Logo
শিরোনাম

‘চালের দাম আর বাড়বে না’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চালের দাম আর বাড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেছেন, চালের দাম যাতে আর না বাড়ে- সে বিষয়ে চালকল মালিকদের (মিলার) নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করছি চালের দাম আর বাড়বে না। যেহেতু আমাদের ধান উৎপাদন ভালো হয়েছে। সর্বকালের সর্বোচ্চ চাল মজুদ রয়েছে।’

রোববার খাদ্য অধিদফতরে চালকল মালিকদের সঙ্গে সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী। বাজারে চালের মূল্য বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব ওমর ফারুক, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমসহ মিল মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

চালের দাম নিয়ে পেঁয়াজের মতো কেলেংকারির আশঙ্কা করছেন কিনা- জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, না, এ রকম আশঙ্কা নেই। একটা জিনিস মনে রাখেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মজুদ কিন্তু আমাদের কাছে আছে। বাজার কন্ট্রোল করার জন্য ওএমএস ডিলার রাখা আছে, তাদের ৩০ টাকা দলে চাল নেয়াতে পারছি না। তারা সাহস করতে পারছেন না। আমার কাছে ৫ বছরের সরু চালের রেট আছে। যখন কৃষকরা দাম পাচ্ছে না, তখন ৫০০/৬০০ টাকা দরে ধান কিনে যে চালের রেট, সেই রেটের সঙ্গে সব সময়ের রেট ধরলে হবে না। তখন তো আপনারাই লিখেছেন, কৃষক দাম পাচ্ছে না। ওই রেট সব সময় থাকলে তো কৃষক জীবনেও দাম পাবে না।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে সরু চাল ছিল ৪৪ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৫ সালে ৪২ টাকা ৮৩ পয়সা, ২০১৬ সালে ৪৬ টাকা ৬৯ পয়সা, ২০১৭ সালে অস্বাভাবিভাবে বেড়ে হয়েছে ৫৭/৫৮ টাকা। ২০১৮ সালে ৫১ টাকা ১০ পয়সা, আর আজকে রেট হল ৫১ টাকা ১১ পয়সা।

গত এক মাসে কেজিতে ৬/৭ টাকা বাড়ল, এটাকে আপনারা স্বাভাবিক মনে করছেন কিনা- এ বিষয়ে সাধন চন্দ্র বলেন, আমি ব্যাখ্যাটা দিয়েছি। যখন ৫০০-৭০০ টাকা ধানের দাম ছিল, সেই ধান ভাঙিয়ে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা ছিল। সেই ধানটা এখন কৃষক ৮০০/৯০০/১০০০ টাকায় বিক্রি করছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কষ্ট হল, কৃষক দাম না পেলেও যেমন আমাদের কষ্ট হয়, তেমনটি কৃষক দাম বেশি পেলে ভোক্তাদের চালের দাম বেড়ে যায়, তখনও কষ্ট হয়।’

সারা দেশে ২০০টি ধানের সাইলো নির্মাণের প্রকল্পটি এখন পরিকল্পনা কমিশনের রয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সামনের সপ্তাহে পরিকল্পনা কমিশনে মিটিং হবে, এরপর একনেকে যাবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্যাডি সাইলোর নির্মাণ কাজ শেষ হবে, আমরা সেভাবেই এগোচ্ছি। তখন এর উপকার পাওয়া যাবে।’

সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমনের যে চাল কেনা হবে এবং ধান ভাঙানো হবে সেটার কোয়ালিটি যাতে কোনোক্রমেই খারাপ না হয়, কোয়ালিটি নিয়ে আমরা কোনো আপস করব না। সেই নির্দেশনাই ওনাদের দেয়া হয়েছে। তাদের ক্র্যাসিং বিল বা রেশিও নিয়ে আলাপ হয়েছে। সে জন্য টেস্ট মিলিং হবে তারপর রেশিও নির্ধারণ হবে, সেই অনুপাতে ক্র্যাসিং বিল নির্ধারিত হবে।’


