Logo
শিরোনাম

চুল পড়া কমাতে পেয়ারা পাতার জাদু

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চুল পড়া এখন নারী-পুরুষ উভয়ের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা চুল পড়া রোধে দামি দামি ওষুধ ও প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু কোনও উন্নতি হয় না চুলের। তবে পেয়ারা পাতার ব্যবহারে আপনি পেতে পারেন জাদুকরী সমাধান। এই পাতা কোলাজেন উৎপাদন করতে সাহায্য করে। আর কোলাজেনই ফিরিয়ে দিতে পারে ঘন চুল। এ জন্য শুধু বানিয়ে নিতে হবে পেয়ারা পাতার সিরাম।

চলুন জেনে নেই কী ভাবে এই সিরাম বানাবেন:

* প্রথমে বেশ কয়েকটি পেয়ারা পাতা জলে ফুটিয়ে নিন।

* ২০ মিনিট ফুটিয়ে নেওয়ার পরে ছেঁকে জলটি বার করে নিন।

* সেই জল ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে নিন। তৈরি হয়ে গেল পেয়ারা পাতার সিরাম।

চুলের গোড়ায় এটি ব্যবহার করবেন কিভাবে?

* প্রথমেই মনে রাখতে হবে, এই সিরাম ব্যবহার করার সময়ে চুলে যেন কোনও রাসায়নিক না লেগে থাকে। অন্য রাসায়নিক সিরাম বা তেল থাকলে এটি ভাল করে কাজ করবে না।

* এই সিরাম মাথায় মাখার পরে মিনিট ১০ মাসাজ করুন।

* এর পরে ঘণ্টা খানেক রেখে দিন। খুব ভালো হয় যদি রাতে শোওয়ার আগে এটি মেখে নেওয়া যায়।

* সকালে হাল্কা গরম জল দিয়ে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।

অনেকেরই অকালে চুল পড়ে যেতে থাকে। মানসিক চাপ থেকে শুরু করে পুষ্টিকর খাবারের অভাব এবং জিনগত কারণেও কমে যেতে পারে চুলের ঘনত্ব। নতুন কারণ হিসেবে যুক্ত হয়েছে করোনার সমস্যা। এই সিরাম ব্যবহার করে পেতে পারেন চুল সমস্যা থেকে মুক্তি।


আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রথম প্রেম দিবস আজ

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




কালো বলে আমাকে আলাদা করে রাখা হয়েছিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জর্জ ফ্লয়েডের ঘটনায় যখন উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা বিশ্ব, ঝড় উঠেছিল বর্ণ-বৈষম্যের প্রতিবাদে, তখন সেই ঝড়ের হাওয়া এসে পড়েছিল ভারতেও। অনেকেই সে সময় নেটমাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন। তবে আর এক দল এই দৃষ্টান্তের সমালোচনা করে বলেছিলেন যে যারা ভিন দেশের এক বাসিন্দার এই করুণ পরিণতিতে চোখের জল ফেলছেন, তাদের অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় না নিজের দেশে বর্ণবিদ্বেষমূলক ঘটনার নিন্দায়।

 অথচ, আমেরিকার মতো প্রকট না হলেও, ভারতে বর্ণবিদ্বেষমূলক ঘটনা ঘটে আকছার। কখনও রঙ কালো হওয়ায় বিয়েতে প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন কোনও মহিলা, তো কখনও অপমানজনক মন্তব্যের শিকার হতে হচ্ছে কাউকে। বিশেষত ফিল্ম ও মডেলিংয়ের জগতে বহু দিন ধরেই এমন সমস্যার শিকার হয়ে এসেছেন কলাকুশলীরা। সম্প্রতি তেমন এক অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী এষা গুপ্ত।

এষা প্রথম বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন ইমরান হাসমির বিপরীতে, জন্নত ২ ছবিতে। তার পর থেকে নিজের ছবির জন্য না হলেও, সাজ-পোশাক এবং রূপটানের জন্য মাঝেমাঝেই শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। কিন্তু এই ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নেওয়া সহজ ছিল না তাঁর জন্য, বিশেষত নিজের গায়ের রঙের জন্য। গায়ের রঙ সামান্য চাপা হওয়ায় প্রথম থেকেই আলাদা করে রাখা হয়েছিল তাঁকে।

