Logo
শিরোনাম

‘বইয়ে কোন বিষয়ে বিতর্ক বা ভুল থাকলে তা অবশ্যই পরিবর্তন করা হবে’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বইয়ে কোনো বিষয়ে বিতর্ক বা ভুল থাকলে তা অবশ্যই পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার দুপুরে মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভুল পরিবর্তনের সাথে সাথে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মতো কোনো বিষয় পাঠ্যবইয়ে রাখা হবে না। ভুল খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি হবে। দেশ-বিদেশ থেকে অনলাইনে যে কেউ বইয়ের ব্যাপারে মতামত দিতে পারবেন।

আরেকটি কমিটি হবে পাঠ্যবইয়ের অসঙ্গতিতে কর্মকর্তাদের কারো গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে। আগামী রবিবারের মধ্যে কমিটির ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।


আরও খবর



সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট থেকে সাবধান!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা সৈকতের জন্য সেন্টমার্টিন জনপ্রিয়। প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে সৈকত। অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে, এই বছর আবারো শুরু হয়েছে সেন্টমার্টিনের সঙ্গে সব রুটের জাহাজ চলাচল। কেউ হয়তো প্রথমবার, কেউ হয়তো অসংখ্যবারের মতো আবারো ছুটছেন সেন্টমার্টিনের পথে। তবে কিছু কথা সেন্টমার্টিন নিয়ে অন্তত প্রতি সিজনের শুরুতে না বললেই হয়তো নয়। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাতে কারো কাছে মর্মান্তিক হয়ে না ওঠে তাই সেখানে যাওয়ার আগে বেশ কিছু বিষয় জেনে রাখা দরকার।

মনে আছে, কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নেটওয়ার্কের বাইরে নাটকের কথা। কিংবা বহু বছর আগে সেন্টমার্টিনে আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা। আজ সে বিষয়েই বলবো কিছু কথা- যদি সেন্টমার্টিনের ম্যাপ দেখেন তাহলে স্পষ্ট বুঝতে পারবেন বিষয়টি। খেয়াল করলে দেখবেন, সেন্টমার্টিনের যে প্রান্তে সর্বাধিক মৃত্যুর ঘটনা সেটি কিন্তু মাথা বা কোণার দিকে। বাংলাদেশের সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য সৈকতে মানুষ মারা যাওয়ার মধ্যে একটি পার্থক্য হলো, ভাটার সময় কোনো দেশ পর্যটকদের সমুদ্রে নামার অনুমতি দেয় না।

তবে দেশের অনেক মানুষ অজান্তেই ভাটার সময় সমুদ্রে নেমে পানিতে ভেসে যায়। এজন্য কক্সবাজার বা কুয়াকাটায় যাওয়ার আগে গুগল করে জোয়ার ভাটার সময় জেনে নিতে পারেন। ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আরও একটি বিপজ্জনক বিষয় আছে। যাকে বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত। সমুদ্রসৈকতে ৮০ ভাগ মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোতের কারণে হয়। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতিবছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারণে। এদেশেও সমুদ্রসৈকতে যেসব মৃত্যু হয়, তার বেশিরভাগই রিপ কারেন্টের জন্যই হওয়ার কথা। আবার সেন্টমার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ সেটিও কিন্তু রিপ কারেন্টের একটি বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে যায়।

রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত কী: এটি এক ধরনের ঢেউ, যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে উল্টো দিকে প্রবাহিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেউ বাতাসের কারণে বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চিকন একটি পথ ধরে সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে। আর ওই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে ঢেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে। এই সরু পথের ঢেউকেই বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত। এটি যে কোনো সমুদ্রে হতে পারে, তবে কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত হতে পারে।

কীভাবে রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত চিনবেন: রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোতের একটা ভয়ংকর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এটি দেখতে মনে হয় খুব শান্ত ও উপর থেকে ওই ঢেউয়ের পানির রং গাঢ় নীল দেখায়। অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোতের সময় দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে। রিপ কারেন্ট যখন প্রবাহিত হয় তখন সে ফেরার পথে ঢেউয়ের মাথা ভেঙে দেয়। ফলে সেই স্থান বেশি শান্ত দেখায়।

