Logo
শিরোনাম

বিয়ে সামনে রেখে অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছেন ক্যাটরিনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কদিন পরই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন বলিউড সেনসেশন ক্যাটরিনা কাইফ ও অভিনেতা ভিকি কৌশল। এ খবর এখন ভারতজুড়ে টক অব দ্য টাউন।  ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে তাদের বিয়ের প্রস্তুতির সব আপডেট জানানো হচ্ছে।  ডিসেম্বরে বিয়ে সামনে রেখে অভিনয় থেকে বিরতি নিয়েছেন ক্যাটরিনা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে ভারতের বিনোদনভিত্তিক ওয়েবসাইট বলিউড হাঙ্গামা।

সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া সুরাইয়াভানশি ছবি দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ক্যাট। যেটি বক্স অফিসে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।

চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর ফুরফুরে মেজাজে থাকা ক্যাটরিনা কাজ থেকে এক মাস বিরতি নিয়েছেন। মূলত ডিসেম্বরে বিয়ের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখেই নায়িকা এ বিরতি নিয়েছেন বলে খবর।

ভিকি-ক্যাটরিনা এখন তাদের বিয়ের সাজসজ্জা নিয়ে ব্যস্ত। জুলুতে নতুন অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া করেছেন।  বিয়ের পর নাকি সেখানেই উঠবেন তারা।


আরও খবর



করোনায় ৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৫

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ হাজার ৯০১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া দেশে নতুন করে ২১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৭১ হাজার ২২৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ২০৯ জন। এ নিয়ে দেশে মোট ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪ জন করোনা থেকে সুস্থ হলো।

আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩৪টি ল্যাবে ১৬ হাজার ৮১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা সংগ্রহ করা হয় ১৬ হাজার ৭৪১টি। করোনা শনাক্তের হার এক দশমিক ২৮ শতাংশ। এই পর্যন্ত গড় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ তিনজন ও নারী তিনজন। এ পর্যন্ত পুরুষ মৃত্যুবরণ করেছে ১৭ হাজার ৮৫৯ জন ও নারী ১০ হাজার ৪২ জন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুইজন ও ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন।

এ ছাড়া মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে চারজন ও খুলনা বিভাগে দুইজন মারা গেছে। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চারজন ও বেরসরকারি হাসপাতালে দুইজন রয়েছেন।

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। ওই বছরের ১৮ জুন তিন হাজার ৮০৩ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে লাখ ছাড়িয়েছিল করোনার রোগী। সেদিন পর্যন্ত মোট শনাক্ত ছিল এক লাখ দুই হাজার ২৯২ জন। এ ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গত বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর



ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আরও ৮৭ জন ভর্তি

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৫৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৩০ জন ভর্তি হয়েছে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২৮ জন। এর মধ্যে ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে ৩২০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ১০৮ জন।


আরও খবর



রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মনোরঞ্জনে জলসা ঘরে রয়েছে নারী-মদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্পের সামনে গড়ে ওঠা একটি মার্কেটে দোকান রয়েছে অন্তত ২ হাজার। ক্যাম্পের পাশে রয়েছে এমন আরও মার্কেট।

এসব মার্কেটে মিলছে অভিজাত কাপড়ের শোরুম, পারলার, কসমেটিকস, জুয়েলারি শপ, দামি ব্র্যান্ডের মোবাইলের শোরুম। 

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে থাকা রোহিঙ্গাদের এসব বিলাসী জীবনের পেছনের গল্প। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ওই মার্কেটের ৯০ শতাংশ ক্রেতা খোদ রোহিঙ্গারা। পণ্যের বিক্রেতাও তারা।

এছাড়া রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মনোরঞ্জনে জলসা ঘরে রয়েছে নারী ও মদের ব্যবস্থা। সেখানে বসে খেমটা নাচের আসর। 

অনেক অভিজাত কাপড়ের দোকান সেখানে। আছে অন্তত ২৫টি জুয়েলারি শোরুম, ১০টি বিউটি পারলার, দুইশর বেশি দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল শোরুম। 

প্রায় প্রতিটি ক্যাম্পের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চাহিদা সাপেক্ষে আরও দামি কাপড় কিংবা আসবাবপত্র সরবরাহ করেন রোহিঙ্গা ক্লায়েন্টদের।

