Logo
শিরোনাম

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি নাই, নতুন এলাকা প্লাবিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিলেট-সুনামগঞ্জসহ সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় ভিড় বাড়ছে আশ্রয়কেন্দ্রে। পর্যাপ্ত ত্রাণ ও চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন বন্যার্তরা। রয়েছে বিশুদ্ধ পানি, খাবার, শিশুখাদ্য ও গোখাদ্যের সংকটও। কবরস্থানে পানি থাকায় মরদেহ কবর দিতে পারছেন না স্বজনরা।

সিলেটের কুশিয়ারা নদীর পানি ও ফেঞ্চুগঞ্জে ঢলের পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদী তীরবর্তী মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বাড়ছে পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা।

সুনামগঞ্জে শহরের দিকে বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও গ্রামাঞ্চলে এখনও পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ। জেলার ২৫ লাখ মানুষের মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে মানুষ।

কবরস্থানে পানি থাকায় মরদেহ কবর দেয়া যায়নি। পরে কোস্ট গার্ডের সহায়তায় একটি মরদেহ দাফন করা হলেও, অপর একটি মরদেহ কাঠের কফিনে মাটির উপরেই রাখা হয়।

নেত্রকোনার ৬৩ ইউনিয়নে এখনও পানিবন্দি দুই লক্ষাধিক মানুষ। প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রাখলেও না পাওয়ার অভিযোগ অনেকের। ৯৬টি মেডিকেল টিম কাজ করলেও রয়েছে চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগও।

জেলায় ৩৬২টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত ১ লাখ ১৯ হাজার মানুষ। এসব জায়গায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্যসহ গো-খাদ্যের সংকট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বুড়িশ্বর, কুন্ডা, ভলাকুট, গোয়ালনগর, ধরমন্ডল, গোকর্ণ ও চাপরতলা ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির আমন ধান, ৮ হেক্টর সবজির জমি। প্রায় ৩০ কিলোমিটার পাকা-আধাপাকা সড়ক ও বেশকিছু স্কুল পানির নিচে। রয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানি, গো-খাদ্যসহ শুকনো খাবারের সংকট। ২৬টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে উপজেলা প্রশাসন।

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বেড়ে শহরের হার্ড পয়েন্টে বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। শাহজাদপুরের খুকনী ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগ্রাম, আড়কান্দি, চৌহালী ও সদর উপজেলার যমুনা তীরবর্তী ঘরবাড়িতে পানি ঢুকেছে। সয়দাবাদ মহাসড়কের পাশে খোলা আকাশের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ৫০-৬০টি পরিবার। কাজিপুর, সদর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুরের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উজানের ঢলে গাইবান্ধার যমুনা-ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি। ৬০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ভিড় বেড়েছে। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।


আরও খবর



ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ায় পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ওপর সক্রিয় এবং দেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয়। মৌসুমী বায়ু উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।


আরও খবর



বাংলাদেশি যুবককে ভারতে পিটিয়ে হত্যা, ২ দিন পর লাশ ফেরত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের ত্রিপুরার মো. ডালিম নামে এক বাংলাদেশি যুবককে পিটিয়ে হত্যার দুদিন পর মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুন) মধ্যরাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় চেকপোস্টে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।ডালিম জেলার কসবা উপজেলার মাদলা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সূত্রে জানা গেছে, ডালিম গত ১০ জুন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যায়। পরে ১২ জুন ত্রিপুরার সীপাহিজলা জেলার টাকারজলা এলাকায় স্থানীয়দের গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে তাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, সেটি জানা যায়নি। এ ঘটনায় টাকারজলা থানায় একটি মামলা হয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের পর আগরতলাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনারের মাধ্যমে ডালিমের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



সহজ জয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে এগিয়ে গেল উইন্ডিজ

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতে খালেদ আহমেদ যেভাবে তোপ ছুড়েছিলেন, তাতে মনে হয়েছিল অল্প পুঁজিতেও ভালো করার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দেন আগের দিনের ক্যারিবীয়দের দুই অপরাজিত ব্যাটার। তাদের ব্যাটেই দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ-১০৩ ও ২৪৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজ-২৬৫ ও ৮৮/৩ (লক্ষ্য ৮৪)

রোববার অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ৮৪ রানের লক্ষ্যে চতুর্থ দিন মাত্র ৩৫ রানের জন্য মাঠে নামে আগের দিন ৩ উইকেট হারানো উইন্ডিজ। তৃতীয় দিন ১৫ ওভারে দলীয় ৪৯ রানের শেষ করেছিল দলটি। এদিন আরও ৭ ওভারে ৮৮ করে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। ওপেনার জন ক্যাম্পবেল ৬৭ বলে ৯টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন। অন্যপ্রান্তে ৫৩ বলে ২৬ রানে জার্মেই ব্ল্যাকউড অপরাজিত থাকেন।