উল্টো স্রোতে পড়লে কীভাবে বাঁচবেন: যারা সাঁতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, তীরের দিকে ফেরার চেষ্টা না করে বরং সৈকতের সমান্তরালভাবে উল্টো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। কারণ সাগরের স্রোত যখন টান দেবে, তখন শক্তি দিয়েও স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবে না। তাই শক্তি নষ্ট করবেন না।

রিপ কারেন্ট কয় ধরনের: তিন ধরনের রিপ কারেন্ট আছে। একটি ফিক্সড, আরেকটি হঠাৎ আরেকটি টপোগ্রাফিক যার মধ্যে অন্যতম একটি হলো হেডল্যান্ডের কারণে রিপ কারেন্ট। ফিক্সড হয় কিছু কিছু এলাকায় যেমন- যেখানে ব্রিজ আছে বা কোনো গভীর গর্ত আছে। হঠাৎ যেটি হয়, সেটি যে কোনো জায়গায় বাতাসের কারণে হতে পারে। সেন্ট মার্টিনের বিপজ্জনক অংশ হেডল্যান্ড বৈশিষ্ট্যের এলাকায়, যেখানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে। এক্ষেত্রে বাতাসের কারণে দুদিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় বা তার দুপাশেই একটি রিপ কারেন্ট তৈরি হতে পারে। এটি একটি মৃত্যুফাঁদ।

এখানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে, যেগুলো দিয়ে ঘন ঘন উলটো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। যা শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তাই ভুলেও জেটি ঘাটে নেমেই উত্তরের বিচে নামতে যাবেন না। যদিও সেন্টমার্টিনের পানিতে নামার জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিচ উত্তর বিচ। তবে এই উত্তর-পূর্বেই আছে ভয়ংকর রিপ কারেন্ট। সেন্টমার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাঁতার কাটতে নেই। তাই সামনে কাউকে দেখলে তারা মানা করেন। তবে বেশিরভাগ মানুষই অসাবধানতার কারণে উল্টো স্রোতে পড়ে মারা যায়।

সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে হেডল্যান্ড ধরনের টপোগ্রাফিক রিপ কারেন্ট কিন্তু নিয়মিত একটি বৈশিষ্ট্য। এই স্থানে যদি একটি মৃত্যুও ঘটে, আমরা কিন্তু তাকে দুর্ঘটনায় বলতে পারি না। আমাদের সবারই উচিত এ বিপজ্জনক স্থান সম্পর্কে জানা ও অন্যকে জানানো। যাতে অজান্তে আর কোনো মৃত্যু না ঘটে।

বলে রাখা ভালো, রিপ কারেন্ট পৃথিবীর সব সৈকতেই হয়। এজন্য সতর্কতাও নিতে হয়। রিপ কারেন্টের ভয়ে সমুদ্রযাত্রা বন্ধ করার দরকার নেই। তবে সতর্ক থাকা জরুরি।

নিউজ ট্যাগ: রিপ কারেন্ট

আরও খবর

মাচুপিচু: পেরুর বিস্ময়কর ইনকা নগরী

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




নীলফামারীর সমতলে ফলেছে দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি কমলা সাদকি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নীলফামারী জেলার সমতলের মাটিতে ফলেছে এখন ভারতের দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি জাতের কমলা সাদকি। আকারে বড়, রসালো এ কমলার রঙ ও স্বাদ রয়েছে অটুট। নীলফামারী সদরের কচুকাটা গ্রামের এ আর লেবু মিয়া (৫৬) নার্সারি ব্যবসার পাশিপাশি গড়ে তুলেছেন একটি বাগান। সে বাগানে পাহাড়ি সাদকি জাতের কমলার রঙ, স্বাদ ধরে রাখতে সফল হয়েছেন তিনি। গত কয়েক বছর থেকে ফল পাওয়ায় এখন বেড়েছে বাগানের পরিধি।

