ প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, রসুনের কেজি ১২০ থেকে ৬০ টাকা, আদা ৬০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা।

৫ টাকা দাম বেড়ে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। হাঁসের ডিমের দাম কমে ডজন এখন ১৩৫ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা।

প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালি (কক) মুরগি ৩৩০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজি ২০০ থেকে ১৯০ টাকা। দেশি মুরগির প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়।

এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে গরু ও খাসির মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।

এসব বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১,০০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ দেশি মাছ ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইর মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বেলে ১২০ টাকা, রূপ চাঁদা মাছ কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর



আর্ন্তজাতিক নারী দিবস পালন-২০২১ র‌্যালী, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাকালে নারী নেতৃত্ব গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’’ এই প্রতিপাদ্য লক্ষ্য রেখে, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ এর আয়োজনে ও কেয়ার এর সহযোগিতায় ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়ন এর খেজুরবাড়িয়া গ্রামে ০৮ ই র্মাচ ২০২১ তারিখে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও আমাদের করণীয় লক্ষ্য রেখে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস-২০২১ পালন করা হয়।



উক্ত অনুষ্ঠানের সূচনায় ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, জনাব আলমগীর হোসেন অনুষ্ঠানের শুরুতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও আমাদের করণীয় বিষয় সকলকে সচেতন করার জন্য একটা র‌্যালী বের করেন। র‌্যালী শেষে উপস্থিত সকলকে নিজ নিজ কন্যাশিশুকে ও প্রতিবেশীদের কন্যাশিশুকে বিয়ে না দেওয়া ও শিশুবিবাহ বন্ধের জন্য অঙ্গিকার নামায় স্বাক্ষর করেন। এরপর আলোচনা সভায় ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, জনাব আলমগীর হোসেন বলেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এই র্কাযক্রম এর মাধ্যমেই আমাদের গ্রাম থেকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও বন্ধকরা সম্ভব এবং আগামী বছর আমি আমার গ্রামকে বাল্যবিবাহ মুক্ত গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করতে চাই তাই আপনাদের আরো স্বোচ্চার ও সচেতন হতে হবে এই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে।