Logo
শিরোনাম

চোখ ওঠার লক্ষণ কী কী?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিসে অনেকেই এখন আক্রান্ত হচ্ছেন। এটি ভাইরাসজনিত এক সংক্রমণের কারণে ঘটে। একে পিংক আইজ বা গোলাপি চোখও বলা হয়। শুধু বড়দের মধ্যেই নয় নবজাতকসহ সব বয়সীদের মধ্যে কমবেশি এই সমস্যায় ভোগেন। কখনো ভাইরাল ফ্লুর কারণে, তোর আবার কখনো অ্যালার্জি কিংবা চোখে ক্ষতিকর কোনো পদার্থ ঢোকার কারণেও এটি হতে পারে। এক্ষেত্রে চোখে চুলকানি, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ব্যথা, লালচে ভাব ও ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

চোখ ওঠা কী: গোলাপি চোখ বা কনজাংটিভাইটিস হলো চোখের স্বচ্ছ ঝিল্লির (কনজাংটিভা) একটি প্রদাহ বা সংক্রমণ। এই ঝিল্লিই চোখের পাতার মাধ্যমে সাদা অংশকে ঢেকে রাখে। যখন কনজাংটিভায় ছোট রক্তনালিগুলো ফুলে যায়, তখন সেগুলো আরও দৃশ্যমান হয়। এ কারণেই চোখের সাদা অংশ লাল বা গোলাপি দেখায়। গোলাপি চোখ সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাল সংক্রমণ, অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ার কারণে দেখা দেয়। চোখ ওঠার সমস্যা যন্ত্রণাদায়ক হয় ও এটি দৃষ্টিকেও প্রভাবিত করে। শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের ক্ষেত্রেই গোলাপি চোখের কারণে কর্নিয়ায় প্রদাহের সৃষ্টি করে, যা দৃষ্টিকে প্রভাবিত করতে পারে।

চোখ ওঠার লক্ষণ কী: এক বা উভয় চোখে লালভাব, চুলকানি, আক্রান্ত চোখে তীক্ষ্ণ অনুভূতি, চোখে সাদা/হলুদ/সবুজ স্রাব জমা, চোখ ফুলে যাওয়া, দেখতে সমস্যা হওয়া, চোখে ব্যথা বা যন্ত্রণা, আলোর প্রতি সংবেদনশীল, চোখ দিয়ে বারবার পানি পড়া, চোখে জ্বালাপোড়া।

চোখ ওঠার কারণ কী: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি, চোখে রাসায়নিকের প্রবেশ, চোখে কোনো বস্তু ঢুকলে।

ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়া কনজাংটিভাইটিস: পিংক আইজ বা কনজাংটিভাইটিসের অন্যতম কারণ হলো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ। এটি অ্যাডেনোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়, তবে হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, ভেরিসেলা-জোস্টার ভাইরাস ও করোনাভাইরাসের কারণেও হতে পারে। ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস উভয়ই সর্দি বা শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের লক্ষণগুলোর সাথে প্রকাশ পায়। পরবর্তী সময়ে সংক্রমিত ব্যক্তির চোখ থেকে নিঃসৃত তরলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে। এক বা উভয় চোখই এতে প্রভাবিত হতে পারে। তবে চোখ ওঠার সমস্যা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চোখের অস্বস্তি কমাতে পারবেন। কারণ চোখ ওঠার সমস্যাটি সংক্রামক হতে পারে, প্রাথমিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত এর থেকে মিলবে সুস্থতা।

কখন ডাক্তার দেখাবেন:  চোখে যদি প্রচুর হলুদ বা সবুজ স্রাব বের হলে, চোখের পাতা খুলতে কষ্ট হলে বা একসসঙ্গে আটকে থাকলে, আলোর দিকে তাকালে চোখে তীব্র ব্যথা হলে, ঝাপসা দৃষ্টি, জ্বর, কাপুঁনি, মুখের ব্যথা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া।