গ্রামটিতে কচুকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে এ আর মামুন নামে তার ওই নার্সারির অবস্থান। এরই একটি অংশে গড়ে তুলেছেন পাহাড়ি সাদকি জাতের কমলার বাগান। ২০১৩ সালে ভারতের দার্জিলিং থেকে দুটি সাদকি জাতের কমলার চারা এনে রোপণ করেছিলেন নার্সারিতে। সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে চারা তৈরীর পর গত বছর থেকে পরিপূর্ণ ফল পেতে শুরু করেছেন ৬০টি গাছে। বাগানের পরিধি বাড়ায় আগামী বছর পাঁচ বিঘা জমিতে আরো ৬০০ গাছে ফল পাওয়ার আশা প্রকাশ করছেন তিনি। শুধু তাই নয়, বর্তমানে তার নার্সারিতে প্রস্তুত আছে ৮০ হাজার সাদকি জাতের কমলার চারা। শুধু কমলা এবং মালটা মিলে নার্সারিতে রয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার চারা। বাগানে ফল দেখে আগ্রহী হয়ে অনেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন সে চারা। 

লেবু মিয়া জানান, একসময়ে অর্থভাবে লেখাপড়ার করতে পারেনি তার বড় ছেলে। এরপর নিজের ভাগ্য পরিবর্তনে ২০০১ সালে এক বিঘা জমি চুক্তি নিয়ে শুরু করেন নার্সারি ব্যবসা। দিনে দিনে বাড়তে থাকে প্রসার। বর্তমানে ২৫ বিঘা জমি ক্রয় করে বৃদ্ধি করেছেন নার্সারির এলাকা। সেখানে প্রতিদিন কাজ করছেন ৩৫জন শ্রমিক। এছাড়া চায়না কমলা, বিভিন্ন জাতের মাল্টা, ত্বিন ফল, পেপে, মিষ্টি লেবু, অ্যাভোকাডো, জয়তুন, মালবেরি জয়তুন, বিভিন্ন প্রজাতির আমসহ ফিলিপাইন আম, ব্লাকবেরি, লিচুসহ ফুল ও ফলের বাগান ছড়িয়েছেন ৪৯ বিঘা জমিতে। বাগানের এমন পরিধিতে গত বছর ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ করে আয় করেছেন ৮০ লাখ ১৪ হাজার টাকা। দিনে দিনে বাড়ছে তাঁর আয়ের পরিধি। অর্থাভাবে লেখাপড়া করতে না পারা বড় ছেলে এ আর হারুন খুঁজে পেয়েছেন কর্মের পরিধি। মেজ ছেলে এ আর মামুন রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স পড়ার পাশপাশি দেখভাল করছেন ব্যবস্যার। একমাত্র মেয়ে মাহমুদা আক্তার লিহা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির। তার বাগানে গিয়ে দেখা গেছে প্রতিটি গাছে থোকায়-থোকায় ঝুলছে পাকা কমলা। সুমিষ্ট পাকা কমলার রঙ আকৃষ্ট করছে মানুষকে। সেখানে আগতরা সুমিষ্ট পাকা কমলা খেয়ে তৃপ্ত হচ্ছেন আর লেবু মিয়ার কাছে মনযোগ সহকারে শুনছেন বাগান গড়ার সফলতার গল্প।

লেবু মিয়া জানান, গত চারবছর ধরে তার বাগানের ৬০টি কমলা গাছে ফল আসছে। এসব ফল বাজারে বিক্রি না করে দর্শনার্থীদের খাওয়ার জন্য রেখেছেন। ফল খেয়ে তৃপ্ত হয়ে অনেকে চারা সংগ্রহ এবং বাগান তৈরীতে আগ্রহী হচ্ছেন। আগামী বছর আরও ৬০০ গাছে ফল আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