নৃশংসতা আর মাদক ব্যবসা পুঁজি করে বিলাসী জীবনযাপন করছেন রোহিঙ্গারা। উখিয়া, টেকনাফে গড়ে ওঠা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর পাশের বিভিন্ন মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য। সাদা চোখে কর্মহীন মনে হলেও রোহিঙ্গারাই এসব বিলাসী পণ্যের ক্রেতা। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরীহ রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে বিশেষ ফায়দা লুটে নিচ্ছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে গড়ে ওঠা আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি (আরসা), রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন, আল মাহাজসহ বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা। আবার মানবাধিকারের কথা বলে নেপথ্য থেকে তাদের সমর্থন জোগাচ্ছে দেশি-বিদেশি কিছু উন্নয়ন সংস্থা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ডা. আজিজ। বখতিয়ার মার্কেটে রয়েছে ওষুধের দোকানের আড়ালে তার মাদক ব্যবসা। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা। ক্যাম্পে তার বাড়ি পাঁচ শতাংশের ওপর। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও বাড়ির ভিতরের সাজসজ্জা চোখে পড়ার মতো। 

একই ক্যাম্পের আরেকজন রোহিঙ্গা ডা. ওসমান। তার বিরুদ্ধেও রয়েছে দুটি মাদক মামলা। বর্তমানে তিনি সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। ক্যাম্পের ভিতরে তার বাড়ি কমপক্ষে ৫ শতাংশের ওপর। ঘরের অভিজত আসবাবপত্র যে কারও নজর কাড়বে। 

একই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা হাফেজ জালাল। ক্যাম্পে অভ্যন্তরে রয়েছে তার একটি মাদরাসা। অভিযোগ, আরসার সঙ্গে রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা তার মাদরাসায় পড়তে আসে।

মুন্না গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড দেলোয়ার রীতিমতো আতঙ্ক। তার সরাসরি নেতৃত্বে চলছে মাদক ব্যবসা। এই প্রতিবেদক ক্যাম্পে অবস্থানের সময় চাঁদা না দেওয়ার অপরাধে এক নিরীহ রোহিঙ্গার কান কেটে দেয় সে। পরে ওই নিরীহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি রাশিদুল ইসলামকে অবহিত করেন।

ক্যাম্প-১২ বি-ব্লকের বাসিন্দা জাহিদ হোসেন লালু আরসার ভয়ংকর সন্ত্রাসী হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে চিহ্নিত। ৩৫ বছরের লালু এরই মধ্যে অফিশিয়ালি পাঁচটি বিয়ে করেছেন। 

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার কিছু লোকের সঙ্গে তার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। মাঝেমধ্যে ক্যাম্প-১-এর হেড মাঝি মশিউল্লার পৃষ্ঠপোষকতায় সেখানকার কয়েকটি ঘরে বসে বিশেষ বৈঠক। এসব বৈঠকে অংশ নেন শীর্ষ কমান্ডার শমির উদ্দীন, আবদুর রহিম, খায়রুল আমীন, ফয়জুল্লাহ, জুবায়ের, মাস্টার রফিক, হেফজুর রহমান। বৈঠক শেষে সেখানে রাখা হয় মনোরঞ্জনের বিশেষ ব্যবস্থা। শমির উদ্দীনের তিনটি বিয়ের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই করে নিজেদের শক্তি-সামর্থ্য জানান দিচ্ছে ক্যাম্পগুলোয় গড়ে ওঠা সশস্ত্র গ্রুপগুলো। ক্যাম্পের অভ্যন্তরের দোকান ও বাড়ি টার্গেট করে বাড়িয়ে দিচ্ছে চাঁদার হার। পছন্দ অনুযায়ী মেয়েদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করছে। মাঝেমধ্যে সুন্দরী তরুণীদের বিয়েও করছে জোরপূর্বক। সন্ত্রাসীদের বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস দেখানোর মতো অভিভাবক পাওয়া খুবই বিরল। প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া পরিবারের ওপর নেমে আসে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। 

জলসা ঘরের পাহারায় থাকে গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। সারা রাত ফুর্তি করার পর ভোরের দিকে এসব দুর্বৃত্ত অজ্ঞাত স্থানে চলে যায় বলে জানিয়েছেন অনেক নিরীহ রোহিঙ্গা সদস্য। 

তবে আরসার অনেক সদস্য সুন্দরী তরুণীদের কিছুদিনের জন্য বিয়ে করেন। কিছুদিন পর অন্য কোনো সুন্দরীকে চোখে পড়লে আগের জনকে ডিভোর্স দিয়ে দেন।

জানতে চাইলে এপিবিএন-৮ (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন)-এর অধিনায়ক শিহাব কায়সার খান বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা অনেক প্রস্তাব দিয়েছি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে। একটা প্রস্তাব ছিল তালিকাভুক্ত অপরাধীদের পরিবারে রেশন সুবিধা বন্ধ করার। তবে এ প্রস্তাবে তারা সাড়া দিচ্ছে না। একই সঙ্গে ক্যাম্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করার জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি। তাতেও সাড়া মিলবে বলে মনে করছি না। 