তাঁর অপরিচিত সহকর্মী অভিনেতারাও তাঁকে উপদেশ দিতেন ফর্সা হওয়ার জন্য। একটি সাক্ষাৎকারে এষা অকপটে জানিয়েছেন যে এমন এক সময় ছিল যখন তাঁর রূপটান শিল্পীরাও সচেতন ভাবে চেষ্টা করতেন তাঁর কালো রঙ ঢাকা দিতে। সেক্সি বা লাস্যময়ী হিসেবে সহজেই তাঁকে দেগে দেওয়া হয়েছিল যেহেতু তাঁর গায়ের রং কালো।

নিউজ ট্যাগ: এষা গুপ্ত

আরও খবর



বান্দরবানে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ছেলে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
প্রবল বৃষ্টির সময় জুম থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাহাড়ি ঝিরির পানির স্রোতে ভেসে যান মৃত দিয়াম্ব ত্রিপুরার স্ত্রী কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা, মেয়ে বাজেরাং ত্রিপুরা ও ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরা

বান্দরবানে অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঝিরিতে সৃষ্ট স্রোতে নিখোঁজ মা কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা (৪৪) ও মেয়ে বাজেরুং ত্রিপুরার (১৩) মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরার (৮) সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

৩নং সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য (মেম্বার) জগদীশ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রবল বৃষ্টির সময় জুম থেকে ফেরার পথে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাহাড়ি ঝিরির পানির স্রোতে ভেসে যান মৃত দিয়াম্ব ত্রিপুরার স্ত্রী কৃষ্ণাতি ত্রিপুরা, মেয়ে বাজেরাং ত্রিপুরা ও ছেলে প্রদীপ ত্রিপুরা। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তারা। পরে বৃহস্পতিবার সকালে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রদীপ ত্রিপুরা। তাকে উদ্ধারে স্থানীয়রা অভিযান অব্যহত রেখেছেন বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



চট্টগ্রামে করোনায় আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৬ জন মারা গেছেন। আর একই সময়ে নতুন করে ২৬৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার  করোনায় মারা গিয়েছিলেন ৭ জন, শনাক্ত হয়েছিলেন ৩০৬ জন।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রামের ১০টি ও কক্সবাজারের একটি ল্যাবে ১ হাজার ৬৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরেরই ১২১ জন। বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ০৭ শতাংশ।

লোহাগড়া ১০, সাতকানিয়ায় ১৭, বাঁশখালী ১৪, আনোয়ারায় ১১, চন্দনাইশে ৭, পটিয়ায় ৪, বোয়ালখালীতে ৯, রাউজানে ২৭, ফটিকছড়িতে ১৪, হাটহাজারীতে ৩০, সীতাকুণ্ডে ৪ ও সন্দ্বীপ ১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ হাজার ৫৩৭ জন। মোট শনাক্তের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরেরই ৭১ হাজার ৭৫৫ জন। বাকি ২৬ হাজার ৭৮২ জন বিভিন্ন উপজেলার।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের ২ জন নগরের বাসিন্দা, বাকি ৪ জন বিভিন্ন উপজেলার। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮২ জন চট্টগ্রাম নগরের। আর বিভিন্ন উপজেলায় মারা গেছেন ৫২৭ জন।


আরও খবর

মায়ের ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




১১ মিনিটেই বন্ধ হলো ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ম্যাচ মাত্র শুরু হলো। তবে পাঁচ মিনিট যেতে না যেতেই হলো ঝামেলার উত্থান। এরপর ১১ মিনিটের মাথায় সিদ্ধান্ত আসে ম্যাচ স্থগিতের। এর কারণ, মাঠের সাইড লাইনের পাশে দেখা গেল অচেনা এক ব্যক্তিকে। তাতেই দাঁড়িয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার দুই খেলোয়াড় নিকোলাস ওতামেন্দি ও মার্কোস আকুনা।

ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চান দুই আর্জেন্টাইন। এসময় বাকিরাও এসে যোগ দেন। এ নিয়ে আর্জেন্টিনার ক্রীড়া পত্রিকা টিওয়াইসি জানিয়েছে, ম্যাচ অফিসিয়ালদের বাইরের উপস্থিত ব্যক্তিরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি খোঁজ নিচ্ছিলেন ইংল্যান্ড থেকে আসা আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়ের ব্যাপারে। এমন ঘটনার কিছুক্ষণ পর দলবলে মাঠ ছেড়ে ড্রেসিং রুমে চলে যান আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা।

