Logo
শিরোনাম

দেশের জনগণের আস্থা ও ভরসার ঠিকানা শেখ হাসিনা: এম ইসফাক আহসান

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৫৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শান্তি ও উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ দেশে অস্থিরতা চায় না। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে শেখ হাসিনার হাতেই উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি দেশ ও দেশের সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। দেশের আপামর জনগণের একমাত্র আস্থা ও ভরসার ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে নিউহোস্টেল মাঠে মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে আওয়ামী লীগ সরকারের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষে উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য, আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয় প্রত্যাশাী এম ইসফাক আহসান (সি আই পি) এসব কথা বলেন ৷

ইসফাক আহসান তার বক্তব্যে বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্থ করতে দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিতে দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে এসব ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। দেশের অর্থে পদ্মাসেতু হবে এটি বাংলাদেশের মানুষ কল্পনাও করেনি কিন্তু শেখ হাসিনা তা করে দেখিয়ে দিয়েছে৷ তিনি এক সাথে ৫ শরও বেশি মডেল মসজিদ নির্মাণ করেছেন যা বিশ্বের কোন মুসলিম নেতা পারেনি৷ বাংলাদেশে ২ কেটিরও বেশি মানুষ বিভিন্ন ভাতা পাচ্ছে সবই সম্ভব হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য এবং তিনি প্রমাণ করেছেন বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে একটি উন্নত দেশ ৷

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে ফ্রি করোনা টিকা প্রদান করেছে, যেটা উন্নত বিশ্ব করতে পারেনি। বর্তমানে বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীনদের মাঝে গৃহ প্রদান করেছে, গরীব অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন ভাতা চালু করেছে, স্বল্পমূল্যে খাদ্য সামগ্রী (পণ্য) সরবরাহ করেছে। এলাকার রাস্তাঘাট সহ সার্বিক বিষয়ে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সরকার উন্নয়নের রোল মডেল।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সব ধরনের সুযোগ সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দিত সক্ষম হয়েছে। দেশে দারিদ্রতার হার এখন একেবারে নগণ্য। বাংলাদেশ বিশ্বে একটি উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন অর্জন করেছে। এই উন্নয়নের ধারা ব্যাহত করতে জামাত বিএনপি উঠে পড়ে লেগেছে। এই জামাত বিএনপির ষড়যন্ত্র আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবেলা করতে হবে। আর এই সব বাধাবিপত্তি মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে আগামী সংসদ নির্বাচনে আবারো নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে৷

মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ লিয়াকত হোসেন প্রধানের সভাপতিত্বে উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেসে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএইচ এম কবির আহমেদ৷

আওয়ামী লীগ নেতা লোকমান হোসেন বাবুলের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন, মতলব পৌরসভার কাউন্সিলর সারওয়ার হোসেন লিখন, আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার হোসেন, লোকমান হোসেন বাবুল সাবেক ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলমসহ আরো অনেকে ৷

উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেসে উপস্থিত ছিলেন, মতলব দক্ষিন উপজেলা আলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রেজাউল করিম, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক নুরুল আমিন বোরহান, সাবেক ছাত্রনেতা মিরাজ খালিদ, এড.মোঃ জসিম,উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম ফারুকসহ মতলব দক্ষিণ ও মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ, অংঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিউজ ট্যাগ: আওয়ামী লীগ

আরও খবর



বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | ৭২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৭টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তের মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড় নামে।

প্রথম জামায়াতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মোয়াজ্জিন ক্বারী মো. ইসহাক।

জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রথম জামাতে অংশ নিতে ভোর থেকেই বিভিন্ন প্রান্তের মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। নামাজের সময়ে মুসল্লিদের ঢল নামে। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। নামাজের পর একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

জাতীয় মসজিদে বেলা ১১টা পর্যন্ত ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহীউদ্দিন কাসেম। মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের মোয়াজ্জিন (অব.) হাফেজ মো. আতাউর রহমান।

তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন আজিমপুর কবরস্থান মেয়র হানিফ জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ইমরান বিন নূরউদ্দীন। মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. আব্দুল হাদী।

চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী। মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. জসিম উদ্দিন।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল পৌনে ১১টায়। ইমামতি করবেন মিরপুর জামেয়া আরাবিয়া আশরাফিয়া ও এতিমখানার মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ওয়াহীদুজ্জামান। মুকাব্বির থাকবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খাদেম মো. রুহুল আমিন।

