Logo
শিরোনাম

ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের সরকারি-বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ, ইউনিটে (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে) ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জনে (বিডিএস) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে এ ফল প্রকাশ করেন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন।

এ সময় স্বাস্থ্য শিক্ষার পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবিবসহ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১০ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) রাজধানীসহ সারাদেশের ৮টি কেন্দ্রের বিভিন্ন ভেন্যুতে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪০ নম্বর পাস মার্ক পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭২৬ জন। মেধাতালিকা ও কোটাভিত্তিতে মোট ৫৪৫ জন শিক্ষার্থীকে একটি সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও সাতটি মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

রেজাল্ট জানতে এখানে প্রবেশ করুন: https://result.dghs.gov.bd/mbbs/

চলতি বছর ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ৫৩ হাজার চারজন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। তবে ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ৩৯ হাজার ১০৯ জন।


আরও খবর

৫ অক্টোবর খুলছে ঢাবির হল

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

অষ্টম ও নবম শ্রেণির ক্লাসও সপ্তাহে দুই দিন

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় দেশে আরও ৮৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৭ জন।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সোমবার (৩০ আগস্ট) করোনায় ৯৪ জনের মৃত্যু ও ৩ হাজার ৭২৪ জন শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এর আগে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল গত ৫ আগস্ট। এছাড়াও ৯ আগস্ট ২৪৫, ১০ আগস্ট ২৬৪, ১১ আগস্ট ২৩৭, ১২ আগস্ট ২১৫ এবং ১৩ আগস্ট ১৯৭, ১৪ আগস্ট ১৭৮, ১৫ আগস্ট ১৮৭, ১৬ আগস্ট ১৭৪, ১৭ আগস্ট ১৯৮, ১৮ আগস্ট ১৭২, ১৯ আগস্ট ১৫৯, ২০ আগস্ট ১৪৫, ২১ আগস্ট ১২০ জন, ২২ আগস্ট ১৩৯ জন এবং ২৩ আগস্ট ১১৭, ২৫ আগস্ট ১১৪, ২৬ আগস্ট ১০২, ২৭ আগস্ট ১১৭, ২৮ আগস্ট ৮০, ২৯ আগস্ট ৮৯ জনের জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া দেশে গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো করোনায় মৃতের সংখ্যা দুইশ ছাড়ায়। এদিন মৃত্যু হয় ২০১ জনের। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় এবং এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




দুই মাস পর বরিশালে করোনায় মৃত্যু শূন্য

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এ নিয়ে টানা ২ মাস পর বিভাগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যের ঘরে এলো।

সর্বশেষ ২৬ জুন মৃত্যুর সংখ্যা শূন্যের ঘরে ছিল। তবে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে ২ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

একই সময়ে বরিশাল বিভাগে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন মাত্র ১১৩ জন। আর এ সময়ের মধ্যে ৮৩২ জন সুস্থতা লাভ করেছেন।

সোমবার (৩০ আগস্ট) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়। তবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিভাগে কারও মৃত্যু হয়নি। সব মিলিয়ে বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৬৫৪ জনেই রয়েছে।

একই সময় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৬৯৮ জনে। আর এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮৩২ জন, যা নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩৮ হাজার ১৯০ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল জেলায় নতুন ৩৯ জন নিয়ে মোট ১৭ হাজার ৮২৬ জন, পটুয়াখালীতে নতুন ১৮ জন নিয়ে মোট ৬ হাজার ২৮ জন, ভোলায় নতুন ৪৫ জনসহ মোট ৬ হাজার ৪৪৯ জন, পিরোজপুরে নতুন ৫ জনসহ মোট ৫ হাজার ১৫৩ জন, বরগুনায় নতুন ৪ জনসহ মোট ৩ হাজার ৭১৫ জন ও ঝালকাঠিতে নতুন ২ জন নিয়ে মোট ৪ হাজার ৫২৭ জন রয়েছেন।

এদিকে, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে শুধু শেবাচিম হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেই উপসর্গ নিয়ে ৯৪১ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা ৯৪১ জনের মধ্যে দুজনের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট এখনও হাতে পাওয়া যায়নি।