আরও খবর



দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ৯ কিলোমিটার যানজট

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কর্মস্থলমুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপে দৌলতদিয়ায় ৯ কিলোমিটার এলাকার সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৬ মে) রাতে এসে এখনও ফেরির দেখা পাননি যাত্রীরা। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা। শনিবার (৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের জিরোপয়েন্ট থেকে প্রায় ৯ কিলোমমিটার সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সিরিয়াল দেখা যায়।

সিরিয়ালে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মাহেন্দ্রা, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যান রয়েছে। মহাসড়কের প্রায় ৮ কিলোমিটার দূর থেকে আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে ছোটগাড়ি গুলোকে ঘাটে পাঠাচ্ছে পুলিশ।

সময় বাড়বে ততই যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় সিরিয়ালে আটকে থেকে খাবার, বাথরুমসহ নানা সমসায় পড়ছেন যাত্রীরা। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা। যাত্রী আরিফ, রাইহান বলেন, অফিস ধরতে চেয়েছিলাম। কিন্তু রাত ১২টা থেকে সিরিয়ালে আটকে আছি। এখনও ঘাট ৫ কিলোমিটার দূরে। গ্রিন লাইন পরিবহনের চালক রিপন বলেন, রাত দেড়টা থেকে ঘাটে এসে আটকা আছি।

ট্রাকচালক নান্নু বলেন, বরগুনা থে‌কে তরমুজ নি‌য়ে ঢাকায় যা‌চ্ছেন। রাত ১টা থে‌কে দৌলত‌দিয়া প্রা‌ন্তে সি‌রিয়া‌লে আটকা প‌ড়ে‌ছেন। তরমু‌জের অবস্থাতো খারাপ। তরমুজ দি‌য়ে পা‌নি পড়ছে।

বিআইড‌ব্লিউটি‌সি দৌলত‌দিয়া ঘাট ব‌্যবস্থাপক জানান, এরু‌টে ছোট বড় ২১‌টি ফে‌রি চল‌ছে। যাত্রী ও যানবাহন এক‌যো‌গে ঢাকামুখী হওয়ায় সি‌রিয়াল তৈ‌রি হ‌য়ে‌ছে।


আরও খবর



মুম্বাইকে হারালেই শেষ চারে যাবে মুস্তাফিজের দিল্লি ক্যাপিটালস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলছে আইপিএলের গ্রুপ পর্বের শেষদিকের ম্যাচ। এই মুহূর্তে প্লেঅফের আশা বাঁচিয়ে রাখা সব দলই জয়ের লক্ষ্যে খেলছে। মুস্তাফিজুর রহমানের দিল্লি ক্যাপিটালসেরও একই অবস্থা।

প্লে অফের আশা বাঁচিয়ে রাখার জন্য আজ পাঞ্জাব কিংস দলটির বিপক্ষে অবশ্যই জিততে হতো দলটিকে। জিতে সেই আশা খুব ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখলো দলটি। এখন গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারালেই শেষ চারে জায়গা করে নিবে মুস্তাফিজের দিল্লি।

এদিন ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে পাঞ্জাবকে ১৭ রানে হারিয়েছে রিকি পন্টিংয়ের দল। এই জয়ে ১৩ ম্যাচে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে উঠে এসেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।

এদিন টসে জিতে দিল্লিকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাঞ্জাব। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলে ইনফর্ম ডেভিড ওয়ার্নারকে হারায় দিল্লি। সেখান থেকে ৫১ রানের জুটি গড়েন ওপেনার সরফরাজ ও মিচেল মার্শ। ব্যক্তিগত ৩২ রানে সরফরাজ ফিরলে ভাঙে জুটিটি।

দ্বিতীয় উইকেটে ললিত যাদবকে নিয়ে ৪৭ রানের জুটি গড়েন মার্শ। দলীয় একশ ছোঁয়ার আগে ২৪ রান করে ফেরেন ললিত। এরপর দ্রুতই তিন উইকেট হারিয়ে বসে দিল্লি। তবে একপ্রান্তে মার্শ ৬৩ রান করে স্কোর বাড়ায় দলটির। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৫৯ রান তুলতে পারে দিল্লি।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ঝড়ো সূচনা করেন দুই পাঞ্জাব ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান। তবে দলীয় ৩৮ রানে বেয়ারস্টো ব্যক্তিগত ২৮ রানে ফিরতেই টানা উইকেট হারাতে থাকে দলটি।

