Logo
শিরোনাম

চাঁদপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ৩ শিক্ষার্থী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় বাসচাপায় অটোরিকশাযাত্রী তিন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এসময় অটোরিকশাচালকসহ দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা দিকে কচুয়া-হাজীগঞ্জ সড়কের কড়ইয়া বিশ্বরোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উর্মি মজুমদার উমা (২৪) ‍উপজেলার দোয়াটি এলাকার মৃত রাজকুমারের মেয়ে, মাহাবুব আলম (২২) কোয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও সাদ্দাম হোসেন নিশ্চিন্তপুরের মোনাত মিয়ার ছেলে। তারা কুমিল্লার সরকারি ভিক্টরিয়া কলেজের মাস্টার্সের পরীক্ষার্থী ছিলেন।

কচুয়া থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি কচুয়া থেকে হাজীগঞ্জ যাচ্ছিল। কচুয়া-হাজীগঞ্জ সড়কের কড়ইয়া বিশ্বরোড এলাকায় লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকাগামী একটি বাস ওই অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচরে ঘটনাস্থলেই তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এসময় আহত হন অটোরিকশাচালকসহ দুজন।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।


আরও খবর



গীতাঞ্জলিকে নিঃস্ব করে দেয় মাদকাসক্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বলিউডে এমন বহু নামী তারকা রয়েছেন মাদকাসক্ত হয়ে যাঁদের কেরিয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকেও ফিরে এসেছেন অনেকে। তেমনই একজন গীতাঞ্জলি নাগপাল।

এক সময়ে জনপ্রিয় মডেল ছিলেন গীতাঞ্জলি। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকার সময়ই মাদকের নেশা ভর করে তাঁর উপর। তারপর ক্রমে তলিয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মাদক শুধু তাঁর জনপ্রিয়তাই কেড়ে নেয়নি। নিজের ছেলে, স্বামীকেও তাঁর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিল। র‌্যাম্প থেকে রাস্তায় নিয়ে এনে ফেলেছিল তাঁকে।

গীতাঞ্জলি দিল্লির মেয়ে। দিল্লিতে কলেজে পড়ার সময়ই তিনি মডেলিংয়ে আসেন। সে সময় কলেজ পড়ুয়াদের কাছে মডেলিং ছিল খুবই জনপ্রিয় পেশা। হাত খরচের টাকার জন্য অনেকেই টুকটাক মডেলিং করে থাকতেন। গীতাঞ্জলিও তাই ছিলেন।

কলেজ জীবনে তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন সন্দেলি সিন্‌হা। ২০০১ সালের ছবি তুম বিন-এর জন্যই পরিচিত মুখ সন্দেলি। তিনি তখন মডেলিং এবং বলিউড দুজায়গাতেই কাজ পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বন্ধুকে দেখেই মূলত মডেলিংয়ে আসা তাঁর। যাতে ইন্ধন জুগিয়েছিলেন আমির রাজপাল নামে এক চিত্রগ্রাহক।

ওই চিত্রগ্রাহকই গীতাঞ্জলির ব্যক্তিত্ব, চেহারা দেখে তাঁকে মডেলিংয়ে আসার উপদেশ দিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয় মডেল হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। দিল্লি থেকে ব্যাগ গুছিয়ে মুম্বই চলে আসেন গীতাঞ্জলি। বলিউডে ছবির প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে দিকে না গিয়ে মডেলিং করছিলেন।

কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, মডেলিং এবং গ্ল্যামারের পিছনে অন্ধকার জগতের মধ্যে ডুবে যেতে শুরু করেছিলেন তিনি। ক্রমে মাদকের নেশা তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছিল। অত্যন্ত পেশাদার এই মডেল ক্যামেরা চালু হওয়ার পরও অনেক সময় মাদকের জন্য ছটফট করতেন। মাদক নিয়ে তবে তিনি শ্যুট করতেন।

ইতিমধ্যেই জার্মানির এক ব্যক্তির সঙ্গে কর্মসূত্রে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে কয়েক বছর ডেট করার পর দুজনে বিয়ে করেন। তাঁদের এক ছেলেও হয়। কিন্তু এই সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। মাদকের নেশা তাঁর কাছ থেকে স্বামী-সন্তানকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তাঁর স্বামী গীতাঞ্জলির উপর বিরক্ত হয়েই ছেলেকে নিয়ে জার্মানি ফিরে যান। সে সময় ভীষণ একা হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

আর বেশি করে মাদক সেবন করতে শুরু করেছিলেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, মডেলিং কেরিয়ারও হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। এ দিকে মাদকের নেশায় অর্থাভাবও প্রকট হয়ে উঠতে শুরু করেছিল।

বাধ্য হয়েই গীতাঞ্জলি তখন দেহব্যবসায় নামেন। কিছু দিন পরিচারিকার কাজও করেছিলেন। তাঁর পাশে নিজের বলতে কেউ ছিলেন না। গীতাঞ্জলির একমাত্র সঙ্গী হয়ে উঠেছিল মাদক। মাথার উপর ছাদটুকুও খুইয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

