Logo
শিরোনাম

দাম কমলো ভোজ্যতেলের

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রোজা ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটারে ৩ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন৷ 

সোমবার (০৩ মে) দুপুরে অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৪ সাল থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত ভোজ্যতেলের বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল।

গত বছরের জুনের পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেহেতু, ভোজ্যতেলের মোট চাহিদার ৯৫ ভাগেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয় সেহেতু সাম্প্রতিক সমযে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় বাজারেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। তবে, আন্তর্জাতিক বাজারে যেই পরিমাণে মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে স্থানীয় বাজারে সেই পরিমাণে মূল্য বৃদ্ধি পায়নি।

বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পবিত্র মাহে রমজান এবং কোভিড-১৯ মহামারির এই সময়ে ভোক্তা সাধারণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে পবিত্র ঈদ- উল-ফিতর পর্যন্ত প্রতি লিটারে ৩ টাকা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এছাড়া যখনই আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য হ্রাস বা বৃদ্ধি পাবে তাৎক্ষণিকভাবে তা সমন্বয় করা হবে বলেও জানানো  

নিউজ ট্যাগ: ভোজ্যতেল

আরও খবর



আস্থা ভোটে হারলেন ওলি, ৩৮ মাসে সরকার পতন

প্রকাশিত:সোমবার ১০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আস্থা ভোটে হারলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। এদিন ওলি সরকারের পক্ষে মোট ভোট পড়েছে ৯৩টি এবং তার বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১২৪টি। এছাড়া ১৫ জন সংসদ সদস্য ভোটদানে বিরত ছিলেন।

সোমবার (১০ মে) নেপালের ২৭১ আসনের সংসদে ২৩২ জন সদস্য উপস্থিতিতে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, কয়েক মাস ধরে আস্থার সংকটে ভুগছিল ওলির সরকার। ফলে সংসদের নিম্নকক্ষে আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে প্রয়োজন ছিল ১৩৬ এমপির সমর্থন। কক্ষত্যাগ বা অনুপস্থিত এমপিদের মধ্যে সরকারি দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির ২৮ জন এমপি ছিলেন।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নতুন সংবিধানের অধীনে নির্বাচিত হয় ওলি সরকার। এরপর এটাই প্রথম আস্থা ভোট তাদের। পুষ্প কমল দাহালের নেতৃত্বাধীন নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) সমর্থন প্রত্যাহার করায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় ওলি সরকার। এ কারণে তাদেরকে সংসদের নিম্নকক্ষে আস্থা ভোটে আসতে হয়েছে।

আর আস্থা ভোটে এসে হারের মুখ দেখলো তারা ফলে ৩৮ মাসেই পত হলো ওলি সরকারেরে। ক্ষমতাসীন দলের বিক্ষুব্ধ সদস্যরা দলীয় হুইপকে অস্বীকার করেন এবং ভোটদানে বিরত ছিলেন। এ কারনে তাদের সংসদ সদস্য পদও চলে যেতে পারে। এই হারের পর কে পি শর্মা ওলি রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন।

তবে আস্থা ভোট নিয়ে যথেষ্ট ত্মবিশ্বাসী ছিলেন অলি। তিনি বলেছিলেন, যে সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করে উন্নয়ন ও দেশ গঠনের জন্য কাজ করেছে সেই সরকারকে সংকীর্ণ ও পক্ষপাতদুষ্ট স্বার্থে টার্গেট করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: কে পি শর্মা ওলি

আরও খবর



১ মে থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাই পাবে করোনার টিকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ হওয়ায় রাজধানী দিল্লিতে লকডাউনের পাশাপাশি দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রমের ব্যাপ্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ভারত। এনডিটিভি ও বিবিসির খবরে এ কথা জানানো হয়েছে।

আগামী ১ মে থেকে গোটা ভারতে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকা দেওয়া হবে। গতকাল সোমবার এমন ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।

বর্তমানে ভারতে শুধুমাত্র করোনা প্রতিরোধে সম্মুখসারির লোকজনকে টিকা দেওয়া চলছে। এখন ভারতের স্বাস্থ্যকর্মী, সম্মুখসারির কর্মী এবং ৪৫ বছরের বেশি বয়স্করা বর্তমানে টিকা পাচ্ছেন।

টিকা স্বল্পতার মাঝে বিশাল জনগোষ্ঠীর দেশে গণহারে টিকাদান কীভাবে সম্ভব হবে তা পরিষ্কার জানায়নি ভারতীয় সরকার। গত সপ্তাহে ভারত সরকার জানিয়েছিল, তাদের হাতে দুই কোটি ৭০ লাখ ডোজ টিকা রয়েছে। বর্তমানে যে গতিতে টিকাদান চলছে তাতে নয় দিনে সেগুলো ফুরিয়ে যাওয়ার কথা।

এ পর্যন্ত ভারতের ১২ কোটি ৭১ লাখ ২৯ হাজার ১১৩ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের রাজ্য মহারাষ্ট্রে টিকার সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক টিকাদান কেন্দ্র থেকে লোকজনকে ফিরিয়ে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গতকাল সোমবার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে গণহারে টিকাদানের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নরেন্দ্র মোদি সেখানে বলেন, ভারতের বেশির ভাগ মানুষকে যাতে অল্প সময়ের মধ্যে টিকা দেওয়া যায়, তার জন্য গত এক বছর ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছে কেন্দ্র। এ ব্যাপারে এরই মধ্যে রেকর্ড গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। তবে আমরা আগামী দিনে আরও দ্রুত গতিতে কাজ করব।

১ মে থেকে ভারতের টিকাদান প্রক্রিয়ার তৃতীয় পর্যায় শুরু হতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে দেশজুড়ে টিকাদান কার্যক্রম। প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীদের টিকা দেওয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ এপ্রিল থেকে টিকা নেওয়ার সুবিধা অবারিত করা হয় পঁয়তাল্লিশোর্ধ্ব দেশবাসীদের জন্যও। কেন্দ্র জানিয়েছে, তৃতীয় পর্যায়ে টিকা নিতে পারবেন ১৮ উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন সব দেশবাসী।

টিকা উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোকে উৎপাদন বাড়াতে এরই মধ্যে অর্থ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সবচেয়ে বড় যোগানদাতা সেরাম ইনস্টিটিউটকে সম্প্রতি ৬০ কোটি মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। এদিন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, দেশি ও বিদেশি সংস্থাকেও এই উৎপাদনে অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া হবে। টিকা উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোকে তাদের মোট উৎপাদনের ৫০ শতাংশ সরকারকে দিতে বলা হবে। বাকি ৫০ শতাংশ খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে এবং রাজ্য সরকারগুলোকেও পাঠানো যাবে। সংক্রমণের হার ও টিকাদানের হার বিচার করে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে টিকা সরবরাহ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে রাজ্য এবং খোলা বাজারে সরবরাহের টিকার দাম কত হতে যাচ্ছে, তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

গতকাল সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা, স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪৫ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকদের টিকাদান চলবে আগের মতোই। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে সমস্ত নিয়ম মেনেই টিকাদান হবে। তবে প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা, স্বাস্থ্যকর্মী ও ৪৫ বছরের বেশি বয়সের নাগরিকদের দ্বিতীয় ডোজের টিকাদানকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত একদিনে দুই লাখ ৫৯ হাজার ১৬০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। টানা ছয়দিন দুই লাখের বেশি করোনা শনাক্ত হলো। একদিনে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৭৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছ এক লাখ ৮০ হাজার ৫৩০ জনের।


আরও খবর



মামুনুলের মানবিক বিয়ে নারী ভোগ করার কৌশল মাত্র

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৯১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানবিক বিয়ের গল্প বানালেও পরের দুই নারীকে বিয়েই করেননি হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। শুধু স্ত্রীর মতো আচরণ করার জন্য চুক্তি করেছিলেন তিনি। এরজন্য দেওয়া হত ভরণপোষণ। গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাবাদে এমন কথা বলেছেন মামুনুল হক। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, এ ধরনের বিয়ের কোনো ভিত্তি নেই ইসলামে।

গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একটি রিসোর্টে নারীসহ ধরা পড়েন মামুনুল হক। তখন তিনি দাবি করেন, ওই নারী তার বিবাহিতা দ্বিতীয় স্ত্রী। পরে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁস হয় মামুনুল হকের। যেখানে বলা হয়, ওই নারী হাফেজ শহীদুলের বউ। জনরোষ থেকে বাঁচতেই দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে সেদিন পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি।

মামুনুল হকের এমন মানবিক বিয়ে নিয়ে যখন আলোচনা চলছে তখন দৃশ্যপটে হাজির আরেক নারীর ভাই। তার দাবি, তিনি তার বোন জান্নাতুল ফেরদৌস লিপিকে খুঁজে পাচ্ছেন না। এজন্য মামুনুলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একটি জিডিও করেছেন। যার তদন্ত করছে পুলিশ।

নাশকতার মামলায় মামুনুল এখন পুলিশি রিমান্ডে রয়েছেন। সেখানে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তিনি স্বীকার করেছেন-পরের দুই নারীকে বিয়ে না করার কথা। মামুনুল হক গোয়েন্দাদের আরও জানান, স্ত্রীর মর্যাদা না দিলেও ভরণপোষণ দেয়া হত তাদের। এর বিনিময়ে চুক্তি ছিল তাদের সঙ্গে স্ত্রীর মতো আচরণ করবেন তিনি। লিখিত এমন চুক্তির কপি গোয়েন্দাদের হাতে রয়েছে। এ বিষয়ে খবর বেরিয়েছে জাতীয় দৈনিকেও।

ইসলামী চিন্তাবিদরা বলছেন, ইসলামী শরিয়ত এবং দেশীয় আইনেও এমন চুক্তি অবৈধ।

ইসলামী চিন্তাবিদ ড. আহমদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, এটা ইসলামের দৃষ্টিতে সাধারণ কোনো বিয়েও না বা নিকাহ মুতা যেটি আহলে সুন্নাতের জামাতের মধ্যে হারাম, শীরাহসহ কিছু সংখ্যক মুসলিমদের মতে, নিকাহ মুতা বৈধ, এই যে তথ্য আমরা পেয়েছি তা কিন্তু নিকাহের মধ্যেও পড়ে না।    

ইসলামী চিন্তাবিদরা আরও বলছেন, ইসলামী শরিয়তেও মুতা বিয়ে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত রয়েছে। কারো কারো মতে নির্দিষ্ট সময় এবং দেনমোহর পরিশোধ করে মুতা বিয়ে করা যায়। কিন্তু মামুনুলের এমন চুক্তি এ বিয়ের শর্তপূরণ করে না।


আরও খবর



প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স, বয়স-স্পিডবোট চালাতে লাগে না কিছুই!

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দীর্ঘদিন ধরেই মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে স্পিডবোট চালান হালিপ মিয়া (২৬)। মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, আমরা কোনো প্রশিক্ষণ পাইনি। তবে অভিজ্ঞ চালকের সঙ্গে চার-পাঁচ দিন থাকলেই বোট চালানো শেখা যায়। তবে ফুল লোড নিয়ে বোট চালাতে হলে খুব সর্তক হতে হয় জানিয়ে এই চালক বললেন, এখানে অনেক চালক, সবাই তো আর সর্তক নন। কারও কারও বয়স কম, ইচ্ছেমতো চালায়।

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার নৌপথে লঞ্চ ও ফেরির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যাত্রী বহন করে প্রায় আড়াইশ স্পিডবোট। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, চলাচলরত এসব স্পিডবোটের চালকদের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। এমনকি চালকদের বড় একটি অংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক। অবৈধ স্পিডবোট, অদক্ষ চালকের কারণে এই নৌপথে ঘটছে দুর্ঘটনা। নৌযানগুলোতে লাইফ জ্যাকেটের মতো সুরক্ষাব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনায় প্রাণহানিও বেশি।

এদিকে এই নৌপথে চলাচলরত ৫০টির মতো স্পিডবোট বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক লাইসেন্স নিয়েছে। যে কটির লাইসেন্স আছে, তারও আবার নবায়ন নেই। ফলে চলাচলরত স্পিডবোটগুলোর সবকটি অবৈধ।