এসব লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া নবজাতকের চোখ উঠলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান, না হলে শিশুর দৃষ্টিকে স্থায়ীভাবে ক্ষতি করতে পারে। যদি আপনার লক্ষণগুলো হালকা থাকে কিন্তু লালভাব ২ সপ্তাহের মধ্যে উন্নতি না হয়, সেক্ষেত্রেও চোখের ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

নিউজ ট্যাগ: চোখ ওঠা

আরও খবর

করোনায় একজনের মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




মাদক মামলায় পুলিশের এএসআইর ১৫ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার মাদক মামলায় পুলিশের সাবেক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আবুল বাশারকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন  আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের ৭ম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আ স ম শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালত এ রায় দেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আবুল বাশার (৪০) কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার থানার বৈশের কোর্ট এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে। বি-বাড়িয়া জেলার পুলিশ লাইন্সে এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।    

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জোরারগঞ্জ থানার বারৈয়ারহাট বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মোটরসাইকেলের পেছন থেকে ৩১ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ এএসআই মো. আবুল বাশারকে আটক করে র‌্যাব-৭। এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর তৎকালীন পরিদর্শক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুদ বাদী হয়ে জোরারগঞ্জ থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী হাফেজ আহম্মেদ বলেন, মাদকের মামলার পুলিশের সাবেক এএসআই মো. আবুল বাশারকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 


আরও খবর



বেশি ফলন পেতে শিম গাছের যত্ন নেবেন যেভাবে

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমাদের দেশে শীতকালে প্রচুর শিম ফলে। শিম খুবই জনপ্রিয় একটি সবজি। শিম পুষ্টিকর, সুস্বাদু হওয়া সবাই এ সবজিটি অত্যন্ত পছন্দ করেন। এটি চাষে সঠিক পদ্ধতি ও সঠিক যত্ন নিলে অধিক ফলন পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে বেশ লাভবানও হওয়া যায়। শিম শীতকালীন সবজি হলেও এটি এখন সারাবছর চাষ করা হয়। শিমের চারা ও তার আশপাশের আগাছা নিড়ানি দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তাছাড়া মাঝে মধ্যে নিড়ানি দিয়ে চারার গোড়ার মাটি খুঁচিয়ে আলগা ও ঝুরঝুরে করে রাখতে হবে। শিমের খরা সহ্য করার ক্ষমতা থাকলেও বৃষ্টির অভাবে মাটিতে রসের ঘাটতি হলে পানি সেচ দিতে হবে।

শিমের জমিতে সার উপরি প্রয়োগের কাজ দুই কিস্তিতে করতে হয়। প্রথম কিস্তি চারা গজানোর এক মাস পর এবং দ্বিতীয় কিস্তি গাছে দুই-চারটি ফুল ধরার সময়। প্রতি কিস্তিতে মাদা প্রতি ২৫ গ্রাম ইউরিয়া ও ২৫ গ্রাম এমওপি সার গাছের গোড়ার চারদিকে (গোড়া থেকে ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার দূরে) উপরি প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সার প্রয়োগের সময় মাটিতে রসের অভাব হলে ঝাঁঝরি দিয়ে পানি সেচ দিতে হবে।

দেশি শিমের পাতায় কালো দাগ ও ফোস্কা পড়া দেখা দিলে মেনকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। আর পাতায় হলুদ মোজাইক রোগ হলে গাছটি তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হয়। রোগটি জ্যাসিড বা সাদা মাছির কারণে হয়। এজন্য অন্যান্য সুস্থ গাছে ইমিডাক্লোরপিড বা ফেনথিয়ন গ্রুপের কীটনাশক স্প্রে করে জ্যাসিড বা সাদামাছি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। শিকড় পচা রোগ হলে আক্রান্ত গাছ তুলে বাকি গাছে ও মাটিতে ভালো করে কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। শিমের গোড়া ও শিকড় পচা রোগ সাধারণত বর্ষার শুরুতে বা অতি বর্ষণের ফলে গোড়ায় পানি জমলে হয়। তবে মাঝে মাঝে আবহাওয়ার আর্দ্রতা বেড়ে গেলে ও উচ্চ তাপমাত্রায় গোড়া পচা রোগের প্রকোপ দেখা দেয়।