এর আগে সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসান সোহানের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগা টেস্ট জমিয়ে তোলে বাংলাদেশ। সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের ইনিংসে হাল ধরেন সাকিব আল হাসান ও নুরুল হাসান সোহান। এই জুটি টাইগারদের লিড পাইয়ে দেওয়ার পর ২২১ বলে ১২৩ রানের দারুণ পার্টনারশিপ গড়েন।

তবে ৬ রানের ব্যবধানে দুজনকেই কেমার রোচ তুলে নিলে ম্যাচে ফেরে উইন্ডিজ। বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব ৯৯ বলে ৬টি চারে ৬৩ করে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে ক্যাচ দেন। অন্যদিকে ১৪৭ বলে ১১টি চারে ৬৪ করে উইকেটরক্ষক জসুয়া ডি সিলভাকে ক্যাচ দেন।

বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৫ রানে অলআউট হয়। যেখানে প্রতিপক্ষকে কেবল ৮৪ রানের লক্ষ্য দেয়।

ছোট লক্ষ্য দিলেও বাংলাদেশ পেসার খালেদ আহমেদ স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। উইন্ডিজের দলীয় ৯ রানেই এই ডানহাতি ৩ উইকেট দখল করেন। তিনি একে একে টপঅর্ডারের তিন ব্যাটার ব্র্যাথওয়েট, রেমন রেইফার ও এনক্রুমাহ বোনারকে বিদায় করেন।

এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানে অলআউট হয়। জবাবে ক্যারিবীয়রা প্রথম ইনিংসে ২৬৫ রানে থামে।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটসহ ম্যাচে ৭ উইকেট পাওয়া কেমার রোচ ম্যাচ সেরা হন।

আগামী ২৪ জুন সেন্ট লুসিয়ায় সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজ ট্যাগ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ

আরও খবর



যে কয়েকটি সাজ মেয়েদের জন্য হারাম

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুধুমাত্র স্বামীকে দেখানোর জন্য মেয়েদের সাজসজ্জার অনুমতি রয়েছেন। আর বাকি সব অবস্থায় নারী পর্দা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন মহান রাব্বুল আলামিন। রাসূল পাক (সা.) হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, স্বামী, বাবা এবং আপন ভাইয়ের সামনে যাওয়া ইসলাম সমর্থন দিয়েছে। তাদের সামনে একটু আধটু সাজসজ্জায় কোনো বাধা নেই।

তবে সাজসজ্জা শুধুমাত্র স্বামীকে দেখানোর জন্যই প্রযোজ্য। তারপরও ইসলামে নারীর সাজের ব্যাপারে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ রয়েছে।

যেমন:

কপালে টিপ পড়া:

আসুন আজ আমরা জেনে নেই টিপ কোথা থেকে এসেছে?  আর কেনই বা রাসূল (সা.) নারীদের কপালের মধ্যেখানে বড় ধরনের টিপ পড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করার জন্য চড়ক স্থাপন করেছিল; তখন ফেরেশতারা অন্যপ্রান্ত থেকে বাধা দিচ্ছিল। তখন শয়তান এসে নমরুদের লোকেদের পরামর্শ দিয়েছিল, যখন ফেরেশতারা বাধা দেবে তখন তাদের সামনে খারাপ নারীদের এনে রাখতে। যাদের কপালে টিপ থাকবে এবং তারা উলঙ্গ থাকবে। এতে করে রহমতের ফেরেশতারা দূরে সরে যাবে। তাই করা হলো। নারীদের উলঙ্গ করে এনে সামনে বসিয়ে দেয়া হলো। অতঃপর রহমতের ফেরেশতারা চলে গেল। তখন থেকে নারীদের কপালে টিপ দেয়া বিধানটি ইসলামে নিষিদ্ধ রয়েছে। কারণ এটি খারাপ কর্মে লিপ্ত নারীদের প্রতিক হিসেবে ধরা হতো।

তবে যে সব নারীরা কপালে টিপ দিয়ে থাকেন। তারা সবাই দুশ্চরিত্রা বা খারাপ এই কথাটি কোনো ভাবেই বলা যাবে না। তবে না জেনেই সাধারণত নারীরা এই কাজটি করে থাকেন। আশাকরি খারাপ দৃষ্টি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবেন। কপালে টিপ পড়বেন না।

পরচুলা বা নকল চুল লাগানো:

হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যে নারী পরচুলা লাগায়, লাগিয়ে দেয় আর লাগাতে বলে। এছাড়া যে নারী গায়ে উল্কি আঁকে তাদেরকে অভিশাপ দেন রাসূল (সা.)। বর্তমানে নারীদেরকে দেখা যায় শরীরের বিভিন্ন অংশে অঙ্কন করে। যা ইসলামে পুরোপুরি নিষিদ্ধ কাজ। এমনকি এই পাপাচার মানুষকে পথভ্রষ্ট করে ফেলে।