এ নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আপত্তি জানান কোয়ারেন্টিনের নিয়ম ভেঙে তিন খেলোয়াড় আসেন মাঠে। এমন আপত্তিতে মাঠ ছেড়েছে আর্জেন্টিনা দল।

যে তিন খেলোয়াড়দের নিয়ে আপত্তি তারা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস, ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও মিডফিল্ডার জিওভানি লো সেলসো। এদের সবাই ছিলেন শুরুর একাদশে।

এদিকে ব্রাজিলিয়ান হেলথ রেগুলেটরি এজেন্সি (আনভিসা) আগেই জানিয়ে দেয়, ব্রাজিলিয়ান ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে ব্রিটেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা বা ভারত থেকে কাউকে ব্রাজিলে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। আর যারা অনুমতি নিয়ে আসবে তাদের অবশ্যই ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।


আরও খবর

পেলে ফের আইসিইউতে

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

জেমিকে অব্যাহতি, নতুন কোচ অস্কার ব্রুজন

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




ভারতে একদিনে ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় গড়ে অন্তত ৭৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং একই সময়ে খুন হন কমপক্ষে ৮০ জন। গত বছরের প্রত্যেক দিনের খুন এবং ধর্ষণের এই পরিসংখ্যান বুধবার প্রকাশ করেছে ভারতের জাতীয় অপরাধ রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি)।

২০২০ সালে ভারতে দৈনিক গড়ে ৮০ জন খুন হয়েছেন। আর পুরো বছরে খুনের এই সংখ্যা ২৯ হাজার ১৯৩ জন। দেশটিতে খুন এবং ধর্ষণের শীর্ষে আছে উত্তরপ্রদেশ।

তবে গত বছরের এই সংখ্যা তার আগের বছরের তুলনায় মাত্র ১ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে ভারতে মোট ২৮ হাজার ৯১৫টি খুনের ঘটনা ঘটে এবং দৈনিক খুন হন ৭৯ জন।

এনসিআরবি বলছে, দেশটির রাজ্যগুলোর মধ্যে গত বছরে খুনের শীর্ষে আছে উত্তরপ্রদেশ। এই রাজ্যে ৩ হাজার ৭৭৯ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। এরপরই বিহার (৩ হাজার ১৫০ জন), মহারাষ্ট্র (২ হাজার ১৬৩ জন), মধ্যপ্রদেশ (২ হাজার ১০১ জন) এবং পশ্চিমবঙ্গে এক হাজার ৯৪৮ জনের খুনের তথ্য রেকর্ড করেছে এনসিআরবি।

রাজধানী নয়াদিল্লিতে গত বছর খুন হয়েছেন ৪৭২ জন বলে ওই পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে। গত বছর ভারতে প্রত্যেকদিন গড়ে ৭৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আর দেশটিতে ওই বছর মোট ধর্ষণের ঘটনা রেকর্ড হয়েছে ২৮ হাজার ৪৬টি।

এনসিআরবির পরিসংখ্যান বলছে, ২০২০ সালে দেশটিতে নারীদের বিরুদ্ধে ৩৭ লাখ ১ হাজার ৫০৩টি অপরাধের রেকর্ড হয়েছে; যা আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৩ শতাংশ কম। ২০১৯ সালে দেশটিতে নারীদের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ ৫ হাজার ৩২৬টি অপরাধের রেকর্ড হয়।

২০২০ সালে নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের মোট ঘটনার মধ্যে ২৮ হাজার ৪৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ১৫৩ জন।

এনসিআরবির তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ভারতের রাজস্থানে সবচেয়ে বেশি ৫ হাজার ৩১০টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এরপরই ২ হাজার ৭৬৯টি ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে উত্তরপ্রদেশ। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশে ২ হাজার ৩৩৯টি এবং মহারাষ্ট্রে ২ হাজার ৬১টি ধর্ষণের ঘটনা রেকর্ড হয়েছে।

গত বছর ভারতে প্রতি এক লাখ নারীর মধ্যে ৫৬ দশমিক ৫ জন অপরাধের শিকার হয়েছেন; যা তার আগের বছরের ৬২ দশমিক ৩ শতাংশের তুলনায় কিছুটা কম। ২০২০ সালে ভারতে নারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের মধ্যে সর্বোচ্চ এক লাখ ১১ হাজার ৫৪৯টি ঘটনার সঙ্গে স্বামী অথবা আত্মীয় স্বজনদের নিপীড়নের রেকর্ড হয়েছে। একই বছরে ৬২ হাজার ৩০০টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।


আরও খবর