Logo
শিরোনাম

বড় ধসের ঘটনা ঘটেছে দেশের শেয়ার বাজারে

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এক সপ্তাহের লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে শেয়ার বাজারের বিনিয়োগকারীরা। আতঙ্কে তারা শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। যার ফলস্বরূপ দিনের লেনদেন শেষে বড় ধসের ঘটনা ঘটেছে দেশের শেয়ার বাজারে। এই ধসের মধ্যে পড়ে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম একদিনেই ১৫ হাজার কোটি টাকা হাওয়া হয়ে গেছে।

রবিবার (৪ মার্চ) শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই দেশজুড়ে এক সপ্তাহের লকডাউনের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে। এতে লেনদেন শুরু হতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ৮৫ পয়েন্ট পড়ে যায়।

শেয়ার বাজারে দেখা দেওয়া এই বড় দরপতনের মধ্যেই এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম জানান, লকডাউনের মধ্যেও শেয়ার বাজারে লেনদেন বন্ধ হবে না। ব্যাংকের লেনদেনের সময়ের সঙ্গে সমন্বয় রেখে শেয়ার বাজারে লেনদেন চলবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার এমন আশ্বাসও বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক দূর করতে পারেনি। ফলে শুরুর বড় দরপতনের ধারা চলমান থাকে। এর মধ্যেই দুপরে লকডাউন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারির পর শেয়ার বাজারে দরপতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

আতঙ্কিত বিনিয়োগকারীরা অস্বাভাবিক বিক্রির চাপ বাড়ালে অনেক কোম্পানির ক্রেতা সঙ্কট দেখা দেয়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সূচকের ওপরে। ফলে দেখতে দেখতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক প্রায় দুশ পয়েন্ট নেই হয়ে যায়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বেড়েছে মাত্র ৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। বিপরীতে দাম কমেছে ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। আর ৬৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা। যা আগের কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ছিল ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ একদিনেই ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ১৫ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। মূলধন বাড়ার অর্থ হলো, তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ বেড়েছে।

বড় অঙ্কের বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক আগের দিনের তুলনায় ১৮১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮৮ পয়েন্টে নেমে গেছে। এর মাধ্যমে গত বছরের ৯ মার্চের পর সূচকটির সব থেকে বড় পতন হল।

প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি বড় পতন হয়েছে ডিএসইর অপর দুই সূচকের। এর মধ্যে ডিএসই-৩০ সূচক ৮২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯০১ পয়েন্টে নেমে গেছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৩৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিকে সূচকের বড় পতনের দিনে ডিএসইর লেনদেন হয়েছে ৫২১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৪৫১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৬৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

অপর শেয়ার বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৫৪২ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৭৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮৪টির। আর ১৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শেয়ার বাজার

আরও খবর



‘ও’ এবং ‘এ’লেভেল পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এবং লেভেল পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টরকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করে।

চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিমারির কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে এবং এখনও পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অনুকূলে না আসায় বাংলাদেশে বাংলা মিডিয়া ও সাধারণ ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও পাবলিক পরীক্ষা আপাতত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

অন্যদিকে বর্তমানে কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে যুক্তরাজ্য এবং আমাদের প্রতিবেশী অন্যান্য দেশেও ক্যামব্রিজ পদ্ধতির পরীক্ষা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় এ সময়ে আমাদের দেশেও এ পরীক্ষা গ্রহণ করা যুক্তিসঙ্গত হবে না মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠেয় ক্যামব্রিজ পদ্ধতির এবং লেভেলের পরীক্ষাগুলো গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

প্রসঙ্গত, গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা বাড়িয়ে আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়।


আরও খবর



শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার ইসবগুলের ভুসি

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইসবগুলের ভুসি। মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি খাবার। বিশেষ করে এই ভুসি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এটি অভ্যন্তরীণ পাচনতন্ত্রের সমস্যায় ঘরোয়া চিকিত্সা ও প্রতিকারের জন্য বেশ উপকারী।

আমরা অনেকেই ঘুমানোর আগে অথবা সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ভেজানো ইসুবগুলের ভুসি খেয়ে থাকি। কেউ কেউ এ ভুসি খায় রাতের খাবারের পরে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রেখে। কিন্তু ভিজিয়ে না রেখে ইসুবগুলের ভুসি পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।

ইসবগুলের পুষ্টিগুণ

১ টেবিল চামচ ইসবগুলে আছে-

ক্যালরি      ৫৩%

ফ্যাট ০%

সোডিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম

কারবোহাইড্রেট (শর্করা) ১৫ গ্রাম

ক্যালশিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম

আয়রন (লোহা) ০.৯ মিলিগ্রাম

কতটুকু খাবেন?

অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় ইসবগুল খেলে কোন সমস্যা হয় না। প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ ৩ বার খাওয়া যায় এবং অবশ্যই তা পানিতে গুলিয়ে খেতে হবে। এছাড়া সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

এবার জেনে নিন ইসবগুলের ভুসির কার্যকারিতা

অ্যাসিডিটির প্রতিকারে : আমাদের প্রায় সবারই কিছু না কিছু অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে, আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার। ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি সঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে প্রতিবার খাদ্য গ্রহণের পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠান্ডা দুধে মিশিয়ে পান করতে হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে : ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্য আঁশের চমত্কার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে ঘরোয়া উপায় হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। পাকস্থলীতে গিয়ে এটি ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পান করতে হবে।

ডায়রিয়া প্রতিরোধে : ইসবগুলের ভুসি ডায়রিয়া প্রতিরোধেও সক্ষম। ডায়রিয়া প্রতিরোধে ইসবগুল দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে বলে খুব কম সময়েই এটি ডায়রিয়া সারাতে পারে। ডায়রিয়া প্রতিরোধে দিনে দুবার ভরাপেটে ২ চামচ ভুসি ৩ চামচ টাটকা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।

হার্টের সুস্থতায় : ইসবগুলের ভুসিতে থাকা খাদ্যআঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আমাদেরকে হূদরোগ থেকে সুরক্ষিত করে। যে কারণে চিকিত্সকরা সব সময় হূদরোগ প্রতিরোধে এধরনের খাবারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটি পাকস্থলীর দেয়ালে একটা পাতলা স্তর সৃষ্টি করে। যা খাদ্য হতে কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়; বিশেষ করে রক্তের সিরাম কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এছাড়াও এটি রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরিয়ে দেয়, যা থাকলে ধমনীতে ব্লক সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।

কোষ্ঠকঠিন্যতায় : এ সমস্যা হলে ৫-১০ গ্রাম ইসবগুল নিয়ে ১ কাপ ঠাণ্ডা বা গরম পানিতে আধাঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তাতে ২-৩ চামচ চিনি মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে বা রাতে শোয়ার আগে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এতে রয়েছে প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের পেটের পীড়া, কোষ্ঠকঠিন্যতায় উপকারী। যারা দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকঠিন্যতায় ভুগছেন তারা ২ মাস নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকঠিন্য দূর হবে। পেট স্বাভাবিক হলে সপ্তাহে ১-২ দিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। বেশি মাত্রায় খেলে ডায়রিয়ার সমস্যা হতে পারে।

পেট পরিষ্কারে ওষুধের চেয়ে ইসবগুল অনেকগুণে উপকারী। সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে অর্শ্বরোগের সৃষ্টি হয়। অর্শ্বরোগ অনেক সময় ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধিতেও রূপান্তরিত হতে পারে। এসব সমস্যার শুরু থেকে সমাধান করতে ইসবগুলের ভুসি উপকারী। ওষুধ পেটকে কেমিক্যালাইস করে; ইসবগুলের ভুসি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের সুস্থ রাখে। প্রতি রাতে ভুসি খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করলে আমাশয় থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

আমাশয় : ইসবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না, তবে বের করে দিতে পারবে। তাই আমাশয়ের রোগীরা সকালে ও রাতে একগ্লাস ইসবগুলের শরবত খেলে উপকার পাবে। ওষুধ খেয়ে আমাশায় ঠিক করলে জীবাণুগুলো পেটের ভেতরে মরে গেলেও শরীর থেকে বের হয় না; যার কারণে আবারও আমাশায় রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে।

