Logo
শিরোনাম

বন্দিদের খাওয়ানো হত মরা ইঁদুর, এটিই বিশ্বের ভয়ংকরতম জেল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের দরবারে কুখ্যাত তকমা পাওয়া এই কারাগারের নাম তাদমোর। বিখ্যাত বেসরকারি সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর মতে এই কারাগারটিকে নরক বললেও কম বলা হবে। এর কারণ বন্দিদের উপর হওয়া নিয়মিত মারধর এবং নির্যাতন।

তাদমোর কারাগারটি সিরিয়ার পালমিরায়। ফরাসিরা ১৯৩০-এর দশকে আরবের মরুভূমির কেন্দ্রে তৈরি করে এই কারাগারটি। মূলত, এটি সামরিক বাহিনীর সেনাছাউনি হিসাবে তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ১৯৮০-এর পর এই জায়গার ব্যবহারে বদল আসে। তাদমোর কারাগারের বন্দিদের জীবন দুর্বিষহ করে তোলার পিছনে যে মানুষের হাত ছিল বলে মনে করা হয়, তিনি সিরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হাফিজ আল-আসাদ।

১৯৮০ সালে আল-আসাদের উপর প্রাণঘাতী আক্রমণ করা হয়। কিন্তু তিনি প্রাণে বেঁচে যান। আল-আসাদের উপর আক্রমণের দায় বর্তায় দ্য সোসাইটি অব দ্য মুসলিম ব্রাদার্স-এর উপর। এর পরই আল-আসাদের ভাই রিফাত গণহত্যার আদেশ দেন। মনে করা হয় এই গোষ্ঠীর প্রায় হাজার সদস্যকে মেরে তাঁদের মৃতদেহ তাদমোর কারাগারের বাইরে কবর দেওয়া হয়।

তাদমোর কারাগারের বন্দিদের বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়। এখানে থাকা বন্দিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করা তো দূর অস্ত্‌, একে অপরের সঙ্গেও দেখা করার সুযোগ দেওয়া হত না। একে অপরের সঙ্গে কথা বললে যে কোনও সময়ে দেওয়া হত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ। তাদমোর কারাগারে বন্দিদের মাথা তোলার, উপরে তাকানোর বা একে অপরের দিকে তাকানোর অনুমতি পর্যন্ত দেওয়া হত না।

তাদমোর কারাগারটি বৃত্তাকার। এই কারাগারটি এমন ভাবেই তৈরি করা হয়েছিল, যাতে প্রহরীরা যে কোনও সময়ে সমস্ত বন্দির উপর নজর রাখতে সক্ষম হন। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে এই কারাগারে বন্দি হিসেবে রাখা হয়েছিল, যাঁদের মধ্যে একটি বড় অংশ ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী। এক সময়ে তাদমোর কারাগার বন্দিদের সংখ্যা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, বন্দিদেরকে পালা করে ঘুমানোর সুযোগ দেওয়া হত। যখন কিছু বন্দি ঘুমোতেন, তখন বাকিদের দাঁড় করিয়ে রাখা হত। কারারক্ষী ও কারাগার কর্তৃপক্ষ কখনওই কোনও বন্দিদের প্রতি দয়া দেখাতেন না। দয়া দেখানো হয়নি সিরিয়ার কবি ফারাজ বায়রাকদারকেও। তাঁকেও চার বছর এই কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছিল।

ফারাজ নিজের লেখা বইয়ে এই কারাগারকে মৃত্যু ও উন্মাদনার রাজ্য হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন। ফারাজ ব্যাখ্যা করেন, সমস্ত বন্দিকে সারা দিন অবরুদ্ধ রাখা হত। কোনও বন্দি যদি শ্বাসকষ্ট হচ্ছে বলে জানাতেন, তা হলে তাঁদের কারাগার চত্বরের উঠোনের চারপাশে দৌড়াতে বলা হত। এর ফলে শ্বাস আটকে মারাও যেতেন অনেকে। কখনও কখনও আবার শুধু পিটিয়ে হত্যা করা হত কারাগারের বন্দিদের। ফারাজের বইতে বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় নির্যাতনের কিছু পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে।

