Logo
শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের স্ত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজ কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী অনামিকা (২১) আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, অনামিকা রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দিবাগত রাতে ডিএমপির তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অপূর্ব হাসান নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনামিকা বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আমরা জানতে পেরেছি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তার স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন আমরা তা জানি না। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিহতের পরিবার এখন পর্যন্ত থানায় মামলা করতে আসেনি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করেছে। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান।

এ বিষয়ে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশিষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, সোমবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় অনামিকাকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এর আগে, রোববার (২২ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ফারুকী পার্ক সংলগ্ন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাজ কুমার বিশ্বাসের সরকারি ডরমেটরিতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন অনামিকা। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় প্রথমে জেলা সদর হাসপাতালে এরপর শহরের নিউ ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সোমবার বিকেলে তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অনামিকা কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন সে সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

এ বিষয়ে নিউ ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের মালিকপক্ষের একজন বাবুল মিয়া জানান, তিনি সম্ভবত ফাঁসিতে ঝুলে ছিলেন। তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর বলা হয় আইসিইউ সাপোর্ট লাগবে। এরপর তাকে আমাদের এখানে আনা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়।

অনামিকার মৃত্যুর বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


আরও খবর



বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বসুন্ধরা গ্রুপ

বিভাগের নাম: এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন, সেক্টর-বি

পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ (এইচআরএম)

অভিজ্ঞতা: ০১ বছর

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: পুরুষ

বয়স: নির্ধারিত নয়

কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৮ জুলাই ২০২২

নিউজ ট্যাগ: চাকুরীর খবর

আরও খবর

মেঘনা গ্রুপে ডিজিএম পদে চাকরি

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধের সুপারিশ বিআরটিএর

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে। রোববার (১৯ জুন) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর কার্যালয়ে এক কর্মশালায় এ সুপারিশ করা হয়েছে।

গত ঈদুল ফিতরের সময় সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেশি হওয়ায় মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধের সুপারিশ করা হয়।

কর্মশালায় বলা হয়, মোটরসাইকেল চলাচল বৃদ্ধির কারণে আগের তিনবারের তুলনায় গত ঈদুল ফিতরের সময় সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বেশি হয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, ২০২১ সালের ঈদুল ফিতরে মহাসড়কে ৫৬ সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৭ জন নিহত হয়েছে। গত ঈদুল ফিতরের আট দিনে ১০৬ দুর্ঘটনায় ১০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিন ১৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

কর্মশালায় বলা হয়, যেসব জাতীয় মহাসড়কের পাশে সার্ভিস রোড রয়েছে, সেসব মহাসড়কের সার্ভিস রোডে মোটরসাইকেল চলতে দেওয়া যেতে পারে।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, গত ঈদযাত্রায় যানজটের ভোগান্তি ছিল না। কিন্তু দুর্ঘটনা বেড়েছে। মহাসড়কে মোটরসাইকেল বৃদ্ধির কারণেই ঘটছে দুর্ঘটনা। সাধারণ সময়েও মোটরসাইকেলে দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে।

সড়ক পরিবহন সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরীর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, বিআরটিসির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী একেএম মনির হোসেন পাঠানসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।


আরও খবর



আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান তিনি। সে সময় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

এই রাজনৈতিক দলটি এ দেশের সুদীর্ঘ রাজনীতি এবং বাঙালি জাতির আন্দোলন-সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দলটির নেতৃত্বেই এদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। রোজগার্ডেনে জন্মগ্রহণের পর থেকে নানা লড়াই, সংগ্রাম, চড়াই-উৎরাইপেরিয়ে দলটি এখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়।

আওয়ামী লীগের ইতিহাস থেকে জানা যায়, এ দেশের অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও তরুণ মুসলিম লীগ নেতাদের উদ্যোগে ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪ জুন পুরনো ঢাকার কেএম দাস লেনের বশির সাহেবের রোজ গার্ডেনের বাসভবনে একটি রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

মুসলিম লীগের প্রগতিশীল নেতা-কর্মীরা সংগঠন থেকে বেরিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন আওয়ামী মুসলিম লীগ। প্রথম সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রথম কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক।

১৯৬৬ সালের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির একচ্ছত্র নেতা। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও জাতির পিতা।

৬৯-এর গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালির যে জাগরণ ও বিজয় সূচিত হয়, সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল আওয়ামী লীগ এবং এই আন্দোলনের পথ ধরেই বাঙালি জাতি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা, ৩ নভেম্বর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর নেতৃত্ব শুন্যতায় পড়ে আওয়ামী লীগ। এর পর দলের মধ্যে ভাঙনও দেখা দেয়। ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। তার নেতৃত্বে দ্বিধা-বিভক্ত আওয়ামী লীগ আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। তিন দশক ধরে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পরিচালিত হচ্ছে। এই সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছে দলটি।

আবার ৭৩ বছরের মধ্যে প্রায় ৫০ বছরই আওয়ামী লীগকে থাকতে হয়েছে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের সাড়ে তিন বছর এবং ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৫ বছর, ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করছে।

২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর অনেকটা সুসংহত হতে সক্ষম হয়ে জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে সফলতার পরিচয়ও দিয়েছিল দলটি। কিন্তু এই আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ জুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নিলে আবারো নতুন সংকটের মুখে পড়ে যায় দলটি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাসহ প্রথম সারির অসংখ্য নেতারা গ্রেফতার এবং একাংশের সংস্কার তৎপরতায় কিছুটা সংকটে পড়ে দলীয় কার্যক্রম।

তবে, সকল প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি গঠিত হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।

পরে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি-জামায়াত জোটের শত প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং তৃতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী হন।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সুখী, সমৃদ্ধ ডিজটাল বাংলাদেশ গড়াসহ বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে দলটি।


আরও খবর



প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেল উত্তর কোরিয়া

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেল উত্তর কোরিয়া। দেশটির প্রবীণ কূটনীতিক চো সন-হুই এই পদে নিয়োগ পেয়েছেন। আজ শনিবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএর বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দলীয় এক বৈঠকে তাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। চো সন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি সন গওনের স্থলাভিষিক্ত হবেন। এর আগে চো সন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

চো সন মূলত একজন কূটনৈতিক। তিনি ভালো ইংরেজি বলতে পারেন। চো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনার সময় কিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং কিমের সঙ্গে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত দুই নেতার শীর্ষ সম্মেলন কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। ওই রাতে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি প্রশ্নোত্তর সেশনের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে তিনি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করেছিলেন।

এই কূটনীতিক তখন বলেছিলেন, আমি মনে করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে একটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছে।’

কিমের শাসনামলে এখন পর্যন্ত পিয়ংইয়ং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। উত্তর কোরিয়া একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা দেশটির ওপর চরম অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। এর মধ্যে উত্তর কোরিয়া একজন প্রবীণ নারী কূটনীতিককে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিল।


আরও খবর



‘পদ্মা সেতু উন্নয়নকে বাধাদানকারীদের মুখে চপেটাঘাত’

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সততা, সাহসিকতা ও আত্মবিশ্বাসের উজ্জল উদাহরণ। বাঙালি জাতির সক্ষমতা ও গর্বের প্রতীক। একইসঙ্গে অবৈধ উপায়ে যারা পদ্মা সেতুসহ দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল তাদের মুখে চপেটাঘাত। তাদের অপচেষ্টাকে পেছনে ফেলে নির্মিত হওয়া পদ্মা সেতু অজস্র কাল ধরে বাঙালি জাতির অহংকার বহন করে চলবে।

বুধবার (২৯ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত পদ্মা সেতু: সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মামুন আল মাহতাম স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়াও অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক আতিয়ার রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাসিম আখতার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভুইয়া প্রমুখ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে যারা বাধা দিয়েছে, অসত্য প্রচার করেছে, সে ড. ইউনুসই হোক আর তার সাঙ্গপাঙ্গরাই হোক, সবাইকে বিচারের আওতায় আনার বিকল্প নেই। যদিও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কারো বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই। সেটি প্রধানমন্ত্রী তার মহানুভবতা থেকে বলেছেন। বাস্তবে অপরাধীদের নিস্তার পাওয়ার সুযোগ নেই।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, একজন নেত্রী বলেছিলো, পদ্মা সেতু জোড়াতালি দেয়া সেতু। কেউ যাতে না ওঠে। সেই নেত্রীর এক অনুসারী, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে পদ্মা সেতুর নাটবল্টু খুলেছে। যা ছিনতাইয়ের সমান। বোঝা যাচ্ছে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। এগুলো প্রতিহত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।


আরও খবর