গাছের বৃদ্ধির যেকোনো অবস্থাতেই এ রোগ হতে পারে। মাটির ঠিক উপরে গাছের কাণ্ডে লালচে বাদামি দাগ পড়ে। ধীরে ধীরে এই দাগ বিস্তার লাভ করে। বেশি হলে শিকড়েও ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত অংশ আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায় ফলে গাছ দুর্বল হয়। ফলন কম হয়, কখনো কখনো গাছ মরেও যেতে পারে। চারা অবস্থায় আক্রান্ত হলে চারা মারা যায়। অন্য সুস্থ গাছে বিশেষ করে গাছের গোড়ায় কপারযুক্ত ছত্রাকনাশক বা বাড়িতে তৈরি বোর্দো মিশ্রণ ৭ দিন পরপর ২ থেকে ৩ বার স্প্রে করলে সুফল পাওয়া যায়। দেশী শিমগাছের বয়স্ক অবস্থায় মোজাইক বা মরিচা রোগ দেখা যায়। এটি ছত্রাকঘটিত রোগ। মাঘ মাসের শুরুর দিকে বিশেষ করে এ সময় দু-এক পশলা বৃষ্টি হলে বা বেশি কুয়াশা হলে এই রোগ দেখা দেয়।

শিম গাছের পাতায় বিশেষ করে নিচের দিকের পুরনো পাতায়, কাণ্ডে ও ডগায় বা কখনো কখনো শুঁটিতে মরিচা রোগের আক্রমণ দেখা যায়। এর আক্রমণে ছোট ছোট বাদামি ধূসর রঙের দাগ পড়ে পাতায়। পরে দাগগুলো আকারে বাড়ে, গোলাকার বা কোণবিশিষ্ট হয় এবং গাঢ় বাদামি রং ধারণ করে। শেষে বড় দাগগুলো কালো রঙে রূপান্তরিত হয়। সাধারণত দাগগুলো একত্রিত হয়ে এক জায়গায় থাকে এবং অনেক সময় পরস্পর মিশে গিয়ে বড় দাগের সৃষ্টি করে। মরিচা রোগ প্রতিকারের ভালো উপায় হচ্ছে রোগ প্রতিরোধী জাতের চাষ করা। বারি ও ইপসা জাতের শিমগুলো এই রোগ প্রতিরোধী। একবার এ রোগে গাছ আক্রান্ত হলে রোগ দমন করা যায় না। গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হয়।

নিউজ ট্যাগ: শিম গাছের যত্ন

আরও খবর

যেভাবে উন্নত জাতের গাভি চিনবেন

সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২

বেশি ডিম দেওয়া মুরগি চেনার উপায়

সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২




আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১০ মামলার আসামি গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১০ মামলার আসামি এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।

রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ টু ছয়ানী গামী সড়কের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী নাজমুল ইসলাম রাসেল(২৩) বেগমঞ্জের ভবানী জীবনপুরের আলুর দমের নতুন বাড়ীর মৃত মান্নানের ছেলে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো.শহীদুল ইসলাম গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের চন্দ্রগঞ্জ টু ছয়ানী গামী সড়কের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরন, পূজা মন্ডপে হামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।


আরও খবর

বিয়ে বাড়িতে কিশোরীকে ধর্ষণ

বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২




বিদ্যুস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেলো কৃষকের

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নীলফামারীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আজিজুল ইসলাম (৩৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে (২ অক্টোবর) সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের দলুয়া দোগাছি দিঘিরপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত আজিজুল দিঘিরপাড় এলাকার হামিদুল ইসলামের ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, নিজ বাড়িতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন আজিজুল। তাৎক্ষনিকভাবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।

 


আরও খবর



উলিপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো যুবকের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আজিজুল ইসলাম (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর কদমতলা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র।

জানা গেছে, আজ সকালে তার নিজ চাতালে ইলেক্ট্রিক ফ্যানে ধান শুকানোর কাজ করছিল। ইলেক্ট্রিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গেলে বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হাতিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হাশেম সরকার বিএসসি মৃত্যুর ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত

মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২