Logo
শিরোনাম

ড. কামালকে গণফোরামের প্রধান উপদেষ্টা থেকে অব্যাহতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ড. কামাল হোসেনকে প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে গণফোরামের একাংশ। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে এক সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের একাংশের সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভা সর্বসম্মতিক্রমে ড. কামাল হোসেনকে দলের প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মো. মিজানুর রহমানকে সভাপতি পরিষদের সদস্যপদসহ দলের সাধারণ সদস্য পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া গত ১৭ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে ড. কামাল হোসেনের উপস্থিতিতে তাকে গণফোরামের সভাপতি ও মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে যে ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ গঠনতন্ত্র পরিপন্থী ও অগণতান্ত্রিক। আমরা কখনও ইচ্ছা করলে একটা কমিটি উপহার দিতে পারি না। এটার সম্পূর্ণ এখতিয়ার থাকে কাউন্সিলরদের কাছে।

মন্টু বলেন, কাউন্সিলরদের ইগনোর করে আমরা পরপর দুইটা, একটা রেজা কিবরিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে কাউন্সিল হয়েছিল এক বছরের জন্য। পরবর্তী পর্যায়ে মোকাব্বির খানকে সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য ও আ ও ম শফিক উল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক করে একটা কমিটি ঘোষণা করা হলো। আবার গত ১৭ তারিখ সংবাদ সম্মেলন করে ড. কামাল হোসেন নিজে সভাপতি হয়েছেন এবং মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এসব স্ববিরোধী ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যকলাপ। আমি বলছি একটা, করছি আরকেটা। দলের সিনিয়র নেতারা যখন এসব কাজ করেন সাধারণ কর্মীরা হতাশ হয়, জনগণ হতাশ হয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি ড. কামাল হোসেনকে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে তার যে বিচরণ হচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেওয়া সিদ্ধান্ত পড়ে শোনান প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক।

সভাপতি মোস্তফা মহসিন মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী স্বাক্ষরিত লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখলাম যে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে গণফোরামের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পর্কহীন, দল থেকে পদত্যাগকারী, বিভেদ সৃষ্টিকারী ও নিষ্ক্রিয় কিছু ব্যক্তিদের নিয়ে গণফোরাম নাম দিয়ে ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি ও মো. মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ড. কামাল হোসেন গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ষষ্ঠ কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা ও মো. মিজানুর রহমানকে সভাপতি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত করা হয়। তারা কেউই গণফোরামের নির্বাচিত কমিটি থেকে পদত্যাগ না করে স্বঘোষিত একটি গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজ করেছেন। এমনকি তারা তথাকথিত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গেও প্রতারণা করেছেন।

গত বছরের ৩ ডিসেম্বর ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে গণফোরামের একাংশ ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে মোস্তফা মহসিন মন্টুকে সভাপতি ও সুব্রত চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫৭ সদস্যের কমিটি করা হয়।

গণফোরাম কি জাতীয় পার্টির মতো বিভক্ত কি না প্রশ্ন করা হলে মন্টু বলেন, গণফোরাম এক ও অভিন্ন। এই দলের জন্ম হয়েছিল ১৯৯৩ সালের ২৯ আগস্টে। সাইফুদ্দিন মানিক, আমীরুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, শাহজাহান সিরাজসহ অনেক জাতীয় নেতার সমন্বয়ে এই দল গঠিত হয়েছিল।

মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, দলের একটা নীতি থাকে। দল আমরা ১০টা ভাগ করতে পারি। কিন্তু কর্মী ভিত্তিক যে সংগঠন, মাঠ-পর্যায়ের নেতাকর্মী সম্পৃক্ত যে দলের কমিটি কাউন্সিলের মাধ্যমে হবে সেটাই আসল কমিটি হবে। এখন সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের কমিটি নয়। মাঠ পর্যায়ের মানুষের কাছে যে গণফোরাম অঙ্গীকারবদ্ধ, আমরা গণফোরামের নীতি আদর্শ বাদ দিয়ে কোনো আপোষ করতে রাজি নই।

সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের, আইয়ুব খান ফারুক, আব্দুল হাসিব চৌধুরী, খান সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল বারী হামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক রওশন ইয়াজদানী, কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, নাসির হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ২৬

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। সোমবার সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫২৭ পিস ইয়াবা, ৬ গ্রাম হেরোইন, ১০ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ২০ লিটার দেশিমদ ও ১১ পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

রবিবার ভোর ৬টা থেকে সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২২টি মামলা হয়েছে।


আরও খবর

জেনে নিন রাজধানীতে কখন কোথায় লোডশেডিং

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৫

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১২৫ রোগী। এ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১ হাজার ৫১৪ জন। একইসময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত একইসময়ের মধ্যে সারাদেশে নতুন করে আরও ১২৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯২ জন, ঢাকার বাইরে ৩৩ জন।

এ নিয়ে বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ১ হাজার ৫১৪ জন চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫০টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১ হাজার ১৭৪ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৪০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সর্বমোট ১৩ হাজার জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান ১১ হাজার ৪৩৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। এবছর ২১ জুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১-এ সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একইবছর দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।