আরও খবর



ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে পাস ২১ শতাংশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন।

এ বছর ইউনিটে ১২৫০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ২৭ হাজার ৩৭৪ জন। এরমধ্যে অংশগ্রহণ করেছেন ২৩ হাজার ৩৪৭ জন। পাস করেছেন ৫ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। যা মোট শিক্ষার্থীর ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। বাকি ৭৮ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছেন।

এর আগে, গত ২২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাতটি বিভাগীয় পর্যায়ের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বছর এ ইউনিটে পাসের হার ছিল ১৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


আরও খবর



দেশে সাইবার ক্রাইম ধারণার বাইরে বেড়ে যাচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে সাইবার ক্রাইম ধারণার বাইরে বেড়ে যাচ্ছে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট বড় আকারে করতে হবে।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে শহীদ এসআই শিরুমিয়া মিলনায়তনে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২১’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এ বছর কমিউনিটি পুলিশিং ডে’র স্লোগান- মুজিববর্ষে পুলিশ নীতি, জনসেবা আর সম্প্রীতি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনীতে সাইবার ইউনিট আমরা করেছি কিন্তু সেটা ছোট আকারে আছে। দেশে সাইবার ক্রাইম (অপরাধ) যেভাবে উন্মোচিত হচ্ছে তা ধারণার বাইরে বেড়ে যাচ্ছে। সাইবার অপরাধ দমনে আমরা সেভাবেই আমাদের পুলিশকে তৈরি করছি। সাইবার ইউনিট বড় আকারে করতে হবে, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। আমাদের অনেক দূর হেঁটে যেতে হবে।

তিনি বলেন, টেকনোলজির ব্যবহারের ভালো দিকও আছে আবার খারাপ দিকও আছে। তবে আমাদের ভালো দিকটা বেছে নিতে হবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সম্প্রতি দেখেছি, যে ধরনের উসকানি আসছিল, যেভাবে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছিল একটা ভায়োলেন্সের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল সেটাও কিন্তু আমাদের জনগণ ও পুলিশ এক হয়ে প্রতিরোধ করেছে। আমরা সেই জায়গা থেকে নিস্তার পেয়েছি। এক কথায় বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কারণ যে যার ধর্ম আমরা হৃদয় দিয়ে পালন করি।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের পুলিশ বাহিনী সেই এলাকার জনগণের সঙ্গে মিলে অপরাধীদের ধরে নিয়ে আসছে। তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন জনগণও তাদের ধিক্কার দিচ্ছে। এটাই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের দায়িত্ব। আমরা যেটা চাচ্ছি সেই কাজটি পুলিশ ও জনগণ করে দিচ্ছে। আজ বাহিনীতে দুই লাখের ওপর পুলিশ সদস্য। আমরা সঠিক সময় সঠিক কাজটি করছি বলে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারছি।

সরকারের এই মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, পুলিশ বাহিনী তোমরা জনতার পুলিশ হও। আজ ধীরে ধীরে পুলিশ জনতার পুলিশ হতে চলছে। দেশে যখন জঙ্গিরবাদের উত্থান হয়েছে, আগুন সন্ত্রাসের উত্থান হয়েছে, সম্প্রতি যে অতিমারির দৃশ্যটি দেখলাম- ছেলে তার বাবা-মাকে হাসপাতালে ফেলে রেখে এসেছে। এই পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই তাদের দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করেছেন। তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা কাজ করছেন। সেজন্যই আমরা অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পেরেছি।

‘প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনায় দেশ যে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশ ছিল বলে আমরা সেই জায়গায় যেতে পেরেছি। পৃথিবীর অনেক দেশই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সুফল পেয়েছে, আমাদের দেশেও তা পাচ্ছি।’

কমিউনিটি পুলিশের অনেক দায়িত্ব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শান্তি রক্ষার জন্য তো ঘরে ঘরে পুলিশ দিতে পারি না। ঘরে ঘরে যে জনগণ আছেন তারা যদি রিয়েল টাইম ইনফরমেশন দিতে পারেন তাহলে অনেক ঘটনা থেকেই আমরা বাঁচতে পারি। অনেক ঘটনা ঘটবে না।

কমিউনিটি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা যারা বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকে সহযোগিতা করছেন, সেভাবে সহযোগিতা করুন। আপনারা কমিউনিটিকে সজাগ রাখুন। কেউ ক্রাইম করার আগেই তাকে বলুন, ক্রাইম করলেই জেলে যেতে হবে। ক্রাইম করলে তোমাকে কিন্তু চিহ্নিত করা হবে। আপনারা এই আবেদনটি রাখেন তারপর অবশ্যই ক্রাইমকে দমন করতে পারবো।

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কথা সাহিত্যিক ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। এছাড়া পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর