
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় গত ১৯ জুলাই থেকে
দেশজুড়ে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন
এলাকায় সর্বনিম্ন এক ঘণ্টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে।
এদিন ঢাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্বে থাকা
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) এবং ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানির
(ডেসকো) দেওয়া লোডশেডিংয়ের সূচিতে এমনটাই দেখা গেছে।
এর আগে চলতি অক্টোবর মাস থেকে লোডশেডিং
পুরোপুরি কমবে বলে জানিয়েছিল সরকার। কিন্তু তা তো হয়নি; বরং লোডশেডিং আরও বেড়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, জুলাই থেকে
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং
করা হয়েছে। এখন তা বেড়ে হয়েছে আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত, যা গত তিন
মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে এখন।
ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)
বিকাশ দেওয়ান গত সোমবার বলেন, প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট ঘাটতি হচ্ছে। গত তিন
মাসে এমন পরিস্থিতি হয়নি।
এ ব্যাপারে ডেসকোর এমডি আমির কাউসার আলী
জানান, কোথাও কোথাও এখন দিনে পাঁচবার লোডশেডিং করতে হচ্ছে। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি খুব
খারাপ যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দিনে ৩০০ মেগাওয়াটের মতো সরবরাহের ঘাটতি হচ্ছে। কোনো
কোনো ফিডারে (নির্দিষ্ট গ্রাহক এলাকা) দিনে চারবার পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