ওই হাসপাতাল পরিচালক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার) সকাল পর্যন্ত শেবাচিমের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৪ জন ও করোনা ওয়ার্ডে ৪ জন ভর্তি হয়েছেন। করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন ৯৯ জন চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ৫১ জন করোনা ওয়ার্ডে এবং ৪৮ জন আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। আরটি পিসিআর ল্যাবে মোট ১৮৯ জন করোনা পরীক্ষা করান। এর মধ্যে ১৪ দশমিক ২৮ শতাংশ পজিটিভ শনাক্তের হার।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ধেঁয়ে আসাছে ঘূর্ণিঝড় হেনরি

প্রকাশিত:রবিবার ২২ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া ঘণ্টায় ১০০ মাইল পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। ইতিমধ্যে নিউইয়র্কের সড়ক-মহাসড়ক যান চলাচলের জন্য বিপৎসংকুল হয়ে উঠেছে

ধেঁয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় হেনরি। ফলে প্রবল ঘূর্ণিঝড়, বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষ। এতে সাত অঙ্গরাজ্যের ২ কোটি ৩২ লাখ ৬ হাজার মানুষ আতঙ্কে রয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি ও কানেটিকাট অঙ্গরাজ্যের প্রায় সাড়ে তিন লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত শুক্রবার থেকে হেনরি নামের হারিকেন ও বৃষ্টির পূর্বাভাস প্রচার করা হয়। গতকাল শনিবার বিকেল থেকে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টিতে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে নিউ ইয়র্ক ও নিউ ইংল্যান্ডের ৬ অঙ্গরাজ্যের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এছাড়া, ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতসহ তিন থেকে পাঁচ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসও হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওই সব অঞ্চল বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু ক্যুমো। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় আঘাতের আগে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে চাই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেন কারো গাফিলতি না থাকে। হেনরি এখন নিউ ইয়র্ক উপকূলের দিকে ধেঁয়ে আসছে। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানো যায়।

স্থানীয় সময় শনিবার রাত ১২টায় নিউইয়র্কের সর্বত্র ব্যাপক বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বৃষ্টিপাতের কারণে পূর্ব-উত্তরের এলাকায় সড়ক-মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড এলাকায় হেনরি সরাসরি আঘাত হানতে পারে বলে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় রবিবার দিনভর বৃষ্টি থাকতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া ঘণ্টায় ১০০ মাইল পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। ইতিমধ্যে নিউইয়র্কের সড়ক-মহাসড়ক যান চলাচলের জন্য বিপৎসংকুল হয়ে উঠেছে।

নিউইয়র্কের এক বাসিন্দা জানান, টেপেনজি ব্রিজ এলাকা থেকে গাড়ি চালিয়ে আধঘণ্টার দূরত্ব অতিক্রম করতে তার সাড়ে চার ঘণ্টা লেগেছে। সড়কপথে দুর্ঘটনা ঘটছে। লোকজন নিরাপদে বাড়ি পৌঁছার জন্য বিপৎসংকুল পথে গাড়ি চালাচ্ছে।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের উত্তর-পূর্বের বেশ কিছু এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বারবার আহ্বান জানানো হচ্ছে। অঙ্গরাজ্যের গভর্নর সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় ৫০০ জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েন করেছেন।

ব্যাপক বৃষ্টিতে সড়ক প্লাবিত হওয়া, ঘরবাড়ি ধসে পড়াসহ বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলে লোকজনকে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে। নিউজার্সির উপকূলীয় এলাকাসহ কানেটিকাট অঙ্গরাজ্যের ব্যাপক এলাকাজুড়ে একই সতর্কাবস্থা বিরাজ করছে।


আরও খবর



অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছেন, তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিকটবর্তী কেন্দ্রে যোগাযোগ করে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করুন

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দীর্ঘদিন হয়ে যাওয়া প্রথম ডোজ নেয়াদের দ্রুততম সময়ে দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার (২৩ আগস্ট) অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) এক জরুরি ঘোষণায় এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে যারা অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছেন, তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিকটবর্তী কেন্দ্রে যোগাযোগ করে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করুন।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতকাল পর্যন্ত (২২ আগস্ট) দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ১৬ হাজার ২২ ডোজ। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৬৮ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯১ এবং নারী ৪১ লাখ ৫১ হাজার ১৩১ জন।

এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৫১ লাখ ৯০ হাজার ৭৫৯ জন দ্বিতীয় ডোজ এবং ৫৮ লাখ ২৫ হাজার ২৬৩ জন প্রথম ডোজ নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৩২ লাখ ৫২ হাজার ১৮৩ এবং নারী ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৬ জন। আর প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৩৬ লাখ ১২ হাজার ৭০৮ জন পুরুষ এবং নারী ২২ লাখ ১২ হাজার ৫৫৫ জন।

অন্যদিকে গতকাল রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত করোনার টিকা পেতে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তিন কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৬ জন নিবন্ধন করেছেন। আর পাসপোর্টের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন আরও চার লাখ ১২ হাজার ১৭৪ জন। সব মিলিয়ে তিন কোটি ৫৩ লাখ ৩৬ হাজার ১০ জন টিকা নিতে নিবন্ধন করেছেন।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




পদ্মার পানি বিপৎসীমার ওপরে, তলিয়ে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শরীয়তপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সুরেশ্বর পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। এতে পদ্মা তীরবর্তী জাজিরা ৭টি, ভেদরগঞ্জে-৩টি সহ নড়িয়া উপজেলার ৬টি ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহ আগেও পদ্মা নদীর পানি ক্রমশই কমছে ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এক সপ্তাহ যাবত পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উজানের ঢোলের পানি নেমে আসায় বৃদ্ধি পাচ্ছে পদ্মা নদীর পানি। গতকাল সন্ধ্যায় আরও ১৯ সেন্টিমিটার বেড়ে শরীয়তপুরে পদ্মা নদীর পানি সুরেশ্বর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে এসব এলাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। তলিয়ে গেছে নড়িয়া-জাজিরা আঞ্চলিক মহাসড়কসহ বিভিন্ন এলাকার কাচা-পাকা অনেক রাস্তা। নিচু এলাকার অনেক বাড়িঘরেও ঢুকেছে বন্যার পানি। সাপ-বিচ্ছু ও পোকা-মাকড়ের ভয়ে আতংকে দিন কাটছে তাদের। এরই মধ্যে অনেকের বসতঘর, রান্নাঘর, গভীর নলকূপ ও শৌচাগার তলিয়ে অনেক সমস্যায় দিন কাটাচ্ছেন তারা। এছাড়া তলিয়ে গেছে প্রায় অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও তলিয়ে যাওয়া এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে।

এছাড়া বেশকিছু স্থানে অব্যাহত রয়েছে নদী ভাঙন। জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলে ভাঙন রোধের কাজ করে যাচ্ছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা মজুদ ও বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রসহ সব ধরনের প্রস্তুত রয়েছে তাদের।

মোক্তারের চর ইউনিয়নের দেলোয়ার চোকদার বলেন, এই তো কিছুক্ষণ আগে ফজরের নামাজ পড়ে হাঁটতে বের হয়েছি। তখনও আমার বাড়িতে ঢোকার রাস্তাটা শুকনো ছিল। কিছুক্ষণ হেঁটে এসে বাড়িতে ঢোকার সময় দেখি রাস্তাটা তলিয়ে গেছে। এখন পানি পাড়িয়ে বাড়িতে যেতে হচ্ছে। এরকম বাড়তে থাকলে দু-একদিনের মধ্যে আশপাশের যতবারই ঘর আছে সব তলিয়ে যাবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয়ের মাঠে এবং মেঝেতে, শ্রেণি কক্ষে পানি উঠেছে। অনেক জায়গায় বিদ্যালয়ের যাতায়াতের রাস্তা চলে গেছে। বন্যার পানি নেমে না গেলে এসব বিদ্যালয় আপাতত ক্লাস করা সম্ভব হবে না।

শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব জানান, এক সপ্তাহ আগেও পানি কমতে ছিল। উজানের ঢলের পানি নেমে এসে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে পদ্মা তীরবর্তী যেসকল নিচু এলাকা রয়েছে সেসব এলাকা সহ আশপাশের অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে।

 


আরও খবর