
নেত্রকোনার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির
উন্নতি হয়েছে। নদনদীর পানি কমছে। তবে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। দুর্বিসহ
জীবনযাপন করছে পানিবন্দি কয়েক লাখ মানুষ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য
ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে লোকজন নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।
জানা যায়, জেলার কলমাকান্দার উদ্ধাখালী,
দুর্গাপুরের সোমেশ্বরী, খালিয়াজুরীর ধনুসহ বিভিন্ন নদনদীর পানি কমছে। সোমেশ্বরী নদীর
পানি বিপদসীমা নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে লোকজন নিজেদের বাড়িঘরে
ফিরতে শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত জেলায় বন্যার পানিতে ডুবে ছয় জন মারা গেছেন। প্রতিটি
উপজেলায় সংকট দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাবারের। দেখা দিয়েছে জ্বর, পাতলা পায়খানাসহ
পানিবাহিত নানা রোগ-বালাই। এসব রোগে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।
অন্যদিকে জেলার চারটি উপজেলায় প্রশাসনের
সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণসহ চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে।
নেত্রকোনার প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ
জানান, জেলায় বন্যাদুর্গতদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩ লাখ নগদ টাকা, প্রায়
৫৯৩ মেট্রিক টন চাল ও ৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