কখনও রাস্তায়, কখনও কোনও মন্দিরে আশ্রয় নিতেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই করুণ হয়ে উঠেছিল যে তাঁকে দেখে ভিখারি ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারতেন না পথচলতি মানুষ। মাদক কিনতে ভিক্ষাও করতে হয়েছে তাঁকে।

এক সাংবাদিকের সূত্রেই গীতাঞ্জলির এই পরিস্থিতির কথা জানাজানি হয়। তারপর তাঁকে একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। বহু দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হন তিনি।

সুস্থ হওয়ার পর বেশ কিছু সময় মায়ের সঙ্গে হরিদ্বারে কাটিয়েছিলেন। তাঁর সেই জার্মান স্বামী তাঁকে ফেরাতে চাইলেও গীতাঞ্জলি সেই সম্পর্কে ফিরতে চাননি। ২০০৮ সালে ফ্যাশন নামে একটি ছবি মুক্তি পায়। শোনা যায়, গীতাঞ্জলিকে মাথায় রেখেই এই ছবিতে কঙ্গনা রানওয়াতের চরিত্র এঁকেছিলেন পরিচালক। যদিও পরিচালক মধুর ভান্ডারকর কখনও তা মানতে চাননি।


আরও খবর



আজকের ভালো মন্দ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ আপনার জন্মদিন হলে পাশ্চাত্য জ্যোতিষে আপনি বৃশ্চিক রাশির জাতক/ জাতিকা। আপনার জন্মসংখ্যা : ১। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ : রবি ও মঙ্গল। আপনার শুভ সংখ্যা : ১ ও ৯। শুভ বার : রবি ও মঙ্গল। শুভ রত্ন : রুবি ও রক্তপ্রবাল।

মেষ (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল)

শরীর ভালো থাকতে পারে। অধীনদের কাজে লাগাতে পারবেন। মূল্যবোধ বজায় রাখুন। আর্থিক দিক ভালো যেতে পারে। পড়াশোনায় আনন্দ পাবেন।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২০ মে)

ভ্রমণের সুযোগ পেতে পারেন। অসুস্থদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে পারে। অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুযোগ পেতে পারেন। জ্ঞাতিশত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

মিথুন (২১ মে-২০ জুন)

ছোট ভাইবোনদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। আইনগত ঝামেলা থেকে দূরে থাকুন। গোপন শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। গোপন শত্রু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। শারীরিক অসুস্থতাকে অবহেলা করবেন না।

কর্কট (২১ জুন-২০ জুলাই)

কর্মপরিবেশ মোটামুটি অনুকূল থাকতে পারে। আর্থিক দিক ভালো যাবে। আয়-উপার্জন বৃদ্ধি পেতে পারে। জ্যেষ্ঠ ভাইবোনদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকতে পারে। কোনও আশা পূরণ হতে পারে।

সিংহ (২১ জুলাই-২১ আগস্ট)

কোনও আশা পূরণ হতে পারে। পিতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। পাবলিক ইমেজ বৃদ্ধি পাবে। কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকতে পারে। কর্মস্থলে সহকর্মীদের সহযোগিতা পেতে পারেন।

কন্যা (২২ আগস্ট-২২ সেপ্টেম্বর)

বিমাকর্মীদের জন্য সময় অনুকূল থাকতে পারে। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। কোনও আশা পূরণ হতে পারে। মন ভালো থাকবে। ভ্রমণ ফলপ্রসূ হতে পারে।

তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর-২২ অক্টোবর)

অপরের প্রতি সদাচরণ করুন। ব্যবসায়িক দিক একটি খুব একটা ভালো না-ও থাকতে পারে। বিক্রয়-বাণিজ্যে লোকসান হতে পারে। সামাজিক সংকট এড়িয়ে চলুন। রিপুকে সংযত রাখুন।

বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর-২১ নভেম্বর)

পড়াশোনায় মন বসাতে চেষ্টা করুন। শরীর অসুস্থ হতে পারে। আহারে-বিহারে সতর্ক থাকুন। শত্রুরা ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে। শত্রুদের দুর্বল ভাবা ঠিক হবে না।

ধনু (২২ নভেম্বর-২০ ডিসেম্বর)

মাতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। বিদ্যার্থীদের জন্য দিনটি শুভ। পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন। নিজের মনোভাব স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করুন। সে ক্ষেত্রে সাফল্য পেতে পারেন।

মকর (২১ ডিসেম্বর-১৯ জানুয়ারি)

ছোট ভাইবোনদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখুন। মন ভালো থাকবে। কোনও প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো যাবে। জ্ঞানস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে।

কুম্ভ (২০ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বোধ করতে পারেন। পারস্পরিক সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখুন। মন ভালো থাকবে। আবেগ সংযত রাখুন।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

অধীনদের কাজে লাগাতে পারবেন। প্রাপ্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিন। প্রবাসী আপনজনের সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে। কাজকর্মে উৎসাহ বোধ করতে পারেন। ঠাণ্ডা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

 

নিউজ ট্যাগ: আজকের রাশিফল

আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




‘মৎস্য বা গবাদিপশু পালনে সহজশর্তে স্বল্প সুদে ঋণ দিচ্ছে সরকার’

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
তাছনিম আদনান

Image

সমবায়ভিত্তিক মৎস্যজীবীদের সরকারিভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সমবায় দল গঠন করে মৎস্য চাষ বা গবাদিপশু পালন করতে চাইলে রাষ্ট্র তাদের সহজশর্তে, স্বল্প সুদে ঋণ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

শনিবার (০৬ নভেম্বর) পিরোজপুরের নেছারাবাদে জাতীয় সমবায় দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে নেছারাবাদ উপজেলা সমবায় বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

দেশে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থা অনেক জোরদার উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, দেশে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তবে মাইক্রোক্রেডিটের নামে একটা শ্রেণি মানুষদের নিষ্পেষন করছে, চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ নিচ্ছে। এদের জন্য নীতি-নিয়মের মধ্যে যে সব সমবায় প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তাদের বদনাম হচ্ছে। এ বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে। বিধি ভঙ্গ করে মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন নীল চাষিদের মতো অসহায় মানুষদের নির্যাতন করতে না পারে। সমবায়ের সৃযোগ নিয়ে কেউ যেন এর অপব্যবহার না করে। সমবায় হোক আমাদের শক্তির একটি প্লাটফর্ম। সমবায় হোক দরিদ্র-অসহায় মানুষদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম।

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য ছিল যৌথ মালিকানা ও যৌথ নেতৃত্ব। সে কারণে তিনি সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা চালু করতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন রাষ্ট্রের সম্পত্তি হবে সকলের। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষক, জেলে, শ্রমিক এবং খেটে খাওয়া মানুষদের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সে লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধু সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা বলেছিলেন এবং সমবায়ভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা কায়েম হয় বাংলাদেশে। সমাজে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা আনার জন্য বঙ্গবন্ধুর যে লক্ষ্য ছিল সেটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে আবার মেহনতি মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, জেলে ও খেটে খাওয়া মানুষের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আবার কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির, নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত জয় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১




মানবতাবিরোধী অপরাধ: সাবেক এমপি মোমিনের রায় যেকোনো দিন

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আবদুল মোমিন তালুকদার ওরফে খোকার বিরুদ্ধে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বগুড়া-৩ আসনে বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মোমিন তালুকদার ওরফে খোকার বিরুদ্ধে যে কোনো দিন (সিএভি) রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রোববার (৩১ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন ও রেজিয়া সুলতানা চমন।

সোমবার প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন বলেন, এই আসামি পলাতক রয়েছেন। গতকাল শুনানি শেষে তার রায় ঘোষণার জন্য সিএভি রেখেছেন।

আবদুল মোমিন তালুকদার ওরফে খোকার বিরুদ্ধে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে ১৯ জনকে হত্যা ও গণহত্যা এবং ১৯টি বাড়ি লুট করে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে আবদুল মোমিন তালুকদার বিএনপিতে যোগ দেন। পরে আদমদীঘি উপজেলা বিএনপির সভাপতি হন। বিগত চার দলীয় জোট সরকারের আমলে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পান তিনি। ২০০১ ও ২০০৮ সালে দুইবার বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মোমিন তালুকদার। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।


আরও খবর



সরকারি তথ্যে ধর্ষণ-নারী নির্যাতন বেড়েছে

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ২৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন এবং রাহাজানির ঘটনা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার (২২ নভেম্বর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ২০২০-২১ অর্থ বছরের কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদনের বরাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ধর্ষণ ছিল ৫ হাজার ৮৪২টি, ২০২০-২১ এ ৭ হাজার ২২২টি এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে নারী নির্যাতন ছিল ১২ হাজার ৬৬০টি, ২০২০-২১ এ বেড়ে হয়েছে ১৪ হাজার ৫৬৭টি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট মামলার সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৬১ হাজার। ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬২টি। প্রায় ৯১ হাজার মামলা কমেছে।

আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ডাকাতির মামলা ছিল ৩৩৬টি, ২০২০-২১ এ হয়েছে ৩২১টি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রাহাজানি ছিল ৯১৯টি, ২০২০-২১ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৪৮টি।

এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে অস্ত্র আইনে মামলা ছিল ২ হাজার ১৬৭টি, ২০২০-২১ অর্থবছরে হয়েছে ১ হাজার ৭৪৭টি। ২০১৯-২০ অর্থবছরে খুন ছিল ৩ হাজার ৪৮৫টি, ২০২০-২১ এ ৩ হাজার ৪৫৮টি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ৩০ জুন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কোনো রিপোর্ট আমাদের কাছে আসেনি। উল্লেখ্য, রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছরে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সম্পাদিত কার্যাবলি সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।


আরও খবর