
কমিয়ে আনা হয়েছে
করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার সময়সীমা। আগে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ছয়
মাস পর বুস্টার ডোজ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও সেটি কমিয়ে এনে চার মাস করা হয়েছে। আগামী ১৭
মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৩ কোটি ২৫ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হবে,
সেদিন থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে।
সংবাদ সম্মেলনে
আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন
মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক
(পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বলেন, আমরা সফলভাবে টিকা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। করোনাকালীন সময়ে যখন সব সেবা বন্ধ
ছিল, আমরা আমাদের হাসপাতালগুলোতে সব সেবা কার্যক্রম চালিয়েছি। করোনার পাশাপাশি নন-কোভিড
রোগীদেরও সেবা দিয়েছি। এখন করোনা সংক্রমণ কমে এসেছে, এখনো আমরা একসঙ্গে দুটি সেবাই
চালিয়ে যাচ্ছি।
তিনি বলেন,
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ ক্যাম্পেইন হাতে নিয়েছে সরকার। প্রথম, দ্বিতীয় ও
বুস্টার ডোজ মিলে ১৭ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ৩ কোটি ২৫ লাখ মানুষকে করোনা টিকা
দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
শিশুদের টিকা
প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি। তাদের
অনুমোদন পেলে দেশে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হবে।

