Logo
শিরোনাম

ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অক্টোবরে

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।

সাত কলেজের প্রধান সমন্বয়কারী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) ও অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ভর্তি পরীক্ষার অনলাইন আবেদন শনিবার ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে। বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১ অক্টোবর, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ২ অক্টোবর এবং বাণিজ্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৮ অক্টোবর হবে।

সাত কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তির জন্য এবার মোট ১২০ নম্বরের এমসিকিউ আকারে ভর্তি পরীক্ষা হবে। এর ৪০ শতাংশ, অর্থাৎ ৪৮ নম্বর পেলে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ বলে বিবেচিত হবেন।


আরও খবর



‘বেতন পরিশোধে অক্ষম পৌরসভাকে ইউপিতে রূপান্তর করা হবে’

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, পৌরসভার কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের সক্ষমতা না থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রয়োজনে ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) রূপান্তরিত অথবা পরিষদ ভেঙে পুনঃনির্বাচন দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এছাড়া পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার বিভাগের সব প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অডিট করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

সোমবার (৫ জুলাই) স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের (সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদে ও ইউনিয়ন পরিষদ) রাজস্ব আয় ও ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ ও হিসাব সংরক্ষণের পদ্ধতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আয়োজিত অনলাইন সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, নিজস্ব আয় দিয়ে পরিচালনা ব্যয় নির্বাহ করা ও উন্নয়ন কাজে অবদান রাখা এবং নাগরিকসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পৌরসভা সৃষ্টি হয়েছে। এখন যদি এসব প্রতিষ্ঠান নিজ কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং জনগণকে সঠিকসেবা দেওয়ার সক্ষমতা না থাকে তাহলে পৌরসভা হিসেবে টিকে থাকার যৌক্তিকতা হারাবে, যা বিদ্যমান আইনে আছে। এই আইনের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে পৌরসভা থেকে ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তর বা পরিষদ ভেঙ্গে পুনঃনির্বাচন দেওয়া হবে।

পৌরসভা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বেশিরভাগ পৌরসভা তাদের কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করছে। যে সমস্ত পৌরসভা পুরোপুরি বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পারছে না তার সুনির্দিষ্ট কারণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পৌরসভাগুলোতে আয় এবং ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনা হবে। এলক্ষ্যে এক্সটার্নাল অডিটের ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সব প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের ত্রৈমাসিক বিবরণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলেও তা অনুসরণ না করে পৌরসভাগুলো আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অযৌক্তিক লোক নিয়োগ দিয়ে থাকলে সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে পৌরসভায় আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ দিতে হলে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধীন এলাকার জন্য কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং পরিবার পরিকল্পনাসহ অনেক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। এই সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী সব কর্মচারী ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত অফিস করলে জনগণ আরো অধিক সেবা পাবেন। তাই এটা নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, জেলা পরিষদকে অধিক কার্যকর করার জন্য জেলা পরিষদ আইনের প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা ও অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক রাজস্ব ব্যয়ের অতিরিক্ত অর্থ উন্নয়ন খাতে স্থানান্তর করতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঞ্চালনায় সভায় এই বিভাগের সব অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব এবং সংশ্লিষ্ট শাখার উপ-সচিবরা অংশ নেন। 


আরও খবর



কুষ্টিয়ায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় ১৫ জন ও উপসর্গে ৩ জন মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়াও ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। গত ছয় দিনে প্রথমবার শনাক্তের সংখ্যা দুইশর নিচে নামলো। তবে আগের দিনের তুলনায় শনাক্তের হার দুই বেড়ে ২৯.৮৮ শতাংশ হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ১০৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। শনাক্তদের মধ্যে সদরে ৯৭ জন আর ভেড়ামারায় ৩৭ জন রয়েছেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে আজ সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত ৭ দিনে কুষ্টিয়ায় ১ হাজার ৭৭৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এই ৭ দিনেই এখানে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩২৫ জনের মৃত্যু হলো। মোট শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৬১ জন।

এদিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে। আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডাক্তার তাপস কুমার সরকার আরটিভি নিউজকে জানান, ২শ বেডে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২৯২ জন রোগী। এর মধ্যে ১৯২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে। হিমশিম খাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।



আরও খবর



খুলনায় ফের বেড়েছে করোনায় মৃত্যু, একদিনে ৬০ জন

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাসের গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৫৯১ জনের। এ নিয়ে শনাক্তের সংখ্যা ৭১ হাজার ছাড়াল। এর আগে শনিবার (১০ জুলাই) বিভাগে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর শুক্রবার (৯ জুলাই) বিভাগে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

রবিবার (১১ জুলাই) বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। বাকিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৩ জন, নড়াইলে সাতজন, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ছয়জন করে, মেহেরপুরে পাঁচজন, মাগুরায় চারজন, ঝিনাইদহে তিনজন ও বাগেরহাটে দুজন মারা গেছেন।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৭১ হাজার ৫৫০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৬ হাজার ২৯৯ জন।


