Logo
শিরোনাম

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সালমা আক্তার নামের এক নারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশ ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন জানান, বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে নিরাপত্তাকর্মী বা বডিগার্ড হিসেবে চাকরির প্রলোভনে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।


আরও খবর



প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে শক্তিশালী ৭ বিস্ফোরক উদ্ধার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া এলাকায় একটি বাড়ির পরিত্যক্ত ইটের স্তূপে প্লাস্টিকের ব্যাগে ককটেলসদৃশ সাতটি শক্তিশালী বিস্ফোরক পাওয়া গেছে।

সদর থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ককটেলগুলো জব্দ করলেও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সেখানে রাখা হয়েছে।

সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, আগামী ২৮ নভেম্বর এ ইউনিয়নে নির্বাচন। তার ধারণা, কোনো প্রার্থী বা তার লোকজন নাশকতা সৃষ্টির জন্য শক্তিশালী বিস্ফোরকগুলো মজুদ করেছিল। এসব উদ্ধারের জন্য ঢাকায় বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়া সদরের গোকুল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া গ্রামে আবদুল জলিল নামে এক ব্যক্তির বাড়ির কাছ পরিত্যক্ত ইটের স্তূপের কাছে একটি প্লাস্টিকের সাদা ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ব্যাগের ভেতরে সাতটি ককটেলের মতো লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো কৌটা রয়েছে। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ রাত ১২টা থেকে স্থানটি ঘিরে রাখে।

বাড়ির মালিক আবদুল জলিল জানান, তারা এসবের ব্যাপারে কিছুই জানেন না। পুলিশ আসার পর তারা টের পেয়েছেন।

সেখানে থাকা এসআই জাকির আল আহসান জানান, ব্যাগে ৬-৭টি ককটেল রয়েছে।

সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, আগামী ২৮ নভেম্বর গোকুল ইউনিয়নের নির্বাচন। ওই নির্বাচনে কেন্দ্রে নাশকতা সৃষ্টির জন্য কোনো প্রার্থী বা তাদের লোকজন এসব মজুদ করেছেন। তার ধারণা, এসব শক্তিশালী বিস্ফোরক। উদ্ধার বা নিষ্ক্রিয় করার জন্য ঢাকায় বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

নিউজ ট্যাগ: বিস্ফোরক উদ্ধার

আরও খবর



বিরাট কোহলীদের ভাগ্য ফেরাতে পারে আফগানিস্তান

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে বিরাট কোহালিরা নিজেদের নেট রানরেট আফগানিস্তানের উপরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই ঝড় উঠেছে গণমাধ্যমে। শনিবার সকাল থেকে আফগানিস্তান বোর্ড এবং তাদের ক্রিকেটারদের টুইটারে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আসছে। প্রেরক, অবশ্যই ভারতীয় সমর্থকেরা। বার্তার বক্তব্য মোটামুটি এক: রবিবার যে করে হোক হারাতেই হবে নিউজল্যান্ডকে!

রশিদ খান হোক বা মহম্মদ নবি, আইপিএলের দৌলতে ভারতে এঁদের ভক্তসংখ্যা কম নয়। কিন্তু কোটি কোটি ভারতবাসী এবং কোহালিরাও কোনও দিন যে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য প্রার্থনা করবেন, এটা ভাবা যায়নি। ঘটনাচক্রে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেটাই হচ্ছে। কারণ সকলেরই জানা। কেন উইলিয়ামসনের বিরুদ্ধে দ্বৈরথে যদি শেষ হাসি হাসেন রশিদ খান, তবেই ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। আর যদি নিউজল্যান্ড হারিয়ে দেয় আফগানিস্তানকে? তা হলে কী হবে, তার উত্তরটা আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে দিয়েই রেখেছেন রবীন্দ্র জাডেজা। ভারতীয় অলরাউন্ডারের কথায়, তা হলে আমরা ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব।

আপনারা যখন নিউজল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন, তখন একশো কোটি নতুন সমর্থককে পাশে পাবেন। ভারতীয়দের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আপনারাও নিশ্চয়ই পাচ্ছেন ক্রমাগত?

শনিবার দুপুরে ভিডিয়ো কল মারফত প্রশ্নটা করা গেল আফগানিস্তান দলের ব্যাটার হাসমাতুল্লাহ শাহিদিকে। আইসিসির সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন এই অভিজ্ঞ আফগান ক্রিকেটার। প্রথমেই হাল্কা হেসে মাথা নাড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয়দের শুভেচ্ছাবার্তার ঢল যে নেমেছে, তা জানেন তিনি।

কিন্তু পাশাপাশি একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে দিতে চান শাহিদি। বুঝিয়ে দিলেন, এই ম্যাচটা আফগানিস্তান নিজেদের জন্য খেলতে নামবে, ভারতের জন্য নয়। শাহিদি বলে দিলেন, আমরা কিন্তু শুধু আমাদের কথাই ভাবছি। আর কারা কোন জায়গায় আছে, তা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই। আমাদের লক্ষ্য হল, সেমিফাইনালে যাওয়া। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। অন্য কোনও দলকে শেষ চারে তোলার জন্য নয়।

এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা, তাতে নেট রানরেটে ভারতের (+১.৬১৯) চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে আফগানিস্তান (+১.৪৮১)। ভারতের সবচেয়ে বড় সুবিধে হল, শেষ দিনে নামিবিয়াকে পাচ্ছে তারা। যে কারণে প্রয়োজনে নেট রানরেট বাড়ানোর বড় সুযোগ থাকবে কোহালিদের কাছে। ব্যাপারটা অজানা নয় আফগান ক্রিকেটারদের কাছেও। শাহিদি বলছেন, কাজটা কঠিন জানি। কিন্তু আমরা সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই নিউজল্যান্ড ম্যাচটা খেলতে নামব।

কোনও সন্দেহ নেই, রবিবার দুপুর থেকে আবু ধাবির স্টেডিয়ামে নজর থাকবে কোহালিদের। প্রার্থনা চলবে, রশিদ খানদের ঘূর্ণির সামনে যেন ভেঙে পড়ে নিউজল্যান্ডের ব্যাটিং। তারও আগে অবশ্য আরও একটা প্রার্থনা নিশ্চয়ই করছেন বিরাট-সহ কোটি কোটি ভারতবাসী। রহস্য স্পিনার মুজিব-উর-রহমান যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। স্কটল্যান্ড ম্যাচের পরে স্বয়ং সুনীল গাওস্কর টিভিতে বলেছিলেন, রশিদ খান, মহম্মদ নবি তো আছেই। এর সঙ্গে যদি মুজিব সুস্থ হয়ে যায়, তা হলে কিন্তু সমস্যা

আফগানরা যতই দাবি করুন, তাঁরা সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আছেন, বাস্তবটা কিন্তু সে রকম নয়। নিউজল্যান্ড হেরে গেলে ভারতেরই সেমিফাইনালে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশেরও বেশি।

সেক্ষেত্রে বিরাটদের স্বপ্নপূরণ করার মুখ কারা হতে পারেন? আফগানিস্তানের প্রাক্তন কোচ লালচাঁদ রাজপুত কয়েক জনকে আলাদা করে বেছে নিচ্ছেন। অবশ্যই তালিকায় আছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগস্পিনার রশিদ। যিনি ম্যাচের রং একাই বদলে দিতে পারেন। আছেন ব্যাটার হাজরাতুল্লাহ জ়াজ়াই, অলরাউন্ডার মহম্মদ নবিও। সুস্থ থাকলে রহস্য স্পিনার মুজিব।

নিউজল্যান্ড ফেভারিট হলেও একটা ব্যাপারে নিজেদের এগিয়ে রাখতে চায় আফগানিস্তানের ক্রিকেটারেরা। সেটা হল, মরুশহরের পরিবেশে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্পিন আক্রমণ। শাহিদি বলছিলেন, আমি আবু ধাবির উইকেট এখনও দেখিনি ঠিকই, কিন্তু এটা জানি এই পরিবেশে আমাদের স্পিনাররা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। ওরা এখানে অনেক খেলেছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে আসবে বলেই মনে হয়।

রবিবার যদি সত্যিই নিউজল্যান্ডকে হারিয়ে দিতে পারে আফগানিস্তান, তা হলে ভারতের মাটিতে রশিদ খানদের মূর্তি বসার দাবি উঠলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না!

 


আরও খবর



‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৪ সুপারিশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
করোনাভাইরাস-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটিকে উদ্বেগজনক হিসেবে ঘোষণা করেছে

করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন রোধে চার দফা সুপারিশ জানিয়েছে সরকারের কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। 

আজ রবিবার (২৮ নভেম্বর) কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৪৮তম সভায় বিশদ আলোচনার পর এসব সুপারিশ করা হয়।

সভায় বলা হয়, করোনাভাইরাস-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটিকে উদ্বেগজনক হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর বিস্তার রোধ করার জন্য এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক দেশ, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ সে অঞ্চলের কয়েকটি দেশ (জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, বোতসোয়ানা, সোয়াজিল্যান্ড) থেকে যাত্রী আগমনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ফ্লাইটসহ)।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির চার সুপারিশ:

১. এ পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও এসব দেশ এবং যেসব দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেসব দেশ থেকে যাত্রী আগমন বন্ধ করার সুপারিশ করা হচ্ছে।

২. কোনো ব্যক্তির এসব দেশে ভ্রমণের সাম্প্রতিক (বিগত ১৪ দিনে) ইতিহাস থাকলে তাদের বাংলাদেশে ১৪ দিন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। কোভিড-১৯ এর টেস্ট পজিটিভ হলে আইসোলেশন করতে হবে।

৩. প্রতিটি পোর্ট অব এন্ট্রিতে স্ক্রিনিং পরীক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত ব্যবস্থা আরও কঠোরভাবে পালন করা (স্কুল কলেজসহ), চিকিৎসা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা ও বিভিন্ন (রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়) সমাবেশে জনসমাগম সীমিত করার সুপারিশ করা হল।

৪. কোভিড-১৯ এর পরীক্ষায় জনগণকে উৎসাহিত করার জন্য বিনামূল্যে পরীক্ষা করার সুপারিশ করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর

করোনায় ফের মৃত্যু-শনাক্ত বেড়েছে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




ধানমন্ডি লেকে হবে নজরুল সরোবর : মেয়র তাপস

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক এলাকায় রবীন্দ্র সরোবরের অনুরূপ নজরুল সরোবর নির্মাণ করতে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি); যা হবে নগরীর একটি অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস নগর ভবনে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী আমরা ধানমন্ডি লেক এলাকায় রবীন্দ্র সরোবরের অনুরূপ নজরুল সরোবর নির্মাণ করব। রবীন্দ্র সরোবরটিও তিনিই নির্মাণ করেছিলেন।

মেয়র বলেন, ডিএসসিসির পক্ষ থেকে ধানমন্ডি লেক এলাকায় নজরুল সরোবর নির্মাণের জন্য উপযুক্ত স্থানের সন্ধান চলছে। প্রাথমিকভাবে ধানমন্ডি ১৫/এ এলাকাটিকে সরোবর নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, নজরুল সরোবর, রবীন্দ্র সরোবরের মতোই নগরবাসীর বিনোদন ও বেড়ানোর জন্য একটি দর্শনীয় স্থান হবে। যেখানে মানুষ অবসর সময়ে বিশ্রাম ও নির্মল আনন্দ উপভোগ করতে আসবে। বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিবসে বছরজুড়ে নগরীর মানুষ এখানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে এবং এটি হবে নগরীর একটি অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমন্ডি লেকের উন্নয়নে যে মাস্টারপ্ল্যান করে দিয়েছিলেন, সেই মূল মাস্টারপ্ল্যান পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি এবং তা আমরা পুরিপূর্ণ করব।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আমরা মূল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছি।

উদ্যোগের অংশ হিসেবে ধানমন্ডি লেকের নান্দনিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলেও তিনি জানান।

মেয়র আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, ধানমন্ডি লেকের ওপর নির্মিত সব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে। ইতোমধ্যে কিছু ভাঙা হয়েছে, কয়েকটিকে সময় দেওয়া হয়েছে, তবে অবশ্যই বাকিসব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হবে।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি এই সতর্কবার্তা দিয়ে আসছেন যে, ডিএসসিসি এলাকায় সব অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি বলেন, ধানমন্ডি লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে আমরা সেখানে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করব। সেজন্য যা যা করা প্রয়োজন, তার সবই করা হবে।

ব্যারিস্টার তাপস প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে দেশের অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ডিএসসিসি ইতোমধ্যে ধানমন্ডি লেকের ওয়াকওয়ে দখলকারী ১৮টি স্থাপনার অবৈধ অংশ শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে ১১টি স্থাপনার অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে; যার মধ্যে একজন বর্তমান সংসদ সদস্যের বাড়ির সীমানাপ্রাচীরও রয়েছে।


আরও খবর



দেশে করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৮

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল (শনিবার) মৃত্যু হয়েছিল মাত্র এক জনের। দেশে করোনায় এ পর্যন্ত মোট ২৭ হাজার ৮৯৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৭৮ জন। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ১৩ জনে।

গত ২৪ ঘন্টায় ১৫ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ১৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯০ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৮২৫ জন।

আগের দিন শনিবার দেশে ১৫৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল, মৃত্যু হয়েছিল ১ জনের। সে হিসেবে শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই সামান্য বেড়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তিনজন পুরুষ, একজন নারী। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ছিল ৯০ বছরের বেশি। বাকি তিনজনের বয়স ছিল ৫১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। তিনজন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।


আরও খবর