এক পর্যায়ে ৮২ রানে ৭ উইকেট হারায় পাঞ্জাব। দিল্লির জয় তখন সময়ের অপেক্ষা মনে হচ্ছিল। সেখান থেকে জিতেশ শর্মা এবং রাহুল চাহার দ্রুত ৪১ রানের জুটি গড়ে পাঞ্জাবকে আশা দেখায়। তবে ৪৪ রান করা জিতেশের বিদায়ের পর সেই আশা নিভে যায়।

এরপর অপরাজিত ২৫ রান করে পরাজয়ের ব্যবধানই কেবল কমান রাহুল। পাঞ্জাবও থামে ৯ উইকেটে ১৪২ রান করে। দিল্লির পক্ষে শার্দুল ঠাকুর ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৩৬ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন এই ডানহাতি পেসার। এছাড়াও আক্সার প্যাটেল ও কুলদীপ যাদব ১৪ রানের বিনিময়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেন।


আরও খবর



নারীকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে (৩৪) বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার বাঁশখালীর বৈলছড়ি এলাকার ঘটনায় অটোরিকশা চালকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন মোহাম্মদ মোক্তার আহমেদ (৪০)। তিনি বাঁশখালীর বৈলছড়ি ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্ধা। অন্যরা হলেন একই এলাকার মো. সরওয়ার (৩৫) ও নুরুল আলম (৩৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলার কালীপুরের পূর্ব পালেকগ্রাম শাহবারিয়া মাদরাসায় যান। ওই মাদরাসা থেকে বের হয়ে বাড়িতে ফিরে আসার জন্য কালীপুর ফকিরের দোকান এলাকার শহিদুল ইসলামের অটোরিকশায় ওঠেন। পথে ওই নারীকে ভেতরের রাস্তা দিয়ে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কালীপুর-বৈলছড়ী সীমান্ত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরকাটা এলাকার গভীর জঙ্গলে নিয়ে যান শহিদুল।

সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা পাঁচ-সাতজনের একটি দল ওই নারীকে শারীরিক নির্যাতনসহ ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে অভিযুক্তরা তাকে রেখে পালিয়ে যান। পরের দিন শনিবার সকালে পরিবারের লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টায় ওই নারীর মা বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল উদ্দিন বলেন, নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাদের আজ মঙ্গলবার সকালে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



বিদায় নিচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পবিত্র মাহে রমজান,সকল  মুসলিম জাতির নিকট বয়ে  এনেছিলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের শান্তির বার্তা নিয়ে মাহে রমজান আমাদের মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছিল। আস্তে আস্তে আবার চলেও যাচ্ছে। সঙ্গে চলে যাচ্ছে রোজা, সেহরি, ইফতার, কোরআন তেলাওয়াত, তারাবি, ইতিকাফ ও দান-সদকার মতো বিশেষ বিশেষ ইবাদতের সব সুযোগুলোও।

আমরা কি পেরেছি সেসব ইবাদতের সুযোগগুলোকে কাজে লাগাতে। পুরোপুরি না হোক, নূন্যতম হকও কি আদায় করতে পেরেছি? কোরআন নাজিলের মাস মাহে রমজান। এই কোরআনই রমজান মাসকে মূল্যবান করেছে। তেমনি এ মাসের হক আদায়ে যারা সচেষ্ট হবে নিসন্দেহে তারাও দামী হবে তাতে কোনো ভুল নেই। রমজান মাসে সেহরি, ইফতার, তারাবিসহ সব সময়ে আল্লাহর রহমত ও অনাবিল প্রশান্তি বিরাজ করে।

এ মাসে একটি ফরজ নামাজ ৭০টি ফরজ নামাজের সমান। আর ১টি নফল ১টি ফরজ নামাজের সমান। পাশাপাশি কোরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রেও রয়েছে অভাবনীয় সুযোগ। এক অক্ষরেই পাওয়া যাবে ৭০০ নেকী। কেউ যদি নিজে না পড়ে অন্যের তেলাওয়াত শুনে তাতেও রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব। পূর্ববর্তী কোনো উম্মতের জন্য অল্প সময়ে নেকী অর্জনের এত বড় সুযোগ ছিল না। কাজেই সুযোগ কাজে লাগানো উচিত। আর মাত্র দু-তিন দিন। তারপর আর এ সুবর্ণ সুযোগটি থাকছে না।

রমজান মাসে দান খয়রাতেও রয়েছে অনেক সওয়াব। ১ টাকা দানে ৭০ টাকা দানের সওয়াব যা অন্য ১১ মাসে পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের অনেকেরই সামর্থ্য নেই বলে রমজান মাসে ওমরাহ করার অফুরন্ত সওয়াবের সুযোগ লুফে নিতে পারি না। আবার এ বছর বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে যাদের সামথ্য আছে তারাও ওমরা করতে পারেনি। কিন্তু যতটুকু সুযোগ আমাদের হাতের নাগালে আছে তাতো নেয়াই যায়। জীবনে আরেকটি রমজান মাস পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই সময় থাকতে নেকী লুট করার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হওয়া জরুরি।

রমজান শুধু একটি মাসেরই নাম নয় এটি হচ্ছে একটি চিকিৎসা’, যেটা সামনের পুরো এগারোটি মাসের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখে। এ মাসটি হচ্ছে আত্ম শুদ্ধি, ও আত্ম সমালোচনার মাস। পুরো মাসেই আল্লাহ তায়ালা মুসলিম উম্মার ধনী-গরিব মানুষগুলোর সব ভেদাভেদ দূর করে এক কাতারে দাড় করায়। যাতে ধনিরা অনুধাবন করতে পারে গরিবের অনাহারের কষ্ট। আর তারা এই কষ্ট অনুধাবন করে যেন মহান আল্লাহর বিধান জাকাত প্রদান করে সমাজের ধনী, গরিব সামঞ্জস্যতা রক্ষা করে এটাই আল্লাহর বিধান।

শুধু তাই নয়, রমজান আমাদের সুশৃঙ্খল হতে শিখায়, সংযমী হতে শিখায়, আত্নশুদ্ধি অর্জন করতে শিখায়। তাই আসুন আমরা রমজানের শিক্ষাকে আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করি। জাকাত প্রদান করি, তবে অবশ্যই সুশৃঙ্খল ভাবে। আমাদের যেন একমাত্র উদ্দেশ্য হয় লোক দেখানো নয়, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা। তাহলেই আমরা সফলকাম হতে পারবো।


আরও খবর



ভারতীয় রুপির দর সর্বকালের সর্বনিম্নে

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতীয় অর্থনীতিতে ধাক্কা। ভারতীয় মুদ্রা রূপির দাম ডলারের তুলনায় তলানিতে গিয়ে ঠেকল। সর্বকালের রেকর্ড ভেঙে এক ডলারের দাম বেড়ে হলো ৭৭.৪৩ রুপি। এর আগে কখনও ভারতীয় মুদ্রার এত অবমূল্যায়ন হয়নি।

এর আগে গত মার্চে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার সর্বনিম্ন মানের রেকর্ড হয়েছিল ৭৬ দশমিক ৯৮ রুপি।

সোমবার দিনের শুরুর দিকে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান কমতে কমতে একপর্যায়ে রেকর্ড ৭৭ দশমিক ৫২ রুপিতে পৌঁছায়। তবে পরে সামান্য বেড়ে ৭৭ দশমিক ৪৬-এ গিয়ে স্থির হয়।

এদিন, ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রার মান ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৭৭ দশমিক ৪৩ রুপি দাঁড়িয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ভারতীয় রুপি

আরও খবর