আরও খবর

করোনায় একজনের মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




রোগীর পেটে কাঁচি রেখে সেলাই, চিকিৎসক কারাগারে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মেহেরপুরের গাংনীতে বাচেনা খাতুন নামে এক রোগীর পেটে কাঁচি রেখে পেট সেলাই করার অভিযোগের মামলায় এক চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মেহেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তারিক হাসান এ নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত চিকিৎসকের নাম পারভিয়াস হোসেন রাজা। তিনি গাংনীর রাজা ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী। রবিবার দুপুরে অভিযুক্তরা আদালতে জামিন নিতে গেলে আদালত ডা. মিজানুর রহমান ও ডা. তাপস কুমারকে জামিন প্রদান করেন। তবে ডা. রাজার  জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার হাপানিয়া গ্রামের গৃহবধূ বাচেনা খাতুন অপারেশন করেন গাংনীর রাজা ক্লিনিকে। এসময় ডা. মিজানুর রহমান অপারেশন করেন। তার সহকারী হিসেবে ছিলেন ডা. পারভিয়াস হোসেন রাজা ও অ্যানেসথেসিয়া হিসেবে ছিলেন ডা. তাপস কুমার। অপারেশনের এক সপ্তাহ পর বাচেনা খাতুনকে প্রেসক্রিপশন দিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। কিন্তু পেটে ব্যথা নিয়ে তিনি ২০ বছর যাবত ঘুরেছেন বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে।

অবশেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্স-রে করানোর সময় তার পেটে কাঁচির সন্ধান পাওয়া যায়। বিষয়টি জানা জানি হলে ডা. রাজা বাচেনাকে চুয়াডাঙ্গা সরকারি হাসপাতালে অপারেশন করান। এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রচার হলে মেহেরপুর আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তারিক হাসান স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেন ও মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) অপু সারোয়ারকে ঘটনা তদন্ত করার নির্দেশ দেন। সেই সাথে ঘটনা তদন্তে সিভিল সার্জন ডা. জওয়াহেরুল আনাম সিদ্দিকীকে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বলা হয়। তদন্ত কমিটি চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে অ্যানেসথেসিয়া ডা. তাপস কুমার ও ডা. পারভিয়াস হোসেন রাজাকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন।


আরও খবর

সাপের ছোবলে ঘুমন্ত কৃষকের মৃত্যু

সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২




রাজধানীতে বিএনপি-আ.লীগের সংঘর্ষ চলছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জ্বালানি, নিত্য-পণ্যে মূল্য বৃদ্ধি, গণপরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি ও পুলিশের গুলিতে নুরে আলম, আব্দুর রহিম ও শাওনের মৃত্যুর প্রতিবাদে বেলা ৩ টা মিরপুর ৬ নম্বর সেকশন বাজারের পশ্চিম পাশে মুকুল ফৌজ মাঠ এ সমাবেশ হওয়ার কথা। সমাবেশে বিএনপির নেতা কর্মীরা আসতে থাকলে আওয়ামী লীগ পুলিশের সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষ ও দাওয়া পাল্টা দাওয়া শুরু হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলতে দেখা গেছে।   

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা বিএনপি স্হায়ী কমিটি সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আহবায়ক আমানউল্লাহ আমান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির বলেন, আমি আমান ভাই ও আমিনুল ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করেছি। হামলার ঘটনা শুনেছি। এখনো বিস্তারিত জানি না।


আরও খবর

জেনে নিন রাজধানীতে কখন কোথায় লোডশেডিং

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




রিজার্ভ নেমে ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘরে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান ডলার সংকটের মধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমে ৩৭ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। গতকাল দিনশেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলারে। বুধবার যা ৩৮ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার ছিল। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) ১৭৩ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ এ পর্যায়ে নেমেছে। অবশ্য ইডিএফসহ বিভিন্ন তহবিলে জোগান দেওয়া অর্থ বাদ দিয়ে রিজার্ভের হিসাব করলে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ এখন ৩০ বিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন (বিপিএম৬) ম্যানুয়াল অনুযায়ী, কেবল ব্যবহারযোগ্য অংশকেই রিজার্ভ হিসেবে দেখাতে হবে। সে অনুযায়ী, ইডিএফে জোগান দেওয়া ৬০০ কোটি ডলার, জিটিএফে ২০ কোটি, এলটিএফএফে ৩ কোটি ৮৫ লাখ, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানকে দেওয়া ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার রিজার্ভে দেখানো হলেও তা ব্যবহারযোগ্য নয়। এই ৬২৮ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের বাইরে কারেন্সি সোয়াপের আওতায় শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া হয়েছে ২০ কোটি ডলার। আর ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) আমানত রয়েছে, যা রিজার্ভ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২০ সালের ২৮ জুলাই। করোনার মধ্যে তা বাড়তে বাড়তে গত বছরের আগস্টে ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলারে ওঠে। তবে আমদানি ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় এবং প্রবাসী আয় কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে প্রতিনিয়ত ডলার বিক্রি করছে। গতকালও কয়েকটি ব্যাংকের কাছে ৮ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের এ পর্যন্ত ২৭৬ কোটি ৯৫ লাখ ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত অর্থবছর বিক্রি করা হয় ৭৬২ কোটি ১৭ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছর যেখানে বাজার থেকে ৭৯৩ কোটি ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে আকুর দায় পরিশোধের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যাপক কমে এ পর্যায়ে নেমেছে।

আকু হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদরদপ্তর। এই ব্যবস্থায় সংশ্নিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে।

জানা গেছে, জুলাই-আগস্ট সময়ের ১৭৩ কোটি ডলারের আকুর দায় পরিশোধ করা হয় বুধবার। আর তা সমন্বয় করা হয় বৃহস্পতিবার। যে কারণে গতকালের রিজার্ভের ওপর এর প্রভাব পড়েছে। এর আগে গত ১২ জুলাই আকুতে ১৯৬ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামে। এর আগে গত ১০ মে আকুতে ২২৪ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। তখন রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ৪১ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলারে। 


আরও খবর

৩১ ডিসেম্বরের পর পাম অয়েল বিক্রি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২