লেবু মিয়ার মেজ ছেলে এ আর মামুন বলেন, আমরা যখন কমলা বাগান করি- তখন অনেকে বলেছিলেন এটা শীত প্রধান এলাকার পাহাড়ি ফল। সমতলে হবে না, ফল হলেও টক হবে, আকারে ছোট হবে। কিন্তু এখন তারাই এসে এ ফল খেয়ে প্রসংসা করছেন। আমরা বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীদের মাধ্যমে ফলের চারা সংগ্রহ করি। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা নিয়ে বাগানে লাগাই। গাছে ফল আসার পর মান ভালো না হলে সে গাছ কেটে ফেলি। মানসম্মত হলে ওই গাছ থেকে চারা উৎপাদন করে বাজাজাত করি। আমাদের বাগানের সাদকি কমলা খুবই সাড়া ফেলেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ চারা সংগ্রহের জন্য যোগাযোগ করছেন। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে আগ্রহীদের মধ্যে চারা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করছি।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মোছা. হোমায়রা মন্ডল বলেন, সাদকি কমলার জাতটি পাহাড়ি হলেও নীলফামারীর সমতলের মাটির আবহাওয়ার সঙ্গে ভালোই খাপ খেয়েছে। রসালো ওই কমলার স্বাদ এবং আকার অক্ষুন্ন আছে। এ আর মামুন নার্সারি বাগান করে রীতিমতো ফল ফলিয়ে দেখাচ্ছেন যে এখানে ফলন সম্ভব। বিভিন্নজন চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন, সেখানেও ফলন ভালো হচ্ছে। আমরা চাষীদের উৎসাহিত করছি, যাতে নীলফামারীসহ আশপাশ অঞ্চলে কমলার বাগান আরও বাড়ে। যে কমলা বাইরের দেশ থেকে এনে আমরা খাই সেটির ব্যাপকতা বাড়লে হাতের নাগালে বাগান থেকে নিরাপদ ফল পাবেন ভোক্তরা। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

নিউজ ট্যাগ: নীলফামারী

আরও খবর

লোগো পদ্ধতি ধান চাষে ফলন বাড়ে

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

লালশাক চাষ করার সহজ উপায়

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩




পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীতের পোশাকের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীতে শীতের তীব্রতা ব্যাপক বেড়েছে। ফলে শীতের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষায় প্রয়োজন পোশাকের। এ জন্য চাহিদাও বেড়েছে এই পোশাকের। কিন্তু চাহিদা যতই বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শীতের পোশাকের দামও। শপিংমল থেকে শুরু করে ফুটপাত সবখানে বেড়েছে প্রয়োজনীয় পোশাকটির।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ-সংলগ্ন ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানগুলোয় শীতের পোশাক কেনার জন্য ভিড় জমেছে। কাছে যেতেই দেখা যায়, দর-কষাকষি করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। কেউ নিচ্ছেন, কেউ ফিরে যাচ্ছেন।

লক্ষ্মীবাজারে ফুটপাত থেকে ছেলেমেয়ের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসেন রাবেয়া বেগম। জানতে চাইলে বলেন, ‌‌‌শীতের শুরুতে একবার শীতের পোশাক দেখে এসেছিলাম। তখন বাচ্চাদের একটা সোয়েটারের দাম ছিল ৩০০ টাকা। ভেবেছিলাম কদিন গেলে দাম আরও কমবে। কিন্তু আজ এসে দেখি সেই সোয়েটারের দাম আরও ১০০ টাকা বাড়িয়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দোকানদাররা পাল্লা দিয়ে শীতের পোশাকের দামও বাড়িয়েছে। আমাদের মতো মানুষের একটা নতুন জিনিস কিনতে তিনবার ভাবতে হয়। উপায় না দেখে অন্য একটা দোকান থেকে কম দামি একটা সোয়েটার কিনে দিয়েছি ছেলেকে। দাম কমলে অন্য আরেক দিন এসে মেয়েটার জন্য নেবো।