৫টি জামাতে কোন ইমাম অনুপস্থিত থাকলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভাষা শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


আরও খবর



জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত শুরু হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের লাখো মুসল্লি।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহসহ দেশ ও জাতির কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি উপস্থিত সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সিটি কর্পোরেশন থেকে জানানো হয়, এবার জাতীয় ঈদগাহের ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার আয়তনের মূল প্যান্ডেলে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাত আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। ছিল ঈদগাহে নারীদের জন্যও আলাদা নামাজের ব্যবস্থা।

এদিকে জাতীয় ঈদগাহ ছাড়াও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি জামাত আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে।  ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭, ৮, ৯ ও ১০ ও ১০টা ৪৫ মিনিটে ঈদের জামাত হবে।


আরও খবর



আজ ঈদ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রোজা শেষে আবারও এলো ঈদ। খুশির বার্তা নিয়ে ঈদের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে। বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় এবার ৩০ রোজা পূর্ণ হলো। এক মাস সিয়াম সাধনার পর আজ উৎসবের আমেজে মেতে উঠবেনে দেশবাসী।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলিম উম্মাহর প্রতি নিয়ামত হিসেবে ঈদ দান করেছেন। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করলেন তখন মদিনাবাসীদের দুটো দিবস ছিল যে দিবসে তারা খেলাধুলা করতো। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, এ দুদিনের কী তাৎপর্য আছে? মদিনাবাসী উত্তর দিলেন, আমরা জাহেলি যুগে এ দুই দিনে খেলাধুলা করতাম। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এ দুই দিনের পরিবর্তে তোমাদের এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ দুটো দিন দিয়েছেন। তা হলো ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর। (সুনানে আবু দাউদ: ১১৩৪)

ঈদের দিনের শুরু হয় ঈদের নামাজের মধ্য দিয়ে।ঈদের দিন সকালে পুরুষদের জন্য ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বিশেষ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত তাকবিরসহ জামাতে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা এবং তারপর ঈদের খুতবা দেওয়া ও শ্রবণ করা। ঈদের নামাজ খোলা ময়দানে আদায় করা উত্তম। 

ঈদুল ফিতরের দিন দেশের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। আবহাওয়া খারাপ হলে জাতীয় ঈদগাহে সম্ভব না হলে বায়তুল মোকাররমে জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়।

এছাড়া প্রতিবারের মতো এবারও পবিত্র ঈদুল ফিতরে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়। দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়।  তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়।  চতুর্থ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন  সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। আর নিজের সরকারি বাসভবন গণভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

এবার পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষে সরকারি কর্মচারীদের ছুটি শুরু হয়েছে ১০ এপ্রিল। অফিস খুলবে ১৫ এপ্রিল। তবে অনেকেই ৮ ও ৯ এপ্রিল দুদিনের ছুটি নিয়ে ঈদের ছুটি কাটাচ্ছেন টানা ১০ দিন। লম্বা ছুটির কারণে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি হয়েছে কম। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ সময় নিয়ে নিজের শেকড়ে ফিরতে পেরেছেন।

কর্মব্যস্ত এই নগরীর সবাই যখন ঈদ উদযাপনে ঢাকা ছেড়েছেন তখন এই ঢাকা হয়ে উঠেছে এক অন্য শহর। বদলে গেছে রাজধানীর চিত্র, নেই চিরচেনা রূপ। এখন আর ঢাকার সড়কে ঘণ্টা পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয় না। মুহূর্তেই চলে যাওয়া যাচ্ছে শহরের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে।

এদিকে দেশের সবার জন্য সুখী, আনন্দময় ও নিরাপদ ঈদুল ফিতরের কামনা করে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একমাস সিয়াম সাধনার পর আবার আমাদের মধ্যে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এসেছে। ঈদ মানে আনন্দ। আসুন আমরা আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীসহ সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি।

রাজনৈতিক নেতাদের অধিকাংশই নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন করবেন এবার। কেউ কেউ ঢাকায় ঈদ করবেন, আবার কেউ নামাজ শেষে যাবেন এলাকায়। সব মিলিয়ে  নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন তারা, যোগ দেবেন সামাজিক অনুষ্ঠানেও।


আরও খবর