এ সম্পর্কে বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, উভয় ঘাটে আড়াই শ স্পিডবোট চলে, যার একটিরও লাইসেন্স বা কোনো কাগজপত্র নেই। এরপরও প্রতিবছর মন্ত্রণালয় থেকে ইজারা হয়। কিন্তু কেন হয়, তা বলতে পারবেন না তিনি। তিনি আরও বলেন, স্পিডবোট লাইসেন্সের জন্য আমরা স্পিডবোট মালিকপক্ষকেও চাপ দিয়েছি। আশা করছি, শিগগিরই লাইসেন্স হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বাংলাবাজার কাঠালবাড়ি ঘাট সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য অন্যতম শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথ। এই নৌপথ দিয়ে দৈনিক গড়ে ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যাত্রীদের বড় একটি অংশ পারাপার হয় স্পিডবোটে। বর্তমানে এই নৌপথে প্রায় ২৫০টি স্পিডবোট চলাচল করে। এ ছাড়া ফেরি, লঞ্চ ও ট্রলারেও যাত্রী পারাপার হয়। যদিও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউন থাকায় এই নৌপথে ফেরি ছাড়া সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে লঞ্চগুলো সেই নিয়ম মেনে চললেও দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই অবাধে চলাচল করে স্পিডবোট।

স্পিডবোট চালক শাহিন মিয়া বলেন, আমি ৬ বছর ধরে স্পিডবোট চালাই। উভয় ঘাটে নতুন কিছু ২০০ সিসির বোট নামানো হয়েছে। এগুলোর চালকের বয়স বেশির ভাগই ১৮ এর নিচে। ১৪ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে অন্তত ৩০ জন আছে, যারা খুব তাড়াহুড়া করে বোট চালায়। এদের কারণে আজ সব চালকের সমস্যা।

ইমরান মিয়া নামের এক তরণ চালক বলেন, কাউন্টার থেকে আমাদের যতজন নিতে বলে, আমরা ততজনই নিই। এখানে আমাদের লাভ কম। কাউন্টারে যারা থেকে নেতৃত্ব দেয়, তারাই সব ম্যানেজ করে চালায়।

স্পিডবোটের মালিকেরা বলছেন, আরও এক বছর আগেই স্পিডবোটের লাইসেন্সের জন্য বিআইডব্লিউটিএর বন্দর বিভাগের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ মালিকদের লাইসেন্স দিচ্ছে না। নানা অজুহাতে লাইসেন্স বাতিলও করে দিচ্ছে। স্পিডবোটের চালকদের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা দিলেও প্রশিক্ষণের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।

বাংলাবাজার স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি ও পাঁচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, আমাদের পারে ১০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স আরও দেড় বছর আগে দিছে বিআইডব্লিউটিএ। এরপর এক বছর আগে ৩৯ টি বোটের লাইসেন্সের জন্য কাগজপত্র ও তালিকা নেয়। চালকের প্রশিক্ষণের জন্য নামের তালিকা নেয়। কিন্তু লাইসেন্সও দেয় না আর চালকদের প্রশিক্ষণও দেয় না।

তিনি আরোও বলেন, শিমুলিয়া ঘাটের স্পিডবোটগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তারা লকডাউনের মধ্যে ছাড়ে। তবে বাংলাবাজার ঘাটে তারা আসতে পারে না। তারা চরে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। সোমবারের দুর্ঘটনাটিও চরে যাত্রী নামাতে গিয়ে বাল্কহেডের পেছনে ধাক্কা লাগিয়ে দেয় স্পিডবোটের চালক।

বিআইডব্লিউটিএর শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী পরিচালক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রায় ৫০টি স্পিডবোটের লাইসেন্স নেওয়া। তবে এগুলোর হয়তো নবায়ন নেই। এখানে আমাদের লাইসেন্স দিতে কোনো সমস্যা নেই। মালিকপক্ষ কখনো আমাদের কাছে আসছে, কখনো আসেনি। সবার মধ্যে একটি সমন্বয়হীনতা ছিল। এরপরও আমরা অতিদ্রুত স্পিডবোটগুলো লাইসেন্সসহ চলাচলে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসব।