গ্রেট ওয়াল শপিংমলে ছেলেমেয়ের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা শরিফা নামের এক ক্রেতা বলেন, শপিংমলের লোকাল ব্র্যান্ডের পণ্যগুলোয় এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম দ্বিগুণ হয়েছে। তার চেয়ে ব্র্যান্ডের পণ্য ভালো। শুরুতে যেই দাম, এখনও একই দাম। কিন্তু তা-ও আমাদের সাধ্যের বাইরে। দোকানদাররা কিছু পণ্যে মূল্য লাগিয়ে রেখেছে। শীত বেশি পড়ার কারণে এখন দামও বেড়ে গেছে। নাগালের বাইরে দাম চলে যাওয়া সত্ত্বেও বাচ্চাদের আবদার পূরণ করতে একটু দামি পোশাক কিনতে হচ্ছে। বছরে একবারই তো শীতের পোশাক কেনা হয়, এ জন্য সবাই ওত দামের কথা চিন্তা না করে সন্তানের খুশির জন্য কেনাকাটা করছে।

দাম বাড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করে ফুটপাতে শীতের পোশাক বিক্রেতা মো. শাকিল বলেন, চাহিদা বাড়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। আমরা তো খুচরা বিক্রেতা। কেনার ওপর বিক্রি নির্ভর করে। কম দামে কিনতে পারলে আমরা কম দামে বিক্রি করতে পারি। বেশি দামে কিনে তো আমরা লস দিয়ে বিক্রি করতে পারি না। তাই দাম না বাড়িয়ে আমাদের উপায় নেই। প্রতি লটে আগের চেয়ে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। আগে যে কাপড় গড়ে ১০০ টাকা করে কেনা পড়তো, সেটা এখন ১৩০ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। আমাদের দোষ দিয়ে লাভ নাই। আমরা নিরুপায়।

মনোয়ার নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, আমাদের তো আর দোকান ভাড়া দেওয়া লাগে না। লাইনম্যান আর পুলিশরে এদিক-সেদিক যা দিয়ে সারা যায়, সবকিছু মিলিয়ে আমরা পোশাক বিক্রি করি। আমাদের এখানকার একই পোশাক দোকানে গেলে আপনি আরও বেশি দামে কিনতে হবে। আমরা সব সময় সীমিত লাভে বিক্রি করি। কারণ, এখানে যারা আসে তারা অনেকেই রেগুলার কাস্টমার। একটা প্রোডাক্টে ২০ থেকে ৩০ টাকার বেশি লাভ করি না। আমরা যেই সোয়েটার ২০০ টাকা বিক্রি করি, সেটা দোকানে গেলে ৩০০ টাকার কমে কিনতে পারবেন না। সে হিসাবে আমরা বেশি বিক্রি করি না।

নিউজ ট্যাগ: শীতের পোশাক

আরও খবর

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭০

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




আজকের রাশিফল: জেনে নিন কেমন কাটবে দিন ?

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, শুক্রবার। আজকের তারিখে জন্মগ্রহণ করায় রাশিচক্রে আপনি মকর রাশির জাতক-জাতিকা। চলুন জেনে নেয়া যাক আপনার রাশিতে আজকের পূর্বাভাস:

মেষ রাশি: ভাল ব্যবহারের দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন। ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন। সন্তানের জন্য খরচ বাড়তে পারে। পিতার শরীরের জন্য চিন্তা বৃদ্ধি।  ব্যবসায় বিশেষ লাভের শুভ যোগ দেখা যাচ্ছে।

বৃষ রাশি: আজ নিজের সুবিধার জন্য কোনও কাজ করতে হবে। সকলে মিলে দূরে ভ্রমণ হতে পারে। বাড়তি খরচের জন্য সঞ্চয় কম হবে। ভাল কোনও কাজের জন্য সুনাম বাড়তে পারে।  

মিথুন রাশি: আজ বাড়িতে কোনও মাঙ্গলিক কাজের ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে। চোখের রোগ বাড়তে পারে। সারা দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যে কাটবে। পথে কোনও বিভ্রাটে পড়তে হতে পারে। 

কর্কট রাশি :  ভিটামিনের অভাবে শরীরে অনেক রোগ সৃষ্টি হতে পারে। আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগ আসতে পারে। বিদ্যার্থীদের জন্য ভাল সময় নয়। স্ত্রীর বেহিসেবি খরচে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