ভ্রু প্লাক করা:

স্বামী চাইলেও কপালের পশম চাঁছা ও ভ্রু প্লাক করা ইসলামে জায়েজ নেই। কেননা এর দ্বারা আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন করা হয়। যার অনুমতি ইসলামে নেই। এভাবে মুখে বা হাতে সুই ফুটিয়ে নকশা আঁকা বা ট্যাটু করাও বৈধ নয়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক ওই নারীদের ওপর, যারা দেহাঙ্গে উল্কি উত্কীর্ণ করে এবং যারা করায়, যারা ভ্রু চেঁছে সরু (প্লাক) করে ও যারা সৌন্দর্য বৃদ্ধির মানসে দাঁতের মধ্যে ফাঁক সৃষ্টি করে এবং যারা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে। (বোখারি, হাদিস : ৪৮৮৬)।

নখ বড় রাখা:

হাত-পায়ের নখ বড় রাখা বিজাতীয়দের স্বভাব ও একটি ঘৃণিত কাজ। অনেক সময় নখের ভেতর ময়লা জমে খাবারের সময় পেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতি সপ্তাহে হাত-পায়ের নখ কাটা সুন্নত। অন্তত দুই সপ্তাহে একবার কাটলেও চলবে। তবে ৪০ দিনের বেশি না কাটা অবস্থায় অতিবাহিত হলে গুনাহ হবে। (মুসলিম, হাদিস : ২৫৮)

শরিরে ট্যাটু করা:

হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যে নারী পরচুলা লাগায়, লাগিয়ে দেয় আর লাগাতে বলে। এছাড়া যে নারী গায়ে উল্কি আঁকে তাদেরকে অভিশাপ দেন রাসূল (সা.)।

পারফিউম ব্যবহার করা:

সেন্ট, পারফিউম, বডি স্প্রে ইত্যাদিতে যদি কোনো ধরনের নাপাক বস্তু মিশ্রিত না থাকে, তাহলে তা ব্যবহার করা জায়েজ। মুসলিম নারীরা গৃহের মধ্যে অবশ্যই সুগন্ধি ব্যবহার করবে। (তুহফাতুল আহওয়াজি : ৮/৭১)


আরও খবর

দুই বছর পর পুরনো রূপে রথযাত্রা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




রাতে খালি পেটে ঘুমালে হতে পারে যে সমস্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্লি ম হতে অথবা শরীরের ওজন কমাতে অনেকে ডিনার করেন না বা রাতের খাবার খান না। হ্যাঁ ঠিক আছে, ওজন কমানোর জন্য এ পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে, যদি আপনি সকালে ঘুম থেকে ওঠে ক্ষুধাকে দমন করে যা পাব তা খাব প্রকৃতির স্বভাব থেকে বিরত থেকে পরিমিত পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকেন। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য রাতে কিছু না খেয়ে সকালে সবকিছু গোগ্রাসে পেটে ভরতে থাকলে ওজন তো কমবেই না, বরং আরে বেড়ে যেতে পারে। একজন মানুষ যে কারণেই ডিনার থেকে বিরত থাকুক না কেন, তাকে কিছু পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। এখানে রাতের খাবার না খেয়ে ঘুমানোর পাঁচ পরিণতি আলোচনা করা হলো।

* গভীর ঘুম আসবে না

ডিনার বা রাতের খাবার না খেয়েই ঘুমাতে গেলে আপনাকে বিছানায় এপাশ-ওপাশ করতে হতে পারে, অর্থাৎ খালিপেটে বিছানায় গেলে ঘুম বিঘ্নিত হতে পারে। ডিনার এড়িয়ে গেলে আপনি ভালো অনুভব করতে পারেন, কিন্তু যখন আপনি শেষপর্যন্ত ঘুমিয়ে পড়বেন তখন এ ক্ষুধা আপনার মস্তিষ্ককে মানসিকভাবে সতর্ক রাখবে, যার ফলে আপনার রাতে পর্যাপ্ত গভীর ঘুম হবে না, বলেন অ্যাকাডেমি ফর নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্সের মুখপাত্র ওয়েসলি ডেলব্রিজ। তিনি আরো বলেন, প্রকৃতপক্ষে খালিপেটে ঘুমাতে গেলে তা ব্যাকফায়ার বা বুমেরাং হতে পারে, কারণ আপনার রাতে যতটুকু বিশ্রাম দরকার ততটুকু পাবেন না।’

