Logo
শিরোনাম

চমেকের ৩০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ক্যাম্পাস খুলবে শনিবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
গত ২৯ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে পরদিন ৩০ অক্টোবর সকালে কলেজের ফটকের সামনে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় বিভিন্ন মেয়াদে ৩০ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সংঘর্ষের ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা ক্যাম্পাস ২৭ নভেম্বর খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার চমেক একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে চমেক অধ্যক্ষ ডা. সাহেনা আক্তার জানান, ওই ৩০ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একাডেমিক কাউন্সিল সভায় মেয়েদের হল শিগগিরই খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর ছেলেদের হল কিছুদিন পরে খুলে দেওয়া হবে। তবে মেয়েদের হল ঠিক কবে খোলা হবে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি তিনি।

গত ২৯ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে পরদিন ৩০ অক্টোবর সকালে কলেজের ফটকের সামনে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ছাত্রলীগের এই দুটি পক্ষের মধ্যে একটির নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছির উদ্দীনের এবং অপরটি শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে জানানো হয়েছিল। সংঘর্ষে মাহফুজুল হক, নাইমুল ইসলাম ও মাহাদি জে আকিব আহত হন। এর মধ্যে আকিবের অবস্থা গুরুতর ছিল। তার মাথার খুলি থেঁতলে গিয়েছিল। এতে তার মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। করতে হয়েছিল অস্ত্রোপচারও। সেই সময় ঘটনাটি দেশের সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়।

সংঘর্ষের পর ওইদিন বিকেলে জরুরি একাডেমিক কাউন্সিলের সভা করে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজটি বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সন্ধ্যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। আর ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয় কমিটি।


আরও খবর



রোগীদের অযথা পরীক্ষা দিতে নিষেধ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমাদের হাসপাতালগুলোতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় ৬০ ভাগ টাকা রোগীর পকেট থেকে খরচ করতে হচ্ছে। এরমধ্যে ওষুধের খরচই বেশি।-এমন মন্তব্য করে রোগীদের অযথা পরীক্ষা না দিতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, দেশে রোগীদের দিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এতে রোগীদের খরচ বাড়ছে। তাই চিকিৎসকদের প্রতি অনুরোধ, রোগীদের অযথা পরীক্ষা দেবেন না।’ রোববার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীরা বিনামূল্যে সেবা পান। তবুও দেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান। সেক্ষেত্রে দেশের তুলনায় ১০ গুণ বেশি খরচ হয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনেক ভালো। হার্টের বাইপাস অপারেশন কোনো না কোনো হাসপাতালে হচ্ছে। কিডনি ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা হচ্ছে। তবে, আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও উন্নত হওয়া দরকার। ক্যানসার, কিডনি ও হার্টের চিকিৎসায় আরও উন্নতি দরকার।

দেশের ৮টি বিভাগে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। এগুলোতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ক্যানসার, কিডনি ও হার্টের চিকিৎসা দেওয়া হবে। এসব হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হলে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে হবে না।

দেশের হাসপাতালগুলোতে খরচ আরও কমানো যেতে পারে বলে মনে করেন জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে যে পরিমাণ রিসোর্স থাকুক না কেন, ফান্ডিং, মেশিনারিজসহ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার যদি হয় তাহলে মনে করি খরচ অনেকাংশেই কমে আসবে।

বেসরকারি হাসপাতালে ব্যায়বহুল চিকিৎসার বিষয়ে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয় একটু বেশি। চিকিৎসার পাশাপাশি ওষুধের দামও সেখানে বেশি হয়ে থাকে। এ বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, আলোচনা করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ সার্বিক খরচ আলোচনার মাধ্যমে একটি সহনশীল পর্যায়ে আনা যায় কি না আমরা আলোচনা করেছি এবং পদক্ষেপ নিয়েছি।

হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানে একটি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহাদৎ হোসেন মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. লোকমান হোসেন মিয়া, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু প্রমুখ।


আরও খবর



চট্টগ্রামে কারাগারে মারা গেলেন বিএনপি নেতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
তারিকুল ইসলাম জানান, সকালে দিকে ফকির আহমদ নামে একজন হাজতি মারা যান। কারা চিকিৎসকরা মনে করছেন তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মীরসরাই বিএনপি নেতা ফকির আহমদ (৬২)  মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন কারাগার কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃত ফকির আহমদ মীরসরাই পৌরসভার বাসিন্দা গণি আহমদের ছেলে ও মীরসরাই পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার দেওয়ান মো. তারিকুল ইসলাম জানান, সকালে দিকে ফকির আহমদ নামে একজন হাজতি মারা যান। কারা চিকিৎসকরা মনে করছেন তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। পরে ময়নাতেদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। ফকির আহমদ গত ১৮ অক্টোবর থেকে কারাগারে রয়েছেন।

জানা গেছে, জেলার হাটহাজারীতে মন্দির ভাঙচুর ও সহিংসতার একটি মামলায় ১৮ অক্টোবর মীরসরাই পুলিশ ফকির আহমদ গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

নিউজ ট্যাগ: বিএনপি

আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




‘ওয়াই–ফাইয়ের কোড—জয় বাংলা, এ জন্য রুমিন তা ব্যবহার করবেন না’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রুমিন জানান, তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি মুঠোফোনে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সংসদকক্ষে নেটওয়ার্ক না থাকায় তা দেখা যাচ্ছিল না। এ কারণে তিনি বাইরে গিয়েছিলেন