সিংহ রাশি: স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার সুযোগ অপর লোক নিতে পারে। চাকরির জন্য কোনও বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা। রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা। দূরে কোথাও ভ্রমণের জন্য বাড়িতে আলোচনা হতে পারে।

কন্যা রাশি: মাতৃস্থানীয়া কারও খারাপ ব্যবহারের জন্য কষ্ট পেতে পারেন। অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য অসুস্থ হতে পারেন। বাড়তি কোনও কাজের জন্য সময় নষ্ট।

তুলা রাশি: সন্তানের কাজের ব্যাপারে অভিজ্ঞ কোনও ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা। সামাজিক কাজের জন্য সুনাম লাভ করতে পারবেন। প্রেমের ক্ষেত্রে প্রচণ্ড মানসিক চাপ থাকবে।

বৃশ্চিক রাশি: সরকারি কর্মচারীদের জন্য শুভ দিন। ঋণ মকুব হতে পারে। মায়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। প্রিয় কারও সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন। আইনজীবীদের শুভ সময় আসতে চলেছে।

ধনু রাশি: মধুর ব্যবহারে সকলের মন জয়। গুপ্ত রোগ থাকলে ফেলে না রাখাই শ্রেয়। অতিরিক্ত লোভের জন্য বিপদ বাড়তে পারে। প্রেমের নতুন যোগাযোগ হতে পারে। মাথার যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

মকর রাশি : উচ্চশিক্ষার দিকে সময়টা বিশেষ ভাল নয়। মায়ের শারীরিক অবনতি। কারও কাছ থেকে খুব মূল্যবান বস্তু পেতে পারেন। হতাশার জন্য শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

কুম্ভ রাশি : পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝামেলা হতে পারে। সকাল থেকে প্রেমের ব্যাপারে কোনও চিন্তার খবর আসতে পারে। অতিরিক্ত লোভনীয় সুযোগের দিকে পা না বাড়ানোই শ্রেয়।

মীন রাশি : ছোটখাটো শারীরিক ভোগান্তি। দাম্পত্য কলহ মিটে যাবে। উচ্চতর বিদ্যায় ভাল যোগ। পেটের সমস্যা বাড়তে পারে। সন্তানের ব্যাপারে খরচ বাড়তে পারে।

নিউজ ট্যাগ: আজকের রাশিফল

আরও খবর

অ্যাকনে যখন মাথার ত্বকে

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩

খাবার খাওয়ার সময় মাথায় রাখুন ৯ বিষয়

বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩




শহীদ আসাদ দিবস আজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এদিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। তার এই আত্মত্যাগ স্বৈরশাসনবিরোধী চলমান আন্দোলনকে বেগবান করে। পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।

বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এটি তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।শহীদ আসাদ

১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে বাঙালি ছাত্রদের ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দেন ছাত্রনেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আসাদুজ্জামান। আসাদ শহীদ হওয়ার পর তিন দিনের শোক পালন শেষে ওই বছরের ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ছয় দফা ও ছাত্রদের ১১ দফার ভিত্তিতে সর্বস্তরের মানুষের বাঁধভাঙা জোয়ার নামে ঢাকাসহ সারা বাংলার রাজপথে। সংঘটিত হয় উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুব খানের। আরেক স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খান ক্ষমতায় বসে সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেন।

সত্তর সালের সেই অভূতপূর্ব নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। কিন্তু ইয়াহিয়া ক্ষমতা না ছাড়াতে নানা টালবাহানা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় একাত্তর সালে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এদেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে চির জাগরুক থাকবেন। তার আত্মত্যাগ ভবিষ্যতেও আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে পথ দেখাবে।

তিনি আরও বলেন, ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে।  সে দিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে শহীদ আসাদসহ আত্মোৎসর্গকারী সব শহিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ২০ জানুয়ারি একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। আসাদের এই আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনকে বেগবান করে। পরবর্তীকালে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শহীদ আসাদ দিবস

আরও খবর