* ওজন বেড়ে যেতে পারে

ডা. ডেলব্রিজ বলেন, অনেক লোকে মনে করেন যে তারা খালি পাকস্থলি নিয়ে বিছানায় গিয়ে শরীরের ওজন কমাতে ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো তারা নিজেদের ওজন আরো বাড়িয়ে তোলার ঝুঁকিতে আছেন- কারণ আপনি রাতে যত বেশি ক্ষুধার্ত হবেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠে তত বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেবে।’ যদি আপনি অত্যধিক ক্ষুধার্ত না হওয়া পর্যন্ত খাবার খেতে অপেক্ষা করেন, তাহলে আপনার ব্লাড সুগারের মাত্রা এত বেশি কমে যেতে পারে যে চোখের সামনে যা দেখবেন তা মুখে দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া রাতে খালিপেটে ঘুমিয়ে সকালে ওঠে এত বেশি খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যে আপনার ব্লাড সুগারের মাত্রা অস্বাস্থ্যকর লেভেলে চলে যেতে পারে, যার ফলে দিনের অবশিষ্ট সময়ে আপনার বিপাকে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। রাতে খাবার এড়িয়ে যেতে চাইলে অন্তত ডার্ক চকলেটের একটি বর্গ অথবা এক মুঠো বাদাম অথবা অন্যান্য স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, যেন সকালে জেগে ওঠে যা দেখেন তা খাওয়ার প্রবণতা রোধ হয়।

* পেশির ঘনত্ব কমে যেতে পারে

জিমে গিয়ে ব্যায়াম করলেও লাভ হবে না, যদি আপনি রাতে খালি পাকস্থলি নিয়ে ঘুমাতে যান। রাতে খাবার না খাওয়ার মানে হলো, প্রোটিনকে পেশিতে কনভার্ট করতে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি নেই- এর ফলে আপনার শরীর শক্তির জন্য পেশিকে ভাঙ্গতে শুরু করে, ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজির একটি গবেষণা অনুসারে। এভাবে (খালিপেটে রাতে ঘুমানো) দীর্ঘদিন চললে আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পেশি বা হার্টের পেশিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দিনে ব্যায়াম থেকে সর্বোচ্চ উপকার পেতে চাইলে রাতে বিছানায় যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পূর্বে ডিনার সেরে নেয়ার চেষ্টা করুন এবং নিশ্চিত হোন যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন খাচ্ছেন, পরামর্শ দেন এ গবেষণার গবেষকরা।

* শরীর শক্তির অভাবে ভুগতে পারে

ভাবছেন যে আপনার শরীরের জন্য রাতের খাবার প্রয়োজন নেই। আবার ভাবুন- আসলে কি তাই? এ প্রসঙ্গে ডা. ডেলব্রিজ বলেন, আপনার শরীর দিনের ২৪ ঘন্টাই প্রতিনিয়ত শক্তি ব্যবহার করছে ও সবসময় ক্যালরি পুড়ছে- এর মানে হলো শরীরের কার্যক্রম ভালোভাবে সম্পাদনের জন্য ঘুমের সময়ও এটির জ্বালানি প্রয়োজন হয় আর এ জ্বালানি আসে খাবার থেকে।’ ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা পেয়েছেন, যেসব পুরুষ বিছানায় ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে ৩০ গ্রাম প্রোটিন সমৃদ্ধ শেক খেয়েছিল তাদের রেস্টিং এনার্জি সেসব পুরুষদের তুলনায় বেশি ব্যয় হয়েছিল যারা রাতে কিছুই খাননি- রেস্টিং এনার্জি এক্সপেনডিচারের মানে হলো, বিশ্রামের সময় শরীর যতটুকু শক্তি বা ক্যালরি পুড়ে। যদি আপনি কিছু না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন, তাহলে নিঃশেষিত শক্তি মাত্রার প্রভাবে দিনের অবশিষ্ট সময়েও ভুগতে পারেন। তাই ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে অন্তত প্রোটিন সমৃদ্ধ স্ন্যাকস খাওয়ার কথা বিবেচনা করুন।

* মেজাজ খারাপ হতে পারে

কেউ রাতে খাবার না খেয়ে ঘুমালে পরের দিন তার মারাত্মক মুড সুইং হতে পারে, অর্থাৎ মেজাজ খারাপ হতে পারে অথবা রেগে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। ডিনার না করার ফলে মেজাজের যে পরিবর্তন হয় তার পেছনে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের গবেষকরা পেয়েছেন, খাবার না খেলে আচরণ/মেজাজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন সেরোটোনিনের মাত্রায় হ্রাসবৃদ্ধি চলতে থাকে- এটি মস্তিষ্কের সে অংশকে প্রভাবিত করে যা মানুষকে রাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পেট ভরা থাকলেও কোনো মেডিক্যাল কারণে একজন মানুষের মুড সুইং বা মেজাজ খিটখিটে হতে পারে।


আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2