জাতীয় সংসদকক্ষে মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক না পেয়ে বাইরে গিয়েছিলেন বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সাংসদ রুমিন ফারহানা। সংসদকক্ষে ফিরে এসে তিনি পড়েন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের টিপ্পনীর মুখে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) বিল-২০২১’ পাসের আলোচনার সময় এ ঘটনা ঘটে।

বিলটির আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে।

রুমিনের পর দুজন সাংসদ বক্তব্য দেন। তারপর সাংসদের বক্তব্যের জবাব দিতে ওঠেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ সময় সংসদকক্ষে ছিলেন না রুমিন। রুমিনের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, উনি চলে গেছেন। আমার বক্তব্য ওনার শোনার দরকার নাই। ওনার বক্তব্য আমার কানে ঢুকিয়ে উনি চলে গেছেন।

কিছু সময় পর বিলটির সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করতে গিয়ে রুমিন আইনমন্ত্রীর কথার জবাব দেন। তিনি বলেন, থ্রি–জি, ফোর–জি, ফাইভ–জির কথা শুনি। কিন্তু সংসদে নেটওয়ার্ক থাকে না মাননীয় স্পিকার।’

রুমিন জানান, তিনি ফৌজদারি কার্যবিধি মুঠোফোনে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সংসদকক্ষে নেটওয়ার্ক না থাকায় তা দেখা যাচ্ছিল না। এ কারণে তিনি বাইরে গিয়েছিলেন।

পরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী রুমিনকে সংসদের ওয়াই–ফাই ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। স্পিকার বলেন, ওয়াই–ফাই কানেক্ট করার চেষ্টা করুন। এখানে ওয়াই–ফাই থাকার কথা।’

পরে আইনমন্ত্রী বক্তব্য দিতে ওঠেন। তিনি রুমিনের উদ্দেশে অনেকটা হাস্যরস করে বলেন, ওয়াই–ফাইয়ের কোড—জয় বাংলা। এ জন্য উনি (রুমিন) তা ব্যবহার করবেন না বলে শুনলাম।’

আইনমন্ত্রীর এই টিপ্পনীতে সরকারদলীয় সদস্যদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়। পরে আইনমন্ত্রী নিজের মুঠোফোনে ফৌজদারি কার্যবিধি বের করে তা পড়ে শোনান।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের মেয়েরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শারমীন আখতারের ১৩০ রানে ভর করে বাংলাদেশ মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫ উইকেটে ৩২২ রানের বিশাল সংগ্রহ করে। তারপর ৩০.৩ ওভারে ৫২ রানে গুটিয়ে দিয়েছেন বোলাররা।

হারারে সানরাইজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ২৭০ রানে জিতে বাছাইয়ের সুপার সিক্স নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। আগামী ২৫ নভেম্বর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচ খেলবে তারা, আর শেষ ম্যাচটি ২৯ নভেম্বর স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

৩২৩ রানের বিশাল লক্ষ্যে নেমে যুক্তরাষ্ট্র ২৫ রানেই হারায় ৬ উইকেট। রুমানা আহমেদ ও সালমা খাতুন দুটি করে উইকেট নিয়ে টপ অর্ডারে ধস নামান।

টারা নরিস ও মোকশা চৌধুরী উইকেট যাওয়ার আসার মিছিলে বিরতি দেন। ২৭ রানের এই জুটি ভেঙে আবারো ধাক্কা দেয় বাংলাদেশ, ইনিংস সেরা ১৬ রানে টারা আউট হন জাহানারা আলমের বলে। পরের ওভারে মোকশাকে (৮) বোল্ড করেন ফাহিমা খাতুন।

ফাহিমা তার পরের ওভারে আকশাথা রাওকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান। উজমা ইফতিখার অ্যাবসেন্ট হার্ট হওয়ায় ১০ ব্যাটসম্যানকে নিয়েই শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।


আরও খবর



শীতকালে গুড় খেলে দূরে থাকে কোন কোন রোগ?

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীতকালের গুড়ের স্বাদ আর গন্ধে মন বেশ ভাল হয়ে যায়। কিন্তু শরীরের উপর এর কী প্রভাব পড়ে? সে কথা জেনে রাখা জরুরি।

শীতকালে গুড় খেলে নানা ভাবে শরীরের যত্ন হয়। দূরে রাখা যায় বেশ কিছু রোগ।

১) খেজুরের গুড়ে থাকে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ। সঙ্গে প্রোটিন আর ভিটামিনও থাকে। ফলে এই গুড় নিয়ম করে খেলে শীতকালে কাজের শক্তি বাড়ে। হজমের সমস্যা দূর হয়। কমে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও।

২) নিয়মিত গুড় খেলে কমতে পারে মা‌ইগ্রেনের সমস্যা।

৩) শীতের সময়ে অনেকেরই ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সমস্যা হয়। নিয়ম করে গুড় খাওয়া গেলে সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হবে।

 ৪) খেজুরের গুড়ে আছে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। শীতে যখন শুষ্ক হয়ে যায় শরীর, তখন এই গুড় আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

 ৫) এ ছাড়াও গুড়ে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আয়রন। তা শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তাল্পতা দূর করে।

নিউজ ট্যাগ: শীতকালে গুড়

আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১