Logo
শিরোনাম

ব্যক্তিগত ভুলের জন্য লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন মামুনুল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্যক্তিগত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। তিনি বলেন, আমি সবার কাছে দোয়া চাই। আমার ব্যক্তিগত অসাবধানতার কারণে যে ক্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করার কারণে যে ক্ষতির সম্মুখীন ব্যক্তিগতভাবে হয়েছি; সেজন্য নিজেই মর্মাহত। আমার কারণে আজকে অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের কাছে আমি হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে এসব কথা বলেন মামুনুল।

লাইভে মামুনুল বলেন, আমি পুলিশকে তথ্য দিয়েছি। দুই স্ত্রীর নাম আলাদা করে বলেছি। আমার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আমেনা তৈয়বার নামটি সামনে এনেছেন। জান্নাত আরা ঝর্ণার কাছ থেকে আমার অনুমতি ছাড়া তার স্টেটমেন্ট ও মন্তব্য ধারণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নারী সদ্যস্যরা। তারা কার অনুমতি নিয়ে জনসম্মুখে এসব প্রচার করেছে? আমার পর্দানশীন স্ত্রীর পর্দা তারা লঙ্ঘন করেছে। দেশ ও জাতির সামনে তার পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে যে অধিকার তারা ক্ষুণ্ণ করেছে সেটার জন্য জনতার আদালতে বিচার দায়ের করলাম।

ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মামুনুল হক বলেন, বিশ্বের মুসলমান ভাইদেরও তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। একের পর এক মামলা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অনেক মানুষকে হয়রানি করা হবে। অথচ প্রকৃত যারা দোষী, যারা গিয়ে হামলা করলো- সেই সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে রাষ্ট্র নীরব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ তাদের নাম পরিচয় দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ইনশাআল্লাহ, ইতোমধ্যে তাদের ব্যাপারে আমি এজাহার দায়ের করেছি। আরও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

নিউজ ট্যাগ: মামুনুল হক

আরও খবর



হেফাজতের গোপন কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হেফাজতের নানা গোপনীয় কর্মকাণ্ড নিরাপত্তা বাহিনী খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলামের গঠনতন্ত্রে পরিষ্কার লেখা আছে তারা কোনো রাজনৈতিক ইস্যুতে অংশগ্রহণ করবে না এবং তারা রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকবে। কিন্তু আমরা লক্ষ করেছি রাজনৈতিক বেড়াজালের মধ্যে আটকে বিভিন্ন অপকৌশলে চিহ্নিত জঙ্গি, চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং রাষ্ট্রের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যায় মাঝে মাঝেই আমরা দেখেছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভূমি অফিসে জমির সব ধরনের কাগজপত্র থাকে সেখানে হেফাজত অগ্নিসংযোগ করে। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য ছিল। এলাকাতে অশান্তি সৃষ্টি করা। তারা ডিসির বাংলোয় অ্যাটাক করেছে, তারা পুলিশের বাংলো অ্যাটাক করেছে এবং পুলিশ ফাঁড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে। এমনকি তারা ওস্তাদ আলাউদ্দিন খান ইনস্টিটিউটেও ভাঙচুর চালিয়েছে। এই শব্দগুলো একসঙ্গে মূল্যায়ন করলে তাদের মূল উদ্দেশ্য বের হয়ে আসবে। তাদের অবশ্যই রাজনৈতিক অভিলাষ ছিল।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে এমন ঘটনা আবারও ঘটানো যায় কি না, সেই উদ্দেশ্যে তারা সহিংসতা চালিয়েছিল বলে আমাদের তদন্তে চলে আসছে।

তিনি আরো বলেন, হেফাজতের অর্থায়ন যারা করেছে তাদের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থারা কাজ করছে। কিছু কিছু উপাদান পাচ্ছি, তবে এখনই বলতে চাই না। আরও কিছুদিন তদন্ত করে তারপর বলব। কার অ্যাকাউন্টে কোথা থেকে কত টাকা আসছে তদন্তে বের হয়ে আসবে। 


আরও খবর



নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য প্রার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে পূর্ব শক্রতার জের ধরে এক ইউপি সদস্য প্রার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে একই এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় আরো ৩জন আহত হয়েছে। আহতরা হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। আহতরা হলো নিহতের ছেলে জীবন (২২), মেহেদী (২৫), রাজু (৩৫)। আহতের মধ্যে রাজুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিহত মো. জোবায়ের হোসেন (৪৫), উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মৃত তাহের মিয়ার ছেলে। সে সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন (২১), স্থগিতকৃত নির্বাচনে ওই ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড থেকে ফুটবল মার্কায় ইউপি সদস্য প্রার্থী ছিল।

শুক্রবার (৭ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন চরচেঙ্গা বাজারের একটি দোকানে তাকে কুপিয়ে হত্যার এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের ছেলে জীবন অভিযোগ করেন, সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো.নুরুল ইসলামের শালা সন্ত্রাসী আবদুল বাতেন ও তার সহযোগী সুজন, ফকির, জামাল, শাহেদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী চরচেঙ্গা বাজারের একটি দোকানে তার বাবাকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিঠে, পায়ে, হাতেসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে কুপিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় পায়ের রগ কেটে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

সোনাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.নুরুল ইসলাম জানান, জেলেদের চাল বিতরণ নিয়ে বাকবিন্ডার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহত জোবায়েরের নেতৃত্বে জেলেদের চাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সংঘর্ষে তার মৃত্যু হয়। তবে তিনি দাবি করেন, ইউপি সদস্য আবদুল বাতেন তার শালা হওয়ায় তার নাম এ ঘটনায় জড়ানো হচ্ছে।

হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠাচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: নোয়াখালী হত্যা

আরও খবর



বোরকা নিষিদ্ধের অনুমোদন দিলো শ্রীলঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে দেশটিতে বোরকা নিষিদ্ধের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা দোহাই দিয়ে এমন অনুমোদন দিলো তারা। যদিও জাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, এতে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হবে।

শ্রীলঙ্কার জননিরাপত্তামন্ত্রী সরথ বীরাসেকারা মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই প্রস্তাব আইন আকারে পাস হলে মুসলিম নারীরা জনসম্মুখে নিকাব ও বোরকা পরতে পারবে না।

এখন এই প্রস্তাব অ্যাটর্নি জেনারেল বিভাগের কাছে পাঠানো হবে। এরপর সেটি যাচাই বাছাই করে পার্লামেন্টে পাঠানো হবে। পার্লামেন্টে পাস হওয়ার পর প্রেসিডেন্টের সইয়ের মাধ্যমে তা আইনে পরিণত হবে। পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীনদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, তাই সহজেই তা পাস হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বোরকাকে ধর্মীয় চরমপন্থার চিহ্নৎ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বীরাসেকারা। তার ভাষায় বোরকা নিষিদ্ধ করা হলে দেশের জাতীয় নিরাপত্তার উন্নতি ঘটবে। এর আগে ২০১৯ সালে ইস্টার সানডেতে আত্মঘাতীয় বোমা হামলার পর সাময়িক সময়ের জন্য বোরকা নিষিদ্ধ করেছিল শ্রীলঙ্কা।

শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে ভয়াবহতম ওই হামলায় ২৬০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্য আনা স্থানীয় দুটি মুসলিম গ্রুপ ওই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শ্রীলঙ্কার সরকার।


আরও খবর



বগুড়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়ার শেরপুরে একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন দগ্ধ হয়েছেন। তারা বগুড়ায় শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের মহিপুর কলোনি গ্রামস্থ আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন, মহিপুর কলোনি গ্রামের আনোয়ার হোসেন (৫৫), তার স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৮), ছেলে নুরুজ্জামান (৩১) ও প্রতিবেশী মোতাহার হোসেনের স্ত্রী আমেনা খাতুন (৪৬)।

শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রতন হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মহিপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন স্থানীয় বাজার থেকে একটি নতুন গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে বাড়িতে যান। এরপর রান্নাঘরে গিয়ে চুলার সঙ্গে সিলিন্ডারের সংযোগ দেয়ার চেষ্টা করছিলেন। এসময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনিসহ তার পরিবারের তিনজন দগ্ধ হন। এছাড়া তাদের উদ্ধার করতে গিয়ে প্রতিবেশী এক নারীও দগ্ধ হয়েছেন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের প্রথমে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদের বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয় বলে জানান এ স্টেশন কর্মকর্তা।

দগ্ধ আনোয়ার হোসেন বলেন, চুলার সঙ্গে গ্যাস সিলিন্ডারে সংযোগ দেয়া মাত্রই বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো রান্নাঘরে আগুন লেগে যায়।

শেরপুর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মামুনুর রশিদ বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বগুড়ায় শজিমেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের শরীরের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।


আরও খবর



গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে

৩৫ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ইতোমধ্যে ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ ১৪ হাজার ২৮৬ ডোজ ভ্যাকসিনের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে যার প্রথম ধাপে ৩৫ লক্ষ ডোজ অতিসম্প্রতি রাশিয়া থেকে দেশে এসেছে। এর মাধ্যমে দেশের বিপুল সংখ্যক গরু, ছাগল, মহিষ

গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণে রাশিয়া থেকে উন্নতমানের ৩৫ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় সম্প্রতি এ ভ্যাকসিন আমদানি করা হয়েছে।

দেশের গবাদিপশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাবনা, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও ভোলা জেলায় আমদানিকৃত এ ভ্যাকসিনের যথাক্রমে ৯ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫০০ ডোজ, ১০ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫০০ ডোজ, ৬ লক্ষ ৭০ হাজার ডোজ এবং ৭ লক্ষ ৯৫ হাজার ডোজ প্রেরণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, গবাদিপশুর ক্ষুরা রোগ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের অর্থনৈতিক লাভের নিশ্চয়তা প্রদান ও বিশ্ববাজারে দেশের প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। এ রোগে দেশের ডেইরি খাত ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বিধায় পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৯৬ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানি করছে সরকার। ইতোমধ্যে ৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ ১৪ হাজার ২৮৬ ডোজ ভ্যাকসিনের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে যার প্রথম ধাপে ৩৫ লক্ষ ডোজ অতিসম্প্রতি রাশিয়া থেকে দেশে এসেছে। এর মাধ্যমে দেশের বিপুল সংখ্যক গরু, ছাগল, মহিষ এবং ভেড়া ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হচ্ছে যা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। করোনা মহামারীর এ সময়ে খামারিদের ক্ষয়-ক্ষতি কমাতে এ ভ্যাকসিন কার্যকর ভূমিকা রাখবে। করোনা সংকটে সরকার খামারিদের ক্ষয়-ক্ষতি কমানো ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে বদ্ধপরিকর

উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক ও উৎপাদনশীলতার দিক থেকে গবাদিপশুর সবচেয়ে মারাত্বক সংক্রামক ব্যাধি ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ যা সংক্ষেপে এফএমডি নামে পরিচিত। সাধারণত গবাদিপশুর ক্ষুরে বেশি হয় বলে একে ক্ষুরা রোগ বলা হয়। এ রোগ দেশের ডেইরি শিল্পের অন্যতম প্রধান ক্ষতিকারক রোগ।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১