আরও খবর



বুয়েটের 'অক্সিজেট' অনুমোদনের আবেদন হয়নি : ঔষধ প্রশাসন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বুয়েট কর্তৃক উদ্ভাবিত অক্সিজেট মেডিকেল ডিভাইসটির ক্লিনিক্যাল পারফরমেন্স ট্রায়াল অনুমোদনে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার সংস্থাটির উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ নাঈম গোলদার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, আবেদন করা হলে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুয়েটের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট অক্সিজেটনামের অক্সিজেন কনসেনট্রেশন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এরূপ সি-প্যাপ (কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ার ওয়ে প্রেসার) মেডিকেল ডিভাইস উদ্ভাবন করেছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, বুয়েট কর্তৃক উদ্ভাবিত অক্সিজেট মেডিকেল ডিভাইসটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতি মিলছে না বলে বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা হয়েছে। অথচ এ ডিভাইসটির পারফরমেন্স ট্রায়াল অনুমোদনের জন্য এখন পর্যন্ত ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে কোনো আবেদন দাখিল করা হয়নি।

ঔষধ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, মানবদেহে ব্যবহারের নিমিত্তে নব-উদ্ভাবিত কোনো মেডিকেল ডিভাইস মানবদেহের জন্য কতটুকু নিরাপদ ও কার্যকর তা পারফরমেন্স স্ট্যাডির মাধ্যমে যাচাই এবং মেডিকেল ডিভাইসটির উৎপাদন ও মাননিয়ন্ত্রণ সুযোগ সুবিধা মূল্যায়ন সাপেক্ষে রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও বাজারজাতের অনুমোদন দেওয়া হয়।  যেহেতু অক্সিজেট নামের মেডিকেল ডিভাইসটি মানবদেহে চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে- এ কারণে সেটার ক্লিনিক্যাল পারফরমেন্স ট্রায়াল প্রটোকল অনুমোদনে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি) ইথিক্যাল ক্লিয়ারেন্সসহ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে বুয়েটের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক আবেদন দাখিল করা প্রয়োজন। সন্তোষজনক পারফরমেন্স ট্রায়াল রিপোর্ট এবং যথাযথ মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে উৎপাদন সাপেক্ষে বাজারজাত করতে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হবে। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার জন্য রেজিস্ট্রেশনের পথ অনুসরণ করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এ ধরনের দেশীয় উদ্ভাবনকে সবসময় অনুপ্রেরণা প্রদান ও সুবিধা দিয়ে থাকে। ১২ জুন বুয়েটের বায়োমেডিকেল ইঞ্জনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের সহকারী অধ্যাপক ড. তৌফিক হাসান ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে তাদের উদ্ভাবিত ডিভাইসটির বিষয়ে মৌখিকভাবে অবহিত করেন। এরপর ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ডিভাইসটির বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য দেশের কয়েকটি মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ের টেকনিক্যাল কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের সম্ভাব্য পথকে সুগম করে দেওয়া হয় এবং তাকে ক্লিনিক্যাল পারফরমেন্স ট্রায়াল প্রটোকল অনুমোদনের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত তার আবেদন পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



জীবিকার আগে জীবনের সুরক্ষা: কাদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল বলেন, করোনার সংক্রমণ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছে যাওয়ায় জনগণের সুরক্ষায় শেখ হাসিনা সরকার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

অসহায়, কর্মহীন মানুষের জন্য সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

দেশে নানা দুর্যোগে এবং সঙ্কটে প্রধানমন্ত্রী দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার সিদ্ধান্ত জনগণের কল্যাণে নিবেদিত। গত কয়েকদিনে করোনায় ধারাবাহিকভাবে শতাধিক মৃত্যু এবং উচ্চমাত্রায় সংক্রমণ ভয়ানক অবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে, এমন অবস্থায় সচেতনতা ও সতর্কতার সর্বোচ্চ ডিগ্রি অনুসরণ করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই । জীবিকার আগে জীবনের সুরক্ষা, অতীতে আমরা জাতি হিসেবে কখনো কখনো কঠিন সময় অতিক্রম করেছি ৷ শেখ হাসিনার মানবিক ও দক্ষ নেতৃত্বে এ কঠিন পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হবো ইনশাআল্লাহ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশা প্রকাশ করে বলেন, এ আঁধার কেটে যাবে, সুদিন আসবে তবে তার আগে ঘরে ঘরে সতর্কতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। যে কোনো সঙ্কট উত্তরণে প্রয়োজন ধৈর্য্যসহকারে ঐকবদ্ধ থাকা ৷ সবাইকে ঐক্যের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতার মধ্য দিয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করার আহবান জানাই ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জীবনের সুরক্ষার অনিবার্য প্রয়োজনেই এ লকডাউন। লকডাউনে অনেক অসহায় ও খেটে খাওয়া মানুষ সঙ্কটে পড়েছে, কিন্তু সরকার এই বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে ৷ কোনো অসহায় মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, অভুক্ত না থাকে, এজন্য শেখ হাসিনা সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছেন। ত্রাণ সামগ্রী দিতে গিয়ে যাতে নিম্ন আয় ও ভাসমান মানুষ কোনোভাবেই  বাদ না পড়ে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দলের নেতাকর্মীদের যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন,করোনা কাউকে ছাড় দেয় না, কোনো শ্রেণিভেদ মানে না তাই দলমত নির্বিশেষে সবাইকে করোনা মোকাবিলা করতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।


আরও খবর