বাংলাবাজার ঘাটের দায়িত্বরত চরজানাজাত নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবদুল রাজ্জাক বলেন, লকডাউন কার্যত থাকার পরও কিছু বোট চুরিচামারি করে চলে। এগুলোয় লাইফ জ্যাকেটও ব্যবহার করা হয় না। সোমবারের দুর্ঘটনায় কোনো যাত্রীর সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট ছিল না। দুর্ঘটনায় যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের বেশির ভাগই মুমূর্ষু হয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছেন। লাইফ জ্যাকেট থাকলে অনেকেই বেঁচে যেত।



আরও খবর



ঈদে থাকুক নবাবি সেমাই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ মে ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আগে থেকে গরম করা এক কেজি পরিমাণ গরুর দুধ, কনডেন্স মিল্ক, গুঁড়া দুধ, ক্রিম, এবং কর্নফ্লাওয়ার ভালো ভাবে মিশিয়ে জ্বাল করে নিতে হবে। যাতে করে এক কেজি পরিমাণ দুধ কমে অর্ধেক হয়ে যায়

সেমাই একটি অতি পরিচিত মিষ্টান্ন জাতীয় খাবার। ঈদুল ফিতরে সেমাই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এছাড়াও অনেকেই ঘরে আসা অতিথিকে সেমাই দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকেন। সেমাই অনেকেরই পছন্দের খাদ্য তালিকার শীর্ষে থাকে। সেমাই অবশ্যই অনেক খেয়েছেন। কিন্তু নওয়াবি সেমাই! নওয়াবি সেমাই যা স্বাদে এনে দেয় নতুনত্ব।

চলুন দেখে নেই নওয়াবি সেমাই তৈরি করবেন যেভাবে।

উপকরণ

সেমাই- ৪০০ গ্রাম, ঘি- ২/৩ টেবিল চামচ, গুঁড়ো দুধ- ৪/৫ টেবিল চামচ, চিনি- স্বাদমতো, জর্দার রং- হাফ টেবিল চামচ

ক্রিমের প্রস্তুতি

দুধ- ১ লিটার, কনডেন্স মিল্ক- ১ কাপ, গুড়ো দুধ- হাফ কাপ, ডানো/নেসলে ক্রিম- হাফ কাপ, কর্ন ফ্লাওয়ার- ৪ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে চুলায় একটি বড় পাত্রে ঘি গরম করে নিতে হবে। ঘি গরম হয়ে গেলে এর মধ্যে একে একে সেমাই, গুরা দুধ, চিনি দিয়ে অল্প আঁচে ভালো ভাবে ভেঁজে নিতে হবে। ভাজা সেমাই থেকে গরম অবস্থায় পাত্রে এক কাপের মতো রেখে বাকিটা অন্য একটি পাত্রে তুলে রেখে দিতে হবে। পাত্রে যেটুকু সেমাই ছিল সেই সেমাইয়ের সাথে অল্প পরিমাণে জর্দার রং মিশিয়ে দিতে হবে।

ক্রিমের প্রস্তুতি

আগে থেকে গরম করা এক কেজি পরিমাণ গরুর দুধ, কনডেন্স মিল্ক, গুঁড়া দুধ, ক্রিম, এবং কর্নফ্লাওয়ার ভালো ভাবে মিশিয়ে জ্বাল করে নিতে হবে। যাতে করে এক কেজি পরিমাণ দুধ কমে অর্ধেক হয়ে যায়।

পরিবেশন

যে পাত্রে পরিবেশন করা হবে সে পাত্রে প্রথমে ঘি দিয়ে আলাদা করে ভেজে রাখা সেমাই টুকু দিতে হবে। তার উপর ক্রিমের মিশ্রণ দিতে হবে। অবশেষে, জর্দার রং দিয়ে ভেজে রাখা সেমাই ক্রিমের উপর দিতে হবে। বাড়তি সৌন্দর্য এবং খাবারের স্বাদ বাড়াতে উপরে বাদাম এবং কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন মজাদার, সুস্বাদ এই নওয়াবি সেমাই।


আরও খবর