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া : যাদের ইউরিনে জ্বালাপোড়া আছে তারা সকালে-বিকালে শরবতের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমবে এবং ইউরিনের রং স্বাভাবিক হয়ে যাবে। হাতে, পায়ে জ্বালাপোড়া ও মাথা ঘোরানো রোগে আখের গুড়ের সঙ্গে ইসবগুলের ভুসি মিলিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

নির্দিষ্ট মাত্রায় ইসবগুল খেলে তেমন কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা ভালো।

নিউজ ট্যাগ: ইসবগুলের ভুসি

আরও খবর



মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৮

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী শুক্রবার আরও আটজন বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করেছে। অংবান শহরে নিরাপত্তা বাহিনী অভ্যুত্থান বিরোধীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস ছোড়ে। এরপর বিক্ষোভকারীদের একটি ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে তারা গুলি চালায়। খবর রয়টার্সের।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তাতে বাধা দেয়। তখন তারা গুলি ছোড়ে।

অংবানের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সেবার এক কর্মকর্তা জানান, আটজন মারা গেছেন। সাতজন ঘটনাস্থলে মারা যান। একজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ইয়াঙ্গুনের স্থানীয়রা জানান, পুলিশ সাধারণ জনগণকে বিক্ষোভকারীদের ব্যারিকেড সরাতে বাধ্য করেছে। এছাড়া মান্দালয়, মিয়ানগ্যান, কাথা ও মিয়াওয়াডিতেও অভ্যুত্থান বিরোধীরা শুক্রবার বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




হেফাজতের ডাকা হরতালে মহাসড়কেও যান চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হেফাজতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে রাজধানীর বাইরেও খুব একটা প্রভাব পড়েনি স্বাভাবিক জীবনযাপনে। সড়ক-মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এরপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সড়কের মোড়ে মোড়ে রয়েছে পুলিশ মোতায়েন।

হেফাজত-অধ্যুষিত চট্টগ্রামেই ছিল না হরতালের কোনো রেষ। রোববার (২৮ মার্চ) সকাল থেকেই যানবাহন চলাচল ছিল পুরোপরি স্বাভাবিক।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে এবং যান চলাচল খুবই স্বাভাবিক। কোনো ধরনের মিছিল এবং পিকেটিংও দেখা যায় নাই।

একই চিত্র বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর, রংপুর, যশোরেও। নিরুত্তাপভাবে পালন হয় হরতাল। অফিস কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও স্বাভাবিক নিয়মে খোলা। রাস্তায় হেফাজতের কোনো অবস্থান না থাকলেও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান ছিল সুসংহত।

তবে নারায়ণগঞ্জে হরতাল বাস্তবায়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিক্ষোভ করে হেফাজত নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এ ছাড়া গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। শহরে জোরদার করা হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল।

নিউজ ট্যাগ: হরতাল

আরও খবর



সু চির বিরুদ্ধে এবার ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ২৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চির বিরুদ্ধে আবারও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। দেশটির সেনাশাসকদের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক নির্মাণ ব্যবসায়ী দাবি করেছেন, ব্যবসায়িক সুবিধার জন্য তিনি সু চিকে পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার ঘুষ হিসেবে দিয়েছিলেন।

গত পহেলা ফেব্রুয়ারি সু চির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত ও তাকে গৃহবন্দি করে সামরিক বাহিনী। এরপর সু চির বিরুদ্ধে আমদানি-রপ্তানি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা হয়। এ ঘটনার পর ছয় লাখ ডলার ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়। সু চির আইনজীবী এই মামলা দুটিকে ভিত্তিহীন অভিযোগে দায়ের করা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার সু চির বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার করেন মং ওয়াইক নামের এক ব্যবসায়ী। মাদক পাচারের অভিযোগে কারাভোগও করেছেন এই ব্যবসায়ী।

এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, তার ব্যবসার সুবিধার জন্য তিনি সু চির সরকারের মন্ত্রীদের ঘুষ দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে সু চির মায়ের নামে প্রতিষ্ঠিত একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ ৫০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। এছাড়া দেড় লাখ ডলার ২০১৯ সালে, ৫০ হাজার ডলার গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার এপ্রিলে দিয়েছিলেন।

সেনা নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন চ্যানেলে বলা হয়েছে, অং সান সু চি দুর্নীতি করেছেন এবং কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১