
রাজধানীতে রোববার
(১৪ নভেম্বর) থেকে সিটিং সার্ভিস, গেট লক সার্ভিস বন্ধ রাখা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন
ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েতউল্ল্যাহ।
এ ঘোষণার আগে ঢাকায় ১২৮টি রুটে সিটিং সার্ভিস, গেট লকসহ বিভিন্ন সার্ভিসের বাস চলাচল করতো। তবে এসব সার্ভিসের কোনো অনুমোদন ছিল না।
মালিক সমিতির
নেতার ওই ঘোষণা দেওয়ার পরও এখনো বন্ধ হয়নি সিটিং সার্ভিস বাস। ভাড়া ঠিকই আগের সিটিং
সার্ভিসের নিয়মে নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে রাজধানীতে সিটিং ও গেটলক
সার্ভিসের নামে বাসে আগের ভাড়ার সঙ্গে সরকারের ধার্য করা বাড়তিও ভাড়া যুক্ত করা হচ্ছে
বিভিন্ন বাসে।
বেশ কিছু পরিবহন
নির্দেশনা অমান্য করে রাজধানীতে গেটলক বা সিটিং সার্ভিস বাস চলছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
এক বাসের কন্ডাক্টর বলেন, মালিক বলে সিটিং সার্ভিসের ভাড়া তুলতে। আর যাত্রীরা দিতে
চায় লোকাল বাসের ভাড়া। মালিক পক্ষের কাছ থেকে এখনো আমরা কোনো নির্দেশনা পাইনি লোকাল
ভাড়া তোলার বিষয়ে।
নির্দেশনা না
আসা পর্যন্ত আমরা গেটলক সিটিং সার্ভিস ভাড়া তুলবো। যাত্রীরা গেটলকের ভাড়া দিতে চাচ্ছেন
না। যাত্রী দিতে চায় লোকাল ভাড়া। যাত্রীরা আমাদের সঙ্গে ভাড়া দেওয়া নিয়ে চিল্লাচিল্লি
করছেন, আমি কানে ধরি আগামীকাল থেকে আমি আর বাসে কন্ডাক্টরি করবো না।