কারাগারে ঢোকার পরপরই বন্দিদের নিষ্কাশনের জন্য ব্যবহৃত একটি ড্রেনের জল খেতে বলা হত। অন্য এক বন্দি মোস্তফা খলিফার মতে, যাঁরা এই জল খেতে অস্বীকার করতেন, তাঁদের সেখানেই মেরে ফেলা হত। বইয়ে উল্লেখ রয়েছে যে, এক কারাবন্দিকে এক দল প্রহরী একবার মৃত ইঁদুর গিলে খেতে বাধ্য করে। ওই ব্যক্তি মৃত ইঁদুরটি খেয়ে মারা না গেলেও কিছু মাস পর তিনি পাগল হয়ে যান। ফারাজের বইটিতে বলা হয়, এক বয়স্ক বন্দিকে এক বার মাটিতে শুইয়ে সারাদিন ধরে এক জন কারা অফিসারের বুট চাটতে বলা হয়েছিল। নিয়মিত বেত্রাঘাত তো ছিলই। পাশাপাশি বন্দিদের একই জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হত যত ক্ষণ না তাঁরা মারা যান।

তবে ফারাজের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর স্মৃতি একজন বন্দিকে মানব ট্রামপোলিন হিসাবে ব্যবহার করা। এই প্রক্রিয়ায় বন্দিকে মাটিতে শুইয়ে প্রহরীরা তাঁর উপর দাঁড়িয়ে লাফাতেন। যত ক্ষণ না ওই বন্দি ঘাড় বা মেরুদণ্ড ভেঙে মারা যান, তত ক্ষণ এই প্রক্রিয়া চলতে থাকত। ২০১৫ সালে ইসলামিক স্টেট (আইসিস) এই কারাগারটি দখল করে নেয়। এর পর এই কারাগারের ভিতরের ছবি প্রকাশ পায়। অধিগ্রহণের নয় দিন পরে আইসিস এই কারাগার বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়।


আরও খবর



টুইটারে নীল, সোনালী ও ধূসর টিক চালু করবেন ইলোন মাস্ক

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী সপ্তাহেই টুইটারে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চালু হবে বলে জানান ইলোন মাস্ক। তবে এতে বেশ কিছু নতুন ফিচার যুক্ত হচ্ছে। ব্যক্তি, সরকারি অ্যাকাউন্ট ও কোম্পানির ভেরিফিকেশনে একাধিক রং নিয়ে আসা হচ্ছে।

টুইটারের নতুন এ স্বত্বাধিকারী জানান, পরবর্তী শুক্রবার থেকে নতুন ভেরিফিকেশন পরিষেবা চালু হবে। এর আওতায় বিভিন্ন ব্যক্তির ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে নীল টিক থাকবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ থাকবে ধূসর এবং বিভিন্ন কোম্পানির জন্য সোনালী টিক। তবে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টের জন্য ফি প্রযোজ্য হবে কীনা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেননি মাস্ক।

টুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ৭ ডলার ৯৯ সেন্টের বিনিময়ে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন মাস্ক। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ভুয়া অ্যাকাউন্ট চালু এবং বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার মুখে ওই পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়। বর্তমানে ৪ লাখেরও বেশি টুইটার অ্যাকাউন্টে ব্লু টিক রয়েছে। সাধারণত এগুলো বিভিন্ন সেলিব্রেটি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সরকারি বিভাগ ও করপোরেশনগুলোর অ্যাকাউন্ট। মাস্ক বলছেন, নতুন নীতিমালায় সেলিব্রেটি হউক বা না হউক সকলেই ব্লু টিকের জন্য বিবেচিত হবেন। আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান মাস্ক।

নিউজ ট্যাগ: টুইটার

আরও খবর

কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধ যেভাবে

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




ফের বাড়লো তেল-চিনির দাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কেজিতে চিনির দাম ১২ টাকা বাড়িয়ে ১০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) থেকে এ দাম কার্যকর হবে। 

দুপুরে শীর্ষস্থানীয় ভোজ্যতেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তেলের দাম লিটারে ১২ টাকা ও চিনির দাম কেজিতে ১২ টাকা বাড়িয়েছে। আমাদের মৌখিকভাবে বিষয়টি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই এ দাম কার্যকর হবে।

বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোজ্যতেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে হ্রাস বা বৃদ্ধি (সমন্বয়) করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ নভেম্বর আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে মূল্য সমন্বয়ের আবেদন করি। পরে দুই দফায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে মূল্য সমন্বয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরি। মূল্য সমন্বয়ের বিষয়ে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন আমাদের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে, যা বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকা, পাঁচ লিটারের দাম ৯২৫ টাকা, খোলা প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৭২ টাকা এবং প্রতি লিটার পাম ওয়েলের দাম ১২১ টাকা। 

গত ১ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো চিঠিতে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভোজ্য তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য সমন্বয় সংক্রান্ত বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন পাঠাতে ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।  

নিউজ ট্যাগ: তেল-চিনির দাম

আরও খবর



জামিন পেয়েছেন পাবনার ৩৭ কৃষক

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২৫ হাজার টাকা ঋণ খেলাপির দায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আরও ২৫ কৃষক জামিন পেয়েছেন। ফলে আলোচিত এই ঋণের দায়ে জেলে যাওয়া ১২ কৃষকসহ পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ৩৭ জন কৃষকই জামিন পেলেন। 

রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক (সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক) মো. শামসুজ্জামান এ আদেশ দেন। 

এর আগে বেলা ১১টার দিকে প্রথমে গ্রেফতার হয়ে জেলে যাওয়া ১২ কৃষকের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। একই সঙ্গে এই মামলায় বাকি ২৫ জনকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন বিচারক। নির্দেশনার পর পরই বাকি কৃষক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। 

জেলে গিয়ে জামিনপ্রাপ্তরা হলেনউপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারি গ্রামের শুকুর প্রামানিকের ছেলে আলম প্রামাণিক (৫০), মনি মন্ডলের ছেলে মাহাতাব মন্ডল (৪৫), মৃত কোরবান আলীর ছেলে কিতাব আলী (৫০), হারেজ মিয়ার ছেলে হান্নান মিয়া (৪৩), মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ মজনু (৪০) ও মৃত আখের উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান (৫০),মৃত সোবহান মন্ডলের ছেলে আব্দুল গণি মন্ডল (৫০), কামাল প্রামানিকের ছেলে শামীম হোসেন (৪৫), মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে সামাদ প্রামানিক (৪৩), মৃত সামির উদ্দিনের ছেলে নূর বক্স (৪৫),  রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আকরাম (৪৬) ও লালু খাঁর ছেলে মোহাম্মদ রজব আলী (৪০)। 

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান সুমন, অ্যাডভোকেট মইনুল ইসলাম মোহন এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট কাজী সাজ্জাদ ইকবাল লিটন। 

এর আগে ৩৭ কৃষকের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) থেকে শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করে। শুক্রবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।


আরও খবর

২ জঙ্গি ছিনতাই: ১০ আসামি ফের রিমান্ডে

বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২




সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় লাগবে ফি

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। সরকারি হাসপাতালে এখন থেকে ডেঙ্গু পরীক্ষায় ১০০ টাকা এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৩০০ টাকা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রবিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে কমিউনিটি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করণে পর্যালোচনা শীর্ষক সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ২০১৯ সালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলে সে সময় বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা সেবা চালু করা হয়। তবে এখন থেকে এনএস-১ পরীক্ষার জন্য ১০০ টাকা, সিবিসি পরীক্ষায় ২৫০ টাকা এবং আইজিএমের জন্য ২৫০ টাকা করে নেওয়া হবে।


আরও খবর

শেখ ফজলুল হক মনির ৮৪তম জন্মদিন আজ

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




মায়ের হাত-পা বেঁধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাতের আধারে ঘরে ঢুকে গলায় চাকু ধরে মাকে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায়।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত ও তার সহযোগীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরে রাতেই প্রধান অভিযুক্ত মো. আলী হোসেন মোল্লাকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আলী হোসেন মোল্লা উপজেলার ছোট কৈবর্তখালী গ্রামের মৃত আনেচ মোল্লার ছেলে। তার সহযোগী আসামি মো. ফুহাত মীর (২২) পলাতক রয়েছে। ফুহাত উপজেলার বড় কৈবর্তখালী গ্রামের মো. শাহ আলম মীরার ছেলে।

জানা যায়, ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে একই এলাকার আলী হোসেন কুপ্রস্তাব দিতেন। তার সঙ্গে থাকতেন আলীর সহযোগী ফুহাত মীরা। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের পরে কয়েকদিন ভুক্তভোগীর বাড়িসহ ওই এলাকা বিদ্যুৎহীন ছিল। গত ২৮ অক্টোবর দিবাগত রাত ২টার দিকে আলী হোসেন ও ফুহাত ভুক্তভোগী পরিবারের বসতবাড়ির জানালার কাঠের শিক ভেঙে ভিতরে ঢুকে ধারালো চাকুর ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর মায়ের হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে আলী হোসেন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। তখন ফুহাত পাহারায় ছিলেন। ধর্ষণ শেষে টর্চ লাইটের আলোতে অভিযুক্তরা তাদের চেহারা দেখিয়ে ঘটনা প্রকাশ না করতে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি দিয়ে চলে যান। সকালে ভুক্তভোগী পরিবারটি কাউকে কিছু না বলে আলী হোসেন ও ফুহাতের ভয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। পরে পুলিশের সহায়তায় ভুক্তভোগী পরিবার এলাকায় এসে মঙ্গলবার রাতে আলী হোসেন ও তার সহযোগী ফুহাতকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি আলী হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় বলেন, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ বুধবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর