Logo
শিরোনাম

চাঁদপুরের বাস দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে চলা যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি দুর্ঘটনাকবলিত বাসের পেছনের অন্য আরেকটি বাস থেকে ধারণ করা হয়েছে। তবে কে তা ধারণ করেছেন তার পরিচয় ঘটনার একদিন পার হলেও এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মৌতাবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুই নারী যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এদের একজন শাহরাস্তির নাওড়া গ্রামের বীভা রানী দাস এবং কুমিল্লার নিমসারের গীতা রানী দাস। এই দুজন পরস্পর আত্মীয়। এই দুর্ঘটনায় বাসের আরো বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।

পুলিশ জানিয়েছে, কুমিল্লা থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা বোগদাদ পরিবহনের বাসটি শাহরাস্তির মৌতাবাড়ি এলাকায় পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।

শাহরাস্তি থানার ওসি আব্দুল মান্নান জানান, খুব বেপরোয়া গতিতে চলার কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি।

দেশের বিশিষ্ট দারুশিল্পী সমীরণ দত্ত জানান, এই দুর্ঘটনায় তার বড়বোন নিহত হন। এর আগে আরেক দুর্ঘটনায় কয়েক বছর আগে তার বোনের স্বামীও নিহত হন।

অন্যদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী বোগদাদ পরিবহনের বাসগুলো প্রায় এমন বেপরোয়া গতিতে চলার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা
Share

আরও খবর



প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৩৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সকাল ১১টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ছাত্রদল কর্মীরা। সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

জানা যায়, এ দিন সকাল ১০টায় প্রেসক্লাবের ভেতর বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে ছাত্রদল কর্মীরা। এ সময় প্রেসক্লাবের গেটের বাইরে অবস্থান নেয় পুলিশ। পরে ১১টার দিকে ছাত্রদল কর্মীরা গেটের বাইরে এলে তাদের সঙ্গে প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয় পুলিশের। এ সময় তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

পরে দ্বিতীয় দফায় আবারো গেটের বাইরে এসে স্লোগান দিতে থাকে বিক্ষোভরত ছাত্রদল কর্মীরা। এ সময় প্রেসক্লাবের ভেতর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তারা।

সম্প্রতি কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করে ছাত্রদল।

Share

আরও খবর



নামের আগে-পরে ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোর বিশ্লেষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নামের আগে-পরে ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোর বিশ্লেষণশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের পর লেখা হয়- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

ধর্মীয় নেতা কিংবা ব্যক্তিত্বের নামের আগে বা পরে নানা ধরনের উপাধি লেখা হয়।

ব্যবহৃত উপাধিসমূহের কিছু অর্থ বুঝা যায়, আর কিছু উপাধি বা নামের আগে পরে থাকা শব্দের অর্থ অনেকই বুঝেন না; জানেন না। ক্ষেত্রবিশেষ এসব আবার সংক্ষেপেও লেখা হয়।

না জানা থেকে এগুলো পড়তে অনেকের ভুল হয়। কেননা, লেখার সময় সংক্ষেপণ রীতিসিদ্ধ হলেও পড়ার সময় কিন্তু সংক্ষেপণ রীতি সিদ্ধ নয়। বরং পড়ার সময় সংক্ষিপ্ত শব্দের বিস্তারিত রূপ পাঠ করাই হলো- নিয়মের কথা। নামের আগে-পরে ব্যবহৃত ওইসব শব্দের মাঝে রয়েছে-

সা., স., দ.

এ শব্দগুলো সংক্ষেপের যে কোনো একটি লেখা হয় শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের পর। সা., স. অথবা দ. যেটাই লেখা থাকুক; পড়তে হবে- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এর অর্থ, আল্লাহ তার (নবী মুহাম্মদ) ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুক।

পরিভাষায় এ বাক্যের নাম দরুদ। তাই সংক্ষেপ করতে যেয়ে অনেক সময় দ. লেখা হয়। আবার প্রথম বর্ণ  হওয়ায় শব্দ সংক্ষেপ করে সা., কিংবা স. লেখা হয়। তবে বেশ আগে দ. লেখার প্রচলন থাকলেও বর্তমানে তা নেই বললেই চলে। এখন সবাই সা., অথবা স. লেখে থাকেন। 

তবে অভিজ্ঞ ইসলামি স্কলাররা এ বাক্যকে সংক্ষেপ করে লেখাকে পছন্দ করেন না। তারা সবসময় পূর্ণ বাক্য লেখার পক্ষপাতী।

আ.

এ শব্দসংক্ষেপ লেখা হয়ে থাকে শেষ নবী ব্যতীত অন্য সব নবীদের নামের পর। এর পূর্ণ রূপ হলো- আলাইহিস সালাম।  অর্থ, তার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।

রা., রাযি., রাজি. ও রাদি.

এ শব্দগুলোর যে কোনোটি লেখা হয়- সাহাবিদের নামের পরে। ইসলামের পরিভাষায় সাহাবি বলা হয়, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর শেষ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হয়েছেন এবং মুসলিম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। এ শব্দ সংক্ষেপগুলোর পূর্ণরূপ একবচন পুরুষের ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহু, বহুবচন পুরুষের ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহুম, একবচন মহিলার ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহা, বহুবচন নারীর ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহুন্না এবং দ্বি-বচন পুরুষ-মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহুমা।  পূর্ণ বাক্যের অর্থ হলো- আল্লাহ তার অথবা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। 

র., রহ.

র., রহ. শব্দ দুটো সংক্ষেপ লেখা হয় নবী ও সাহাবি ব্যতীত বিশিষ্ট নেককার, পরহেজগার, মুত্তাকি মুসলিমদের মধ্যে যারা মারা গেছেন- তাদের নামের পর। পূর্ণ রূপ হলো-রাহমতুল্লাহি আলাইহি।  বাক্যটির অর্থ- তার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

দা. বা., মু. আ., হাফি.

এ শব্দসংক্ষেপগুলো লেখা হয়- বিশিষ্ট নেককার, পরহেজগার মুত্তাক মুসলিমদের মধ্যে যারা জীবিত আছেন- তাদের নামের পর। দা. বা.-এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- দামাত বারাকাতুহুম।  অর্থ- তার কল্যাণসমূহ স্থায়ী হোক। 

মু. আ.-এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- মুদ্দাযিল্লুহুল আলি।  অর্থ- তার মহান ছায়া আমার ওপর দীর্ঘ হোক। হাফি.-এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- হাফিযাহুল্লাহ।  অর্থ- আল্লাহ তার হেফাজত করুক।

মাও.

শব্দটি সংক্ষেপ লেখা হয় কওমি মাদরাসা থেকে তাকমিল বা দাওরায়ে হাদিস উত্তীর্ণ হয়েছেন অথবা আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল পাশ করেছেন তাদের নামের পূর্বে। এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- মাওলানা।  অর্থ- আমাদের কল্যাণকামী বন্ধু।

এভাবে নামের আগে-পরে ছাড়াও মুসলিম সভ্যতায় ব্যবহারিক জীবনে বেশ কিছু আরবি বাক্য খুব গুরুত্ব ও যত্নের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। যেমন-

আলহামদুলিল্লাহ

কোনো শুভ সংবাদের আগে বা পরে এ বাক্যটি বলা হয়। যেমন, আলহামদুলিল্লাহ- আমি ভালো আছি। বাক্যটির অর্থ- সব প্রশংসা আল্লাহর।

ইন্নালিল্লাহ

ছোট-বড় যে কোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির শিকার হলে এ বাক্যটি বলা হয়। কোনো কিছু হারিয়ে গেলে বলতে হয়- ইন্নালিল্লাহ। আবার অনেক সময়, বিশেষতঃ কারো মৃত্যুর সংবাদ দেওয়ার সময় আরেকটু বড় করে বলা হয়- ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। বাক্যটির অর্থ- আমরা সবাই আল্লাহর অধীন এবং আমরা সবাই তারই কাছে ফিরে যাব।

জাযাকাল্লাহ

ধন্যবাদ জানানোর জন্য এ বাক্যটি বলা হয়। এর অর্থ- আল্লাহ আপনাকে প্রতিদান দেবেন।

ইনশাআল্লাহ

ভবিষ্যতে কোনো কিছু করার ইচ্ছা ব্যক্ত করার আগে বা পরে এ বাক্যটি বলা হয়। যেমন- ইনশাআল্লাহ, আমি কাল আপনার সঙ্গে দেখা করব। অর্থ- যদি আল্লাহর ইচ্ছা হয়।

মাশাআল্লাহ

ভালো কোনো কিছু দেখলে এ বাক্য বলা হয়। যেমন- মাশাআল্লাহ, আপনার ছেলে খুব সুন্দর হয়েছে। মাশাআল্লাহ শব্দের অর্থ- আল্লাহ যেমন চেয়েছেন।

Share

আরও খবর

ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলাম যা বলে

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সরস্বতী পূজা আজ

মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান ফেসবুক পেজ বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সহিংসতা উসকে দেয়ার অভিযোগে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর একটি ফেসবুক পেজ বন্ধ করে দিয়েছে c কর্তৃপক্ষ। গালফ নিউজের খবরে বলা হয়, রবিবার কর্তৃপক্ষ ট্রু নিউজ নামে ওই পেজটি বন্ধ করে দেয়।

গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এর পরই ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে মিয়ানমারের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটির রাজধানী নেপিদো, প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনসহ বিভিন্ন শহরে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ চলছে।

মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী ধীরে ধীরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে সহিংস আচরণ করতে শুরু করেছে। সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে দেশটিতে এখন পর্যন্ত এক তরুণীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার ম্যান্ডেলাই শহরে পুলিশের গুলিতে দুজন নিহত হয়।

অং সান সুচিকে তার রাজনৈতি দল ন্যাশনাল লীগ ফল ডেমোক্রেসির (এনএলডি) অন্তত ২৪ জন নেতার সঙ্গে কাস্টডিতে নেয়া হয়েছে। সেনা সরকার সুচির বিরুদ্ধে অবৈধ ওয়াকিটকি রাখা ও পরিবেশ বিপর্যয় আইনে দুটি চার্জশীট গঠন করেছে। গত নভেম্বরে ভোট কারচুপির অভিযোগে অভ্যুত্থান করা হয়েছে বলে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ বৈধ করার চেষ্টা করছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পেজ বন্ধের বিষয়ে গালফ নিউজের খবরে বলা হয়, ওই ফেসবুক পেজে গত নভেম্বরে সুচি ভোট জালিয়াতি করে জয় পেয়েছে দাবি করা হয়। এছাড়া পেজটিতে বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখানো হয়।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেন, ট্রু নিউজ ইনফরমেশনটি টিম পেজটি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করার জন্য ডাউন করা হয়েছে। পেজটির মাধ্যমে সহিংসতা উসকে দেয়া হচ্ছিল বলেও জানান তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট সাম্প্রতিক বছরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত শত শত পেজ নিষিদ্ধ করে। ওইসব পেজে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী নিয়ে বিদ্বেষমূলক পোস্ট করা হচ্ছিল। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রেহিঙ্গাদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালায়। বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী প্রায় ১০ রাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘ রোহিঙ্গা নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করে। সংস্থাটির তদন্তে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গণহত্যা সংগঠিত করেছে উঠে আসে এবং তাদের বিচারের মুখোমুখী করার সুপারিশ করা হয়। এরপর ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মিয়ামনারের সেনাবাহিনী প্রধান মিন অং হ্লাইং এবং শীর্ষ কিছু সেনা কর্মকর্তাকে ফেসবুক প্লাটফর্ম থেকে বিতাড়িত করে। এছাড়া ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহরত সশস্ত্রগোষ্ঠী এবং কট্টরপন্থি বৌদ্ধ যারা মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা উসকে দিচ্ছিল তাদেরও নিষিদ্ধ করে।

Share

আরও খবর

বিশ্বে করোনায় সুস্থ ৯ কোটি

সোমবার ০১ মার্চ ২০২১




বিশ্ব স্কাউট দিবস আজ

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ৬০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্ব স্কাউট দিবস আজ। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ৩৮ মিলিয়ন স্কাউট দিবসটি পালন করবেন। স্কাউটিং আন্দোলনের প্রবক্তা ব্যাডেন পাওয়েল ১৮৫৭ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। তার হাত ধরেই ১৯০৭ সালে এ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। তাই দিনটিকে স্কাউট দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

বর্তমানে পৃথিবীর ২১৭টি দেশে তিন কোটি ৮০ লাখ স্কাউট ও গাইড বিভিন্ন স্কাউটিং সমিতির প্রতিনিধিত্ব করছেন। বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশে স্কাউটিংয়ের যাত্রা শুরু ব্রিটিশ আমলে। ১৯৪৭ সালের পর ইস্ট পাকিস্তান বয়স্কাউট অ্যাসোসিয়েশনের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭২ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ বয়স্কাউট অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৭৮ সালে আবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ স্কাউটস। ১৯৯৪ সাল থেকে মেয়েরা এর সদস্য হওয়ার অধিকার লাভ করেন।

২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশে ১০লাখ ১৫ হাজার ১১৬ স্কাউট রয়েছেন। কমিউনিটি সেবা, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিশুকল্যাণ, নির্মাণ ও সস্তায় বাড়িঘর তৈরিতে স্কাউটরা সহায়তা করে থাকেন।

Share

আরও খবর



প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার রায় আজ

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার আদালতের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম সরোয়ার জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি আরও বলেন, দুপুরের মধ্যে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। রায়ের সময় আসামিদের আদালতে হাজির করা হবে।

আইনজীবী বলেন, মামলায় বিচারক অভিযোগপত্রের ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন। এ মামলায় আমরা সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছি, তাই আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করছি।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ মামলায় রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলোচিত এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফজলুর রহমান আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপরে মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে বদলির নির্দেশ দেন বিচারক। পরের বছর ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রধান ও বরখাস্ত হওয়া মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুস সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে সাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার, শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের ও আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে আবদুল্লাহসহ আটজন।

নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ নভেম্বর আজিজ সুপার মার্কেটের নিজ কার্যালয়ে দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় দীপনের স্ত্রী রাজিয়া রহমান জলি রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

Share

আরও খবর